The first 200 lines.
হাই।
হাই।
আমার মাথায় ঢুকছে না...
এগুলো কীভাবে সম্ভব?
যে স্পোরের শ্বাস তোমার নাকে লেগেছে...
তাতে দৃষ্টিভ্রমের কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল হয়ত!
- শিওর না তুমি... - না, না, আমি এখনো...
সরি। এরকম অপলক দৃষ্টিতে আমার দিকে...
তাকিয়ে থাকলে কীরকম অদ্ভুত জানি লাগে!
তুমি-তো এটাই চাইতে সবসময়।
হ্যাঁ।
এই দৃষ্টিভ্রমটা কতক্ষণ টিকবে?
১ মিনিট, ১ বছরও হতে পারে। সঠিক জানি না।
এসব আমার ইশারায় হচ্ছে না কিন্তু!
চারদিকে গ্রিনের সমারোহ, যেন নতুন এক পৃথিবী!
যেন এটা আমার চিন্তা-চেতনা আর অনুভূতির স্ফুরণ ঘটিয়ে যাচ্ছে...
সেই আগের আমিকে যেভাবে দেখতে চাই, ঠিক সেরকমই মনে হচ্ছে।
এই ভ্রম কতক্ষণ টিকবে কে জানে!
- অহ... - তো...
তোমার জন্য কী করতে পারি?
তাহলে আমি তোমায় বলব...
গতকাল সকাল থেকে...
আমার পেটে কোনো দানাপানি পড়েনি।
না, না, না, এ হতে পারে না।
এখানে কিছু ক্র্যাকারস থাকতে পারে।
- অ্যালেক? - হ্যাঁ?
ঠিক আছে।
মনে হচ্ছে কিছু পেয়ারা, পাম...
- আর আমের যোগান দেয়া গেছে। - হ্যাঁ, পাম।
পাম।
স্বাদ কেমন?
অমৃত!
তো, তুমি হুট-হাট এরকম ম্যাজিক দেখাতে পার?
তুমি যে ক্ষুধার্ত, আমি শুধু সেটা ভাবছিলাম, আর গ্রিন তখন...
গ্রিনকে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে দিয়ো।
অসাধারণ এর স্বাদ!
শুনতে পাচ্ছ?
সবকিছু জাগতে শুরু করেছে।
ডাকউইড, সোগ্রাস, লক্স ফ্লাওয়ার!
আর বাচালের দল কুদযু!
উদ্ভিদের জেগে উঠার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছ?
উদ্ভিদেরা প্রাণীকুল থেকেও বেশি সংবেদনশীল।
অবশ্য এদের কণ্ঠস্বর খানিকটা ক্ষীণ!
হুম!
ওরা আমায় কিছু বলার চেষ্টা করছে।
"ডার্কনেস" সম্পর্কে?
খোদা, ওইখানটা অসম্ভব সুন্দর, অ্যাবি!
সেই সাথে মৃত্যুপুরীও।
জায়গাটায় "পচন" এবং "ক্ষয়" আধিপত্য বিস্তার করে...
সকল প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, গ্রাস করেছে ওর পথের সকল কাঁটাকে।
দেখাও আমায়।
যে জিনিসটা তোমায় গ্রাস করেছে, সেটা ওই জলাশয়েই জন্মেছে।
এই ডার্কনেসটাকে বুঝতে হবে আমার,
বুঝতে হবে এই "পচন"কে, যদি তোমায় সুস্থ করে তুলতে চাই।
না, অ্যাবি!
অ্যাবি! অ্যাবি দাঁড়াও।
১ মিনিট দাঁড়াও, শোনো একটু!
ওই জায়গার যে "পচন" এর কথা বলছিলাম ওটা খুবই বিপজ্জনক।
আর বিপজ্জনক গাছ-গাছড়া দিয়েই...
- কার্যকরী প্রতিষেধক তৈরি করা যায়। - বুঝলাম।
আর ওই প্রতিষেধক তৈরি হোক, তা আমার থেকে বেশি কেউ চায় না।
কিন্তু তার জন্য তোমার জীবন হারাতে দিব না।
আমি একজন সিডিসি ডক্টর। এটাই আমার প্রধান কাজ।
আমরা যাচ্ছি।
শেরিফ ডিপার্টমেন্টের কফির ভাণ্ডার কি খালি হয়ে গেছে?
মনে হচ্ছে দৃশ্যপটের পরিবর্তন ঘটেছে।
ট্রান্সফার রিকুয়েস্ট।
সেটা বার থেকে বুথে যাওয়ার চেয়েও বেশি কিছু।
চিনি শেষ।
আচ্ছা, না বললে নাই।
তাহলে শিকারিদের আক্রমণ করা সেই দানবকে...
