The first 200 lines.
সা
সাব
সাবটা
সাবটাই
সাবটাইটে
সাবটাইটেল
সাবটাইটেলটি
সাবটাইটেলটি বাং
সাবটাইটেলটি বাংলা
সাবটাইটেলটি বাংলায়
সাবটাইটেলটি বাংলায় অ
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনু
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবা
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ ক
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করে
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছে
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আ
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আহ
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আহমে
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আহমেদ
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আহমেদ ই
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আহমেদ ইম
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আহমেদ ইমরা
সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন আহমেদ ইমরান
এটি আমার করা ২য় বাংলা সাবটাইটেল
মাঝিঃ দ্য মাউন্টেইন ম্যান
অনেক বড় তুমি?
...খুব বেশি অহংকার তোমার?
অনেক ক্ষমতা?
আরে...
এসব ভুল, সবই ভুল...
দেখো!
দেখো,কিভাবে আমি তোমার অহংকার ভেঙে দেই!
আমার পুরো জীবনটা-ই ছারখার করে দিয়েছ...
আমি তোমারে কুইট্টা হালামু এক্কেবারে!
এখন দেখ তুমি...
তোমার খেলা শেষ...
এইবার শুধু দেখে যাও!
আরে দশরথ!
...তোর কি মাথা খারাপ হইছে?
এখানে আগুন জ্বালানো শুরু করেছ কেন?
তুই তো এই আগুনে পুড়ে মরবি।
তোর শরীরের কোন চিহ্নই খুঁজে পাওয়া যাবে না।
...তোর কি মাথা খারাপ হইছে?
এইবার শুধু দেখে যাও!
এইবার শুধু দেখে যাও!
১৯৬০ সাল। গেলৌর গ্রাম, বিহার, ভারত।
দশরথ...
একটা হাতুড়ি আর বাটালি(ছেনী) কিনতে তোর শেষ সম্বল ছাগলটাও বেচে দিলি?!
আমি তোকে জিজ্ঞেস করছি...
শুয়োরের বাচ্চা... আমি তোর বাপ!
কোথায় যাচ্ছিস?
শুক্লা সাহেব,
স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে অনুন্নত এলাকা এটা।
গত কয়েকশ বছরে এখানে কিছুই বদলায়নি।
স্বাধীনতার ১৩ বছর পার হলেও এখানে এসবের ছোঁয়াও লাগেনি।
কোন স্কুল নেই, হাসপাতাল নেই, কোন রাস্তাও নেই এখানে।
এই যে পাহাড়টা দেখছেন আপনি?
গোলাম বানিয়ে রাখা গেলৌর গ্রাম এটা।
এই পাহাড় থেকে মাত্র ৪ মাইলের দূরত্বে সবচেয়ে কাছাকাছি শহর ওয়াজিরগঞ্জ।
কিন্তু সেখানে যেতে এই পাহাড়ের জন্য সবারই ৪০ মাইল পথ ঘুরতে হয়...
এজন্য এই পাহাড় পাড়ি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকে মারা গেছে।
এসব কি?
তো, জুতা পরে লাট সাহেবের মত হতে চাস?
ভুল হয়ে গেছে, কর্তা বাবু, এরকম আর হবে না।
তুই বললেই বিশ্বাস করতে হবে?
আমার মায়ের নামে শপথ করে বলছি।
ওকে এমন জুতা পড়াও যাতে আর কখনও পড়তে না হয়।
মাফ করে দেন, কর্তা।
একটা ঘোড়ার নাল পেরেক দিয়া আটকাইয়া দে।
যা বিদায় হ!
মাফ করে দেন, কর্তা।
কেমন আছেন মুখিয়া (গ্রামের মোড়ল) সাহেব?
আমরা ধন্য হয়ে গেলাম সাহেব...
কেমন আছেন?
এসব কি হচ্ছে এখানে?
কিছু ছোটখাটো মেরামতের কাজ হচ্ছে।
নির্বাচনে জেতার পর এই প্রথম এখানে এলেন!
কি যে বলেন মোড়ল সাহেব?
রাজনীতি!... এটা আপনাকে একেবারে চুষে নেবে।
আপনার এই সীট ধরে রাখা উচিত।
কিন্তু তারপরেও আপনি যেমন ইচ্ছা তেমন মজা করতে পারেন।
শুধু একবার নির্বাচনে জিতে যান...
আপনার ঘরটা এক্কেবারে তাজ মহল হয়ে যাবে!
শুক্লা সাহেব... আগামী নির্বাচনে আমার ছেলে রুয়াবের জন্য একটা টিকিট চাই।
ওহ... হ্যা...হ্যা... ওনার সাথে পরিচিত হোন।
উনি কে?
অলক সাহেব - খুব ভাল সাংবাদিক!
উনি আমাকে গেলৌর থেকে ওয়াজিরগঞ্জ পর্যন্ত একটা রাস্তা বানানোর কথা বলেছেন।
ভেবে দেখি এখন।
প্রকল্পটা খুব বড় হলে, কত "বড়" প্লানিং হবে!
মজা লন মিয়া! পুরাই মজা নিচ্ছেন আপনি!
একটা ছবি তোল...
আয় বাপ।
নাম- দশরথ মাঝি।
গ্রাম- গেলৌর।
জেলা- গয়া।
রাজ্য- বিহার।
প্রথমবার আমি তাকে দেখেছিলাম ...
ভেবেছিলাম সে পাগল।
এই দশরথ...।
মাথা নিচু কর! শালা!
দেখছিস না এখানে কারা বসে আছে?
কি করছিস রুয়াব?
অন্তত আমার সামনে ওকে মারিস না!
