Rustum

Rustum (ರುಸ್ತುಮ್)

Download Bengali Subtitle

Release info

Rustum 2019 Kannada Proper HDRip 720p By BsmBD [Runtime: 2:06:46]
Rustum 2019 Kannada Proper HDRip 720p Teambsmbd com
A Commentary by Team_BsmBD
আমাদের টিমের ২২তম সাবটাইটেল।ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং করবেন।...অনুবাদে ছিলেনঃ শাওন,রাকিব,নাজমুল।..মতামত জানান ফেসবুক গ্রুপেঃ বাংলা সাবটাইটেল মেকারস বিডি(BsmBD)...মুভিটি ডাউনলোড করুনঃ Teambsmbd.com থেকে।

Tags

hdrip
HDRip
720p
720
HD
Published on: 2019-08-08
Downloads: 54
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদেঃ Shawon Rakib Sk Nazmul Hasan

মতামত জানান ফেসবুক গ্রুপেঃ বাংলা সাবটাইটেল মেকারস বিডি(BsmBD)

নমস্কার, স্যার।

স্যার, আমি মহেনটেস। দয়া করে বসুন, স্যার।

আপনি কেমন আছেন, স্যার?

এরা সবাই আমার লোক, স্যার। যাই হোক, কোন সমস্যা নেই।

দয়া করে বসুন, স্যার।

- এসব কী? - "মেহমান প্রভুর সমতুল্য"।

এভাবেই আমরা আমাদের সব অতিথিদের সেবা দিয়ে থাকি।

আমার বসের কড়া নির্দেশ আছে যে, আমাদের অতিথিদের কেউ যেন,

খালি হাত আর খালি পেটে না যায়।

আগে বলুন, আমাকে এখানে কেন ডেকেছেন।

আমরা জানতে পেরেছি যে, আপনি একটি মামলার তদন্ত করছেন।

আপনার বিভাগের লোকদের কাছ থেকে জেনেছি।

আমাদের অগোচরে, কেউ কিছু করতে পারে না, স্যার।

স্যার, নন্দী পাহাড়ের কাছে প্রেস্টিজ ভিলায়, আমরা একটি ভিলা বুক করেছি।

মাগাদি রোডের কাছে দশ একর জমির।

আমদানি করা একদম নতুন গাড়ি, স্যার। ২০১৯ মডেলের বেঞ্জ গাড়ি!

খরচ করার জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।

যদি এই সবকিছুর মালিক হতে চান,

তাহলে মামলার তদন্ত করাটা, আপনার থামাতে হবে।

আর, এখন পর্যন্ত যত তথ্য আর প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন, সেগুলো আমাদের দিয়ে দিতে হবে, স্যার।

আমার বাবা মধুকর দেশপান্ডে, একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল প্রধান শিক্ষক।

উনি প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা পেনশন পান।

আমার স্ত্রী ব্যাংকে কর্মচারী করে, প্রতি মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় করে।

সরকার বেতন হিসেবে, আমাকে ১ লাখ টাকা দেয়।

ওই টাকাই, আনন্দে জীবন কাটানোর জন্য যথেষ্ট।

যে তথ্য আর প্রমাণ আমার কাছে আছে, আমি সেগুলো জায়গা মত পৌঁছে দেবো।

আমাকে একটু ক্ষমা করুন, স্যার।

- স্যার, বলুন, স্যার। - সে কি আমাদের প্রস্তাব গ্রহন করেছে?

না, স্যার। এখনও করেনি। যদিও, পরিকল্পনা মত সবকিছু দিতে চাচ্ছি।

- তাকে আরেকবার সুযোগ দাও। - ঠিক আছে, স্যার। আমি চেষ্টা করব।

স্যার, আমার বস আপনাকে আরেকবার সুযোগ দিচ্ছেন।

একটি ছাড়পোকা শুধু কামর দিতে জানে, হত্যা করতে জানে না।

আমি ছাগল নই, যে, কিছু সবুজ পাতা দিয়ে টোপ দিতে পারবেন।

আপনার কর্তব্য, সততার সাথে পালন করা উচিত, স্যার।

কিন্তু আপনার মৃতদেহের উপরে নয়।

একজন আইএএস অফিসারের সামনে, আপনার গলার জোর বাড়ানোও অপরাধ।

এবং আপনি আমাকে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছেন!

