The first 200 lines.
মারিয়াস, কিছু ফোন পেয়েছি, ওরামের গরু নাকি আবার পালিয়েছে।
ওকে কি ফোন করেছ? ওভার।
কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
তোমার যে দেরি হবে তা তোমার স্ত্রীকে জানিয়ে দেবো, ওভার।
আমি ওরামের কাছে যাচ্ছি। ঠিক আছে, জিতে, ওভার অ্যান্ড আউট।
আইল্যান্ড অফ মন, ১৯৮৭
ওরাম?
ওরাম?
তোমার গরুগুলো আবার পালিয়েছে।
ওরাম?
এবার শান্ত হও।
ওরাম?
হ্যালো?
সেরেছে।
সর্বনাশ।
আমি মারিয়াস, পুলিশের লোক!
না…
পুলিশ, জিতে বলছি।
আমি বলছি, প্লিজ ওরামের ফার্মে একটা অ্যাম্বুলেন্স পাঠাও।
- কী হয়েছে? - তিনজন খুন হয়েছে এখানে।
আর একটা ছেলে আহত, এখনো বেঁচে আছে।
- সবচেয়ে বড় ছেলেটা? - না, ও না।
সবচেয়ে চোট্টা, দত্তকদের একজন।
দত্তক মেয়েটা কোথায়?
যাদেরকে পাবে সবাইকে পাঠাও! আর ওরামকে খুঁজে বের করার ব্যবস্থা করো।
বাসাটা থেকে বের হও!
পুলিশ!
এইতো… শান্ত হও।
এইতো।
ভয় পেও না। আমি একজন পুলিশ অফিসার।
আমার নাম মারিয়াস। আমি তোমাকে সাহায্য করতে এসেছি।
তুমি অ্যাস্ট্রিড, ঠিক না?
তুমি কি এখানে থাকো?
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
দ্য চেস্টনাট ম্যান
কোপেনহেগেন, বর্তমান সময়
মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬
তুমি এক্ষুণি চলে যাবে!
দেখা হবে,
- অন্যজনের কাছে কী চাও? - চকলেট।
আমরা না বলেছিলাম, আজেবাজে জিনিস খাবো না?
কাল থেকে শুরু করব।
স্কুলের ব্যাগ গুছিয়েছ?
মচমচে পেঁয়াজ নিতে ভুলো না।
লে, জলদি রেডি হও।
আমরা দেরি করলে স্যারেরা বিরক্ত হয়।
আজকে 'ফ্যামিলি ট্রি' জমা দেয়ার কথা আমার।
- আর তুমি সাহায্য করোনি। - দাদু বলল, তোমার কাজ শেষ।
পাতাগুলো বাকি আছে।
তোমার সেটা আগেই ভাবা উচিত ছিল।
শোনো, স্কুল শেষে রাস্তা পার হবার সময়ে দুই দিকে তাকাবে।
- আমার ফ্যামিলি ট্রি টা একঘেয়ে। - থামো তো, অনেক সুন্দর হয়েছে।
হাসানের কাছে আরো অনেক ছবি আছে ওর। আমার শুধু আছে তুমি আর দাদু।
- আবার দাদু তো আমার আসল দাদুও না। - বানি আর বার্ডিকে ধরলে পাঁচজন হবে।
- অন্যদেরটায় তো পশুপাখি নেই। - ওদের সেই সৌভাগ্য নেই।
সেবাস্তিয়ানের কী হবে?
ওর কী হওয়ার আছে?
আমি জানি ও তোমার সাথে শোয় মাঝে মধ্যে। যদিও তুমি ভাবো যে আমি জানি না।
হ্যাঁ, কিন্তু আমরা কোনো সম্পর্কে জড়াইনি।
বেশ। তাহলে তুমি চাইলে আজ রাতে ওকে ডিনারে দাওয়াত করব।
- ওকে কি আমার ট্রিতে রাখব? - না।
জলদি করো। দাদু তোমাকে নিয়ে যাবে।
শীঘ্রই আমি তোমাকে নিয়ে যাব, প্রতিদিন।
- ঠিক আছে, বাই! - বাই!
