The first 200 lines.
কেমন আছো, নাফিসা?
বাই।
বাই।
এখানে কত আছে?
তুকারাম কত বলেছিল?
২০-২৫ লাখ রুপি।
তো? কিভাবে ম্যানেজ করবি ২০-২৫ লাখ?
চলো।
আব্দুল সাহেব, কেবিনেট মন্ত্রীর সাথে মিটিং করতে যাচ্ছেন...
....প্রধানমন্ত্রীর সাথে না।
যদি প্ল্যান কাজ করে, তাহলে কয়েক বছরের মধ্যে...
প্রধানমন্ত্রীর সাথেও মিটিং হবে।
আচ্ছা? প্রধানমন্ত্রীর সাথে?
আমি হয়তো উচ্চতায় এবং পদমর্যাদায় আপনার থেকে ছোট....
... কিন্তু আমার উদ্দেশ্য অনেক বড়।
স্যার, একজন সৎ ব্যক্তি আছে....
...যে কয়েক বছর ধরে অনেক পরিশ্রম করছে।
কিন্তু তার কোনো প্রমোশন হচ্ছে না।
যা তার সাথে অন্যায় হচ্ছে, স্যার।
তার নাম কী?
নাম কী যেন?
মধুসূদন মিশ্রা।
মধুসূদন মিশ্রা।
সে নাসিক প্রেসের ডেপুটি ম্যানেজার।
তাকে অনেক দিন ধরে চিনি।
সে অনেক কর্মঠ ব্যক্তি।
কিন্তু এতটাই সৎ ব্যক্তি যে...
....প্রমোশনের কথা বলতেও লজ্জা পায়।
নাসিক কি..
...তোমার ডিপার্টমেন্টে?
না, স্যার। আমি তো ধুলিয়া তে কাজ করি
তুকারাম, ধুলিয়ার দুধ কেমন?
দুধ... স্যার...
মানে, গরু, মহিষ, দুধ, দই...
ভালো, স্যার।
ধুলিয়ার মাখন নিশ্চয়ই অনেক সস্তা, তাইনা?
তাহলে মাখন লাগানো...
...এবং অপ্রাসঙ্গিক প্রস্তাব দেওয়া বন্ধ কর।
স্যার... আপনি অনেক বড় মন্ত্রী।
তুকারাম, আমাকে কেন এসবে জড়াচ্ছ?
হাহ?
ওটা আমার মন্ত্রণালয় না।
তো এসব চোদনামি কথা বাদ দিয়ে....
এবং আমার সময় নষ্ট না করে,
ভাগো এখান থেকে।
অনুবাদক: আশিকুর রহমান। সহযোগিতায়: মোহাম্মদ সায়েম।
স্যার। হ্যালো, স্যার।
আমি আব্দুল।
তো?
আসলে, আমি এটা দিতে এসেছি।
তুমি কি পিয়ন?
না, স্যার।
মনে হচ্ছে কুরিয়ার ওয়ালা...
...ভুল করে আপনার জিনিস আমাকে দিয়ে গিয়েছে।
- আপনি কি মধুসূদন মিশ্রা? - হ্যা।
তাহলে এটা আপনার।
খোল।
- স্যার? - খোল।
আপনার পার্সেল আমি কীভাবে খুলব?
কেন? তুমিই না সাথে করে এনেছ?
- তাহলে, এবার খোল। - হ্যা, কিন্তু...
আপনার পার্সেল, স্যার। আমি কীভাবে খুলতে পারি?
মিস্টার, আমি কীভাবে জানব যে ভেতরে কী এনেছ?
যদি টাইম বোমা হয়?
স্যার, আপনাকে কেন টাইম বোমা দিতে যাব?
তোমার মনের খবর আমি কী জানি?
আজব তো, স্যার, আমি স্রেফ সাহায্য করছি।
ভালো, তাহলে এক কাজ কর। একসাথে খুলি। ওকে?