আইনের হাত থেকে বাচতে পারবেন না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গাপ্রসাদের ছেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তার বাড়ি থেকে সরাসরি রিপোর্ট করা হচ্ছে।

আমার রাজনীতিতে প্রবেশ করার ৩০ বছর হয়ে গেছে।

কোন গডফাদার ছাড়াই, এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সাধারণ জনগন এবং মিডিয়া আমাকে সাহায্য করেছে।

তাই, আমি সকলকে ধন্যবাদ দিতে চাই।

- স্যার, এটা কি সত্য যে, আপনি পরবর্তী মুখ্য প্রার্থী হবেন? - না।

একজন ব্যক্তির ভাবমূর্তি, কখনো তার দলকে নিচু করবে না।

আমি অবশ্যই, পার্টির সিনিয়রদের সিদ্ধান্ত মেনে চলব।

আমাদের নতুন যুব রাষ্ট্রপতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে, আপনাদের সবাইকে এখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

- স্যার, উনি কি অর্জুন? - না, আমার দ্বিতীয় ছেলে আদিত্য।

নমস্কার, স্যার। প্লিজ, আমাদের ছেলেকে খুঁজে বের করুন।

এই মামলাকে আমাদের বিভাগ, বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।

দিন রাত ধরে আমরা তাকে খুঁজছি।

একটু ধৈর্য ধরুন, এই নিখোঁজ মামলার পিছনে যেই থাকুক না কেন,

আমাদের বিভাগ তাদের ছেড়ে দিবে না।

আপনারা শক্ত থাকুন।

স্যার, আমি তাকে শক্ত থাকতে বলতে পারি,

কিন্তু, তার উপর নির্ভর করা দুটি জীবনকে আমি কীভাবে সান্ত্বনা দেবো?

কিছু মনে না করলে, একটা কথা জিজ্ঞেস করি।

আপনাদের ছেলের ব্যক্তিগত জীবনে কোনো সমস্যা আছে?

আমার ছেলের ব্যক্তিগত জীবন একদম পরিষ্কার, আর কাঁচের মত স্বচ্ছ।

তাকে দোষ দিবেন না, স্যার।

ওটা আমার উদ্দেশ্য ছিলো না।

চোখের জল আর মন খারাপ করে, এই সমস্যার সমাধান করা যাবে না।

তার বদলে, আপনারা যদি তদন্তের কাজে সহযোগিতা করতে পারেন,

তাহলে খুব ভাল হবে।

আমাকে বলুন, স্যার। আমার কাছে কী ধরনের সহযোগিতার আশা করেন।

যদি কোন সরকারী নথি বা তার অফিসের কাগজপত্র থাকে,

দয়া করে, সেগুলি আমার কাছে দিন।

আমার ছেলে কখনও তার অফিসের ফাইল বাসায় নিয়ে আসেনি।

পেন ড্রাইভ বা হার্ড ডিস্কের মত দৈনন্দিন ব্যবহার করা জিনিসগুলো নিয়ে আসুন।

ওগুলো তদন্তে সাহায্য করবে।

- স্যার, আপনার মিটিংয়ের সময় হয়েছে। - ঠিক আছে।

আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে যেতে হবে, দয়া করে, পরের সপ্তাহে আবার আসুন।

যদি তার পেনড্রাইভ বা ল্যাপটপ খুঁজে পান, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব, আমাদের কাছে দিয়ে দিন।

