The first 200 lines.
"
"প্রা
"প্রাতি
"প্রাতি পু
"প্রাতি পুভা
"প্রাতি পুভান
"প্রাতি পুভানকো
"প্রাতি পুভানকোঝি
"প্রাতি পুভানকোঝি"
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার নাথ
এটি আমার করা ৬ষ্ঠ একক বাংলা সাবটাইটেল। আশা করি সাবটাইটেলটি আপনাদের ভালো লাগবে।
অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সাবটাইটেলটি ভালো লাগবে ভালো রেটিং ও ফিডব্যাক জানাবেন আশা করি।
উৎসর্গঃ
উৎসর্গঃ সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি আমার পরম পূজনীয় পিতা-মাতাকে।
গান গাইছিস?
আমি তোকে শুধু সাইকেলে প্যাডেল মারতে বলেছি। গান গাইতে বলছি নাকি?
- গান বন্ধ করে তাড়াতাড়ি চালা। - ওহ...
দাঁড়া... দাঁড়া! দাঁড়া!
নিচে নাম।
এতটুকু পর্যন্তই? - হ্যাঁ!
- আমি এখান থেকে হেঁটে যাব? - হ্যাঁ!
এ কেমন আচরণ, গোপী চেট্টা?
তোকে আমি এতটুকু পর্যন্ত ফ্রি নিয়ে এসেছি, তাই না? এখান থেকে বাকিটা হেঁটে যা।
আমি আগে প্রচুর হাঁটতাম বলে এখনো এরকম স্বাস্থ্যবান আছি।
এই দাঁড়া তো!
এটা কি রেডিমেড?
- এটার কাঁটা'টা ভালো হয়নি। - আমার চলে যাচ্ছে...
কিন্তু আমার কাছে না।
মাধুরী মা!
দিদি, কি করছে সে?
মাধুরী! গোপী চেট্টান ডাকছে শুনছিস না?
আমাকে তৈরি হতে তো দাও।
সে তৈরি হচ্ছে।
তাহলে আমি একটু বসি। বেশ ক্লান্ত লাগছে, দাঁড়াতে পারছি না।
ওই এজেন্টের সাথে কথা বলেছিস?
- ছেলেটা ব্যাংকে কাজ করে। - সে কোথায় থাকে?
ইট্টুমানুর!
মাগো!
মা!
আমাকে ছোট একটা সাহায্য করিস। ছোট্ট একটা!
এডভোকেট পালামপাদাম কারিয়ার ছোট মেয়ের বিয়ে।
ওই অনুষ্ঠানের জন্য, আমাকে ২০ টা ব্লাউজ সেলাই করতে হবে।
আমি ওটার পুরো কন্ট্রাক্ট নিয়ে ফেলেছি।
ভালো! তুমি কি আবার সেলাই কাজ শুরু করছো?
- আমি না। তুই! - আমি?
মা!
তুমি এটা নিজেই করতে পারো।
হায় ভগবান! এটা সম্ভব না।
তুই তো জানিস, তাই না? আমি যখনই কাঁচি ধরি, আমার হাত কাঁপতে থাকে।
আমি রাতে চাকরি থেকে এসে ক্লান্ত হয়ে যাই।
এর মধ্যে এরকম কিছু তো সম্ভবই না।
- আমি এডভান্স নিয়ে ফেলেছি। - তাহলে ফিরিয়ে দাও।
খরচ করে ফেলেছি।
শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ, তোকে এটা অবশ্যই করতে হবে।
কৃতজ্ঞতা আদায়ের মধ্যে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই?
আমি তোর কাছে কতবার কৃতজ্ঞতা চেয়েছি?
সন্ধ্যা ৬ টায় আমরা গিয়ে মাপ নিয়ে আসবো।
সেটা কিভাবে সম্ভব? আমি তাড়াতাড়ি আসতে পারবো না।
দয়া কর! আমি তাদের কথা দিয়ে ফেলেছি।
ক্রিস্টমাস তো চলে এসেছে, তাই না? এটাই শেষবার।
- আমি কথা দিচ্ছি এটাই শেষবার। - আচ্ছা।
দাঁড়া।
- আমি সাইকেল এনেছি। তোকে নামিয়ে দিই। - লাগবে না।
সেলাইয়ের টাকা আমরা দুইজনে সমান ভাগে নিবো কিন্তু। - আচ্ছা।
তুমি যদি এভাবে বলো, তাহলে কিন্তু আমি আর কথা বলবো না।
মাধুরী আসছে। আমি পরে ফোন দিবো তোমাকে।
কেটো না, সোনা!
আমি স্বপ্ন দেখছিলাম যে আমরা দুজনে শ্রীলঙ্কা ভ্রমণে বের হয়েছি।
তুমি মালেশিয়া অথবা সিঙ্গাপুর ভ্রমণের স্বপ্ন দেখ না কেন?
