Release info

Enai Noki Paayum Thota 2019 Bsub By Team WBMF
এনাই নোকি পাইয়্যুম থোটা ২০১৯ বাংলা সাবটাইটেল বাই টিম WBMF
எனை நோக்கி பாயும் தோட்டா ENPT ২০১৯ বাংলা সাবটাইটেল পরিবেশনায় টিম WBMF
এনাই নোকি পাইয়্যুম থোটা তামিল মুভি এইচডিরিপ ২০১৯ বাংলা সাবটাইটেল পরিবেশনায় টিম WBMF
গানের অনুবাদসহ তামিল মুভি এনাই নোকি পাইয়্যুম থোটা ২০১৯ বাংলা সাবটাইটেল পরিবেশনায় টিম WBMF
রানটাইম 02:31:03 এনাই নোকি পাইয়্যুম থোটা ২০১৯ সাবটাইটেল পরিবেশনায় টিম WBMF
A Commentary by WBMF_Sub_Team
এটি আমাদের টিমের ১৮তম সাবটাইটেল। ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না যেন। মুভিটি mlwbd.com এবং southfreak.info সাইট সহ দেশি সকল সাইটে পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।😇

Tags

other
Published on: 2020-01-12
Downloads: 40
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

Translated By KN HASAN │ NURULLAH MASHHUR │ MUSAFIR MEHDI SARFARAZ MUHAMMAD │ SAIYED SAIFULLAH NAYEM SHAFIN CHOWDHURY │ NEAMUL HOQUE ABEG

- গানের অনুবাদ আয়োজনে ছিলেন - TAYEBA TANJIMA OTHOI

বন্দুকটা কোথায়?

ড্যাশবোর্ডর ভেতরে। দাঁড়া,আমি নিয়ে আসছি।

জলদি কর।

কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলি?

প্রেমিকার সাথে ইটিস পিটিস খেলছিলি?

আর কত সময় নিবি, গাধা?

কী জঘন্য ভাই আমার

এই সব কিছুর কারণ তুমি।

আমার ভাইয়ের কারণেই আজ আমি মৃত্যুর মুখে।

শেষ করে দেবো এক্ষুণি? তাকে নিয়ে আর টানা হেচড়া করতে বলবেন না তো?

৪০ সেকেন্ড ধরে, সে আমার দিকে বন্দুক তাক করে ছিল।

সব ক্ষমতা এখন তার হাতে।

সিনেমায় তার মত কেউ যখন গুলি না করে বকবক করে, তখন হাসি।

কিন্তু এখন আমার কোনো অভিযোগ নেই।

কারণ আজ আমি মরার মুডে নেই।

মরার জন্যে আজকের দিনটা শুভ না।

যদিও এসবে আমার বিশ্বাস নেই, তবুও মা জোর করায়....

এক বিখ্যাত জ্যোতিষীকে হাত দেখিয়েছিলাম।

সে বলেছিল, "৯০ বছর বয়স পর্যন্ত তুমি সুস্থ ও সুন্দর জীবন কাটাবে।"

এই সব কিছুর অবসান করা যাক।

জ্যোতিষী মশাই... আজ যদি আমি মরি, তাহলে আমার টাকা ফেরত চাই।

সেই সাথে তুইও মরবি।

ভাই, বাঁচা। মারছে আমাকে।

ধর শালাকে।

পালাতে দিস না!

এমন করে না। আমার কথা শোন।

শোন...

গুলি নেই?

ধরেছি!

মেরেই ফেলব তোকে।

মারিস না!

আমাদের বাড়ি এমন ছিল না। আমরাও এমন ছিলাম না....

...যেদিন ভাইয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেল...

সমস্ত সুখ আর হাসি সাথে করে নিয়ে গেল।

যাবার সময় একটাবারও পেছন ফিরে তাকায়নি।

আমরা তাকে অনেক ভালবাসতাম।

কিন্তু আমাদের ছেড়ে চলে যাবার পর, ঠিক ততটাই ঘৃণা করি।

১৪ বছর হয়ে গেল, তার সাথে শেষবার কথা বলেছিলাম।

ভাইয়া...

তোমার কারণেই, ওই গুলিটা আমার দিকে ছুটে আসছে।

আমি আমার ভাইকে দেখতে চাই।

যে নোংরা শহরটাকে আমি ঘৃণা করি,

সেখানেই তাকে খুঁজতে এসেছি।

লেখা।

আমার ভালোবাসা। আমার জীবন।

সেই ছিল আমার সব।

৪ বছর আগে তার সাথে শেষ দেখা হয়েছিল।

চার বছর হল, সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।

আমাকে ফোন করে বলেছিল, "আমি তোমার ভাইয়ের সাথে আছি...."

"সে বিপদে আছে। এক্ষুনি এখানে আসতে পারবে?"

তাই তোমার জন্য এসেছিলাম, ভাইয়া!