ধরার জন্য গতরাতে তোমরা...
ওই জলাশয়ে গোয়েন্দা পাঠিয়েছিলে।
কিছু পেলে?
সেটা তোমার অ্যাবিকে জিজ্ঞেস করা উচিত।
সকালে উঠে ওর সাথে একবারও দেখা হয়নি।
সে কোথায় আছে, তা না জানার ভান করবে না।
লিজ, এসব লুকাতে হবে না আর!
আমি শিওর, অ্যাবি তোমায় সব বলে দিয়েছে।
আমায় বলো...
- অ্যালেক হল্যান্ডের ব্যাপারে। - ওর ব্যাপারে কী বলব?
আমি ওকে দেখেছি, লিজ। আমি জানি সব।
ওকে আর অ্যাবিকে দেখেছ তুমি?
ওরা ঠিক আছে?
চিন্তা করো না। সর্বশেষ দেখাতে সবকিছু ঠিকঠাক-ই ছিল।
কিন্তু অ্যাবি ওকে বাঁচানোর চেষ্টায় আছে। তার বিশ্বাস সে পারবে...
তাকে ফিরিয়ে আনতে।
ম্যাট, তোমায় আমি কখন থেকে চিনি?
৩য় শ্রেণী, মি. পারকিনসের ক্লাস থেকে।
জানাশোনা বহুদিনেরই বলা যায়!
কিন্তু এটা এমন কী কথা, যা আমার থেকে গোপন রেখেছ?
ভয়ে ছিলাম।
অ্যাবি মেরেইয়ের ওই ডার্কনেসের ব্যাপারে কী যেন বলছিল...
ওই জলাশয় থেকে উঠে আসা...
পয়জন টাইপের হাবিজাবি কিছু।
ওর কথা তোমার কাছে অনর্থক মনে হয়েছে?
অনর্থক না।
আমার মতে সে ঠিকই বলছে।
উড্রুকে বলেছিলাম নাম্বারগুলো নিয়ে মাথা না ঘামাতে।
উড্রু সবার সেরা বলেই তুমি তাকে ভাড়া করেছ।
তারমানে এই না, সবকিছু সে সহজেই বুঝে ফেলতে পারবে।
জানি। কিন্তু তুমি এত কষ্ট করছ কেন?
খাবার বাইরে থেকে অর্ডার করে আনিয়ে নিব।
আর মি. অ্যালেরি-তো এরকম বাইরের খাবার খেয়েই অভ্যস্ত।
ঘরে খাবার খাওয়ার খুব একটা সৌভাগ্য হয়নি তার।
হতে পারে।
যে দাওয়াইগুলো সে লিখে দিয়েছিল...
তাতেই ভালোই কাজ হয়েছে বোধহয়।
আসলেই! নিজেকে অনেক হালকা লাগছে।
এই মি. নাথান অ্যালেরির সম্পর্কে কতটুকু জানো?
খুবই অল্প, সবার কাছে অচেনা থাকাটাই তাঁর পছন্দ।
শুধু জানি সে অনক্লেইভ গ্রুপের সিনিয়র অ্যাডভাইজর।
কনক্লেইভ গ্রুপ।
শব্দটায় গোয়েন্দাগিরির গন্ধ পাচ্ছি।
যতটুকু জানি, তারা তাদের প্রজেক্টের পিছনে...
কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলেছে। হেলথ-কেয়ার, ফার্মাসিকিউটিক্যাল,
ওয়েপন্স ডেভেলপমেন্ট, অ্যারোস্পেস।
নেডেইনকে কয়েক বাটি সাজেরাক আনতে বলেছি,
যেগুলো কানাপেসের সাথে ভালোই মানাবে,
এরপর আমরা নজর দিব ট্রাউট আমানডিন,
প্যান ফ্রাইড ফেরো আর মাস্টার্ড গ্রিন্স-এর দিকে।
নিজেকে দেখো!
যেন সাউদার্ন বেলের ছোঁয়া!
এটা নিশ্চয় অর্কিড সমেত ফ্লয়েড।
মি. সান্ডারল্যান্ড, শেরিফ আপনার সাথে একটু দেখা করতে চায়।
- ওহ। - মিসেস সান্ডারল্যান্ড।
শেরিফ ক্যাবল, কী চমকটাই না দিলে!
বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত,
অ্যাভেরি, তোমার সাথে একটু কথা বলতে চাই।
- পুলিশি বিষয়ে। - ওহ!
তুমি কথা বলো, আমাকে অনেক কাজ গোছাতে হবে।
আচ্ছা...
১০০ বার বলেছি...
আমাকে না জানিয়ে এখানে আসবে না।
শালা কুত্তার বাচ্চা!
তুই অ্যালেকের লাশ চেয়েছিলি, কাজটা নিজে করতে পারবি না বলে...