আজকে অক্টোবরের প্রথম মঙ্গলবার। মানে আজকে সংসদ খুলবে।
কিন্তু আজকে কারো দৃষ্টি রানি কিংবা প্রধানমন্ত্রীর দিকে থাকবে না।
শোবার দৃষ্টি থাকবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রোজা হার্টুং এর দিকে।
গতবছর তার মেয়ে খুন হবার পরে এই প্রথমবারের মতো ফিরছেন তিনি।
গোটা ডেনমার্ক এই কেসের কথা জানে,
এই কেসের ফলে অপরাধীকে জেলে না পাঠিয়ে কতোটা নিরাপদ থাকা যায়, সেব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছিল।
গাধা।
যেহেতু অপরাধীর অতীতেও জেল খাটার রেকর্ড আছে..
- নাইল্যান্ডারের সাথে মিটিং আছে আমার। - ও তো এখনই একটা মিটিং এ আছে।
আবার না! দুইবার আমার সাথে মিটিং বাতিল করেছে ও।
দুঃখিত, এখানে আমার কিছুই করার নেই।
কিন্তু…
- নাইল্যান্ডার! - আমাদের আরো মানুষ দেয়ার কথা ছিল।
- মাত্রই নতুন একজনকে দিয়েছি। - যাকে ইন্টারপোল থেকে বের করে দিয়েছে? কী বলো এগুলো?
- তোমার সময় হবে একটু? - এখন না।
- সমস্যা নেই, আমাদের কাজ শেষ। - না, আমরা…
হার্টুং কেস সমাধান করার সময়ে আমার ডিপার্টমেন্টের পেছনে আরো যোগান দেবার প্রতিজ্ঞা করা হয়েছিল।
টাকাটা যদি অন্য কোথাও যায়, তাহলে কিন্তু কমিশনার জেনে যাবে সেটা!
- সেকথা ওনাকে বলেন গিয়ে। - আমরা এ নিয়ে আবার কথা বলব।
সুপ্রভাত।
এটা যাই হোক, তোমাকে সামনের সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করা লাগবে।
nc3-national computer crime Unit
আমি NC3তে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
কেন?
ওরা আমার পছন্দ অনুযায়ী একটা পজিশনে লোক চেয়েছে।
- অফিসে বেশি সময় দেয়া নিয়ে সমস্যা, থুলিন? - না।
আমরা ও নিয়ে কথা বলতে পারি। নাকি অন্য কোনো সমস্যা?
- অন্যকিছু? - না, অন্যকিছু না।
তুমি দারুণ একজন তদন্ত কর্মকর্তা। আমি তোমাকে আমার ডিপার্টমেন্টে চাই।
আইটি এর আঁতেলগুলোর সাথে তো যেকোনো সময়েই যোগ দিতে পারবে।
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ওখানে পচে মরতে চাও কেন?
আমি আমার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।
আমাকে একটা রেফারেন্স দিলে খুবই কৃতজ্ঞ হবো।
দেখতে হবে, এখন এটা করতে পারব না।
আপাতত এই ফাইলটা নাও। হুসুমে এক মহিলা খুন হয়েছে।
- ঐ লোকটাকে নিয়ে যাও, হেস নাম। - হেস?
ইন্টারপোলের যে লোককে আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ওরা, আর ভেবে দেখছে ওকে চাকরিতে রাখবে নাকি রাখবে না।
যাও, গেঞ্জ অপেক্ষা করছে। ও তোমাকে খুঁজছিল।
এসো।
NC3? থুলিন, তোমার কি মাথা খারাপ?