- খোল। - ওকে, স্যার।
এই নিন।
কী এটা? বের কর।
খোল।
- স্যার, একসাথে খোলার... - না, তুমি খোল।
- চলুন একসাথে খুলি। - আমি এখানেই আছি। খোল।
এটা....
আমি টিকটিক শব্দ শুনলাম, তাই ভাবলাম টাইম বোমা হতে পারে।
সমস্যা নেই, স্যার। এমনটা হয়।
ধন্যবাদ।
নামটা কী যেন বললে?
জেকে, সে মাল না খেয়েই টাল হয়ে গেছে।
কী করেছিস?
কিছুই না।
আমি মধুসূদনকে ঘড়ি দিয়েছি, সে হয়তো আমাকে সময় দিবে।
শোন, তাকে দশ বছর ধরে চিনি।
তার কোন দূর্বলতা নেই।
- দশ বছর? - হ্যা, দশ বছর।
চিন্তা করিস না। মধুসূদনকে আমি সামলাব।
স্রেফ এটা বল মেশিনের সব পার্টস কিভাবে কিনব।
এটা কোনমতেই সম্ভব না।
জেকে, তাকে বুঝিয়ে বল।
নিলামে একটা কোম্পানি সব পার্টস একসাথে কিনতে পারে না।
তিন-চার বছর পর একটা মেশিন বাদ পড়ে...
'পার্টসগুলো সরকারি অডিটর এবং মধুসূদন মিশ্রার সামনে...
..খোলা হয়।'
'এবং সব পার্টস মধুসূদন মিশ্রার তত্বাবধানে নিলামে নিয়ে যাওয়া হয়।'
এবং সবচেয়ে বড়কথা, আসল পার্টস নিলামে তোলা হয় না।
প্লেট...
প্লেট ছাড়া এটা করা অসম্ভব।
'আর তারা সব প্লেট নষ্ট করে ফেলে।'
আর আমাদের সব আসল পার্টসগুলো লাগবে....
...কাগজ, কালি, এবং প্লেট, সব লাগবে।
'যেটা করা অসম্ভব। '
'নইলে সবাই স্টাম্প পেপার প্রিন্ট করতো।'
বাপাট।
সবার এবং আমার মধ্যে অনেক তফাত আছে।
আরে, তোর চাল ছিলো...
হ্যালো?
হ্যা, মধুসূদন বাবু।
অবশ্যই। পৌঁছে যাব।
হ্যালো, স্যার।
আব্দুল করিম তেলেগী, বসো।
কবিতা ভালো লাগে?
- কী বললেন? - কবিতা ভালো লাগে?
মাঝে মাঝে।
এটা শোন।
"কে বলে দেশ উন্নত হয়েছে?"
"কে বলে দেশ উন্নত হয়েছে?"
"লুটেরা এখানে রাজত্ব করছে..."
"এখানে সবার ন্যায়পরায়ণতা শেষ হয়ে গেছে।”
"তুমি বলো, আমরা কি স্বাধীন হয়েছি?"
হয়েছি?
স্যার, ১৯৪৭ সাল থেকেই তো আমরা স্বাধীন।
এবং এখনো সেখানেই আছি।
কারণ তোমার মতো লোকের কারণে সেখানে আঁটকে আছি।
কী ভেবেছিলে?
যে ঘড়ি দিয়ে ঢুকতে পারবে?
তোমার কাজ করিয়ে নিতে পারবে?
না, স্যার। আমি...
ঘড়িটা নাও।
ঘড়িটা নাও!
যে দাম্ভিকতার সাথে এখানে এসেছিলে সেটা বের করার জন্য ডেকেছি।
বুঝেছ?
আমি সত্যিই দুঃখিত, স্যার।
স্যার, আপনি আমার থেকে বড়।
আপনার ন্যায়পরায়ণতা আমার নিয়তের থেকে বড়।
আমি গরিব মানুষ, স্যার।
একটা ছোট্ট প্রোডাক্টের দোকান চালাই।
একটা প্রোডাক্টের ব্যাপারে কথা বলতে চাই।
যদি সোজা রাস্তায় যেতাম, তাহলে...
