The first 193 lines.
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
ব্যাঙ্ক অফ স্পেন মূল ঘটনার ৫ বছর আগে
সুপ্রভাত।
ব্যাংক অফ স্পেনের গভর্নর মিস্টার মারিও আরবানেয়ার সাথে
একটা অ্যাপয়নমেন্ট ছিল আমার।
আমি রেটিং ট্রাস্ট কর্পোরেশন থেকে এসেছি, আলফ্রেডো কেসম্যান।
একটু দাঁড়ান।
অসীম দয়া আপনার, ধন্যবাদ।
- এক্সকিউজ মি, কোথায় যাচ্ছেন? - হ্যালো।
আর আপনি?
আমরা কি একে অপরকে চিনি?
আপনি কোথায় যাচ্ছেন, সে প্রশ্নের জবাব দিন।
গভর্নরের সাথে একটা অ্যাপয়নমেন্ট আছে আমার।
আপনি কোথায় যাচ্ছেন? হাঁটতে?
দিনটা খুব সুন্দর।
আপনাকে এখানে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।
- আচ্ছা। - তারপর কেউ আপনাকে ডেকে নিয়ে যাবে।
কেউ তো আসলো না, তাই আমি একাই যাচ্ছি। পথ চিনি আমি।
- মিস্টার কেসম্যান? - আপনার সেবায়।
- দেখা হয়ে ভালো লাগলো। - কেমন আছেন?
অপেক্ষা করানোর জন্য দুঃখিত।
- গভর্নর এখনই আপনার সাথে যোগ দেবেন। - খুব ভালো।
- আমার সাথে আসুন। - ধন্যবাদ।
- আপনার দিনটা ভালো কাটুক। - আপনার সাথে আসতে পারি?
অবশ্যই।
একটু বিশ্রাম নাও।
এতো তুমি।
আমি ইন্টেনসিভ কেয়ার বিভাগের প্রধান।
চিন্তা নেই, আমি আগে নার্সের কাজ করতাম।
বাথরুমে যাচ্ছি, বেশি সময় লাগবে না।
ধন্যবাদ।
কুত্তা।
তোকে খুন করব, আগেই বলেছিলাম।
ও কোথায় গেছে?
রিও, ও কোথায় গেছে?
রিও, সর্বনাশ!
ও কোথায় গেছে?
সিঁড়ি দিয়ে উঠেছে।
স্টকহোম, ডেনভার, এখানে থাকো। কাউকে দরজার কাছে আসতে দিও না।
জিম্মিরা কোনোভাবে বেরিয়ে গেলে, আমরা শেষ। বুঝেছ?
- বুঝেছি। - এসো।
- হেলসিংকি, বোগোটা, আমার সাথে এসো। - চলো।
সবাই দাঁড়াও, এক্ষুণি!
- কী হয়েছে? - দরজা থেকে উল্টোদিকে মুখ করো!
সর্বনাশ! নাইরোবি।
কিছু একটা সমস্যা হয়েছে, পালাও!
নাইরোবি, আমরা আসছি!
- নাইরোবি, আমরা আসছি! -নাইরোবি!
নাইরোবি, আমরা আসছি!
নাইরোবি, একটু দাঁড়াও!
ও ওকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। ওর পালস ১৬২ তে উঠে গেছে।
নাইরোবি! তুমি ঠিক আছ?
নাইরোবি, সব ঠিক হয়ে যাবে, শ্বাস নাও।
- শ্বাস নাও, নাইরোবি। - গান্দিয়া পালিয়ে গেছে।
বোগোটা।
বোগোটা!
এখানে থাকো, নাইরোবির সাথে।
ও ফিরে আসলে ওর মাথার খুলি উড়িয়ে দেবে, বুঝেছ?
হেলসিংকি, চলো গিয়ে ওকে ধরি।
- ওর দেখাশোনা করো। - আমরা ওকে খুঁজে বের করবো।
এখন থেকে সব নিয়ম পালটে যাবে।
কেউ দাঁড়াবে না, কেউ নড়বে না।
আমাদের নির্দেশ ছাড়া কেউ খাবে না!
ডেনভার, তোমাদের গো* মারা সারা।
তোমাদের গো* মারা সারা!
আবারও, না দেখলে বিশ্বাস করতাম না।
- আর্তুরিতো, কিছু বলতে চাও? - হ্যাঁ।
তোমরা এখন আর অপরাজেয় নও।
তোমরা আর অপরাজেয় নও।
ওরা আর অপরাজেয় নেই!
