The first 200 lines.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
- শুভ রাত, প্যাট। - শুভ রাত।
- কী হয়েছিল? আগের ব্যাংকটা তো ভালই ছিল। - যে যার মতো লুট করত।
বাড়িতে গাছ থাকলে ছেলেরা ঢিল মারবেই।
দেখাও।
আবার।
ধরা!
আমাকে ধার দিবেন, মি. মেকন?
আমার নীতি তোমার জানা আছে, টম।
সবাইকে তো পথের ভিখারি বানিয়ে দিলে, ভাই।
খেলতে বসার পর থেকে এক দানও হারো নি।
তোমার সাফল্যের রহস্যটা বলো দেখি?
দোয়া।
চলো এবার তুমি আর আমি খেলি।
দেখাও।
ধরা!
হ্যাঁ। তুমি তাস খেলার ওস্তাদ, ভাই। বুঝতে পেরেছি, কারণ আমিও তাস খেলায় ওস্তাদ।
অথচ ধরতেও পারলাম না তুমি কীভাবে চুরি করছ।
টাকা থাকবে আর তুমি কেটে পড়বে।
আরে, এখানে দেখি মানবতা নামের কিছুই নেই।
তুমি এর সঙ্গের কেউ হলে, মানে মানে কেটে পড়ো।
তাই যাচ্ছি।
- চলো। - আমি তাস চুরি করিনি।
- চলো! - বললাম তো করিনি!
তুমি তো মরবেই, আর দরকার পড়লে দুজনেই মরবে।
- শুনলে? - সে আমাদের থাকতে বললে, আমরা চলে যাব।
- আমরা তো চলেই যাচ্ছিলাম। - সে আমাদের থেকে যেতে বলবে।
এই লোক তোমাকে মারতে এক পায়ে খাঁড়া। ওর ক্ষিপ্রতা জানা নেই তোমার।
পাহাড়ে আমায় ঝামেলা পোহাতে হবে, কিন্তু এখন তোমার সেই অবস্থা।
আমি শুধু সেটাই শুনতে চাই।
দিন দিন তোমার বয়স বাড়ছে। এটাই নিয়ম।
আমাদের থাকতে বলার ব্যাপারে তোমার কী মত?
- কী? - এত চেতার দরকার নেই। শুধু থাকতে বলো, কথা দিচ্ছি...
আমি কিছু করতে পারব না, সানডান্স।
চুরির কথা বলার সময় আমার জানা ছিল না তুমিই সানডান্স কিড।
বন্দুক বের করলে, তুমি আমাকে মেরে দিতে।
তা হয়ত দিতাম।
না। তুমি নিজেই মরতে। তো আমাদের থাকতে বলছ না কেন?
আরে বললে ক্ষতি কী?
আরে বলোই না।
বলো।
তোমরা থেকে যাও?
থ্যাংকস, কিন্তু আমাদের কাজ আছে।
এই, কিড।
অই কিড! বন্দুকে কেমন পাকা তুমি?
তোমাকে তো আগেই বলেছি, পাহাড়ের উপরে।
দোস্ত, প্রতিবার হোল ইন দ্য ওয়াল গ্যাঙের সাথে দেখা হলে মনে হয় প্রথম দেখা করছি।
আর প্রতিবার আমি ঘুরেফিরে একটা প্রশ্ন করি।
এখানে ফিরে আসার মতো বোকামি আমি কীভাবে করতে পারি?
- এবার কোথায় যাবে বলে ভেবেছ? - বলিভিয়া।
- কীসের বলিভিয়া? - বলিভিয়া। আরে দেশের নাম বোকা।
মধ্য বা দক্ষিণ আমেরিকার কোথাও হবে হয়ত।
বলিভিয়া না গিয়ে মেক্সিকো যাচ্ছি না কেন?
