The first 200 lines.
ড. অশোক রাউন্ডে আসছেন। তাড়াতাড়ি সাফাই করো...
জানো তো এসব সিনিয়র ডাক্তাররা কতটা খিটখিটে মেজাজের হতে পারে...
খামাখা আমাদের কথা শুনতে হয়।
~ B R E A T H E ~ অনুবাদে : সাফাত
যশকে বাঁচতে হবে।
আর আমি ওকে বাঁচাব।
আমি জানি আমি যা করছি সেটা ভুল।
আর আমি সেটার সাজা ভোগ করার জন্য প্রস্তুত।
আমি স্বীকার করব।
মিসেস. ম্যাসকারেনহাস, এটা করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই...
আমায় ক্ষমা কোরো।
কেমন আছ, চাচা?
ভালো, রাহুল স্যার।
ব্যস ছেলেকে নিয়ে একটু দুশ্চিন্তায় আছি।
বেকার ঘরে বসে আছে আর কাজ-কর্মও কিছু করছে না।
একবার সিলেকশন হয়ে গেলে, সময় নষ্ট করার আর সময় পাবে না!
ওকে বলব আপনাকে ফোন করতে।
ফান্ডের অবস্থা কী?
শেষবার কবির যে কিছু দিয়েছিল।
সেটা দিয়ে কাজ হয়নি?
এনজিও চালাচ্ছি, নিলেশ।
ডিমান্ডের শেষ নেই।
কখনও রোগবালাই ...
কখনও শিক্ষা। কোনো শেষ নেই।
আর অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের ফান্ডের জন্য টাকা তোলা সহজ কাজ না, জানোই তো।
যা-ই করি না কেন, সবসময়ই অপর্যাপ্ত-ই থেকে যায়...
আর উপরন্তু, এই ডিমনিটাইজেশন।
ঠিক। কিন্তু এতে করে সিস্টেমে টাকা তো এসেছে।
রাজনীতি ছাড়াও, এটার কারণে বড়ো বড়ো লোকদের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল।
বাদ দাও ওসব। আরেকটা বিয়ার দাও।
শিনু, দরজা খোলো।
হেই, কবির। আসো, আসো।
হ্যাঁ, কবির। আসো।
জয় হিন্দ, স্যার!
তো, প্রকাশ, কেমন আছ?
বসে পড়ো।
মালওয়ানকারের রেইড থেকে।
আজকাল রেইড অনেক কম হয়ে গেছে, স্যার।
ডিমনিটাইজেশনের পর থেকে সব জায়গাই এই অবস্থা।
এই যে... পুলিশ ফান্ডের জন্য।
- কবির। - জ্বি?
একটা জিনিস বলো তো।
ভাবো তো কখনও যদি অপরাধ হওয়া বন্ধ হয়ে যায়...
তোমরা করবেটা কী?
আমার মতে সমাজে সামান্য অপরাধ হওয়াও জরুরি।
তাই না?
এসব কী বলছেন, স্যার।
যাক গে, আমার ছেলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছে আর তোমরা দুজনই আমন্ত্রিত।
ঠিক আছে, স্যার।
কবির।
আর তোমার স্ত্রীর নাম?
রিয়া।
- রিয়া। - আর আমার মেয়ে, শ্রেয়া।
- নাও। - আসবে কিন্তু।
স্যার, প্লিজ।
একাদশীর দিনে তো এই কাজ করাইয়েন না।
হুইস্কির বোতল দে।
প্রথমত তো, পাপের ভাগীদার হবো।
আর ধরা পড়লে আমার লাইসেন্স বাতিল হয়ে যেতে পারে।
আর কে ধরবে?
দুঃখিত, স্যার।
আপনি আরেকটা নিয়ে যান। পরে টাকা দিয়ে দিয়েন।
পরের সপ্তাহে আরেকটা ড্রাই ডে আছে।
এখন, দোকান বন্ধ করো।
ওটা তোর দেখার বিষয় না।
আচ্ছা, পরে ফোন দিচ্ছি।
পেয়েছেন, স্যার?
নাম্বার ১০৪, তাই না?