অনেক আগে থেকেই আমার শ্রীলঙ্কা পছন্দ না।
তোমার জন্য তো আমি উত্তর কোরিয়া ভ্রমণের স্বপ্নও দেখতে পারি, তাই না?
উত্তর কোরিয়া কি টুরিস্ট স্পট?
সেখানে দেখার মতো কি অনেককিছুই আছে?
অবশ্যই! আমরা তো সেলফি তুলতে তুলতেই শেষ হয়ে যাবো।
সে জংশনে পৌঁছে গেছে।
- কোথায় যাচ্ছো? - চেট্টা...
ওই গাড়িটাকে ওভারটেক করো তো।
তাড়াতাড়ি যাও।
যাও যাও....যাও...
এখানেই থামো।
এমন করলি কেন তুই? আমাকে ডাকলি না কেন?
তুই 'মাধুরী' না, তুই হইলি 'পেত্নী মাধুরী'...
তোকে যদি আমি ডাকতামও, তবুও কি তুই শুনতি?
তুই তো উত্তর কোরিয়াতে ছিলি তখন, তাই না?
তোকে আসতে দেখে, আমি তৈরি হয়েই ছিলাম।
আমার গোঁড়াতেই গন্ডগোল হয়েছে।
তুই যদি দুইটা মোবাইল ফোন ধরে বসে থাকিস,
তাহলে শুধু শুরুটাই না, শেষটাতেও গন্ডগোল লেগে যাবে।
মামণি, তুই যদি তোর দক্ষিণ দিকের জমিটা বিক্রি করিস তাহলে আমাকে জানাস।
আমার পরিচিত অনেক ভালো ক্রেতা আছে।
ও প্রিয় ভার্কিচান!!!
আমি তোমাকে কতবার বললাম যে আমি ওই জমি বিক্রি করবো না। - মারে...
আমার কাজ হলো তোরে জিজ্ঞেস করা, আর তোর কাজ হলো আমাকে না বলা, তাই না?
বাস এসে গেছে।
কারুকাঁচাল... কারুকাঁচাল...
আমার মনে হয় ভার্কিচান শকুনের দৃষ্টি দিয়ে আমাদের জমিটা নিয়ে ফেলতে চাইছে।
সে যদি আরেকবার কথাটা বলে না, তাহলে একটা উচিত শিক্ষা দিবো।
নতুন বাস ক্লিনারটাকে দেখেছিস?
সে দেখতে বেশ হ্যান্ডসাম, তাই না?
দেখ এটা।
- দেখেছিস এটা? - নিয়ে নে ওটা!
- হায় ভগবান! - ও দাদা...
তাকে সাবধানে চালাতে বলুন।
মহিলা আর বাচ্চারাও এই বাসে আছে, তাই না?
একটু সাবধানে চালানো যায় না?
- ঠিক তো, দাদা? - হ্যাঁ!
ভাই, আপনি একটু পিছনে গিয়ে দাঁড়ান তো।
- তোর স্বামী রবিবারে আসছে? - হ্যাঁ!
- ওটা ঠিক হয়েছে? - হ্যাঁ!
এসো।
এক মিনিট!
তোমার চুলটা ঠিক করে দিই।
গুড!
কেমন হয়েছে এটা?
মাগো মা!
আমাদের মলি কুট্টি তো পুরো পাল্টে গেল। - ঠিক!
- তাকে অনেক সুন্দর লাগছে। - এই, মলিকে একবার দেখ।
থোমাছা, আমি তোকে পরে ফোন করবো। আমি এখন রাখছি।
সে একটা হাতকাটা জামা পরে দাঁড়িয়ে আছে। লজ্জা করছে না তোমাদের?
পরিবারে অসম্মান বয়ে আনছে। পাল্টিয়ে এসো।
তারপর কাপড় ছাড়াই হাঁটো।
সে কাঁধের পাশ থেকে পুরো হাত উন্মুক্ত রেখে দাঁড়িয়ে আছে। - শুনো....
এসো।
তুমি এটার জন্য কাঁদছো?
কান্না করাটা পুরনো স্টাইল। আমাদের আরো শক্ত হতে হবে।
- তুমি দেখতে অনেক সুন্দর! - তুই ছুটি নিবি না?
এরকম পোশাক পড়া বেশ আনন্দের ব্যাপার।
পড়ালেখা শেষ করে চাকরি পাওয়ার পর,
তুমি এরকম সুন্দর সুন্দর পোশাক কিনে পরতে পারবে, ঠিক আছে?
তুমি যদি কাঁদো, তাহলে তো শুধু কাঁজলই নয়...
সাথে তো এই সৌন্দর্যটাও নষ্ট হয়ে যাবে।
যাও।
এই, গিয়ে জিজ্ঞেস কর।
জিজ্ঞেস করবো। এটা ধর।
আমি আজ একটু তাড়াতাড়ি যেতে পারি?
