Empire of the Sun

Empire of the Sun

Download Bengali Subtitle

Release info

Empire of the sun Bangla sub
A Commentary by Luca

Tags

bluray
Published on: 2025-05-14
Downloads: 48
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

১৯৩৭-৪১, টানা চার বছর চীন এবং জাপান এক অঘোষিত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলো।

জাপানি দখলদার বাহিনী বহু শহর, গ্রাম-গঞ্জ নিজেদের নিকট কুক্ষিগত করেছিলো।

১৯ শতকে "সাংহাইতে" ব্রিটিশরা পদার্পণের পর থেকেই এখানে হাজার হাজার পশ্চিমা নাগরিক "আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সুরক্ষা" চুক্তির আওতায় বসবাস করতো।

নিজেদের দেশের আদলে এখানে ব্যাংক, হোটেল, অফিস, গির্জা, বাড়ি গড়ে তুলেছিলো।

তবে সুদিন ক্রমেই ফুরিয়ে আসছিলো কেননা সাংহাইয়ের বাইরে জাপানিরা ওঁত-পেতে ছিলো... পার্ল হারবারে আক্রমণের জন্য।

সাবটাইটেল বাই: AR SOUROV:)

জেমি!

ওভাবে ঘাস মাড়িয়ো না!

ঘাস মাড়িয়ো না!

দারুণভাবে অবতরণ করালে!

- যুদ্ধে কোন পক্ষ জিতবে? - অবশ্যই আমরা।

- না, চীন-জাপানের যুদ্ধে? - ওটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।

আমরা ভীষণ ভাগ্যবান!

- সুখে শান্তিতে এখানে বসবাস করছি। - দুষ্টু ছেলে!

যত বেশি পরিশ্রম করি ততই ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়ে ধরা দেয়।

ভাগ্যের কথাই বোঝাতে চেয়েছি।

উনার থেকেও ভাগ্যবান।

আমরা যেমন অনেকের চেয়ে সুখে আছি, উনিও তেমন অনেকের চেয়ে দিব্যি ভালো আছে।

সামনে থেকে সরো। বলটা পানির ওপর দিয়ে মারছি।

জাপানিজরাই জিতবে। ওদের শক্তিশালী বিমান এবং সুদক্ষ পাইলট রয়েছে।

একদিন আমিও জাপানিজ আর্মিতে যোগ দেবো।

এমন কথা বোলো না!

বাবা দেখো! জিরো সেন! আমার বিমান! জিরো সেন!

আমাহ, আমি...

...বাটার বিস্কুট খাবো।

মিসেস.গ্রাহাম...

...ঘুমাতে যাওয়ার আগে খেতে নিষেধ করেছেন।

কিন্তু তোমাকে আমার আদেশ মেনে চলতে হবে।

...মালয়ায় সাহায্য পাঠানো হচ্ছে...

...যেটা নিশ্চিতভাবেই জাপানিদের সামরিক অভিযান থেকে ফেরাবে।

উত্তেজনা যেহেতু ক্রমেই বাড়ছে তাই ব্রিটিশরা তাদের পরিবারদের অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়ায় সরিয়ে নিচ্ছে।

গতকাল একটি জাহাজ ৪৫০ জন ব্রিটিশদের নিয়ে সাংহাই থেকে হংকং'য়ের পথে পাড়ি দেয়।

সম্প্রতি চীনে অবস্থানরত প্রায় এক তৃতীয়াংশ ব্রিটিশ দেশ ছেড়েছে।

রুজভেল্ট এবং জাপানি রাষ্ট্রদূতের মধ্যে অগ্রগতির কোনো সম্ভাবনা নেই।

সিঙ্গাপুর জানায়, ইন্দোচিনে জাপানি সৈন্যের সংখ্যা হয়ত ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।

কী খবর...

...রাজকুমার?

- স্বপ্নে ইশ্বরকে দেখেছিলাম। - উনি কী বললো?

কিছুই না। টেনিস খেলছিলেন।

হয়ত ওখানেই ইশ্বর সর্বদা বসবাস করেন।

এজন্যই হয়ত ইশ্বরকে দেখতে পাও না।

ইশ্বর সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।

- শুভরাত্রি, জেমি। - হয়ত তিনিই আমাদের স্বপ্ন... আর আমরা তার স্বপ্নের অংশ।

ঘুমাও। আগামীকাল মি.লকউডদের ওখানে পার্টি আছে।

আমার বিমানটাকে সঙ্গে নিতে পারি?

উড়ে বেড়ানোর স্বপ্ন দেখো।

মা...