বাবা, আমার স্কুলের কিছু জিনিস কেনা লাগবে।
জানি, নিয়ে আসব। বারবার বলতে হবে না।
হ্যালো, আঙ্কেল।
স্যার...
স্যার, আজকে স্কুল বাস মিস করেছে।
তো, যাওয়ার পথে নামিয়ে দিবো?
ধন্যবাদ, স্যার।
স্কুলের জন্য কিছু জিনিস কেনার দরকার ছিল।
এক্ষুণি আসছি, স্যার।
বাবা, পেন্সিল শার্পনারও লাগবে।
আনছি।
আঙ্কেল, আপনি সবসময় আমার বাবার সাথে থাকেন?
হুম।
এটা কী, আঙ্কেল?
আঙ্কেল, দেখেন আমি এটা এঁকেছি।
এটা আমি, আমার বাবা, আমার মা আর আমার ভাই। আমার পরিবার।
কী হচ্ছে? এই নাও।
ড্রয়িং করার খুব শখ ওর।
আচ্ছা, সালোনি। স্কুলের জন্য দেরি হচ্ছে তো।
স্যারকে বিরক্ত কোরো না।
ওর প্রশ্নের কোনো শেষ নেই।
আপনাকেও বিরক্ত করেছে নিশ্চয়ই। দুঃখিত, স্যার।
হ্যালো।
হাই, ড্যানি! তোমার একাডেমিতে আসলাম।
আর তোমার দেখা পেলাম না।
হ্যাঁ, তোমার আগে ফোন করা উচিৎ ছিল। আমি একটু বাইরে আছি।
না, আসলে, আমি একটা কাজে এসেছিলাম। তাই ভাবলাম দেখা করে যাই।
তোমার অ্যাসিস্ট্যান্ট বলল তুমি আজকাল একাডেমিতে কম আসছ।
হ্যাঁ, ঠিক বলেছে।
আমি অনেকদিন থেকে একাডেমি বড়ো করার ব্যাপারে ভাবছিলাম।
তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে কিছু বিনিয়োগকারীদের সাথে দেখা করি।
তাদের সাথেই দেখা করতে এসেছি।
কাজ শেষ করতে গিয়ে অনেক দেরি হয়ে যায়।
তো, আমি... তোমাকে কল করব।
আর তিনজন মিলে ডিনারের প্ল্যান করব, ঠিক আছে?
ঠিক আছে। তাহলে ফ্রি হয়ে কল দিয়ো।
হ্যাঁ, ওয়াদা করছি করব। আমি কল দিবো। হ্যাঁ... হ্যাঁ।
ঠিক আছে, বিদায়।
আমার এখনও মনে হচ্ছে পার্টিতে যাওয়া মোটেও ভালো হবে না।
যেতে-ই হবে কি?
সমীর, তুমি এজন্য ঘাবড়াচ্ছ কারণ...
তোমাকে সেখানে কেউ চিনে না।
- তাই, বাদ দাও। - কিন্তু রিয়া তুমি কি আমাকে বলতে পারো?
আমি সেখানে গিয়ে করবটা কী?
তুমি আমাকে সঙ্গ দেবে।
মানুষজন আমাদের নিয়ে আজেবাজে কথা বলবে। তারা তোমাকে নিয়েও করবে।
সমস্যা নেই। তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না।
কিন্তু আমার যায় আসে তোমার এই যায় আসা না নিয়ে।
কারণ তোমার যদি কিছু আসে যায়...
...তাতে আমার আর চিন্তা থাকবে না।
আচ্ছা। বুঝেছি।
এটা কিন্তু ঠিক হলো না, নিলেশ।
মুম্বাইয়ে গরম বাড়ছে দেখে তুমি পুনেতে শিফট হয়ে যাচ্ছ।
- ওখানকার স্থানীয় খাবার অসাধারণ হয়। - ও তাই?
একবার খেয়ে দেখুন আর আপনিও শিফট হতে চাইবেন।
স্যার একে তো নিজে ঘুষ খান না তারপর আবার কাউকে খেতেও দেন না।
তোমার নতুন বস বারমতির না?
ঘুষ খাওয়া তে বাদ-ই দাও ও তোমাকে এসব খেতেও দিবে না...
