당신, 거기 있어줄래요?
The first 200 lines.
Will You Be There? Bangla Subtitle
২০১৫, কম্বোডিয়া
ড. হান! যেতে হবে, চলুন!
বিদায়!
বিদায়!
বন্যার কারণে, দু'সপ্তাহের আগে আর কোনো ফ্লাইট আসতে পারবে না!
চলুন।
আপনার এখন বাড়ি যাবার কথা।
এটাই হেলিকপ্টারে শেষ ফ্লাইট!
সু-হিউন!
ব্যাগটা দাও!
- বাড়ি যাও। আমি পরে কল করবো। - কি করছেন এসব?
চলে আসুন!
সু-হিউন!
ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
অন্যদের চেয়ে আপনি তো এসব কিছুটা বেশিই দেখেছেন।
দু'চোখে তো কত কিছুই দেখার সৌভাগ্য হলো। কিন্তু, অদেখা জিনিসগুলোতেই আমার আস্থা বেশি।
লুনান আপনার নাতনি?
ওকে বনে কুঁড়িয়ে পেয়েছিলাম। ঠোঁট কাঁটা বাচ্চাদেরকে সবাই অভিশপ্ত ভাবে।
আপনি তো তাহলে, ওর জীবন বাঁচিয়েছেন।
কিন্তু, আপনি ওকে নতুন জীবন দিয়েছেন। লুনানের হয়ে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমি শুধু আমার কর্তব্যটুকুই পালন করেছি।
আপনার জীবনে কি কোনও বিশেষ অপূর্ণ ইচ্ছে আছে?
বিশেষ অপূর্ণ ইচ্ছে?
প্রাণের বিনিময়েও হলেও, একজন বিশেষ মানুষকে শুধু একটিবার দেখতে চাই।
আপনার হাতে তো খুব বেশি সময় নেই।
নির্ঘুম কাটানো সময়টুকুই আমাদের সত্যিকারের জীবন!
WILL YOU BE THERE? ♥ Fuad Anas Ahmed ♥
সামার, অটাম, উইন্টার, মিংকি! জাম্প!
এবার মুনওয়াক!
মিংকির স্পাইরাল জাম্প!
করতালি হবে!
সিওল গ্র্যান্ড পার্কে এবার আপনাদের সামনে পেশ করছি...
একমাত্র কোরিয়ান মহিলা ট্রেইনার...
চোই ইয়োনা!
ঘুম শেষ হলো?
মন ভরেছে?
শো-টা এতো ভালো ছিল, দেখতে দেখতে সময়ে খেয়ালই রাখতে পারিনি।
আচ্ছা?
ইয়োনা!
সারারাত কাজ করেছি তো... পরের বার পুরোটা দেখবো। সত্যিই!
কবে? আমি মরার পরে?
এসব কি কথা?
তারিখ: ১লা মার্চ, ১৯৮৫
চোই ইয়োনা!
ইয়োনা!
দেখি।
এটা তো পুরনো। ব্যথা নেই এখন।
ব্যথা পেলে কিভাবে?
তোমার জন্যই তো পড়ে গেলাম!
তুমি না...!
ডক্টরদের হাতে ব্যথা পাওয়া ঠিক না।
ইয়োনা।
আমরা কতক্ষণ আলাদা ছিলাম?
মাত্র ১ মিনিট।
এতক্ষণ?
একটা চুমু দাও।
এখানে কেন দিলে? মানুষজনের কারণে?
সবাই দেখছে তো!
- খুব মিস করেছি তোমাকে। - আমিও খুব মিস করেছি।
ইয়োনা!
এখনো বসে আছো!
শো-এর কি খবর?
ওহ্... তোমাকে তো বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম।
কি?
বিকেল ৫.৩০ এর বুসান-গামী ট্রেনের যাত্রীদেরকে...
হাটতে হাটতে কথা বলি চলো।
এসো।
বলো না।
কোনও সমস্যা?
পুরুষ ডলফিনরা নিজেদের সঙ্গী নিজেরা বেঁছে নিতে পারে না।
তাই, অন্য পুরুষ ডলফিনরা তাকে সঙ্গী খুঁজতে সাহায্য করে।
মনে হয়...
তুমিও ঐ ডলফিনদের মতোনই।
কি বলছো এসব?
তোমারও বন্ধুদের সাহায্য দরকার।
কিছুক্ষণের মধ্যেই, বুসান-গামী ট্রেন যাত্রা শুরু করবে।
তোমার সন্তানের মা হতে চাই আমি।
একটা বাবু গিফট করো!
- আহারে, বাবু তো একটা আমিও চেয়েছিলাম! - এ কেমন বিচার!
এক কাজ করি, এখনই বাবু নিয়ে নেই চলো।
পৌঁছেই তোমাকে কল করবো।
ভালো থেকো।
বাই।
- কথা বলেছ, ওর সাথে? - বলেছি।
বিয়ে করবে? বলেছে?
করবেই তো।
গুড!
ডিপার্টমেন্ট অব মেরিন এনিমেলস্
ইকোলোজিক্যাল রিপোর্ট?
পাঠিয়ে দিবো।
এটা কি?
বাচ্চারা দিয়ে বলল, একটু দেখে রাখতে।
কার্টুন দেখে দেখে বাচ্চাগুলো বেশ কথা শিখেছে।
কি কিউট!
আশ্রম ভেবে বসে আছে সবাই!
বুসান স্টেশন।
কি হলো?
