The first 200 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় তারিকুল হাসান অভীক
.6
facebook:Tarikul Hasan Avik
নাও,নাও,নিয়ে যাও
ব্যাথা হচ্ছে।
থালাইভা এই ব্যাপার দেখবে আসো।
হেইই!!
থালাইভা
তুমি দেখেছো এটা?
আহ!
শোনো...
...মনে হচ্ছে ছেলেটাও উপভোগ করছে
তাই নাকি?
দেখতে হবে না কার ছেলে।
কি হয়েছে, তোমার কি ব্যাথা উঠেছে?
কি হয়েছে লাক্সমি?
-প্রচুর ব্যাথা হচ্ছে -কি হয়েছে?
চল চলে যাই
ধরো এটা,চলো।
ভাই কি হয়েছে?
কি হয়েছে?
কেউ কি একটা অটো ডেকে আনতে পারবে?
এদিকে আসো, তোলা দাও ওকে।
অটোর কোনো দরকার নেই
এখানেই তার ডেলিভার হবে
এখানে অনেক মহিলা আছে, আমরা সবাই মিলে তার খেয়াল রাখবো।
সাবধানে!!
আমি আর পারছি না।
তারা আমাদের থালাইভাকে মেরে ফেললো
রজনীকান্ত !
গজনীকান্ত !
গজনীকান্ত !
আসো,আসো,এদিকে আসো।
কি এটা?
তুমি তো পুরোপুরি ভিজে গিয়েছো?
কেটলিতে কি জিনিস?
দাদীমা,দাদার পছন্দের
মাছের তরকারী বাবা পাঠিয়েছে।
হেই...হেই...হেই....আমার সোনামণি,
আসো, আসো,এদিকে আসো।
তুমি দেখেছো?
আমার নাতী তার দাদাকে কত ভালোবাসে।
হ্যাঁ, ঠিক বলেছ, অনেক বেশী ভালোবাসা।
ছেলেকে আলাদা থাকতে হচ্ছে অনেক বছর হয়ে গেলো,
তুমি তাকে ডেকে কথাও বলো না।
তোমার আত্মমর্যাদা অনেক বেশি,
দেখো, তোমার পছন্দ আলাদা করে রাখো,
তুমি তাকে ডাক দিয়ে কথা বলতে পারো না?
আমি কিছুদিন ধরে এই ব্যাপারেই ভাবছিলাম,
তুমি খালি দেখতে থাকো।
আমার নাতীই আমার ছেলের সাথে আমার মিল করাবে।
করাবে না রজনী?
তুমি এক কাজ করো,
তোমার বাবাকে কালকে আসতে বলো, আমি তার সাথে কথা বলতে চাই।
আমি তাকে বলব দাদাভাই
ওই।
এদিকে আসো, আসো......।
তোমার দাদা কি বললো?
দাদা...
দাদা...!?
বলো আমাকে
বাবা, মা কি মাছ ভাজি বানিয়েছে?
ওই,ওই,ওই.....রজনী!
ওই বল আমাকে...
...তোর দাদা কি বললো??
দাদা...-তাকে ছাড়ো তো...
সে নতুন কিছুই বলে নি হয়ত।
উনার বোনের মেয়েকে ছেড়ে আমাকে বিয়ে করায়.....
উনি রেগে আছে।
মা...দাদাভাই...!
কি হয়েছিলো? উনি কি তোর বাবাকে বকেছেন?
কি হয়েছে?
তিনি তো প্রতিজ্ঞা করে রেখেছেন,
তুমি তোমার ছেলের মুখ দিয়ে অন্য কথা শুনতে চাচ্ছো কেনো?
বাবা!
বাবা !
বাবা , কি হয়েছে?
কি হয়েছে, মা?
সে অনেকদিন থেকে তোকে দেখতে চাচ্ছিলো
আর তুই এখন দেখা করতে আসলি? যখন তার মুখ বন্ধ হয়ে গেলো?
এখন পর্যন্ত...
...সে আমার কাছে কোনো খবর পাঠায় নি।
সে তোকে খবর পাঠিয়েছিলো আর তুই কিনা মুখ ঘুরিয়ে নিলি।
তার জন্যই তার আজ এই অবস্থা।
খবর পাঠিয়েছিলো?কাকে দিয়ে?
তোর ছেলে রজনীকে দিয়ে।
আমার ছেলেকে দিয়ে!?
ওই, তোর দাদা কি আমাকে এখানে এসে দেখা করতে বলেছে?
হুম!!
আগে বলিস নি কেন তাইলে?
ভুলে গিয়েছিলাম বাবা
রামানাথাম এবং আমি ছোটবেলা থেকেই অনেক কাছের বন্ধু
সে ছিলো রজনী রামানাথাম,
আর আমি ছিলাম কমল বিশ্বনাথাম
তার বিয়ের পর তার যখন ছেলে হলো
সে নাম দিলো রজনীকান্ত
আমি কিভাবে চুপ থাকতে পারি?
যখন আমার মেয়ে জন্ম নিলো,
আমি তার নাম দিলাম কামিলি।
রজনী আর কমল কত ভালো বন্ধু।
তাদের বন্ধুত্ব দেখে...
আমরা দুজন নিজেদের মধ্যে আত্মীয়র সম্পর্ক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
...আমরা পিছনের ফ্ল্যাশব্যাকে না যাই।
দেখো তোমার ছেলে রেডি হলে তাকে নিচে নিয়ে এসো।
আহ!!সরো সরো।
তুমি এখানে দাঁড়িয়ে আছো কেনো?ও কই?
