The first 200 lines.
এটা আমাদের টিমের করা প্রথম বাংলা সাবটাইটেল। যথাসম্ভব সুন্দর সাবলীল অনুবাদের চেষ্টা করেছি। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে সাবটি উপভোগ করার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ! ❤️
"ভানাম কোট্টাট্টাম" 🌧️ বৃষ্টি নামুক! 🌧️
চল।
চল বলছি!
চল!
চল!
আরে, চল না!
ভালোয় ভালোয় চল --
-- নইলে আমি তোর শিং গুঁড়ো করে দিবো।
তোর ভালোর জন্য বলছি। চল না!
ধ্যাত্তেরি, চল না!
ভেলুসামি কাকা এসেছেন...
এইবারের নির্বাচনে কাকা জিততে যাচ্ছেন।
সেইদিন তোকে বলি দেওয়া হবে।
- বাবু, টেনে বের কর এটা। - কাকা!
টেনে বের কর এটা!
জলদি, টেনে বের কর।
জলদি করো, ট্রাক্টর এখনি চলে যাবে।
দেরি হয়ে যাচ্ছে, সবকিছু দ্রুত উঠাও।
এটা ধরো।
উঠাতে থাকো।
আরে, উঠো।
সাবধানে।
এসো, জলদি করো।
আরে বোস, আমি ভেবেছিলাম তুই তোর মায়ের জন্য গাড়ি নিয়ে আসবি।
তার বদলে তুই একটা ট্রাক্টর নিয়ে এলি।
এই ভাঙ্গা রাস্তায় আমার যদি কিছু হয়ে যায়?
তুমি কি সত্যিই ভাবছো, এতে তোমার সমস্যা হবে?
চিন্তা করো না। কোনোরকম সমস্যা ছাড়াই তুমি অনেকদিন বাঁচবে।
উঠে পড়ো। জলদি পূজা শেষ করে অন্যান্য কাজগুলো শেষ করতে হবে।
নির্বাচনের অনেক কাজ পড়ে আছে।
এই, চালু কর।
সেলভা কোথায়? অনেক্ষন যাবত দেখছি না।
ও কখনোই ঘরে থাকেনা। সবসময় মাঠে নইলে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়।
কোথা থেকে আসছিস তুই?
তোর হাতে রামদা কেনো?
বাবা...
কাকা...
দাদা, দাদা, দাদা...
এই-- উঠা উনাকে। জলদি উঠা।
জলদি, উপরে উঠা। পা ধর।
উপরে উঠা।
সাবধানে নিয়ে চল।
- কে করেছে? - আর কে মনে হয় তোর?
- কে?! - ওদের ভাইয়েরা!
আমরা কথাই বলছিলাম, ওরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলো যে হেরে যাবে, তখনই আমাকে মেরেছে।
দাদাকে হাসপাতালে নিয়ে যা।
হেই... হেই ধর ওকে।
দেখো, বাবা চলে এসেছে।
ওগো...
- কিছু হয়নি, চন্দ্রা! - কি হয়েছে?
এই সেলভা, এদিকে আয়।
- কি হয়েছে? - বললাম তো কিছু হয়নি।
হায়, হায়!
তুমি কি আমাকে বলবে কি হয়েছে!
আয় মাঙ্গাই, উঠ!
- সোয়ামির কাছে প্রার্থনা কর। - ভগবান...
...আমার বাচ্চাদের দেখে রাখবে তো?
কি হয়েছে?
তোমার শার্ট তো পুরো রক্তে লাল হয়ে আছে।
বিরোধী দলের নেতারা দাদাকে মেরেছে।
তারা চায় না আমার দাদা নির্বাচনে জিতুক।
দাদার কি হয়েছে?
সে বেঁচে গেছে।
হাসপাতালে ভর্তি করেছি।
কিন্তু-- আমি যাদের মেরেছি...
... মনে হয় না বাঁচবে।
হেই, কান্না থামাও।
কিছুদিনের জন্যই। আমি যেকোনো সময় বের হয়ে আসবো জেল থেকে।
আমার দলের লোকজন ছাড়িয়ে নিয়ে আসবে।
শোনো, কান্না বাদ দিয়ে...