আর্তুরো, মুখ বন্ধ!
নইলে?
নইলে আমার পিস্তলের সবগুলো গুলি তোমার মাথা দিয়ে যাবে।
- এখানকার অনেককিছু বদলিয়ে গেছে, মনিকা। - তাই?
আমরা এখানে,
এখন আমরা হলাম বিদ্রোহীর দল!
এসো, মিগুয়েল! আমরা হলাম বিদ্রোহী! হেই?
আমরা ওদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করব!
আমরা হলাম বিদ্রোহী! আমরা হলাম বিদ্রোহী!
আমরা হলাম বিদ্রোহী!
আমরা হলাম বিদ্রোহী!
আমরা হলাম বিদ্রোহী!
আমরা হলাম বিদ্রোহী!
আমরা হলাম বিদ্রোহী!
বিদ্রোহের মায়েরে বাপ!
সবাই মেঝেতে শুয়ে পড়ো এক্ষুণি!
তাহলে এই হলো কথা, সের্গিও।
গার্ডেরা কী প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা ভেবে রাখতে হবে আমাদের।
গার্ডেরা কী প্রতিক্রিয়া দেখাবে,
ওরা গভর্নরকে নিরাপদ জায়গায় নিতে কতক্ষণ লাগাবে,
ওরা কোন কোন জায়গায় পজিশন নেবে, সব।
সবকিছু প্রটোকলের মধ্যে আছে।
তা ঠিক। আমাদের হাতে প্রটোকল আছে, থিওরি আছে।
কিন্তু তার আগে একটু অনুশীলন করে নেয়া ভালো।
সেই অনুশীলনটা কীভাবে করতে চাও?
নিরাপত্তা বিষয়ক একটা ছোট্ট ঝামেলা বাঁধিয়ে ভেতর থেকেই দেখব সেটা।
সিংহের গুহায় ঢুকতে চাচ্ছ?
সেই সিংহই আমাকে বাঁচাবে।
কার পরিচয় দিয়ে ঢুকবে?
ওরা ভাববে তোমার ভাই একজন রথী-মহারথী, একজন জিনিয়াস।
রেটিং ট্রাস্ট কর্পোরেশনের একজন নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি বিশেষজ্ঞ,
যে কি না এর আগে 'স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রিস্ক' এবং 'বাকের অ্যান্ড বাকের' কোম্পানির হয়ে কাজ করেছে।
আমরা...দারুণ বুদ্ধিমান ...
এক লোকের পরিচয় চুরি করতে যাচ্ছি।
সেই স্প্যানিয়ার্ড...
গত ২০ বছর ধরে নিউইয়র্কে বসবাস করে এসেছে।
আলফ্রেডো কেসম্যান।
একজন সত্যিকারের জিনিয়াস।
সেইসাথে আমরা স্পেনের অর্থনীতি নিয়ে দারুণ কিছু সাজেশন নিয়ে যাবো।
- গভর্নর সেগুলো দেখলে খুশি হবে। - হ্যাঁ।
বসতে পারি?
অবশ্যই।
কিংবা ব্যাঙ্ক অফ স্পেনের গভর্নরের জন্য দাঁড়িয়ে অপেক্ষাও করতে পারেন।
ধরে নিচ্ছি আপনি গভর্নরের নিরাপত্তাকর্মীদের প্রধান।
ঠিক ধরেছেন।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে,
আপনার আর আমার কাজের ধরন একইরকম।
আমরা দুইজনেই ঝুঁকির হিসাব করি।
আমাদের মধ্যে আসলে অনেক মিল, তাই না?
না।
আমাদের মধ্যে একটুও মিল নেই।
আমি ঝুঁকি হিসাব করি মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য।
আপনি সেটা করেন টাকা কামানোর জন্য।
দুইটা এক নয়।
দেখুন, আমরা একই রকম।
আপনাকে বেশ চালাক আর..
পর্যবেক্ষণশীল মনে হচ্ছে।
ঠিক এই মুহূর্তে এই রুমে কোনো ধরনের ঝুঁকি দেখতে পাচ্ছেন?
কৌতুহলের বশে জিজ্ঞাসা করা।
এই রুমে যদি কোনোধরনের ঝুঁকি দেখতে পেতাম,
তাহলে আর সেটা এখানে থাকত না।
আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন সেটা।
মিস্টার কেসম্যান।
- কী অবস্থা? - কেমন আছেন?