নমস্কার, স্যার।

স্যার, দয়া করে ল্যাপটপের মতই আমার ছেলের প্রতিও এতটা আগ্রহ দেখাবেন।

এসো, মা।

ব্রেকিং নিউজঃ আইএএস অফিসার, শুভকর দেশপাণ্ডে নিখোঁজ।

আপনাদের সরাসরি নিয়ে যাচ্ছি, আমাদের প্রতিবেদক মহেশের কাছে।

অদ্ভুত এক পরিস্থিতিতে, শুভকর দেশপান্ডে নিখোঁজ হবার কিছুদিন পার হয়েছে।

পুলিশ কমিশনারের কাছে একই বিষয়ে নিয়ে, একটি আভিযোগ লিখা হয়েছে।

গত ছয় মাসে তৃতীয়বারের মত আইএএস কর্মকর্তা নিখোঁজ হবার ঘটনা ঘটলো।

এটা কী কাকতালীয় ঘটনা, নাকি...

কোনো রাজনীতিবিদ বা শিল্পপতি এতে জড়িত আছে কিনা, সেটাই এখন জনগণের প্রশ্ন।

আমার মনে হয় না, পুলিশদের দিয়ে কোনো সাহায্য হবে।

শুনছো।

সে কী অফিসে...

আমাদের ছেলের ব্যাপারে এসব কী বলছ?

তার সম্পর্কে এসব কথা, তুমি কীভাবে বলতে পারলে?

দেখো, ও কীভাবে কাঁদতে কাঁদতে চলো গেলো।

তার এই অবস্থায়, তাকে আমাদের সাহস দেয়া উচিত,

এসব আজেবাজে চিন্তা আর কথা না বলে।

সুমিত্রা, মনে রাখবে... সৎ অফিসারেরা প্রতি পদক্ষেপে সমস্যার মুখোমুখি হয়।

ঠিক আছে, কিন্তু আমরা তো আশেপাশে আমাদের ছেলেকে খুঁজেছি, তাই না?

আমাকে বলো, একজনও কি সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিল?

আমি বিশ্বাস করি, সত্যের সবসময় জয় হয়।

যখন কেউ সমস্যায় পড়ে, কোনো না কোনো শক্তি, অবশ্যই সাহায্যের জন্য আসবে।

কী এই শক্তি?

- পথ থেকে সরে যা, গাধা কোথাকার! - হায়, ভগবান!

কান্নাডা দেবী, কে কোথা থেকে এসেছে তাতে কিছুই যায় আসে না,

আপনি প্রমাণ করেছেন, এখানে থাকতে হলে, তাদের মাথা নিচু করে থাকতে হবে।

- আপনাকে প্রণাম জানাই, কান্নাডা দেবী। - হ্যালো?

- আরে, বাপরে! ভূত! - আমি ভূত নই, আমি কুলি।

- আপনার জিনিসপত্র কোথায়? - আপনি..

- তুমি কান্নাডার লোক, তাই না? - হ্যাঁ।

- তাহলে, কান্নাডা ভাষাতেই জিজ্ঞেস করো। - আপনার জিনিসপত্র কোথায়?

- আরে, এসব কি! - এভাবেও কি খারাপ শোনাচ্ছে?

তাই, আপনাকে ভদ্রভাবে জিজ্ঞেস করছি, আপনার জিনিস কোথায়?

এই যে আমার...

- আরে, এটা আবার কে... - তুই এখানে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাক।

ওয়াই-ফাই? ওয়াই-ফাই?

ওয়াই-ফাই?

- আমাকে আপনার জিনিস দিন। - উনি কী খুঁজছে?

- সে তার জিনিস হারিয়ে ফেলেছে। - তাহলে খুঁজবে কেন, হাত দিলেই তো বোঝা যায়।

- আরে, তুই কি লাগেজের কথা বলছিস? - হ্যাঁ, অবশ্যই।

ঠিক আছে, চল।

- কি দারুন! চমৎকার! - আভি, একজন কুলির খোঁজ করো।

- আচ্ছা। - ব্যায়ামের জন্য জিমে টাকা দাও, সেটা এখানেই করে নাও?

- প্রত্যেকে একটি করে ব্যাগ নিলেই হবে। ঠিক বলছি না, আভি? - ঠিক বলেছেন, মা।

- আমু, চল যাই। - চলো যাই।

আমার ওয়াই-ফাই কোথায় গেল? ওয়াই-ফাই! ওয়াই-ফাই!