...মাকে বোঝানোর চেষ্টা করো।
সেলভা, তোর মা আর বোনের খেয়াল রাখতে হবে তোর।
সবসময় খেলাধুলা করিস না।
বাবা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চলে আসবে।
~ অনুবাদ আয়োজনে ~ ♥
T ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ T EAM BORNOMALA
E ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TE AM BORNOMALA
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEA M BORNOMALA
M ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMALA
B ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM B ORNOMALA
O ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BO RNOMALA
R ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BOR NOMALA
N ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORN OMALA
O ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNO MALA
M ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOM ALA
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMA LA
L ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMAL A
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ টিম বর্ণমালা
দয়া করে আমি কি বলছি শুনুন।
হেই, কি হচ্ছে? আমার কথা শুনুন।
- সরে দাঁড়ান। - আপনারা ওনাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?
- কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন? - পার্টনার!
স্যার, ওনাকে ছেড়ে দিন। আপনারা কীভাবে এটা করতে পারেন?
পার্টনার, চিন্তা করো না, আমরা আছি।
- পার্টনার... - ছেড়ে দিন ওনাকে।
পার্টনার, চিন্তা করো না। আমরা আছি তোমার পাশে।
'কেন্দ্রীয় কারাগার - মাধুরাই'
কেমন আছো তুমি?
তুমি বুঝতে পারছো না? বোকার মতো কথা বলো না।
তুমি কি এখানে তোমার গোমড়া মুখ দেখাতে এসেছো?
ওখানে কি হচ্ছে আমাকে বলো!
অনেকদিন হলো তোমার কন্ঠ শুনিনা।
বাড়ি, টাকা-পয়সা, চাকরি ছাড়াও আমি চলতে পারবো।
কিন্তু স্বামী ছাড়া কিভাবে চলবো, সেটাই আমি বুঝতে পারছি না।
জনসম্মুখে আমি বেরোতে পারছি না।
কিছু কিনতে বাজার যেতে পারছি না।
প্রতিবেশীদের সামনে যাওয়াও মুশকিল হয়ে গেছে।
পুরো শহর আমাদের ছিঃ ছিঃ করছে।
এইটা নিয়ে ঘ্যান ঘ্যান করা বন্ধ করো!
আমিই প্রথম মানুষ নই যে জেলে বন্দী আছি।
ওরা যখন জানতোই যে নির্বাচনে হেরে যাবে,
তখন ঠিকঠাকভাবে সরে গেলেই তো পারতো।
ওদের হিংস্রতা দেখানোর প্রয়োজন ছিলো না তো।
আমার ভাইকে যখন মেরেছে, আমার তো প্রতিশোধ নিতেই হতো।
ভালো করে শুনে রাখো, আমরা কখনোই আমাদের রাগ কিংবা অহংকারকে ছাড়তে পারবো না।
আমরা সবসময় আমাদের বাপ দাদার পথেই চলবো।
আমার ছেলে মেয়েও তাই করবে।
অনেক হয়েছে!
শুধুমাত্র তুমি তোমার রাগ সামলাতে পারো নি বলে, আমার ছেলে-মেয়েরা ভুক্তভোগী হোক সেটা আমি চাই না।
এহহ-- বাড়াবাড়ি করো না এখন!
ভেলুসামি দাদা হাসপাতাল থেকে ছাড় ফেলেই তোমার দেখাশোনা করবে।
হাতজোড় করছি তোমায়...
...তোমার ভাই তোমাকে জেলে পাঠিয়েছে সেটাই অনেক।
আমি আমার ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এই শহর ছেড়ে চলে যাবো।
অন্য কোথাও থাকার ব্যবস্থা করে নিবো।
কোথায় যাবে তুমি?
তুমি কি পাগল হয়ে গেছো?
সবকিছু ছেড়ে কিভাবে যাবে তুমি?
আমি এসব নিয়ে ভাবছি না!
আমি শুধু এখান থেকে অনেক দূরে চলে যেতে চাই।
কি হয়েছে তোমার? ছেলে-মেয়েদের নিয়ে কোথায় যাচ্ছো?