সে ভিতরে রেডি হচ্ছে।
ওই,তাড়াতাড়ি আয়, নিচে সবাই তোর জন্য অপেক্ষা করছে।
আমি রেডি,এখুনি নিচে নামছি।
সে আসবে বলেছে,তাহলে চল যাই।
নমস্কার আংকেল।
এত অবাক হলেন কি জন্য আংকেল?
ও হয়ত ভাবছেন যে ছেলে ছোটবেলায় জাইঙ্গা পড়ে ঘুরত,
সে কিভাবে এমন সুদর্শন পুরুষে রুপান্তরিত হল.
তুই এখনও তোর ছেলেবেলায়ই পড়ে আছিস।
-কি বলছিস? -নিচে তাকা
আমি ভেবেছিলাম বিল্লা,রাঙ্গার মত মাসহিরো হবি
ধারমাতিল থালাইভা থেকে রজনীকান্ত হয়ে উঠবি।
তুই সবকিছুতে ভুল করে বসে আছিস।
তুই রজনীকান্ত না।
গজনীকান্ত।
যথেষ্ট হয়েছে।
তার ব্যাপারে মন্তব্য করা থামাও।
আরেকটা সম্বন্ধ খুঁজে বের করো।
শেষ আর একটা অপশন আছে।
এটাও যদি না হয়...
খতম! খতম!
হেই!!!
হেই!
-স্যার। -কি করছিস?
গাছগুলোতে ঔষধ দিচ্ছি স্যার।
হেই!
পর্যাপ্ত থাকার ফলে যদি আমরা খালি ঔষধ খেতে থাকি
তবে তা বিষে পরিণত হবে
আর শরীরকে কোনো কাজ করার যোগ্য রাখবে না।
এটা কোনো গাছের জন্যই হোক...
অথবা মানুষের ব্যাপারই হোক না কেন
কীটনাশক দিয়ে ...
যতই মাটিকে উর্বর করি না কেনো,
এটা বিষই থাকে।
রামানাথাম, উনি সত্যমূর্তি।
সে কৃষকদের কাছে ভগবান।
সে যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য প্রাকৃতিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেন।
অল্পকথায় বলতে গেলে,
হেই গুনা, মনগড়া কাহিনী বলা বন্ধ করো।
আমি শুধু তাকে সত্যটা বলছিলাম
নমস্কার!
-রামানাথাম। -সত্যমূর্তি।
চলুন ওখানে গিয়ে বসি।
উনার ছেলে, আপনার মতই একজন বিজ্ঞানী
উহ!?
জুনিয়র সাইন্টিস্ট...
...তাকে শেষে আপনার স্থানে পাবেন।
তার নাম রজনীকান্ত।
নামের মতই,
দেখতে নায়কের মতই।
সে উনার মতই,
যতই ভালো জায়গায় যাক,
সে খুবই মার্জিত এবং বড়দেরকেও সম্মান করে।
সে এমনই।
আপনার প্রতি তার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে।
যখন আমরা আপনার মেয়ের কথা বললাম
সে না দেখেই আমাদের
যেতে বলল এবং বিয়ে ঠিক করে আসতে বলল।
আরে থামুন।
আমাকে ভুল বুঝবেন না...
আপনার ছেলের কি কোনো সমস্যা আছে?
স্যার,আপনি আপনার গবেষনা দিয়ে আমাকে বাদ দিয়ে দিতে পারেন,
আমার ছেলেকে নয়।
আরে না, আপনি তো আমাকে ভুল বুঝলেন।
এদিকে দেখুন, যখন আমার গাছের একটি পাতার উপর কোনো দাগ পড়ে...
আমি সব দিক থেকেই এব্যাপারে চিন্তা করি।
এটা আমার মেয়ের জীবন।
আমাকে ১০০ বারের বেশি ভাবতে হবে।
রামাথাম সাহেব
আমি আজকে গিয়ে আপনার ছেলের সাথে দেখা করে আসব।
আমি যদি তাকে পছন্দ করি,
আমরা কথাবার্তা এগিয়ে নিয়ে যাবো।
বলো বাবা।
হেই!
এইমাত্র আমি মেয়ের বাবা সত্যমূর্তীর সাথে কথা বললাম,
সে তোর ল্যাবে এসে তোর সাথে দেখা করে যাবে।
ভালোভাবে কথা বলিস।
আহ...ওকে!
তাছাড়া গুনার তোর উপর অনেক আশা ভরসা আছে
মেয়ে বলে অনেক সুন্দর।
সাবধানে।
গুনা আংকেল সত্যি কথাই বলেছে
আধা ঘন্টার মধ্যে তিনি আমার নাম বর নামে সেভ করবেন।
আর তুমি কল করলেই বেয়াই ডাক শুনবে।
হেই, হেই, হেই, হেই!!!
এত ভাব না দেখিয়ে
খালি ভুলিস না আমি তোকে কি বলেছি।
বুঝেছিস? কোনো কিছু না ভুলে তোকে কথা বলতে হবে।
বুঝেছিস??
তুমি আমাকে ভয় দেখাও বলে আমি সবকিছু ভুলে যাই।
সত্যি?
স্মৃতিশক্তির ঔষধের ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হচ্ছে না এটাই অনেক,
ফোন রাখ।
দোস্ত,
No comments yet. Be the first to leave one.