- বেশ ভালো, ধন্যবাদ। - বসতে পারি?
জ্বি অবশ্যই।
কফি খাবেন, মিস্টার কেসম্যান?
এলাচ দিয়ে সিলনের রঙ চা খেতে পারলে দারুণ হত।
- তা না হলে এমনি রঙ চা হলেও চলবে, ধন্যবাদ। - জ্বি অবশ্যই।
এমুহূর্তে কফি খেতে দিলে লোকোকে বেছে নিতাম।
আচ্ছা। আপনার বিবৃতির জন্য প্রস্তুত আমি।
শুরু করো।
শুরু করার আগে একটা প্রশ্ন আছে আমার।
ব্যাপারটা প্রাসঙ্গিক হবে কি না, জানি না...
এটা নিয়ে অনেক ভাবছিলাম, অ্যালিসিয়া। তোমাকে জিজ্ঞেস করতেও চাচ্ছিলাম।
বলে ফেলো।
যখন বাসায় যাও, কেমন লাগে?
মানে,
রিওর মতো একটা ছোট ছেলেকে নির্যাতন করো তুমি,
আলমারির চেয়েও ছোট একটা ঘরে ওকে দাঁড়া করিয়ে রাখো দিনের পর দিন,
দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পেশাব-পায়খানা হয়ে যায় ওর,
তারপর ঘরে ফেরো তুমি।
তারপর তুমি ঘরে ফেরো... জার্মানের কাছে।
সেটাই জানতে চাচ্ছিলাম।
প্রেসের ওরা তোমাকে নির্যাতক বলে ডাকলে পাত্তা দাও না তুমি,
কিন্তু জার্মান...
জার্মান তো অনেক ভালো লোক,
যখন ঘরে ফেরো, কী বলে ও?
ও কি জিজ্ঞেস করে, "সোনা, কেমন কাটলো দিনটা?"
তুমি কি ওকে চুমু খেয়ে...
জড়িয়ে ধরো?
তারপর কি?
জার্মানও কি তোমাকে জড়িয়ে ধরে? চুমু খায়?
তোমরা কি সেক্স করো?
কারণ আমার ধারণা, তোমাকে ওর অসহ্য লাগে।
সত্যি বলতে... জার্মান আমাকে দুই মাস ধরে জড়িয়ে ধরে না।
আমাকে চুমু খায় না, আমার সাথে ভালোবাসাবাসি করে না।
ঠিক যেদিন ওকে পুড়িয়ে দিয়েছি, তার পর থেকে।
ওরা একটা সাদা চাদর দিয়ে ওর মুখ ঢেকে দিলো,
হাসপাতালের মর্গে নিয়ে গেলো,
তারপর থেকেই আমাকে আর জড়িয়ে ধরে না ও।
অ্যালিসিয়া, কী করছ তুমি?
ও মারা গেছে।
ক্যান্সার হয়েছিল ওর...অগ্নাশয়ে।
এরকম ক্ষেত্রে ডাক্তারেরা হাতে দুই মাস ধরিয়ে দেয়,
ঠিক দুই মাসই টিকেছিল ও।
আমি মোটা হয়ে যাচ্ছিলাম।
ও হচ্ছিল চিকন।
আমি গোলাপি হয়ে যাচ্ছিলাম,
আর ও হলুদ হয়ে যাচ্ছিল।
এটা ওকে গ্রাস করে ফেলছিল।
আমার ভেতরে জীবন বেড়ে উঠছিল,
ওর ভেতরে বেড়ে উঠছিল মৃত্যু।
সেটাই ক্যান্সারের নিয়ম।
আমাকে বলা ওর শেষ কথা কি ছিল, জানো?
কথাটা ছিল "খবরটা চালাও"...
বিশ্বাস হয়?
ভেবেছিলাম ও আমাকে অভ্যাসবশত লেকচার দেয়া শুরু করবে,
কারণ ও অনেক বাকপটু ছিল, আর ছিল সৃষ্টিশীলও।
ও শুধু বললো, "খবরটা চালাও" খবরটা চালাও!
ও মরফিনের নেশায় বুঁদ হয়ে ছিল অবশ্য,
সেটা ওর ওপর প্রভাব ফেলেছিল হয়তো।
No comments yet. Be the first to leave one.