এখানে থাকলে আমার ছেলেও ওর বাবার মতন কাজ করবে।
অনেক সহ্য করেছি, এবার আমাকে মুক্তি দিন।
এতো সাহস কিভাবে হয় তোমার? আমার নাতি নাতনিদের আমার থেকে আলাদা করছো তুমি?
আপনি আপনার ছেলেকে বিবেকবান হিসেবে বড় করতে পারেননি...
আমি আমার সন্তানদের সেভাবে বড় করতে পারবো না!
মুক্তি দিন আমাদের। আমরা এখান থেকে দূরে চলে যাচ্ছি।
ওখানে গিয়ে বসো।
বাচ্চারা, একদম চিন্তা করো না।
আমি চেন্নাই গিয়ে তোমাদের সাথে দেখা করবো।
কেমন আছো, বোন?
আমি ভালো আছি।
রাওথার, এই সে যার জন্য আমি চাকরি চেয়েছিলাম।
- সে আমার শহরের। - নমস্কার, মা!
তাদের বাবা তাদের সাথে থাকে না। তার উপর খুনের জন্য সে জেলে...
...তুমি কিভাবে আশা করো যে আমি ওদের এখানে ভর্তি করাবো?
আমার ছেলেও এই স্কুলে পড়ছে।
প্লিজ একটু বোঝার চেষ্টা করুন, আর আপত্তি করবেন না।
ও আমার একমাত্র ছেলে, রামাচন্দ্র।
আমরা যখন এখানে প্রথম এসেছিলাম, তখন সবকিছুই নতুন লাগতো।
কিন্তু এখন আর তেমন মনে হয় না।
ধন্যবাদ!
- কাকা! - আরে..., সেলভা!
কাকা!!
- মাঙ্গাই! - মাঙ্গাই, লক্ষ্মীসোনা!
- ভেতরে আসুন। - ভেতরে আসো, মা!
ম্যানেজার, তোমাকে ভেতরে ডাকছে।
বোস, দুইটা খুনের জন্য লোকজন করুণা করে ওদের নির্বাচনে জিতিয়ে দিয়েছে।
আমাদের কোনো আত্মীয় এমনকি বন্ধুবান্ধবও আমাদের পক্ষে ভোট দেয়নি।
আমি তোকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেছি।
ওরা শুধু মিথ্যা আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছে।
কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।
হেই, সেলভা! ছেড়ে দে ওকে।
ছেড়ে দে, মা জানলে তোকে মেরেই ফেলবে।
এই, তাহলে জানাবিই না মাকে।
এই-- কি করছিস তুই?
এক সপ্তাহ ধরে ৫০ টাকা চাচ্ছি।
এখনো না দিলে আমি নিজের গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দিবো।
এই নে, নে, নে!
আমি এখন দরজা খুলবো।
তুমি যদি আমাকে আবার মারো, আমি কালকে নিজের গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দিবো।
হেই...!
রাম, ১০ টাকার দুইটা টিকিট কাটো!
মাঙ্গাই, আমার সত্যিই অনেক ভয় করছে, মাঙ্গাই।
তোমার যদি বাবা-মার জন্য এতোই ভয় হয়...
তাহলে আমার জন্য একটা টিকিট কেটে দিয়ে বিদায় হও!
আমার শুধু সেলভার জন্য ভয় হচ্ছে।
ও জানলে আমাকে মেরে ফেলবে।
- মা, এটা আমি করি নি। - এখানে আয়।
- রাম আমাকে দিয়ে এটা করিয়েছিলো। - আমি আসতে বলেছি...
মা!
সকাল হয়ে গেছে। তাড়াতাড়ি উঠে পড়।
মাঙ্গাই, উঠে দুধ নিয়ে আয়। আমার কফি খেতে হবে।
গতকাল ওর (মাঙ্গাই) পালা ছিলো। আজকে সেলভার পালা।
একদম ঠিক, সেলভার পালা।
বেটা, মনে হচ্ছে তোকেই দুধ আনতে হবে।
সে সারা রাত ক্যাব চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে, ওকে জাগানো ঠিক হবে না।
এই সেলভা! তোর মা তোকে উঠতে বলছে।
No comments yet. Be the first to leave one.