The first 117 lines.
তোমার গল্পটা খুবই সুন্দর বলে মনে হলো।
মানে আমি যেন তোমার সবচেয়ে গোপনীয়, ব্যক্তিগত ভাবনাগুলো পড়ছি।
যেন তোমার এক অসাধারণ গোপন জীবন উপলব্ধি করলাম।
আমার সত্যি খুবই হিংসে হচ্ছে।
ধন্যবাদ।
এটা পড়ার জন্য।
তো এটা নিয়ে পরবর্তী চিন্তাভাবনা কী?
জানি না।
তোমার এটা ম্যাগাজিনে জমা দেয়া উচিত।
- তোমার শেষবারেরটাও তো তারা পছন্দ করেছিল। - কী করবো বুঝতে পারছি না।
জানি না এটা ততটাও ভালো কি-না।
আহ, মজা নিচ্ছো তাই না?
এটা অসাধারণ।
ঠিক আছে, একটা কামনা কর।
দেখে বেশ সুস্বাদু মনে হচ্ছে। বিশ্বাসই হচ্ছে না যে তুই বানিয়েছিস।
বেশ ভালো পাম দিলি।
এটা খুবই মিষ্টি। পুরোপুরি অদরকারী।
চুপ থাক তো। কথা না বলে কেক খা।
কেমন উপহার পেলে, ম্যারিয়ান?
অনেক সুন্দর সুন্দর উপহার। ধন্যবাদ, নায়াল।
তুই কী দিলি, কন্যেল?
আহ, একটা বই।
ফ্রাঙ্ক ও হারা'র কবিতাগুচ্ছ।
যাই হোক...
আমার খুবই পছন্দ হয়েছে।
এবং তোমার পরিবার কী দিলো? ভালো কিছু দিয়েছে কি?
স্পোর্টস কার না-কি ঘোড়া?
কী বলতে চাইছিস?
মনে হয়, আমার নিজের জন্মদিনে কী কী উপহার চাই সেটার লিস্ট বলছি!
উম, উনারা আসলে সেভাবে জন্মদিন উদযাপন করেন না।
ওহ, ভালোই।
উম, এই কেক এতটা সুস্বাদু কেন!
জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা?
হ্যাঁ।
মা দিয়েছে।
কিন্তু ঠিক "শুভেচ্ছা বার্তা" নয়।
কী বলেছেন?
"ডাবলিনের ফ্লাটের চাবি যত দ্রুত সম্ভব আমায় ফিরিয়ে দে।"
তো...
আমি দুঃখিত।
সমস্যা নেই।
আমি ঠিক আছি।
নরমাল পিপল ভাবানুবাদে: "আকতার হোসেন"
মজা পেয়েছো?
হ্যাঁ।
অনেক।
বেশ।
তো এটাকে আমলাতান্ত্রিক নিষ্ক্রিয়তাও বলা যেতে পারে।
কে? কন্যেল?
হ্যাঁ, ঠিক আছে, অাসলে, তুই আগের চেয়ে উন্নতি করছিস।
তো আজরাতে কী করবি?
- মুভি দেখবো। - বেশ ভালো।
ওহ, আমি হয়তো সাঁতার কাটতে যাবো। আরেকবার।
কিন্তু তুই চাইলে, আমি তোর জন্য কিছু খাবার নিয়ে আবার ফিরবো।
বেশ।
এমনটা কি সম্ভব যে আমরা বিয়ে করে ৫০ বছর বয়স্ক হয়ে গেলাম অথচ কেউ ধরতেও পারলো না?
হয়তো।
হলে অবশ্য ভালোই হবে।
কি মনে হয়, আমার প্রথম বর্ষের আমি কি এখনকার আমিকে ঘৃণা করছে?
জানতে পারলে তো ভালোই হতো।
আমার মনে হয়, প্রথম বর্ষের আমি বেশ বিস্মিত হচ্ছে।
"ওর দিকে দেখো, এখন সে সত্যিই সন্তুষ্ট।"
ওয়াও।
- তুমি ঠিক আছো? - উম-হুম, হ্যাঁ।
- একটা ইমেইল পেলাম। - কার থেকে?
কন্যেল, কার থেকে?
এটা, আহ...
এটা, নিউইয়র্কের একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
আমায় তাদের এমএফএ সৃজনশীল লেখনী প্রোগ্রামে যোগদানের সুযোগ দিচ্ছে।
ওহ।
আমি তো জানতামই না যে তুমি আবেদন করেছো।
মানে, অভিনন্দন। তবে, তারা তোমায় ডেকেছে বলে...
আমি বিস্মিত নই।
তুমি বলোনি জন্য আমি বিস্মিত।
আসলে, এটা আমার চিন্তারও বাহিরে ছিল।
আমি, উম, বলতে লজ্জা পাচ্ছিলাম।
সত্যি বলতে, আমি, আহ...
আমি এখনো তোমায় গণ্য করি, এবং আমি, আহ...
আমি চাইছিলাম না যে তুমি আমায় এভাবে দেখো, জানি না কী বলবো, প্রতারক, অথবা...
- কন্যেল। - এবং আমি,
জানি না, কেন আমি আবেদনটা করেছিলাম। এমনকি এটা আমার আইডিয়াও ছিল না।
- কার আইডিয়া ছিল? - আহ, আমার একজন শিক্ষকের।
এটা ব্রিলিয়ান্ট ছিল, কন্যেল।
তুমি আমার সাথে নিউইয়র্কে দেখা করতে পারবে?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
- আমি পারবো। - বিশ্বাসই হচ্ছে না...
আমার এমন মনে হচ্ছে যে...
আমি এখনো অর্ধেক বিশ্ব পাড়ি দিয়ে এমন একটা শহরে....
যাওয়ার জন্য মোটেও প্রস্তুত নই, যেখানকার কাউকেই আমি চিনি না।
মানে...
আমি তো ডাবলিনের রাস্তাতে মাত্র কয়েকমাস আগেই...
কোনো ধরনের উদ্বেগ ছাড়া প্রথম হাঁটতে শিখলাম।
তাহলে নিউইয়র্কে আমার কী হবে?
ওসব কথা বাদ দাও।
ওরা তোমায় কাজের জন্য ডেকেছে, এটা মোটেও মুখের কথা নয়।
কিছুক্ষণের জন্য ওসব চিন্তাভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো।
আমি যাচ্ছি না।
আচ্ছা।
এবং অবশ্যই, আমাদের কন্যেলকে ধন্যবাদ জানাতে হবে।
নিজ উদ্যমে এগিয়ে এসে...
সর্বকালের সেরা প্রতিভাশালী সম্পাদক বনে যাওয়ায় জন্য।
তাহলে আমি ঘোষণা করছি, আমাদের লেটেস্ট ব্রিলিয়ান্ট প্রকাশনা,
আগামীকাল প্রকাশিত হবে, এবং আমরা সেটা নিয়ে খুবই গর্বিত।
এবং আমি বেশ সুস্বাদু পাঞ্চও বানিয়েছি।
- এটা কিন্তু মারাত্মক প্রাণঘাতীও বটে! - গিলে ফেলো!
ম্যারিয়ান।
হ্যাঁ?
একটা প্রশ্ন করতে পারি?
উম‐হুম।
ক্রিসমাস।
কী হয়েছে?
আমাদের বাসায় কাটাতে চাও?
জানি না, কন্যেল।
- জিজ্ঞেস করায় খুশি হয়েছি। - লরেনের বেশ ভালো লাগতো।
তুমি সেটা জানো না।
- কী? - মনে হয় আমি সেটা জানি।
সে-ই আমাকে বলেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.