화이: 괴물을 삼킨 아이
The first 200 lines.
বঙ্গানুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম এবং সোহেল রানা
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
মা...
ওখানে কিছু ছিল।
ঘুটঘুটে অন্ধকারে লুকিয়ে।
ব্যাগে হাত দিয়ো না।
মেরেছে।
আমরা খদ্দের পেয়েছি।
ওরা পুলিশ ডেকেছে?
কী হয়েছে?
অপারেশন গোপন রাখা হয়েছিল।
হ্যাঁ।
এখন বলছি কারণ এখনই জানতে পেরেছি।
ওখানে কে আছে?
বিওম সু।
ওকে সরাতে পারবে?
চেষ্টা করব।
পুলিশ এখন আমাদের দলে।
বাবা মা'রা বাচ্চাদের এত হালকাভাবে নেয় কেন?
মাত্র একশ টাকায় দিব।
মাত্র একশ টাকায়। যদি এখানে দেখেন...
এই ভাই, একটু দেখা যাবে?
অবশ্যই। আপনি দেখলে...
এই... ছুরি ফেলে দে।
এটা পিস্তল?
সবাই ঝাপিয়ে পড়ো।
আর একটা গুলি আছে!
এই, শালা।
ধরে রাখো!
এই শালা! ছাড় ওকে!
এদিকে আসুন! জলদি!
আমার... আমার পিছনে আসুন...
ওহ্, স্যরি...
ছুরিটা বেশ ধারালো।
অন্নেক ধারালো।
বিওম সু শালায় খুব স্লো, কিন্তু একজনকে গুলি মেরে উপরে পাঠিয়ে দিয়েছে।
ঐ পুলিশ ব্যাটাদের মুখগুলো দেখার মতো ছিল।
এটা পিস্তল? এটা পিস্তল?
পুঁতে... পুঁতে ফেলেছিস?
কি... কিন্তু এখনো তো বেঁচে আছে!
একদম শুকনো।
তেমন আর ভালো হয়ে নেই।
এসব এখানেই শেষ করি। ব্যাপারটা বেশ বিপজ্জনক।
যদি জানতে পারে এখনো বেঁচে আছে ওরা অবশ্যই... আমাদের টাকা দিবে।
তাই না?
এটা আমার স্টাইল না।
সেটা আমি দেখব।
বুঝেছিস?
তা... তাহলে... আমরা ঠিক করেছি, তাই না?
ওমা... ও তো বমি করছে। অসুস্থ না তো?
তোকে বলে রাখছি কপালে কিন্তু দুঃখ আছে...
ওরে... শালা!
ইয়ং যু!
এক সেকেন্ড বাইরে আসো!
ওলেলে!
ওহ্, ইয়ং যু!
ও... ও দেখতে অনেক মিষ্টি...
আমরা ওকে কী বলে ডাকব?
"বসন্তকাল, ১৯৯৮"
"বসন্তকাল, ১৯৯৮"
আজ বিকেলে, মুখোশধারী এক দল ডাকাত ব্যাংকে হামলা করেছে...
পুলিশ সাসপেক্টদের খুঁজছে...
ওরা মুখ ঢেকে থাকে আর ক্যামেরার সাথে কারচুপি করে...
ওরা মুখ ঢেকে থাকে আর ক্যামেরার সাথে কারচুপি করে...
দিন দুপুরে ওদের এমন দুঃসাহসিক কার্যকলাপ...
এই ডাকনাম এনে দিয়েছে, দিনের ডাকাত।
এই ডাকনাম এনে দিয়েছে, দিনের ডাকাত।
এই ডাকনাম এনে দিয়েছে, দিনের ডাকাত।
আজ এক গুদামঘরে ডাকাতি হয়েছে...
আজ এক গুদামঘরে ডাকাতি হয়েছে...
তবুও, ওদের সংকেত...
হদিশহীন কাজ, হাতে বানানো অস্ত্র...
আর অপরাধের বিরল কৌশল পুলিশের কাছে দুর্বোধ্য...
দিনের ডাকাতের কেসে পুরো জাতি এখন আতঙ্কিত।
A MONSTER BOY
লোকে যেমন বলে তুমি তেমনই অসাধারণ।
চোখে কী হয়েছে?
আমি এভাবেই জন্মেছি।
তাহলে তো, জীবনে কিছুই দেখোনি?
আমি আসলে কাছে থেকে দেখতে পাই।
স্যার, আপনার সাথে কি কেউ দেখা করতে আসছে?
কী?
আমি বাইরে কারো আওয়াজ পাচ্ছি।
আমি তো কিছু শুনতে পাচ্ছি না।
কিন্তু এখানে কেউ আছে...
ওরা এখানে...
কে... কে তোমরা?
হয়ে গেছে!
এই!
খানকির পোলারা, জানিস আমি কে?
জানি!
খুল।
ঘুষের টাকা জলদি সাফ করতে হবে কারণ সবাই এখন জানে।
এসব গুজব। গুজবে কান দিতে নেই।
খুলছি, খুলছি!
কিন্তু...
আসলে এই হাতে।
ভালোকরে চিন্তা কর। কারণ আমার এখন মিথ্যা শোনার ইচ্ছা নেই।
মিথ্যা বলছি না।
এই হাতে।
খুল।
শালা হারামির দল!
আমাকে হালকায় নেওয়া ঠিক হয়নি তোদের।
তোদের দিনটা ভালো।
আমার ঝামেলা করার ইচ্ছা নেই। তাই এখান থেকে চলে যা!
কথা বুঝিসনি?
যেহেতু তোদের চেহারা দেখিনি, চল ফুট এখান থেকে!
এখন দেখে ফেলেছিস।
খতম করে দে।
করব?