- আপনি ঠিক আছেন তো, স্যার? - হ্যাঁ।
কোথায় আমি?
বুসান স্টেশন। আসলেই ঠিক আছেন?
বুসান স্টেশন?
তুমি কে?
আপনাকে সাহায্য করতে এলাম...
নাম কি?
হান সু-হিউন।
কিন্তু, এটা তো আমার নাম...
এই! শোনো!
স্যার!
কি হলো?
আপনি ঠিক আছেন তো?
ধুর!
স্যার!
কি হলো, স্যার?
আমার রুমালটা দিলে ভালো হতো।
স্যার?
নির্ঘুম কাটানো সময়টুকুই আমাদের সত্যিকারের জীবন!
স্যার!
স্যার?
কি হলো?
আপনি ঠিক আছেন তো, স্যার?
স্যার?
একটু দাঁড়ান!
আপনি ঠিক আছেন তো, স্যার?
হ্যাঁ।
অনেক সময় ধরে আপনি ভেতরে ছিলেন। আমরা তো চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম।
সরি।
এক্সকিউজ মি।
হাই।
ব্যস্ত?
কি খবর?
দেখতে এলাম ঠিকঠাক ফিরে আসতে পেরেছেন কিনা।
ভালোই তো ছিলাম ওখানে।
আমাকে ছাড়া সমস্যা হয়নি তো কোনও?
সমস্যা হয়নি আবার? সব কিছুর বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন!
আপনার সার্জারি আর লেকচার সামলাতে এদিকে আমাদের অবস্থা কেরোসিন!
আমি চিরকৃতজ্ঞ।
তাহলে, আমাকে আজ ডিনারে নিয়ে যাচ্ছেন?
অবশ্যই?
এটা কি?
নতুন কোনো সার্জারি নাকি?
কতো দিন বাঁচবে বলো তো?
টিউমারটা তো ৫ সেমির চেয়েও বেশি!
ফুসফুসেও ছড়িয়ে পড়েছে, মনে হচ্ছে!
টার্মিনাল লাঙ ক্যান্সার! আর হয়তো মাস ছয়েক বাঁচবে।
তোমার কাছের কারো হলে, কি বলতে?
বলার কি আছে?
বলতাম, শেষ ক'টা দিন, সুখে থাকার চেষ্টা কর।
- যেমনটা ধারণা করেছিলাম। - কে বলো তো?
তোমার ঐ বন্ধু নাকি?
টে-হো?
আমাদের চেয়ে কম করে হলেও ৫০ বছর বেশি বাঁচবে ও!
ওহ্ হো! ও তো, ক্ষেপে যাবে!
সরি! যেতে হবে।
আবারো পালাচ্ছেন? আমাকে নিয়ে যাবেন না, তাই না?
কথা দিচ্ছি, পরের বার কোনোভাবেই মিস হবে না।
আরে!
এটা একটু পরীক্ষা করে আনতে পারবে?
কি এটা?
পাগল তুই? বুড়োটা যদি খারাপ কিছু দিয়ে থাকে?
অপরিচিত লোকের দেয়া জিনিস খায়, এ কেমন ডাক্তার!
- সত্যি বলছি। - নিশ্চয়ই, হ্যালুসিনেট করেছিস।
বাঞ্জি জাম্পে যাবার আগে ওষুধগুলো খায় যে, ওরকম!
হতেও পারে!
দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে করতে, তোর মাথাটাই খারাপ হয়ে গেছে!
কেমন লাগলো রে?
নিজেকে কেমন দেখলি?
সুদর্শন, জোয়ান।
তোর মতো না!
এই বিচে কিন্তু তখন দিনরাত সুন্দরীদের আনাগোনা ছিল।
আমাকে সবাই কত্যো ভালবাসতো! এখন কেমন আছে, কে জানে!
জু-হুং কে দারুণ লাগতো।
মি-সুন কেও।
- কিন্তু, চুন-নাম কে ভাল্লাগতো না। - সব নাম মুখস্থ করে রেখেছিস?
ওর সাথে দেখা হলে, বিয়ে করে ফেলতে বলিস।
জীবনভর তো ব্যাচেলরই রয়ে গেলি...
যদি আবার যাই...
কি মনে হয়, দেখা হবে ওর সাথে?
ইয়োনা।
তুই সিরিয়াস?
ওসব ভুলে যা।
৩০ বছর হয়ে গেছে।
আর যদি সত্যিই দেখা পাস, তাহলে তো, অলৌকিক কান্ড ঘটে যাবে।
পাগল একটা।
মেয়েরা দাড়াও! আমি দিচ্ছি!
ওহ্ হ্যাঁ!
পাগল নাকি!
সুন্দর!
টে-হো!
এখানে ডেকে আনলি হঠাৎ? কি ব্যাপার?
ধর।
কি এটা?
ভাবছি, জেজুতে চলে যাব। এসব চাষ করবো ওখানে।
ট্যাঞ্জেরিন এতো বড় কেন?
দারুণ, না?
একে জাপানিজ ডেকোপোন বলে। ট্যাঞ্জেরিন আর অরেঞ্জের মিক্স!
এখানে এনে চাষ করলে, এসব দিয়ে, বেশ কামানো যাবে।
এর জন্য তো নামও ঠিক করে ফেলেছি।
অরেঞ্জ-ট্যাঞ্জেরিন!
No comments yet. Be the first to leave one.