আমি একজন বিধায়ক, আর ও হচ্ছে আমার ভোটার।
আমি তো ওকে বলেছি আপনাকে সম্মান দেখাতে।
রাখ তোর সম্মান।
আপনি শোনেন নাই কি হইছে!
ওই আহাম্মকটা গতকাল প্রায় পুরো পাহাড়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল।
এত এত ইঁদুর খেতে খেতে ওদের মাথায়ও তা ঢুকে গেছে।
ভিলেনদের কিভাবে হ্যান্ডেল করতে হয় আমরা জানি, এইসব আমাদের হাতে ছেড়ে দিন।
সত্য গল্প অবলম্বনে
অভিনয় করেছেন-
দশরথ মাঝির ভুমিকায় নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি।
ফাগুনিয়ার ভুমিকায় রাধিকা আপ্টে।
আমি শপথ করে বলছি।
দশরথ, তুই কি করছিস?
পাহাড় ভাঙ্গছি।
কি! তুই পাহাড় ভাঙ্গবি?
হ্যাঁ।
একলা?
হ্যাঁ।
পাগল হয়ে গেছিস নাকি?
হ্যাঁ।
তুই মরে যাবি...
ওরে ভুতে পাইছে!
পরিচালনায়ঃ কেতন মেহতা
দশরথ খুব গরিব একজন কৃষকের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।
...নিচু বর্ণের চেয়েও নিচু জাত- "মুশাহার" - বা "ইঁদুর খেকো"।
তাদের রেওয়াজ অনুযায়ী, বাল্যকালেই তাঁর বিয়ে হয়ে হয়ে যায়।
৩০ বোতল মদ আর ৫টা শুয়োর, এটাই তো চুক্তি ছিল।
উঠে আয় দশরথ...
আমাদের বোকা পাইছ নাকি?
তাঁর বাল্য বউয়ের নাম ছিল "ফাগুনিয়া"
কি হইছে?
বাবু, আপনি ডেকেছেন আর আমি দৌড়ে চলে এসেছি।
মোড়ল সাহেবের লোণের টাকা কবে শোধ করবি?
আমার কাছে কিছুই নাই, বাবু।
আপনি চেক করেন, একটা ফুটা পয়সাও নেই। দেখেন...
তোর মদ খাওয়ার টাকা তো ঠিকই আছে।
আপনি কি বলছেন, কর্তাবাবু?
যদি না খাই (মদ), তাইলে বাঁচুম কেমতে?
আর যদি না বাঁচি, তাইলে আপনার টাকা শোধ করুম কেমতে?
আহাম্মক, ফালতু কথা বলছিস কেন?
কর্তাবাবু, এই বাচ্চা তো হাতে ব্যাথা পাইবে।
আমি নিজেই নিজেরে মারতাছি।
শালা মগরু হতচ্ছাড়া, গাধার বাচ্চা, অধম, ফহিন্নির পুত..
শুয়োরের বাচ্চা...
মাইর খা!... মাইর খা,
লাথি খা...
লাথি খাইয়া মইরা যা...
অই ফহিন্নি নাটক করস!
মুখ সামলা!
আমার টাকা দিয়ে দিবি নাকি তোর পায়ে ঘোড়ার নাল পরিয়ে দেব?
অবশ্যই দিয়ে দেব... এক এক করে সব পাওনা মিটিয়ে দেব।
যা ভাগ...
কিন্তু কেমনে?
আমার জীবনটা তো আগেই আপনার কাছে বন্ধক রেখেছি।
ভাল তো, এইবার তোর ছেলেরটাও বন্ধক রেখে দে!
ওকে নিয়ে যান... নিয়ে যান...
এখন ও-ই আপনার ঋণ শোধ করে দেবে।
মা, আমি যাবো না।
মোড়ল সেইরাম মাইর দেয়।
আচ্ছা?
চুপ থাক বান্দর!
মজা নিচ্ছিস তুই আর লাথি খাইতাছি আমি?
যা, তুই এখন মোড়ল সাহেবের কাছে বন্ধক হয়ে গেছিস।
আমি যাব না।
কেন যাবি না?
ঋণ শোধ করবে কে? তোর বাপ?!
আমি যাব না।
বেয়াদব
কেন যাবি না?
আয় চল...
ওরে হারামি ছাড়।
দৌড়া দশরথ... দৌড়া...
ধর শুয়োরের বাচ্চাটারে ধর!
আবার যাচ্ছিস পাহাড় ভাঙতে (খুঁড়তে)?
এসব করে দুই বছর পার হয়ে গেছে - কেউ কি তোকে সাহায্য করতে এসেছে?
তুই কি বুঝতে পারছিস না? নাকি তোর মাথাটাই পাথর হয়ে গেছে?
ওই পাহাড় ভাঙতে ভাঙতে একদিন মরবি।
এক যে ছিল হনুমান রাজা, তুলে নিয়েছিল পাহাড় খানা,
আর আমাদের আছে দশরথ পাগল, যে করবে পাহাড় ভাঙন! পাগল! পাগল!
আমি আবার ফিরে এসেছি।
সব ঠিকঠাক আছে তো?
ভাল।
তুই ভেবেছিলি আমি আর আসব না?
ভুল!
তোকে ভাঙ্গা যতদিনে শেষ না হবে, ততদিন পর্যন্ত আমি থামব না।
অনেক বড় একটা যুদ্ধ হবে, তোর আর আমার!
তুই রেডি তো?
রেডি আছে!
আমার সাথে ইয়ার্কি করছিস?
আমি তোকে ছাড়ব না, কখনো মাফও করব না।
দ্যাখ, তুই কি করেছিস আমার।
কোন কিছুই ভুলতে পারব না আমি...
এটাই হল বড় সমস্যা।
No comments yet. Be the first to leave one.