কারণ সবাই ম্যাক্সিকোয় গিয়ে ভিড় করবে। অনেক লোকের আনাগোনা হবে।
ক্যালিফোর্নিয়ার গোল্ড রাশে লাভের মুখ দেখলে কোথায় যেতাম বলতো?
- ক্যালিফোর্নিয়ায়, ঠিক? - ঠিক।
আমি যখন বলিভিয়ার কথা বললাম, তুমি ভাবলে ক্যালিফোর্নিয়ার।
তোমার বিশ্বাস হবে না বলিভিয়ার মাটির নিচে কত কিছু পাওয়া যায়।
রূপার খনি, সোনার খনি, টিনের খনি।
টাকার বস্তা এত ভারী যে টেনে আনতে দুজন লাগবে।
তুমি শুধু সেই খেয়ালই দেখতে থাকো, বুচ। একাজেই তুমি পাকা!!
আমি যা দেখি, সারা দুনিয়ায় চশমা লাগিয়েও কেউ তা দেখে না।
হাই, নিউস। কী করছ?
কী হে, বুচ। তেমন কিছু না।
কিছু না।
কী খবর, সানডান্স?
আমি কিন্তু দেখতে পাচ্ছি তুমি কিছু করছ। বলতো কী?
ইউনিয়ন প্যাসিফিকের ট্রেন লুটের প্রস্তুতি নিচ্ছি, বুচ। তাছাড়া কিছু না।
তোমাদের তো আমি আগেই বলেছি ভুল করছ।
সত্যি, আমরা ট্রেনে হানা দিতে পারি, কিন্তু যদি দিইও, চলতি ট্রেন না। ফিরতি ট্রেন।
- সানডান্স আর আমি ব্যাংকে একটু খোঁজ খবর নিচ্ছি। - ব্যাংক চলবে না।
কী?
ট্রেন, বুচ।
বন্ধুরা, যত খারাপ লাগুক না কেন, ব্যাংক ট্রেনের থেকে ভাল।
ট্রেন দৌড়ের উপরে থাকে না। জানা আছে ভিতরে নগদ টাকা থাকে।
- যাবার সময় হুকুম দিয়েছিলাম। - নতুন করে হুকুম দেওয়া হয়েছে।
এখানকার সর্দার এখন আমি, হার্ভি।
আগে তুমি ছিলে। এখন আমি।
তুমি নাক গলাবা না!
- ওকে নাক গলাতে মানা করো। - ও আগে যা করত তাই করবে।
তোমাদের কী হয়েছে বলতো?
যখন আমি এখানে আসি, তোমরা কাঙ্গাল ছিলে। কোন দল ছিলে না। আমি তোমাদের দলে ভিড়িয়েছি!
- কে বলেছে? - পেপার-পত্রিকা পড়ে দেখো।
- কোনটা? - সব কটা!
এটা হচ্ছে 'সল্ট লেক হেরল্ড' পত্রিকা।
- "বুচ ক্যাসেডি হোল ইন দ্য গ্যাং..." - বুচ ক্যাসেডির গ্যাং... আমিই বুচ ক্যাসেডি!
তোমরা চাও হার্ভি এখন সব পরিকল্পনা করুক? তোমাদের হয়ে ভাবুক? সর্দারি করুক?
- "...তাঁর সাথের আউটলরা..." - অনেক হয়েছে, নিউস!
আসল জিনিষ না পড়ে থামব না, বুচ।
"আরও অংশ নিয়েছিল ভোঁতা নাক ক্যারি এবং নিউস কার্ভার।"
নিজের নাম পড়তে আমার কতো যে মজা লাগে, বুচ।
আচ্ছা, আমরা তাহলে এখন লোগানের বেদখলের কথা বাদ দিই, কী বলো ভোঁতা নাক?
তুমি বলেছ, আমাদের যে কেউ তোমাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে, বুচ।
- ভেবেছিলাম কেউ হয়ত তা করবে না। - ভুল ভেবেছিলে, বুচ।
তোমরা লোগানের কথায় চলবে!