তুমি যদি দেরী করে আসো, তাহলে তাড়াতাড়ি কিভাবে যাবে?
সকালে তো আমি ৩ - ৩ঃ৪৫ মিনিটের মতো দেরী করেছি।
আমি সত্যি বলছি ওটা বাসের দোষ ছিল।
- দয়া করে আমাকে যেতে দিন। - তুমি স্যারের থেকে অনুমতি নাও।
জিজ্ঞেস করো।
আমি কি আজ তাড়াতাড়ি যেতে পারবো?
তুমি কি জানো, এই মহাবিশ্বে আমাদের জীবনের মূল্য কতটা?
- তুমি কি জানো, লায়লা? - আমি জানি।
কিন্তু... আমি বলবো না।
এইক্ষেত্রে, আমি সেটা বলবো।
মাদুরাই থেকে আমি এসেছিলাম কটি বিক্রি করতে।
আমি ওই কটির মাধ্যমেই এতটা উঠতে পেরেছি আর এই কোম্পানি স্থাপন করতে পেরেছি।
যেটাতে এখন আমি আর তোমরা দাঁড়িয়ে আছো।
এটা কোনো সরকারী অফিস না যে,
যেখানে তুমি তোমার ইচ্ছামতো আসবে আর যাবে।
তাই না, লায়লা?
তো, তুমি আজ তাড়াতাড়ি যেতে পারবে না।
তুমি যেতে পারো।
কি?
সে এইমাত্র কি করলো?
এটা কালো জাদু ছিল। আমি জানি এটা। তাকে আবার ডাকো তো।
- হে ভগবান! - মাধুরী...
আমাকে সত্যি কথা বলো। তুমি এক্ষুনি ভগবানকে কি বললে?
- আমি ভগবানকে বলেছি আপনাকে ক্ষমা করে দিতে। - কিসের জন্য?
আমি তো আপনার কাছে এক ঘন্টার অনুমতিটা...
কোনো পার্টি বা অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য নিই নি। - তাহলে?
আমি তো ভগবান মুরুগার মন্দিরে যাওয়ার জন্য চেয়েছিলাম।
আমি ভগবানের কাছে প্রার্থনা করলাম আমাকে যেতে না দেয়ার জন্য আপনাকে যেন পাপ না দেয়।
মাধুরী, সেটা তুমি বলোনি কেন?
হায় ভগবান!
আমি তো জানতাম না। তুমি গিয়ে পুজো দিয়ে এসো।
এটার চেয়েও তুমিও যদি অন্তত মেশিনে পা চালাতে
তাহলে সেটাই বেশি ভালো হতো!
তুমি সেটাও করবে না।
চুপ করে আছো কেন?
মাপ নেয়ার জন্য ওগুলো এনেছ?
আমি তাদেরকে বলেছি, তুই অনেক বেশি দক্ষ।
তো কি?
হ্যাঁ... তবুও বলে রাখলাম আর কি!
এই যে...
ওই মেয়েটাই বিয়ের ড্রেসের ডিজাইন করবে।
এটা দেখ। ভালো না? - একইরকম বারবার পছন্দ করিস না।
অন্যরকম কিছু বের কর।
পার্টিতে সবার জন্য ব্লাউজ আর মুন্ডু বানাবেন তাই না?
ও এসেছে ব্লাউজের মাপগুলো নেয়ার জন্য।
আন্টি, আমি অন্যান্য সব ঠিক করে দিবো। ওটা ওদের উপর দেয়ার দরকার নেই।
উনি প্যাটার্ন দিয়ে দিবেন। আপনি ওভাবেই সেলাই করবেন।
২/৩ দিন পর, ইউএসএ আর ইউকে থেকে
আমাদের কয়েকজন বোন আসবে।
তোমাকে কিন্তু অবশ্যই এসে তাদের মাপটাও নিতে হবে।
আমি তো দোকান থেকে দেরিতে আসি। ওটার পর আসলে হবে না?
সব ঠিক আছে? এবার যেতে পারি?
আমরা যাবো না? সাইকেলটা বের করো।
আমি চালাতে পারবো না। যদি পুলিশ ধরে, আমি আমার লাইসেন্স হারাবো।
তুই চালাতে পারিস।
- একটা কথা বলবো তোকে? - কয় পেগ খেয়েছ?
কি?
আমি তোমাকে আরো অনেকবার বলেছি এসব নাটক আমার সামনে না করতে।
নাহলে আমি রেখে চলে যাবো। সকাল থেকে না যথেষ্ট পরিমাণে খেয়েছ?
এখানে এসেও খেতে হলো?
উঠে বসো।
এখন আমি যাই করি তোর ভালো লাগে না।
No comments yet. Be the first to leave one.