ইশ্বর যদি উপরেই থেকে থাকেন তবে কি সেটা আকাশে ওড়ার মতো উপরকে বোঝায়?

শুভরাত্রি।

- দেখতে ভারি সুন্দর লাগছে, ম্যাডাম। - ধন্যবাদ, আমাহ। চলি এখন।

ঠিকভাবে থেকো।

ধন্যবাদ, ইয়াং।

সবাই গা ঘেঁষে বসো।

প্লেনটাকে সিটের সাথে সাবধানে ঠেস দিয়ে রাখো। যাও, ইয়াং।

শান্ত হও, সিনবাদ!

ভিড় এড়িয়ে বরং "ওয়াং-পু" রোড ধরে চলো।

মা নাই, বাবা নাই, গলা ভেজানোর কিচ্ছু নাই।

আস্তে চালাও। সামনে চেকপয়েন্ট।

ভদ্রমহোদয়গণ, ইশ্বর আপনাদের রক্ষা করুক।

হ্যালো, ডার্লিং। দেখা করে ভালো লাগলো।

- একখানা চুমু দাও। - চলে এসেছো তাহলে।

- যত দ্রুত পারো সাংহাই ছাড়ো। - ওরা আমাদের কিছু করবে না।

লকউড দেখি এক চাইনিজকেও দাওয়াত দিয়েছে।

ওর কথায় কিছু মনে কোরো না।

- ব্রিটিশদের চিরাচরিত ঠাট্টা? - স্কচ হুইস্কি নিবো।

আমাদের সময় কি ফুরিয়ে আসছে?

সবার সময়ই ফুরিয়ে আসে। এক্ষেত্রে আমাদেরটা তোমাদের চেয়ে বেশি।

তোমরা ব্রিটিশরা তো ১০০ বছর ধরে আছো। এসব মামুলি তুচ্ছ ব্যাপার।

জাপানিজরা তো আছে কেবল ৪ বছর। এ আর আহামরি এমন কী?

এই সময়ের মধ্যেই ওরা ফসল বরবাদ করে দিয়েছে এবং যা ছিলো তাও গেছে।

লাখো চীনা কৃষক এখন সাংহাইতে ঢুকতে চাচ্ছে।

এদিকে জাপানিজরাও কিন্তু ক্ষুধার্ত।

আমাদের নিকট যথেষ্ট বন্দুক, বিমান এবং ৫০ কোটির বেশি মানুষ রয়েছে।

যত যুদ্ধই আসুক দিনশেষে এখানে আমরাই থাকবো।

আশা করি, সঙ্গে আমরাও থাকবো।

আতিথেয়তার জন্য সর্বদাই প্রস্তুত আছি।

- একদম বাস্তবসম্মত কথা। - ধন্যবাদ।

ওটা কি "জিরো?"

নাকাজিমা। দুটো মেশিনগানও আছে।

যুদ্ধের হালনাগাদ জানতে তুমিই আমার একমাত্র ভরসা।

বিশেষ করে বিমানসংক্রান্ত ব্যাপারগুলোতে।

- শুনলাম, স্কাউট করা ছেড়ে দিয়েছো। - এখন পুরোদস্তুর নাস্তিক হয়েছি।

- যাচ্ছো কোথায়? - একটা জিনিস দেখতে!

তোমার ছেলে নাকি পুরোদস্তুর নাস্তিক হয়েছে।

সবসময় তাই ভেবে এসেছি।

- খাওয়ার সময় হয়েছে। - ধন্যবাদ।

শত্রুপক্ষের দেখা মিলেছে!

ও আমার পেছনে! আমার পেছনে!

জেমি!

জেমি!

চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকো, জন।

জেমি।

দৌড়িও না।

এসো, পার্টি তো শেষ হয়ে গেলো।

- প্লেনটা ফেলে এসেছি। - থাক বাদ দাও।

- পেছনে তাকিয়ো না। - ধন্যবাদ।

ওরা কিছু একটা ঘটার অপেক্ষা করছে।

- দেখে তো রাগান্বিত মনে হচ্ছে না। - রাগান্বিত নয় বরং ওঁত-পেতে রয়েছে।

- তবে কি গা ঢাকা দেবো? - স্ত্রী-সন্তানকে অন্য কোথাও পাঠাও।

নিরাপদ কোথাও। সিঙ্গাপুর হলে কেমন হয়?

আমরা হোটেলে উঠছি।

- কেন? - চারিপাশের অবস্থা ভালো করে বুঝতে হবে।

এ অবস্থায় তোমাদের দুজনকে বাড়িতে একা রাখতে চাই না।

জেমি?