হুইস্কি, প্লিজ...
হয়েছে হয়েছে।
- চিয়ার্স। - চিয়ার্স।
স্যার, পুনে আপনার জন্য না।
কর্মসংস্থানহীন একটা অলস শহর।
টিনার পরীক্ষার আর দুমাস আছে।
ও বলছে পুনে আসবে না।
এখানেই হোস্টেলে থাকবে বলল।
বয়স ১৭।
বোঝে না পরিবর্তনকে স্বাদরে গ্রহণ করে নিতে হয়।
কবির, পরিবর্তনই একমাত্র ধ্রুব সত্য, তাই না?
১ মিনিট। এক্ষুণি আসছি।
আসুন, শঙ্কর। স্বাগত! স্বাগত!
হাই, নিলেশ।
তোমার-ই অপেক্ষায় ছিলাম।
কেমন আছ?
ভালো আছি।
স্যার কোথায়?
এই তো উনি।
এটা হয়। বয়সের সাথে সাথে এরকম হয়।
কিন্তু এটা মেনে নিতে হয়।
আমি মেনে নিতে পারি, স্যার।
কিন্তু... আমার স্ত্রী?
তো, স্যার।
আপনার মেশিন কবে বন্ধ হয়েছিল?
আমি নগরকার, স্যার।
ওহ হ্যাঁ, চিনি। ২০০৮ এর নারকোটিক্স র্যাকেটের হিরো।
আর ও হলো কবির।
সাওয়ান্ত। হ্যাঁ। কবির সাওয়ান্ত।
শুভ সন্ধ্যা, স্যার।
শুভ সন্ধ্যা হ্যাশট্যাগ "মামা মামাকে চু*ছে।"
১ মিনিট। আসছি।
- হাই। - হ্যালো, আঙ্কেল।
- ও হলো আমার বন্ধু সমীর। - হ্যালো, আঙ্কেল।
- দেখা হয়ে ভালো লাগল... - হাই, সমীর। দেখা হয়ে ভালো লাগল।
ভিডিও তো হতেই থাকবে, কবির।
এত চিন্তা করে চললে ডিউটি পালন করব কীভাবে!?
তুমি জনগণের রক্ষা করো।
আমি তোমার রক্ষা করব।
- এক্সকিউজ মি। - অবশ্যই।
যতবার আমার সাথে কোনো পুলিশের সাক্ষাৎ হয়েছে
ততবার-ই আমাকে বলেছে, "লাইসেন্স কোথায়"?
আজ প্রথমবার এদের সবাইকে...
...ইউনিফর্ম ছাড়া বেশ চিন্তামুক্ত দেখাচ্ছে।
- কবির, তাই না? - হুম।
আচ্ছা, কী নিবে?
- যেকোনো কিছু, - আচ্ছা ওই "যেকোনো কিছু"টা নিয়ে আসছি।
হ্যাঁ।
ভদকা? স্কচ?
ওয়াইন। দুটো বানাও।
দেখে তো পুলিশ মনে হয় না।
পুলিশও না।
কিন্তু আপনাকে দেখে মনে হয়।
কেন? কীভাবে?
কারণ আমাকে সন্দেহ করছেন যে।
তো সন্দেহ করার কারণ না দেখালেই তো হয়।
আমি তো স্রেফ সঙ্গ দিচ্ছিলাম।
আর, আমি সমীর।
আমি আর্টিস্ট।
কবির সাওয়ান্ত।
সন্ধ্যা উপভোগ করো।
চিয়ার্স।
- এই নিন আপনার ড্রিংক। - ধন্যবাদ।
হাই।
অভিনন্দন।
- কীসের জন্য? - তুমি মুভ অন করেছ।
কবির, এসব বন্ধ করো, প্লিজ।
কেন? আমার নামে বসের কাছে নালিশ করবে?
যাও, পুরো পুলিশ বাহিনী এখানে আছে।
যাও গিয়ে নালিশ করো।
এই পেইন্টার ভালো মানুষ।
কবির, তুমি ভুল বুঝছ।
ও তোমাকে সুখী রাখবে।
জানো, আমি খুশি।
No comments yet. Be the first to leave one.