সংসদে ইতিমধ্যেই পতাকা ওড়ানো হয়েছে।
অক্টোবরের প্রথম দিন যখন পার্লামেন্ট নতুন করে শুরু হয়, তখন তা উদযাপনের জন্য বরাবরই এরকমটা করা হয়।
কিছুক্ষণ বাদেই আমার পেছনের সিঁড়িটা ভরে যাবে রিপোর্টার আর ফটোগ্রাফার দিয়ে।
তখন আসবেন মন্ত্রী আর সংসদ সদস্যরা।
কিন্তু আজকের দিনটা একটু ভিন্ন।
আজকে সবাই বিশেষ একজনকে দেখতে চায়।
আমি সমাজকল্যাণমন্ত্রী রোজা হার্টুং এর কথা বলছি।
রোজা হার্টুং তার মন্ত্রীপদে ফিরে যাচ্ছেন।
তার ১২ বছর বয়সী মেয়ে লিনাস বেকারের হাতে অপহৃত এবং খুন করার প্রায় এক বছর পর।
ভোগেল বলছি।
হাই, লিভ বলছি। সবাই রোজা'র আসার জন্য প্রস্তুত।
ওর পছন্দের কফির ব্যবস্থা করে রেখেছি।
শুনতে দারুণ লাগছে, লিভ।
- তুমি এখানে কখন আসবে? - আমি গাড়ি থেকে ফোন করব।
- তুমি এখনো রওনা দাওনি? - না, কিন্তু সমস্যা নেই।
- আর একটু সময় লাগবে। - মন্ত্রী কি ঠিক আছেন?
রোজা? সোনা?
ওরা এসে গেছে। তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
রোজা?
তুমি কি খেয়েছ?
আর, তুমি কি প্রস্তুত?
মা চলে যাবার সাথে সাথে আমরা চলে যাব।
আমার বাইকে করে যাব।
না, আমি তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আসছি।
বাকি সবাই তার বাইকে চড়ছে।
আমরা আমাদের স্বাভাবিক রুটিন অনুসরণ করব। মা কোথায়?
জানি না।
রোজা?
গাড়িটা বাইরে আছে। ভোগেল এসেছে।
ওর ঘ্রাণ আর মনে করতে পারছি না। ওটা মিলিয়ে গেছে।
সোনা।
স্টিন, আমি জানি না…
তুমি পারবে।
ও তোমাকে দেখলে খুব গর্বিত হত।
জানো?
এসো!
- আজকে কখন কাজ শেষ হবে তোমার? - আমি গুস্তাভকে নিয়ে আসব।
- একদিন একদিন করে কাজ সারতে হবে। - ঠিক বলেছ।
একদিন একদিন করে।
নতুন ড্রাইভারকে হ্যালো বলো।
- আমি রোজা। - আমি জেকব রাসুলি, আসুন।
বাবা! চলো!
এখানে কতদিনের জন্য এসেছ?
হয়তো কয়েকদিনের জন্য।
- তুমি কি হেগ এ কাজ করেন? - না, বিভিন্ন জায়গায় কাজ করি।
আমি একটা টাস্ক ফোর্সের অংশ। সেটা আমস্টারডাম, লিসবন, মার্সেই,
প্যারিস, বুদাপেস্ট এরকম সব জায়গায় কাজ করে।
- কতদিন ধরে কাজ করছ? - পাঁচ বছর।
- পাঁচ বছর? - এটা ধার করলাম।
বেশিরভাগ লিয়াজোঁ অফিসারেরা দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পায়, তাই না?
ওহ? ঠিক আছে।
আমি কোনো এক পর্যায়ে ফসকে গেলে সমস্যা নেই তো?