ম্যাটকে ব্ল্যাক-মেইল করেছিস? আমার ছেলেকে এই অপকর্মে জড়িয়েছিস।
ছোকরাটা নিজের মুখ বন্ধ রাখতে পারবে না, তা আগেই বুঝা উচিত ছিল।
তুই যে একটা কাল-নাগ তা আগে থেকেই জানতাম।
কিন্তু সেই কাল-নাগ যে আমায় ছোবল মারবে তা ভাবিনি।
যেখানে যেখানে বিষ ঢেলেছিস, সে সবকিছুই ধ্বংস হয়েছে...
এই শহর, আমি, ম্যাট।
খারাপ লাগছে এটা ভেবে, গত ৩০ বছর ধরে...
তোর এসব অপকর্মে সঙ্গ দিয়ে এসেছি আমি।
যখন আমার এসব অপকর্মের তালিকা...
তোমার হাতের মুঠোয় ছিল, তখন কিন্তু তোমায় কিছু বলিনি।
তোরে চুদি না, অ্যাভেরি।
আমি বলি কী, তোমার মেজাজ যখন চড়ে যায়...
তখন আমার এখানে এসে...
ড্রিংক করে মেজাজটাকে ঠাণ্ডা-তো করতে পার।
একটা মিটিং ডাকার ব্যাপারে ভাবছিলাম।
তুমি যা চেয়েছিলে, তা হয়নি ভাই।
কী চেয়েছিলাম আর কী হয়নি?
অ্যালেক বেঁচে আছে।
বলো কী?!
বেঁচে থাকার কোনো প্রশ্নই উঠে না।
ম্যাট নিজে দেখেছে ওকে।
ম্যাট বলেছে, ওই প্ল্যান্ট ডিজিজটাই নাকি ওকে বাঁচিয়েছে...
কিন্তু এটা যে হল্যান্ড, তা নিশ্চিত। আর শুনে রাখো...
সে যদি শহরে এসে সবকিছু ফাঁস করে দেয়,
তাহলে খুনের দায়ে আমাদের তিনজনেরই হোগা মারা সারা।
আমি দেখছি ব্যাপারটা।
না, তোমাকে এটাতে আর নাক গলাতে দিব না।
কাজটা তুমি আর আমি মিলে করব, এখনই।
- তোমার মাথার তার ছিঁড়ে গেছে। - না, আমি আমার ছেলেকে বাঁচাচ্ছি।
আর ভেবো না, এটা কোনো মধ্যস্থতা!
কীভাবে কী করতে হবে, সব নির্দেশনা দিব আমি।
হল্যান্ড বেঁচে আছে!!
শিট!
- সবকিছু ঠিক আছে? - হ্যাঁ, সরি।
একটু ভেজাল লেগেছে, আমাকে বাইরে যেতে হবে একটু।
লুসিলিয়া একটা মামলার কাজে আমার সাক্ষ্য চাইছে...
মেহমানরা-তো ৭ টার আগে আসবে না।
আর আমি তাড়াতাড়িই ফিরে আসব।
ঠিক আছে, নেডাইন আর আমি সব কিছু রেডি করে রাখব।
আচ্ছা।
যত দ্রুত সম্ভব আমি উনাকে বাসায় এনে দিয়ে যাব।
ঠিক আছে।
আমার বাল্যকালের পুরোটাই কেটেছে মেরেইয়ে,
জলাশয়েও কাটিয়েছি কিছু সময়,
কিন্তু এরকম মনোমুগ্ধকর কিছু দেখব, ভাবিনি।
ফুল ফুটেছে, ফল ধরেছে।
এরকমটা হওয়ার কারণ কী?
আসলে...এটা বলে বুঝানো কঠিন।
আসলে এটা এমন এক জগত,
যেটাকে যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।
বা বিজ্ঞান দিয়ে।
বিজ্ঞান হলো বাস্তব, নিগুঢ় এক জিনিস...
কিন্তু এখানের এই আলাদা জগত,
প্রাকৃতিক প্রগাঢ় সম্পদে ভরপুর।
গ্রিনের মতো।
গ্রিনের চেয়েও বেশি কিছু। চারিদিকে একটা...
অদৃশ্য বল বিরাজমান।
জীবন এবং মৃত্যুর বল।
সুসময়ে তারা এরা একে অন্যকে সমলয়ে সাহায্য করে।
একটা ভারসাম্য রেখে।
এখানের কিছু জায়গায়...
মৃত্যু এবং পচনের মতো কিছু ডার্ক এলিমেন্ট বিদ্যমান।
এটা গ্রিনকে গ্রাস করে নেয় পুরোপুরি।
এটা কী ছিল?
No comments yet. Be the first to leave one.