হ্যালো! আপনি কি ওয়াই-ফাই বিক্রি করছেন, নাকি খুঁজছেন?

আমার ওয়াই-ফাই খুঁজছি! কোথাও আমার ওয়াই-ফাইকে দেখেছেন?

ওয়াই-ফাই আবার কীভাবে দেখবে?

- ভুল ভাববেন না, স্যার। এই যে আমার স্ত্রী। - আচ্ছা!

এই যে সে।

সে হাই-ফাই পরিবার থেকে এসেছে, তাই আমি তাকে ওয়াই-ফাই বলি!

সারা রাত ধরে সংযোগ ছিল, কিন্তু এখন নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

যদি সে হাই-ফাই হয়, তাহলে, আপনি কেন সাধারণ এসি বগিতে খুঁজছেন?

- প্রথম শ্রেণির বগিতে গিয়ে খোঁজ করুন! - চুপ কর!

স্যার, যদি আমার ওয়াই-ফাই আপনার নেটওয়ার্কে সংযোগ পায়, দয়া করে, বিনামূল্যে একটা "জিও" কল করবেন।

- আমি তাকে ধরতে ছুটে আসব। - আচ্ছা, ঠিক আছে।

- আমার ফোন নাম্বার হলো.. - আপনার নাম্বার ৯০০০৪২০৪২০, তাই না?

- তুমি কীভাবে জানলে, বাবু? - সারা রাত ধরে সবাই আপনার নাম্বার নিয়ে কথা বলছিল।

- স্যার আমাকে ফোন দিবেন, আমি চলে আসব। - এই যে, এখানে আসেন।

- কিছু মনে না করলে, আপনাকে একটি পরামর্শ দিব? - অবশ্যই, স্যার।

আপনার প্রতিটি ওয়াই-ফাইয়ে পাসওয়ার্ড দেয়া উচিত।

- নয়তো, অন্যরা সংযোগ পেয়ে যেতে পারে। - জ্বি, স্যার।

- খুব সাবধান। - জ্বি,স্যার।

- স্যার, আমার সানগ্লাস। - ওহ, একটু চেষ্টা করে দেখছিলাম।

ধন্যবাদ, স্যার।

সে আমার সানগ্লাস ফিরিয়ে দিলেও, অদ্ভুত কিছু একটা বলেছে।

বাদ দেই! ওয়াই-ফাই!

ব্যাগটা নাও, সোনা।

- এটা কেমন লাগছে? - চমৎকার।

- আঞ্জু, বাড়িটা সুন্দর না? - চমৎকার একটা বাড়ি!

মনে হচ্ছে যেনো, আম্বানিদের বাড়ি।

- উঠে পড়, দুষ্টু। আমাদের মালপত্র বের করতে হবে। - তুমি আমাকে দিয়ে কাজ করাবে?

- সাবধান, শিশু শ্রমের আভিযোগে পুলিশ তোমাকে গ্রেপ্তার করবে। - হায়, ভগবান!

- তুই কিন্তু তোর সীমা পার হয়ে যাচ্ছিস। - যাই হোক, আঞ্জু।

একটু বিশ্রাম নিয়ে নাও, আমি সবার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছি।

চলো, উপর তলায় যাই।

আঞ্জু!

- আভি, বেশি বেশি হচ্ছে কিন্তু। - ভালবাসা তো এমনই হওয়া উচিত।

- তোমার হাত এদিক ওদিক যাচ্ছে, সরিয়ে নাও। - সে কথা আমার হাতকে বলো।

তুমি কী আমাকে কাজ করতে দিবে নাকি?