- কী বলতে চাও? - আমার অ্যাপার্টমেন্টটার ব্যবস্থা করতে হবে।
নিশ্চয়ই যাবে।
এখানে রাখবে? আমি এক কাপ কফি খাবো।
- বেশ, যাওয়ার পথে নিয়ে যাবো। - নিশ্চয়ই।
আমার পার্টনারকে ফোন করি।
- আমি ওদেরকে সিকিউরিটির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছি। - প্লিজ একটু পিছে যান।
ভিক্টিমের নাম লরা কিয়া। বয়স ৩৭।
সেন্ট্রাল কোপেনহেগেন হাসপাতালের একজন ডেন্টাল নার্স।
মনে হয় উনি বিছানার দিকে যাওয়ার সময়ে অতর্কিতে আক্রমণের শিকার হন।
বেজমেন্টের দরজার তালাটা ভাঙা ছিল।
তার দশ বছর বয়সী ছেলে ওপরতলায় ঘুমাচ্ছিল। সে ঘুম থেকে জেগে দেখে, বাসায় কেউ নেই।
সে জামা পরে নিজের নাশতা বানায়, আর মায়ের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।
তারপর সে প্রতিবেশীদের কাছে যায়।
প্রতিবেশী এসে শূন্য বাসা আবিষ্কার করে।
খেলার মাঠে একটা কুকুরকে ডাকতে শুনে সেখানে যায় সে, তারপর ভিক্টিমকে খুঁজে পেয়ে আমাদেরকে ফোন করে।
প্রতিবেশীটা বলেছে,
ভিক্টিম আর তার ছেলে প্রায় প্রতিদিনই খেলার মাঠে যেত।
ওর বাবা কয়েকবছর আগে ক্যান্সারে মারা গেছে।
তার নতুন পার্টনারকে ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হ্যান্স হেনরিক হেগ।
সে রসকিল্ডের একটা আইটি মেলায় আছে। তাকে খবর দেয়া হয়েছে। সে আসছে।
- প্রত্যক্ষদর্শী? - এখনো পাওয়া যায়নি। কিন্তু আমরা সবার দরজায় দরজায় যাব।
- আর ছেলেটা? - সে ঐ প্রতিবেশীর সাথে আছে।
- সে কি কিছু দেখেছে? বা শুনেছে? - আমার মনে হয় না।
আমরা ওর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তার মাথায় কিছু ঢুকছিল বলে মনে হয় না। কিছু বলেনি সে।
তার কোনো মানসিক রোগ আছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।
- তুমি কি ওর সাথে কথা বলতে চাও? - না, পরে। ও ঠিক আছে কি না, তা নিশ্চিত করো আগে।
- ওরা কিছু চুরি করেছে? - আমাদের জানামতে, না।
হাই, গেঞ্জ।
কেমন চলছে সবকিছু?
ভালো না। বৃষ্টিতে সব প্রমাণ ধুয়ে গেছে।
মৃত্যুর সময়?
মাঝরাতের দিকে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল, মনে হয় তখনই খুন করা হয়েছে।
মাটিতে পায়ের ছাপ থাকলেও সেগুলো ধুয়ে গেছে।
ওকে দেখতে চাও?
বাড়িতে ধ্বস্তাধ্বস্তির কোনো চিহ্ন নেই, তার পা ও পরিষ্কার।
আমার মনে হয় তাকে অজ্ঞান করে ফেলা হয়েছিল। তারপর বয়ে নিয়ে এখানে ফেলা হয়েছে।
ক্ষত দেখে বোঝা যাচ্ছে, সে এখানে এসে জেগে উঠেছিল আর নিজেকে বাঁচানর চেষ্টা করেছিল।
- হাত কেটে ফেলার আগে। - হাত কেটে ফেলা?
এইযে।
ব্যাপারটা বেশ অস্বাভাবিক।
সেজন্যই ভাবলাম, তোমার এটা তদন্ত করা দরকার।
ফ্রাইট ট্রেনগুলো সারারাত ধরে এখান দিয়ে যায়।
প্রতিবেশীরাও অনেক দূরে, সেজনই মনে হয় কেউ কিছু শোনেনি।
No comments yet. Be the first to leave one.