The first 200 lines.
এই টেলিভিশন সিরিজে উল্লেখিত স্থান, কাল, চরিত্র এবং ঘটনা সবই কাল্পনিক।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
রিপোর্টার হান।
হ্যাঁ।
আপনার জিনিসপত্র এখানে রাখুন।
এক্সকিউজ মি।
অনুগ্রহ করে ডানপাশের রুমে অপেক্ষা করুন।
রিপোর্টার হান।
কতদিন হয়েছে? দশ বছর?
১৩ বছর হয়েছে।
১৩ বছর।
আপনি এক্সিকিউটিভ অফিসে যেতে চান?
হ্যাঁ।
কেন চান?
বেতন ছাড়া আর কী কারণ থাকতে পারে?
আমি ভালোভাবে জীবনযাপন করতে চাই।
উনি দূরদর্শী ছিলেন,
আর সবচেয়ে বড় কথা, ওনার লেখার হাত খুবই ভালো।
উনি একবার ...
স্যার, "নো গেইন, নো পেইন।"
আমি এটাকে চিরদিনের জন্য অদৃশ্য করে দেবো।
এটা শান্ত হয়ে এসেছে না?
হ্যাঁ।
এখন পর্যন্ত চিফ আমাদেরকে ভালোই সমর্থন দিয়েছেন।
কিন্তু এখন বুঝতে পারছি যে এটাকে পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা লাগবে আমাদের।
আপনি যখন এটা সামলাবেন বলেছিলেন,
'এটা' বলতে রিপোর্টার হানকে বুঝিয়েছিলেন?
হ্যাঁ।
আমি রিপোর্টার হানের কথা ভেবেই বলেছিলাম একথা।
আচ্ছা।
চিফ আমাকে ভালো শিক্ষা দিয়েছেন।
আমি আগে এসব কাজ ভালোই করতে পারতাম।
খাবার নিয়ে আনুন।
রেস্টুরেন্ট লাভ করে ছুরি দিয়ে।
আর প্রেস লাভ করে কলম দিয়ে।
আমি দৈনিক কোরিয়ার হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করবো আমার কলম দিয়ে।
আরাম করে খান।
শুকনো হয়ে গেলে খেতে ভালো লাগবে না।
ঠিক আছে।
দেখুন।
এটা আমাদের মতো।
শক্তি থাকা অবস্থায় আপনার আরো উপরে ওঠা উচিত ছিল।
দুর্বল হলে আপনাকে দিয়ে কিছু হবে না।
কেউ কেউ বয়সের সাথে সাথে বেশি উচ্চাভিলাষী হয়ে পড়ে।
সেটার কারণ আছে অবশ্য।
মজা করে খান।
হ্যাঁ।
EPISODE 10 - BEEF VS PORK
সু ইয়েওনের শেষকৃত্যের দিন
জি সু?
হ্যালো।
দুইবছর আগে তোমার বাবার ব্যাপারে তোমার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, ঠিক না?
হ্যাঁ।
আমি কখনোই আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া বন্ধ করবো না।
দরকার নেই। আমার যা দরকার তা আমি করেছি।
আপনি কি সু ইয়েওনের ব্যাপারে লিখতে এসেছেন?
হ্যাঁ।
বিশাল এক খবর।
তুমি আসলেই সেই লেভেলের।
দৈনিক কোরিয়ায় ঢুকলে কী করে?
বেশ ...
বাপকা বেটি।
এইযে নাও।
তোমার পরিকল্পনা কী?
পরিকল্পনা?
তারা তোমার কাছে ক্ষমা চাইবে এবং ক্ষতিপূরণ দেবে।
তোমার বাবার দুর্নাম ঘোচানোই প্রধান উদ্দেশ্য না?
কী?
তোমার বাবার ব্যাপারে ভুল রিপোর্ট কে লিখেছিল ... হান জুন হিউক?
তার সাথে দেখা হয়েছে?
এখানে আর এখানে সাইন দেন।
গোপনীয়তার চুক্তি।
বেতনের চুক্তি
এই গোপনীয়তার চুক্তিবলে ...
আমি এখানে ঘটা কোনোকিছু ফাঁস করলে অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবো।
ঠিক?
আইনের ছাত্র যেহেতু আপনি, বুঝতেই পারছেন।
আপনি ওনার প্রধান সেক্রেটারি, না?
একসাথে আমরা ...
ঠিক আছে।
ঐ ফোনটা কেবল ১৬ তলার কাজে ব্যবহার করবে।
সরবরাহ করা ট্যাবলেট পিসি আর ল্যাপটপ দিয়ে ইন্টারনেটও ব্যবহার করতে পারেন চাইলে।
কড়া নিরাপত্তা।
আন্ডারকভার এজেন্টের মতো...
সবকিছুর ব্যাপারে ইমেইলটা পাঠিয়ে দেবো আমি।
আজকে পর্যন্ত সবকিছু শিখুন।
কাল বিকেলের মধ্যে ব্রিফ প্রস্তুত করবেন।
আপনাকে একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করতে পারি?
হ্যাঁ বলুন।
আপনি তো বহুদিন ধরে রিপোর্টারের কাজ করছেন।
শুনেছি আপনি খুবই দক্ষ।
এখানে কেন?
সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকে জানা উচিত ছিল যে,
গল্প বেচা সোজা কাজ না।
সবচেয়ে বড় কথা,
সংখ্যা এখানে ভিন্ন।
ও এভাবে আমাদের পিছে ছোরা মারলো?
আগেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যেও না।
ওর নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য আছে।
উদ্দেশ্য?
দেখে বোঝোনি তুমি?
ও আমাদের গল্প চিফের কাছে বেচে উপরে উঠেছে।
আর কোনো উদ্দেশ্য নেই।
তোমার তাতে আপত্তি নেই?
আমি জানতাম না।
ভেবেছিলাম ও একটা একগুঁয়ে বিপ্লবী,
পিছে ছোরা মারবে ভাবিনি।
আমি তো সেটাই বলছি!
ইচ্ছে করছে এখনই ওর ঘাড় ভেঙে দেই।
কিন্তু ওর বাবা অসুস্থ।
ওর নিশ্চয়ই এ কাজ করার কারণ ছিল।
কারণ?
সবারই কোনো না কোনো কারণ থাকে।
এয়ারফোন দিয়ে শুনতে হবে - কাং জু আন
আমার নিউজরুমের একজনকেও সহ্য হয় না।
তোমার দায়িত্ব হলো ওকে বরখাস্ত করা।
তুমি কি শুনেছ?
হ্যাঁ।
তুমি কি আসলেই এটা রেকর্ড করেছ?
হ্যাঁ।
যদি লাগে সেজন্য।
আমার ইন্টার্নশিপ নিয়ে একটা ভ্লগ বানাচ্ছিলাম,
ভেবেছিলাম এখানে রেগুলার পজিশন পাবো না।
সেজন্য সবসময়ে ফিল্মিং করতাম।
সু ইয়েওন মারা যাবার পরে বন্ধ করে দিয়েছি।
নিশ্চয়ই সেটা ব্যবহার করেই রিপোর্টার হান
চিফের সাথে চুক্তি করছে বা ব্ল্যাকমেইল করছে।
আমি এটা রিপোর্টার হানকে দিয়েছি।
কিন্তু তুমি আমাকে বলেছিলে চুপ করে থাকতে।
এখন কেন?
জানি না।
জানি না কেন একাজ করলাম।
কিছু না করলে আমার কিছুই হারানোর থাকত না।
যখন আমি কিছু করি, মনে হয় কিছু হারিয়ে ফেলছি।
তো, জি সু।
এখন থেকে আর কিছু কোরো না।
ওরা যা বলে তাই করবে।
তুমি ছিলে আমাদের স্পাই।
ঠিক?
তুমি কীভাবে একাজ করলে আমাদের সাথে?
অন্তত একটা অজুহাত দাও!
কি হা।
চলো।
চলো মদ খেয়ে সব ভুলে যাই।
আমি জানি তুমি কোন কারণে একাজ করছ।
কারণে?
কোনো কারণ নেই।
চালাকি কোরো না।
তোমার কি মনে হয় আমি তোমাকে জানি না?
তোমাকে হতাশ করার জন্য দুঃখিত।
তুমি যা ভেবেছিলে, তার সাথে মিল নেই এর।
হান জুন হিউক।
জানো,
আমি যে পথে হেঁটেছি ...
তার পুরোটাই ধ্বংসপ্রায়।
আমার কোনো লজ্জা ছিল না।
আমার পরিবারকে পরিত্যাগ করেছিলাম,
সেই সাথে নিজের চলার খরচটাও জোগাইনি।
কী এক অবাস্তব স্বপ্ন ছিল আমার!
ভেবেছিলাম দারুণ এক রিপোর্টার হয়ে দারুণ এক গল্প লিখবো।
কি হা ভুল বলেছে।
আমি দেখছি যে "মাঝামাঝি" বলে কোনোকিছু এ পৃথিবীতে নেই।
হয় এটাকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে থাকতে হয়,
নইলে নিজের জীবনকে বাজি রেখে উপরে উঠতে হয়।
দুইটার মাঝে একটা।
তো?
তুমি অন্যদের কথা না ভেবে নিজের কথা ভেবে ওপরে উঠেছ?
আমাকে সে কথা বিশ্বাস করতে বলো?
হতাশ হলাম।
সেটা তোমার ব্যাপার।
বিশ্বাস না করলে আমার কিছুই যায় আসে না।
আমি কিছুই করিনি,
তার আগেই হতাশ হয়ে গেছ।
আমার জন্য সেটা আরো বেশি হতাশাজনক।
কী?
কী? আমি তোমার পিঠেও ছুরি মেরেছি?
আমি হতাশ, তা বলবো না।
আফসোস আর হতাশা হচ্ছে বলা যায়।
-কিন্তু... -চুপ।
আর আফসোস করতে না চাইলে,
এখনই থেমে যাও।
তুমি কি সেখানে যাচ্ছ, কি হা?
কেন? ওকে চেনো?
তুমি ওকে চেনো না?
জানি না।
ও ...
একজন জি ইওন, ভিনিউজের প্রধান।
ভিনিউজ?
সেটা কি অনলাইন প্রেস?
অ্যাড কোম্পানি বলা যায়।
তারা গল্প লেখার জন্য বড় কোম্পানির থেকে টাকা নেয়।
যেমন বেকজি নিউজ বা সেইসং গ্রুপ।
পরিকল্পিত গল্পের জন্য তাদের নির্দিষ্ট রেট আছে।
তাই?
তাহলে ও এখানে কী করছে?
আমারও সে প্রশ্ন।
তাছাড়া, ও এত আত্মবিশ্বাসী কীভাবে?
১৬ তলা?
আমরা চাই আপনার সাফল্য / নাম্মো গ্রুপ
No comments yet. Be the first to leave one.