এখন আমি এখানে।

মনে হয় আমি মারা যাব, কারণ জীবনের পুরোনো স্মৃতিগুলো চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি।

ভাইয়া, তোমার চেহারা আমার মনে পড়ে না।

আর এখনও পড়ছে না।

আমি, সারানিয়া আর থিরু।

সারানিয়ার জন্ম হয়েছিল আমার জন্মের দুই মিনিট আগে।

আমার বড় বোন।

আমাদের দু'জনের চেয়ে থিরু ছিল ৭ বছরের বড়।

আমার বড় ভাই।

সারানিয়া আর আমার বয়স যখন ৭ থেকে ১০ এর মধ্যে

তখন ভাইয়াই ছিল আমাদের পুরো পৃথিবী।

সে ছিল আমাদের হিরো।

তারপর থেকে সে আর আমাদের সাথে থাকেনি।

১৬ বছর বয়সে সে একটা মেয়ের প্রেমে পড়েছিল।

২ বছর ধরে...

জেগে থাকা প্রতিটি মুহুর্ত সে মেয়েটার সাথে কাটিয়েছিল।

একদিন...

মেয়েটা মারা গেল।

সে থিরুর সাথে মোটরসাইকেলে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।

তখন তার ১৮ বছর বয়স।

তার মতে, ওখানেই তার জীবন শেষ হয়ে গিয়েছিল।

তার বয়সটা ছিল আবেগের।

অথবা সে হয়তো ওরকমই ছিল।

দুই মাসের বেশি হয়নি, সে আমাদের ছেড়ে চলে গেল।

হেঁটে বেরিয়ে গেল।

বাবা-মা ওকে অনেক খুঁজেছে।

তারা যতই চেষ্টা করুক না কেন, সে ফিরে আসেনি।

বলেছিল, একা থাকতে চায়।

তারপর থেকে, তারা আর কখনো একসাথে থাকেনি।

থিরু একদিন ফিরে আসবে এই আশায় আমরা বাকিটা জীবন কাটিয়েছি।

যদি কখনো কোনোভাবে তার ব্যাপারে জানতে পারি...

এটুকুই।

১১ বছর বয়সে, আমি বুঝতে পারিনি কেন সে আমাদের ছেড়ে গিয়েছিল।

ব্যাপারটা আমার ভালো লাগেনি। ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে তাকে ঘৃণা করতে শুরু করলাম।

আজ আমার ২৫ বছর বয়স। তার ৩২।

দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করিনি যে...

লেখার মাধ্যমে আমি থিরুর ব্যাপারে জানব

আর মুম্বাইতে আসব।

তার আমাকে মনে আছে কি-না সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।

হ্যালো, ভাইয়া।

আমার নাম...

রঘু।

Edited By :.:.: H A S A N S H U V O (M R. X) :.:.:

আমার কথাই বলি..

লেখাকে নিয়ে আমার গল্পের শুরু।

পাঁচ বছর আগে শুরু হয়েছিল....

এই প্রেমের কাহিনী।

প্রেমের কারণেই জীবনের সূত্রপাত।

যখন আমরা প্রেমে পড়ি, আমরা কেমন যেন হয়ে যাই।

প্রেম ছাড়া আমরা কিছুই ভাবতে পারি না।

আমার মনে হয়, লেখা আমার জীবনে এসেছিল

যাতে এত বছর পর, ভাইয়ার সাথে আমার দেখা হয়।

যখন তার সাথে প্রথম দেখা হয় তখন আমি কলেজের ফাইনাল ইয়ারে।

আমি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চেয়েছিলাম।

কিন্তু আমার বাবা বলেছিল, কম্পিউটারই ভবিষ্যৎ....

তাই আমাকে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়িয়েছিলেন।

সে যদি আমার সহপাঠি হত!

রঘু?

EPROM কী, রঘু?

জানি না, স্যার।

বাইরে সিনেমার শুটিং হচ্ছে। পড়াশোনা বাদ দিয়ে শুটিং-ই দেখো, বেরিয়ে যাও।

সে আমার সহপাঠিও নয় শিক্ষকও নয়।

সিনিয়রও ছিল না। জুনিয়রও না।

আমি জানতাম তুই আসবি। তাড়াতাড়ি চল।

কোথায়?

এমন এক ধরণের সৌন্দর্য, যা এখানে আগে কখনো দেখা যায়নি।

কী?

"স্বর্গীয়" শব্দের মানে জানিস?