আমি তোমরা কাজে বিরক্ত করছি না, তোমার সুন্দর চেহারা করছে।

তোমার এই সুন্দর মুখ দেখে আবার প্রেমের প্রস্তাব দিতে ইচ্ছে করছে।

- তাহলে তো, আমাদের আবার কলেজে ভর্তি হওয়া উচিত। - যদি তুমি প্রস্তুত থাকো, তবে আমার আপত্তি নেই।

- আমি আবারও সেই অনুভূতির জন্য মুখিয়ে আছি। - অবশ্যই, তুমি আছো।

কিন্তু, তুমি তো তোমার কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকো।

আঞ্জু, তুমি আমার কাজেরও অনুপ্রেরণা।

তোমার হাসি আমার শক্তি।

তুমি আমার সাথে থাকলে, আমি পুরো বিশ্ব জিততে পারি।

আভি, ওঠো। আমার স্কুলের জন্য দেরি হচ্ছে।

আজকে আমার ইন্টারভিউ আছে।

আমাদের দেরী হয়ে যাচ্ছে, তুমি কী উঠতে পারবে না?

জান, পাঁচ মিনিট ঘুমিয়ে নাও।

আরে বোকা, প্রথমে তুমি তৈরি হয়ে যাও, সেও হয়ে যাবে।

- দাঁত সবসময় জিহ্বাকে সমর্থন করে, নাক করে না - কী বকবক করছো?

- কিছুই না মা। তোমাদের দুজনের মধ্যে বোঝাপড়াটা দারুণ! - ধন্যবাদ।

- ডার্লিং! - আভি, ওঠো না। আজ ওর স্কুলে ইন্টারভিউ আছে।

তাছাড়া, আমুর সেবা পরীক্ষার বিস্তারিত আনতে হবে।

ওহ, তাইতো! আমি ভুলেই গেছিলাম।

ঈশ্বরই জানেন, কোনো কিছু বোঝার জন্য তোমাকে আর তোমার মেয়েকে কীভাবে বানিয়েছেন!

- তুমি সুন্দর করে বললেই তো আমরা বুঝতে পারব। - ওহ, সত্যিই? কিভাবে? এভাবে?

- ভাইয়া। - না, এভাবে।

- সরি! - না ঠিক আছে, ভিতরে আয়।

আমি কী পরীক্ষার বিস্তারিত আনতে যাবো?

- আঞ্জু তোর সাথে যাবে, একা যাবি না। - ঠিক আছে, ভাইয়া।

- ভাল করে তোর ইন্টারভিউ দিবি। - যাই মা, নিজের খেয়াল রেখো।

- দুষ্টু তো তুই, তুই নিজের খেয়াল রাখিস, ঠিক আছে? - বুঝেছিস?

- যাই। - যাই, আভি।

আভি, তুমি কি নিশ্চিত হয়েছ যে এটা ভালো স্কুল?

মা, এটি শহরের অন্যতম সেরা স্কুল।

আমি অন্যতম সেরা স্কুল চাই না, আমি সেরা স্কুল চাই।

- তুই ভর্তি হলেই সেরা হয়ে যাবে। এখন, চল তো। - তুমি আমাকে খুব ভাল বুঝতে পারো।

- বেবি ট্যাক্সি? - কোথায় যাবেন স্যার?

- রাজঞ্জিনগর। - না স্যার, ওদিকে যাব না।

- স্যার, আপনি কোথায় যাচ্ছেন? - রাজঞ্জিনগর।

আমিও ওদিকেই যাচ্ছি। আসেন, আপনাকে ওখানে নামিয়ে দিব।

- আপনাকে তো চিনলাম না? - আপনার প্রতিবেশী।

- ওহ, নতুন প্রতিবেশী? - জ্বি, স্যার। আসেন।

কোনও সমস্যা নেই, আমি একটি অটো নিয়ে নেবো।

দাদা, আভি তো আর আপনাকে কাঁধে করে নিবে না।

- আসুন, দ্রুত উঠে পড়ুন। - প্লিজ, স্যার। আসুন।

- পরে দেখা হবে - বাই, দাদা।

- উকিল সাহেব কি আছেন? - হ্যাঁ, উনি আছেন।

আভি, যে শিক্ষক আমার ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন, উনি তত বুদ্ধিমান না, তাই না?

একথা কেন জিজ্ঞাসা করলে?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left