অন্তত সে আমাদের সাথে আছে, বুচ। সে আমাদের সাথে বহু সময় কাটিয়েছে।
- তাহলে এখন সবকিছু বদলে গেছে। - বন্দুক নাকি চাকু?
- অবস্থা এখন বেগতিক। আরও প্ল্যান করতে হবে। - বন্দুক নাকি চাকু?!
- একটাও না! - বাছো!
তোমাকে গুলি করার ইচ্ছা নাই, হার্ভি।
তোমার যা ইচ্ছা, বুচ।
টাকা কামানোর একটা সুযোগ তোমার এসেছে। লোগানের উপর বাজি ধরো।
- তা তো ধরবই, কিন্তু তোমার বাজি কে ধরবে? - সানডান্স?
আমাদের খেলা শেষে তাঁর মরার পর, তুমি চাইলে থাকত পারো।
শোন, মার খেয়ে মরার শখ আমার নেই। তবুও যদি মরে যাই, ওকে ছেড়ো না।
আনন্দের সাথে।
না, না, এখন না। যতক্ষণ না আমি আর হার্ভি নিয়ম জেনে নিচ্ছি।
নিয়ম? চাকু খেলায় নিয়ম? কোন নিয়ম নাই!
যদি নিয়ম না থাকে, তাহলে খেলা শুরু। কেউ ১, ২, ৩ তো বলো।
১, ২, ৩, শুরু!
আমি তোমার উপরেই বাজি ধরেছিলাম, বুচ।
ধন্যবাদ, ভোঁতা নাক।
এটাই তো আমাকে বিপদের সময় বাঁচায়।
তাহলে ট্রেনের খবরটা বলো।
হার্ভি বলছে আমরা চলতি আর ফিরতি দুটো ট্রেনেই হানা দেব।
কেউ এর আগে এভাবে ট্রেনে হানা দেয়নি। প্রথম লুটে যত মালই পাই না কেন,
ফেরার পথে ওরা কঠিন নিরাপত্তা দিয়ে গাড়ি বোঝাই মাল আনবে।
- হার্ভি এই প্ল্যান করেছে? - জী, স্যার। সে করেছে।
তাহলে শুনে রাখো, আমরা ঠিক সেটাই করব।
- থামাও! - কোথায়?
সামনেই থামাও!
বাজি ধরে বলছি, বুচ নিজে দাঁড়িয়ে আছে!
সামনেই থামাও!
- আমি শুধু দেখতে যাচ্ছি। - কিডের কাছে নিয়ে যাও ওকে।
মাথা ভেতরে ঢুকান।
দরজা না খুললে ধামাকার সাথে সাথে তুমিও উড়ে যাবে!
আমি তা করতে পারব না; আমি ইউনিয়ন প্যাসিফিক রেলরোডে ইএইচ হ্যারিম্যানের হয়ে কাজ করি।
হ্যারিম্যানের বুলি কপচানো বন্ধ করে দরজাটা খুলবে তুমি!
- কী হচ্ছে? - ভেতরে ঝামেলা পাকাচ্ছে একজন।
- লাগাও, নিউস। - ওর নাম উডকক। কঠিন সৎ লোক।
- উডকক! - জী, স্যার।
আমাদের চেনো তুমি?
আপনারা হোল ইন দ্য ওয়াল গ্যাং, মি. ক্যাসেডি, আপনাকে চিনেছি।
কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে মি. ইএইচ হ্যারিম্যান নিজে আমায় এই চাকরী দিয়েছেন।
- আমি কাজে অবহেলা করতে পারব না। - তাই বলে মরার দরকার নেই!
- ডিনামাইট রেডি, বুচ। - মি. ইএইচ হ্যারিম্যান...
দরজা খোলো, কথা শেষ! হ্যারিম্যান এখানে থাকলে তোমায় এভাবে মরতে দিতো? উডকক?
