Seven Worlds, One Planet

Seven Worlds, One Planet

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

সেভেন ওয়ার্ল্ড ওয়ান প্ল্যানেট - বিবিসি-- সিজন ০১, এপিসোড ০৪ অস্ট্রেলিয়া- সাইফ রায়হান
A Commentary by Saieef_Raihan
সেভেন ওয়ার্ল্ড ওয়ান প্ল্যানেট বিবিসির প্রাকৃতিক ইতিহাস দলের একটি ডকুমেন্টারি সিরিজ । এটির মোট সাতটি অংশ রয়েছে, যার প্রতি এপিসোড এ একটি করে মহাদেশ এর উপর নজর দেওয়া হয়েছে । এটি ২৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মুক্তি পায়, যা বিখ্যাত প্রাণীবিজ্ঞানি স্যার ডেবিট অ্যাট

Tags

other
Published on: 2020-08-10
Downloads: 25
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অস্ট্রেলিয়া

একটি দ্বীপ মহাদেশ

ডাইনেসর এর সময় থেকে এটি ভেসে ভেসে

কোটি কোটি বছর ধরে পৃথিবীর অন্যান জীব থেকে আলাদা হয়ে আছে ।

বর্তমানে এখানে যত প্রাণী ছড়িয়ে আছে, পৃথিবীর আর কোথাও তা নেই ।

এটি টিকে থাকার জায়গা ।

উত্তর অস্ট্রেলিয়ার এই জঙ্গল গুলো ...... পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন জঙ্গল ।

১৮ কোটি বছর ধরে অপরিবর্তিত আছে ।

এখাকার প্রানী ও উদ্ভিদ গুলো উভয়েই সশস্ত্র ।

...ডাইনেসর এর সাথে বসবাসের উপযোগী করে তৈরী করা ।

বর্তমানে মাত্র একটি বৃহৎ আকৃতির প্রানী বেচে আছে ।

ছোট আকৃতির ডাইনেসর এর মত থাবা আর প্রায় দুই মিটার উচু ।

.. বৃহৎ এই পাখি এই বন শাসন করে বেড়ায় ।

কিন্তু এর সাফল্যের চাবিকাটি এর দৈহিক উচ্চতা না.........

...বরং পুরুষ পাখিটির অভিবাভক হিসেবে দায়িত্ব পালনের স্বক্ষমতা ।

এই বাচ্চাটির বয়স মাত্র ছয় সপ্তাহ ।

এবং এদের পিতা এদের কে একাই লালন পালন করে বড় করছে ।

প্রতি টুকরো খাদ্য মুল্যবান ।

তার বাচ্চা গুলোকে লম্বা আর শক্তিশালি করে বড় করে তুলতে ।

কিন্তু এই বনে

বেশির ভাগ ফল ই এদের জন্য আকারে বড় ।

এটাকে এদের জন্য কেটে দিতে হবে ।

এখানে নিজেদের এলাকা থেকেই খাদ্য সংগ্রহ করতে হবে ।

...কিন্তু খাবার খুজে পাওয়া সহজ কথা না ।

সে তাদের দেখিয়ে দিচ্ছে কিভাবে পানি পার হতে হয় ।

কিন্তু আপনার পা ২০ সেঃমিঃ এর মত ছোট হয় ।

তাহলে এমন স্রোত ই আপনার কাছে গভীর মনে হবে ।

একটি ঝাঁপ দিল ।

...কিন্তু অন্যটি । এটা বেশ কঠিন কাজ ।

সে ঘুরে দাড়াল এবং যেদিক থেকে এসেছিল সেদিক ফিরে যাচ্ছে ।

চোখের আড়াল হবে ত পিতার সুরক্ষার বাইরে চলে যাবে ।

সে নাজুক ।

শুধুমাত্র অর্ধেক কেসওয়ারির বাচ্চা পূর্ন বয়স্ক হতে পারে ।

...আর এর পেছন কারন আছে ।

অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাগৈতিহাসিক বন শিকারি প্রাণীতে পূর্ণ ।

অনেকে টিকে থাকতে পারে ।

তাদের থেকে ছোট যে কোন কিছু খেয়ে ।

তার বাবা কে খুজে পাওয়া জরুরি । - (পাখির বাচ্চার ডাক)

...এবং দ্রুত ।

পুরুষটি তার কান্না আর প্রতিউত্তর শুনতে পায় ।

......একটা বিশেষ ডাক ব্যবহার করে যেটি এই ঘন অরণ্যেও বুঝা যায় ।

আর তারপর ভরসা জাগানো একটি উজ্জ্বল আলোর আভাস পাওয়া যায় ।

তাদের বন্ধন তাদের ভয়ের থেকেও শক্তিশালী ।

এই পুরুষটি তার বাচ্চা গুলোকে আগামি আট মাস পথ দেখাবে আর সুরক্ষা দেবে

পুনঃরায় সে সঙ্গম করার আগ পর্যন্ত ।

অস্ট্রেলিয়া একসময় গন্ডওয়ানাল্যান্ড নামন বিশাল মহা মহাদেশ এর অংশ ছিল ।

...বনে ঘেরা আর জীববৈচিত্রে পূর্ণ ।

ডাইনেসর আধিপত্য করত ।

স্তন্যপায়ী প্রাণী তখন মাত্র আভির্ভাব হচ্ছে ।

তারপর অস্ট্রেলিয়া বিভক্ত হতে শুরু করল ।

ভেসে ভেসে আলাদা হয়ে যাওয়া এই নতুন দ্বীপ এ সরীসৃপ, পাখি আর প্রথম দিকের স্তন্যপায়ী প্রাণী ছিল ।

তারপর তারা প্রসূত বাকি পৃথিবী থেকে আলাদা ছিল ।

তারা কেউ এই বিশাল দ্বীপ ছেড়ে যেতে পারে নি ।

এবং খুব অল্প সংখ্যক ই এখানে আসতে পেরেছে ...