এর মানেই তোকে দেখাবো।

আমাদের কলেজ আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিল।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভালো বেতন নেয়া হত।

সুন্দর একটা ক্যাম্পাস।

কিন্তু তারা আরো টাকা কামাতে চেয়েছিল।

তাই সিনেমার শুটিং এর জন্যে ক্যাম্পাসটা ভাড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

প্রত্যেক সপ্তাহেই সিনেমার শুটিং হত।

দেখ, সে বেরিয়ে আসছে।

কলেজে ১২০০ শিক্ষার্থী ছিল।

কিন্তু তার চোখ প্রথম আমার উপরই পড়ল। ।

সেই থেকেই শুরু।

যে সিনেমার শুটিং চলছিল সে ওটার নায়িকা ছিল।

দ্বিতীয় দেখাতেই ওকে ভালো লেগে গিয়েছিল।

তারও বোধ হয় আমাকে ভালো লেগেছিল।

রোল ক্যামেরা... অ্যাকশন!

নায়কের আগমন ঘটছে। তার দিকে হাত নাড়াও।

কাট।

শট ওকে।

টাইটানিক সিনেমায় রোজের প্রথম শটের কথা মনে আছে?

- হ্যাঁ। - অবিকল একই রকম।

পুরো কপি!

সবুজ ব্যাকগ্রাউন্ডের কী দরকার ছিল? বাজে দেখাচ্ছে!

সিনেমায় ওটা ওখানে থাকবে না। বদলে যাবে।

সারাদিন ওকে দেখার জন্যে ক্লাস থেকে পালাতাম।

অবশ্যই ভালো উপায়ে।

দু'য়েক বার ও আমার দিকে তাকিয়েছিল।

ওর দিকে তাকাতে গিয়ে চোখাচোখি হয়ে বার দু'য়েক ধরাও পড়ে গিয়েছিলাম।

এক সময়, তার চোখ আমাকে খুঁজতে লাগলো। ঈশ্বর!

তুমি কি বোকা? যাও গাড়িতে ওঠো।

হেঁটে ভেতরে ঢোকার সময় ও আমার দিকে তাকিয়েছিল।

তার আর উপায় ছিল না।

একটা রোজ মিল্ক অর্ডার করে আমার পাশের টেবিলে এসে দাঁড়াল।

ঈশ্বর! রোজ মিল্ক হাতে মেয়েটা!

ওর সাথে কথা বলার সুযোগ পেয়ে গেলাম।

হাই...

এটা কি ঐতিহাসিক সময় নির্ভর সিনেমা?

অবশ্যই!

বলতে চাইছি...

পুরো সিনেমাটাই কি সেই সময়কার উপর নির্মিত, নাকি তোমাকে আধুনিক ভূমিকায়ও দেখা যাবে?

পুরোটাই।

বয়স কত হবে তোমার.... অবশ্যই ১৮ বা ১৯?

কিছু মনে না করলে আমায় বলতে পার।

১৯।

১৯!

অভিনয়ে তোমার আগ্রহ নেই?

দেখেই বোঝা যায়।

ওনাকে বিরক্ত কোরো না।

উনি এখানে বিশ্রাম নিতে এসেছে। - দুঃখিত।

সমস্যা নেই, কিশোর।

তুমি যেতে পারো। শট রেডি হলে আমাকে জানাবে।

ওকে, ম্যাডাম।

স্যরি।

ওই স্যরি শব্দটা আমার কাছে অনেক কিছু ছিল।

ছয় মাসের মধ্যে তারা আমাদের কলেজে ৮০ দিন শুটিং করেছিল।

তেমনই একটা দিনে দেখলাম, সে আমার পাশে দাঁড়িয়ে

বলার প্রয়োজন নেই...

কাছ থেকে তাকে আরো সুন্দর দেখাচ্ছিল।

সবাই নায়ককে দেখছিল।

কারো নজরই তার দিকে ছিল না।

তারা বোকা ছিল। আমার জন্য ভালোই হয়েছিল।

তোমার মোটরসাইকেল আছে?

- বুঝলাম না? - আমাকে এখান থেকে বেরুতে হবে।

প্লিজ আমাকে সাহায্য করো।

কী?

তোমার মোটরসাইকেল আছে? আমার সত্যিই এখান থেকে বের হওয়া প্রয়োজন।

ও বসন্ত।

তোমার যেখানে যাওয়া প্রয়োজন ও তোমাকে নিয়ে যাবে।

মোটরসাইকেল ওদিকে রাখা আছে। ওকে?

ধন্যবাদ!

বসন্ত, সিনেমার ক্লাইম্যাক্সের মত ওকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে চলে গেল।

ওকে কোথায় নামিয়ে দিয়েছিলি?

প্রথম টোলের কাছে।

এসে ওকে নিয়ে যাওয়ার জন্যে কাকে যেন ফোন করেছিল।

আমরা যখন পৌঁছালাম, দেখলাম আগে থেকেই একটা গাড়ি দাঁড়ানো।

তারপর সে মোটরসাইকেল থেকে নেমে গাড়ির পেছনের সিটে গিয়ে বসল।

তারপর চলে গেল!

- ধন্যবাদ দেয়নি? - দিয়েছিল!

এমনকি জিজ্ঞেস করেছিল, 'তোমার নাম কী?'

এমনটা হবে ভাবতেই পারিনি।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left