ইচ্ছে করে করিনি। কেবল মজা করছিলাম।

জানালার থেকে সরে দাঁড়াও।

পোষাক পরে নাও। যেমনটা মা বলে তেমনটা করো। দ্রুত এ জায়গা ছাড়ব।

পোষাক তো পরেই আছি।

স্কুলে যাচ্ছি নাকি? আজ তো বন্ধ।

দেখি ইয়াং আমাদের বাড়ি নিয়ে যেতে পারে কিনা।

সুটকেস নিয়ে ভেবো না। পা চালাও!

ট্যাক্সি! এইযে এদিকে! ট্যাক্সি!

আরে, পুরাই আজব ব্যাপার!

- হাত শক্ত করে ধরে রাখো! - ধাক্কা দিও না!

- শুনছেন! এইযে! - ইয়াং!

জলদি!

ওয়াটারফ্রন্টের ওদিকে নিয়ে চলো।

দোহাই লাগে, জেমি! চুপটি করে বসো!

জেমি, জলদি গাড়ি থেকে বের হও!

- এখন কী করব? - বের হতে হবে।

ওখানে হয়ত কোনো নৌকা পাওয়া যাবে। ম্যাক্স ঠিকই বলেছিলো।

ধাক্কা দিও না!

মেরি!

ওকে ধরে রাখো!

জন!

জন!

- ধরে থাকো! - জন!

একসঙ্গেই থাকো! জেমির সাথে থাকো!

জেমি, হাত ছেড়ো না!

আমার প্লেন!

জেমি!

মা?

মা! মা?

জেমি!

মা! মা!

জেমি! জেমি!

বাড়ি ফিরে যাও। আমি তোমাকে নিতে আসব!

মা!

মা!

মা?

বাবা!

মা!

তোমরা এসব কী করছ?

আমার বাবা-মা কোথায়?

চলে এসো, বাছা! জলদি এসো!

জলদি এসো!

দাঁড়ান! দাঁড়ান!

এসো!

জোড়ে প্যাডেল চালাও!

দাঁড়ান!

প্লিজ!

দয়া করে শুনুন।

আমি আত্নসমর্পণ করলাম।

"আমি আত্নসমর্পণ করলাম। আত্নসমর্পণ করলাম, আত্নসমর্পণ করলাম।"

মা নাই! বাবা নাই! গলা ভেজানোর কিচ্ছু নাই!

তুমি কি আমেরিকান?

- আমেরিকান? - ব্রিটিশ।

ব্রিটিশ?

আমার গাড়িচালকের জন্য অপেক্ষা করছি।

ব্রিটিশ ছোকরা।

এখানে এসো।

না, ধন্যবাদ।

এখানে এসো।

- এসো বলছি। - না! না!

শুনো!

এই ছোকরা!

শুনো! শুনো!

প্লিজ, আমি আত্নসমর্পণ করছি!

দয়া করুন, স্যার!

আত্নসমর্পণ করছি!

স্যার, আমার নাম জেমস গ্রাহাম। ব্রিটিশ নাগরিক।

আমি আত্নসমর্পণ করতে চাই।

দয়া করুন!

আমি একজন ব্রিটিশ নাগরিক!

আত্নসমর্পণ করতে চাই! দয়া করে শুনুন!

প্লিজ!

ব্রিটিশ ছোকরা!

আত্নসমর্পণ করছি!

দয়া করুন!

সাহায্য করুন!

সাহায্য করুন! আমি একজন ব্রিটিশ নাগরিক!

সাহায্য করুন!

- সাহায্য করুন! - থামো বলছি!

দয়া করে বন্ধ করো এসব!

কেউ সাহায্য করুন!

হ্যালো।

ঠিক আছো, বাছাধন?

ঠিক আছো তুমি?

তাই তো মনে হয়।

থাকো কোথায়?

১৩, অ্যামহার্স্ট এভিনিউতে।

বাবামায়ের আসার অপেক্ষা করছি। উনারা বড্ড দেরি করছেন।

দেরি? উদ্ভট ব্রিটিশ ছোকরা দেখছি।

নাম কী?

জেমস গ্রাহাম। তাস খেলার কৌশল নিয়ে একটা বই লিখছি।

আপনি কি আমেরিকান নৌবাহিনীর সঙ্গে আছেন?

নৌবাহিনী? আর একটু হলেই তো নিজের জামাখানা হারাতে বসেছিলে।

চাইলে আমি তোমার বাবামাকে খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারি।

এমন একজনকে চিনি যিনি সাহায্য করতে পারবেন।

জেনারেল উইন্টারকে চেনেন?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left