আমি ইউনিয়ন প্যাসিফিক রোডের মি. ইএইচ হ্যারিম্যানের হয়ে কাজ করি, আর উনি আমায় বিশ্বাস...
এই, উডকক। এই উডকক, তুমি ঠিক আছো?
এই।
হ্যারিম্যানের পয়সা এখনও উসুল হয়নি।
এটাকে আমি কোনো ভাগ্য বলি না, বুচ।
আসল কথা হলো আমরা একটু এগিয়ে গেলাম, এই যা।
আমি শুনেছি হোল ইন দ্য ওয়াল গ্যাং আমাদের শহরের বাহিরে একটা ট্রেন লুট করেছে,
তাই ওদের পিছু নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের ঘাড়ে চেপেছে।
এখন তোমরা নিজ নিজ ঘোড়া নিয়ে আসো।
কতজন তোমরা নিজ নিজ বন্দুক আনতে পারবে?
আচ্ছা, তাহলে তোমাদের কতজন আমাকে তোমাদের বন্দুক দিতে পারবে?
আরে দাও না। আমাদেরই তো একটা কিছু করা লাগবে তাই না?
কেন? হোল ইন দ্য ওয়াল এখনি হয়ত অর্ধেক পথ চলে গেছে।
সেকারণেই তো আমাদের জলদি যেতে হবে।
আমরা যদি এখনি পাহাড়ের দিকে যাই, তবে ওদের নাগাল পাবো।
নাগাল পাবো? মাথা খারাপ? আগেও করেছি, আমাদের অনেকে মরেছে।
আমি চাই না আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকি আর ওরা পালিয়ে যাক...
দোস্ত, চামচে তুলে খাওয়ার মতো সোজা কাজ!
এই যে, তোমরা দুজন। আমার পার্টিতে আসো।
- কীসের পার্টি? - আমার পিয়ানো বাদক থাকবে না।
সে যুদ্ধে যাবে।
- কোন যুদ্ধ? - স্প্যানিশদের সাথে যুদ্ধ।
"রিমেমবার দ্য মেইন"
- কে ভুলবে ওটা? - ওকে বিদায় জানাচ্ছি, এখন আসতো।
ছেলে বেলায় আমি সবসময় ভাবতাম বড় হয়ে একজন হিরো হবো।
এখন আর সেই সুযোগ নেই।
এ কথা বললে কেন? এমন কথা বলতে নেই।
আমি এখনি গিয়ে হোল ইন দ্য ওয়াল গ্যাঙের সাথে লড়ব। এতে কোন সমস্যা নাই।
আর তোমাদের ছেলেরাও যেন জানে তোমরা আমায় এটা করতে দিয়েছ!
আমার কিন্তু মনে হয় না তুমি এটা চাও।
চাও কি?
চলো আমরাও নাম লিখাই। স্প্যানিশদের সাথে যুদ্ধ করি।
তুমি আমি যুদ্ধে যাব।
অনেক লাভ হবে আমাদের। অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, নেতৃত্ব পাবো।
আমরা নির্ঘাত অফিসার হয়ে যাব।
আমি হব মেজর পার্কার।
পার্কার?
হ্যাঁ, আমার আসল নাম।
- রবার্ট লি'রয় পার্কার। - তাই নাকি?
হ্যাঁ।
- আমার লংবাগ। - তাই নাকি?
- লং কী? - হ্যারি লংবাগ।
তুমি তাহলে মেজর লংবাগ হবে। কী বলো?
তুমি শুধু ভাবোই, বুচ। একাজেই তুমি পাকা!
কিন্তু তোমরা ধর্মান্ধ নও! না জনাব!
তোমরা আমাকে সম্মান করো আমি তোমাদের সম্মান দিই!
সেকারণেই আমি আজ তোমাদের মার্শাল! আর তুমি, তুমি, আর তুমি আমার সঙ্গে যাবে!
ঠিক বলেছি?
তাহলে কী বলছ তোমরা?
আমি বলছি:
No comments yet. Be the first to leave one.