হ্যাঁ, কর।
ইস্! ধুর...
এই, ও মরে গেছে! মরে গেছে!
কেমন পাগল!
ঠিক জায়গায় কীভাবে মারতে হয় বেশ ভালো করেই জানিস।
"সুনজি (পবিত্র স্থান)"
তো কিছু দেখতে পাস না?
না... পাই না...
কী করছিস?
আবার শুরু করেছে...
যখন পুলিশ আসবে, মনে থাকে যেন।
তুই আমাকে দেখিসনি, কিন্তু আমি তোকে দেখেছি।
ঠিক আছে?
জলদি চল!
জলদি, ধরো ওদের!
কোন দিকে গেছে?
- বামে, বামে! - ধুর!
"শীতকাল ২০১২"
এই ছেলে! আমার সাহায্য করবে?
তোমায় বেশ কয়েকবার দেখেছি।
এখানেই কোথাও থাকো, তাই না?
এটা কোন স্কুলের ইউনিফর্ম?
বোধহয় আমার সাথে কথা বলতে চাও না, ঠিক?
এই ছেলে, তোমার নাম কী?
হোয়ায়ি...
আমার নাম হোয়ায়ি।
হোয়ায়ি?
বেশ আনকমন নাম তো!
ভালো থেকো, হোয়ায়ি! কমলার জন্য ধন্যবাদ!
পুলিশকে যখন ডাকতেই না পারত তখন ওকে মারতে গেলি কেন?
ব্যাটায় এক্কেবারে নষ্ট মাল। শালা চোর।
কিন্তু ও একজন প্রাক্তন প্রসিকিউটর।
ব্যাপারটা আমাদের ঝামেলায় ফেলতে পারে।
তোদের...
কাজটা ঠিকমতো শেষ করা উচিত ছিল। আরেকজনকে কেন ছেড়ে দিলি?
এমন খেয়ালখুশি মতো কাজ করিস কেন?
- তাহলে প্ল্যানিং করে লাভ কি হলো... - অনেক হয়েছে, বুঝতে পেরেছি।
প্ল্যান কি এইটার ছিল না?
শালা চোর এত টাকা লুকিয়ে রেখেছিল যে গোণা মুশকিল।
চল আজ বাইরে গোসল করতে যাই।
ইচ্ছা নেই।
সমস্যা কী?
ধুর!
পুচকে শয়তান।
- এসে গেছি। - এই!
হো... হোয়ায়ি।
কো... কোন দিক দিয়ে এলি? আ... আমি তোর জন্য রাস্তা দেখছিলাম।
ফলের বাগান দিয়ে।
আমাকে বলতে পারতি। কে... কেন কষ্টকরে হেঁটে আসতে গেলি?
বাবু!
আজ অনেক ভালো করেছিস।
এটা তোর প্রাপ্য।
বা... বাচ্চার হাতে বে... বেশি টাকা দিস না।
পুরুষ মানুষের পকেট সবসময় গরম থাকা উচিত, তাই না?
আমার পকেট এটুকুতেই গরম থাকবে।
রাস্তায় কোনো সমস্যা হয়েছে?
না, বাবা।
আজ অনেক ভালো করেছিস।
হ্যাঁ, বাবা।
এ... এখন থেকে, আমাকে ডাকবি, ঠিক আছে?
আমি কি বলেছি কখনো কমলা খেতে চাই?
না, কিন্তু তুমি কমলা খুব পছন্দ করো।
দাঁড়া। একটা ছাড়িয়ে আনি।
এই, বিওম সু। গুলিতে কী জাদু করেছিস?
- মেরেছে? দেখি। - অস্থির... এক্কেবারে ফাটিয়ে দিয়েছে।
জোশ! ওকে তো অলেম্পিকে পাঠানো উচিত।
মনে হচ্ছে আমাদের ছেলে সবেতেই সেরা।
- প্র্যাকটিস বন্ধ কর... - চল খাবি।
আয়। আয়, হোয়ায়ি।
কিন্তু বিওম সু, আমরা গুলিগুলো কোথায় ব্যবহার করব?
কোরিয়ায় তো সব তরোয়ালের খেল।
হোয়ায়ি, খাওয়া শেষে তরোয়ালের লড়াই হবে, ঠিক আছে?
সুক ট্যের বয়সের সাথে মাথাটাও গেছে।
দিনকে দিন আরো বুদ্ধিশুদ্ধি খোয়াচ্ছে।
এই বাল পাকনামির পর ওর লোকেদের কথা ভাবা উচিত।
আমি থাকতে ও এসব চালিয়ে যেতে পারবে না...
আর ঐ কানা মালটা?
কে পরোয়া করে? মালের তো ভয়ে মুতে দেওয়ার মতো অবস্থা কিন্তু বলা যাবে না।
আমার মতে, সুক ট্যের কোনো লক্ষ্য নেই।
আমাদের গভীর জলে সাঁতরানো দরকার।
আচ্ছা! ইঞ্চনের যেওনের সাথে তোমার সাক্ষাতের ব্যবস্থা করব?
কে?
আরে, ইঞ্চনের যেওন সেউং কি।
ওর একটা লক্ষ্য আছে!
তুমি এটাকে লক্ষ্য বলছ? এটা গুন্ডাদের ব্যবসা ছাড়া আর কিছুই না।
ও আর আগের মতো নেই যেমনটা তুমি জানতে।
ও এখন মহানগরের সব বড় বড়
পুনঃউন্নয়ন প্রকল্প সামলাচ্ছে।
মালটার হাতে এখন কোরিয়ার নাড়ি নক্ষত্র।
তাই নাকি?
No comments yet. Be the first to leave one.