...তাহলে আঁটকে যেতাম।
হাতে সময় ছিলো না, তাই....
তো, সময় বাঁচাতে, ঘড়ি নিয়ে এলে?
আমিও গরিব পরিবার থেকে এসেছিলাম।
কঠোর পরিশ্রম করে এই পর্যন্ত এসেছি।
১০ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করছি।
কখনো ভুল রাস্তায় পা বাড়ায়নি।
এভাবেই নিজের সম্মান অর্জন করেছি।
আর তোমার মতো লোকজন গরিবের অজুহাত দেখিয়ে, অসৎ কাজ করবে...
... আর লোকজন তার ভর্তুকি দিবে?
বের হও!
'শোন, আব্দুল... '
'তুই তো শুনিস না।'
'জেলে যেতে গিয়ে বেঁচে গেছিস।'
'তোকে বারবার বলেছি...
...মধুসূদন মিশ্রা অনেক সৎ ব্যাক্তি।'
সবাই টাকা দেখে প্রভাবিত হয় না।
আর এটা বল। মধুসূদন মিশ্রা তোকে দিয়ে করবেটা কী?
তোকে তার কেন দরকার হবে?
'সত্যি বলছি, ঘটনা আরো ভয়াবহ হতে পারতো।'
আরে, তুমি এখানে আসতে পারবে না....
শালা আমরা মাল খাচ্ছি আর সে টাল হচ্ছে।
জীবন এতটাই তেতো হয়ে গেছে যে রক্ত পর্যন্ত মিষ্টি চাচ্ছে।
এখন ভালো লাগছে।
ওই পাকেয়া, আরেক বোতল ঠান্ডা নিয়ে আস।
পাকেয়া এখন ম্যানেজার প্রকাশ।
তাকে ওয়েটারের মতো ডাকা বন্ধ কর।
তার প্রতি খানিকটা সম্মান দেখা...
আমরা দুনিয়াতে কেন এসেছি?
মাছি মারতে।
আমরা দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে আসিনি।
এসেছি ইনকাম করতে।
সবাই কিছু না কিছু ইনকাম করতে চায়, তাই না?
কেউ চায় সম্মান, কেউ চায় টাকা, আবার কেউ চায় শক্তি।
যেমন পাকেয়া পাকেয়া হতে চায় না।
সে হতে চায় প্রকাশ।
আমিও আলাদা।
আমি টাকা ইনকাম করতে চাই না।
টাকা বানাতে চাই।
তেমনি, মধুসূদনও আলাদা।
সে সম্মান ইনকাম করতে চায়।
সে ১০ বছর ধরে ডেপুটি ম্যানেজার পদে আছে।
আজ পর্যন্ত জেনারেল ম্যানেজার হতে পারেনি।
তার ওটা দরকার।
যদি আমরা টাকা বানাতে চাই...
... আগে মধুসূদনের জন্য সম্মান বানানো লাগবে।
কোথা থেকে বানাবি? দোকান থেকে?
একজন অসৎ ব্যক্তি আছে...
..যে মধুসূদনকে সৎ বানাতে পারবে।
আব্দুল, কোথায় যাচ্ছিস?
ধুলিয়া। আমার সাথে চল।
'দিল্লিতে, হাঁচি দিতে গেলেও টাকা লাগে।'
মধুসূদনের প্রমোশন পেপারে স্টাম্প লাগাতে হলে, অনেক খরচ করতে হবে।
কত টাকা লাগবে?
এটা উচ্চ পদস্থ পদ।
২০-২৫ লাখ তো লাগবেই।
চারদিন পর মুম্বাই বিমানবন্দরে দেখা হবে।
চোদনা, কীভাবে ২০-২৫ লাখ টাকা....
জোগাড় করবি?
সঞ্চয় অ্যাকাউন্টে বহুত আত্মবিশ্বাস জমা রেখেছি।
টাকা ওখান থেকেই আসবে।
No comments yet. Be the first to leave one.