... যদি তারা উড়তে না পারে ।

একটি ছোট্ট লাল বাদুড় ।

তাদের পূর্বপুরুষরাও এখানে উড়ত ।

আগ্নেয়গিরিময় দ্বিপপুঞ্জের পাশ দিয়ে ভ্রমণ করে এসে ।

এটি এশিয়ার সাথে অস্ট্রেলিয়াকে সংযোক্ত করে ।

কিন্তু তাদের বিশাল পাখা, যেটি তাদের আঙুল থেকে কমর পর্যন্ত প্রসারিত ।

তাদের জন্য হাটা বা মাটিতে নামা কঠিন করে দিয়েছে ।

তাই, তারা যখন বিশ্রাম নিতে চায়, তখন তারা গাছে উল্টো হয়ে ঝুলে পড়ে ।

কিন্তু তাদেরকে প্রতিদিন পানি পান করতে হয় ।

আর তারা সেটি করে উড়ার মধ্যে থেকেই ।

তারা পর্যাপ্ত পরিমাণ নিচুতে পতিত হয় যাতে তাদের পেট ভিজে যায় ।

আর তারপরে তারা তাদের জায়গায় ফিরে যায়, তারপর তারা পানিটুকু চুষে নেয় ।

প্রতি সন্ধ্যায়, ১০,০০০ এর মত বাদুড় এখানে আসে ।

তাদের সবাই ফিরে যেতে পারে না ।

- এখানে নদীতে প্রতি দুই মিটারে ......... - (বাদিড় এর ডাক)

...একটি করে কুমির আছে ।

তারা এখানে বাদুড় এর অনেক আগে থেকেই আছে...

... অস্ট্রেলিয়ার প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে টিকে থাকা প্রাণী ।

এই নাটক কোটি কোটি বছর ধরে হয়ে আসছে..

...বায়বীয় তৎপরতা...

..বনাম ধৈর্য্য..

...আর মারাত্মক গতি ।

অস্ট্রেলিয়ার বন বসবাস করার জন্য প্রতিকূল জায়গা ।

দ্বীপ থেকে সরতে থাকলে বন পাতলা হতে থাকবে আর বাতাস ঠান্ডা হতে থাকবে ।

আর ভূমি যত উচু হতে থাকবে, তত নাটকীয় ভাবে পরিবর্তন হতে থাকবে ।

মহান বিভাজন সৃষ্টিকারী পরিসর, জঙ্গল থেকে ২০০০ মিটার উপরে ।

এখানে টিকে থাকতে হলে, অবশ্যই এই কঠিন পরিস্থিতি সহ্য করতে হবে ।

ক্যাঙ্গারু, মহাদেশের অন্যান্য সকল স্তন্যপায়ীদের মতই....

পেটে বাচ্চা রাখার থলি আছে ।

স্তন্যপায়ীরা সাধারণত তাদের পেটের থলিতে বাচ্চা লালন পালন করে ।

আর এই বাচ্চাদের এমন আশ্রয় আবশ্যম্ভিক ভাবেই প্রয়োজন ।

এর চেয়ে বেশি ঠান্ডায় কোন ক্যাঙ্গারুই টিকতে পারবে না ।

But there is an even tougher marsupial up here. কিন্তু আরো উপরে এর চেয়েও কঠিন দ্বিগর্ভ প্রাণী আছে ।

একটা ওয়ামব্যাট !

সে সাধারণত মাটির নিচে গর্ত সেখানে আশ্রয় নেয় ।

কিন্তু এখন সেটি প্রায় ১ মিটার তুষারপাত এর নিচ......

...সাথে তার জীবিকা সকল ঘাস গুলোও ।

তার ওজন একটা বড় কুকুর এর সমান ।

কিন্তু তার পা ছোট কুকুরের পায়ের সমান ।

এই গভীর তুষারপাতের জন্য যেটা মোটেই আদর্শ না ।

গাছের ছাল কে কোন ভাবেই খাবার বলা যায় না ......

...কিন্তু সে ক্ষুদার্ত ।

তার ঘাস দরকার ।

কিন্তু ঘাস গুলো প্রায় ১ মেইল দূরে, একটা বরফের নদীর ওপারে ।

ওয়ামব্যাট, হয়ত তেমন দ্রুতগামী না ।

কিন্তু তারপরেও তাদের এত উপরে থাকার ও কথা না ।

তারা প্রায় কোন কিছু ছাড়াই বেচে থাকতে পারে ।

অল্প পরিমান খাবার ই তাদের এক সপ্তাহের জন্য যথেষ্ট ।

আর এই খাবার এর জন্য তেমন কোন প্রতিযোগিতা ও নাই, মহাদেশের এই ছোট কোণায় ।

তুষারময় শৃঙ্গ গুলো অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে না ।

কিন্তু বিশাল এই বিভাজক পরিসর অবশিষ্ঠাংস ......

যা ছিল একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ পর্বত মালা গুলোর মধ্যে কয়েকটি ।

এগুলো অস্ট্রেলিয়াকে এন্টার্কটিকার সাথে সংযোক্ত করেছিল ।

তারপর এই সহোদর মহাদেশ ভেঙ্গে আলাদা হয়ে যায় ।

এন্টার্কটিকা, দক্ষিন দিকে নিক্ষিপ্ত হয়, এখন বরফে জমে যায় ।

অস্ট্রেলিয়া উত্তর দিকে নিক্ষিপ্ত হয়, বিষুবরেখার দিকে ।

এবং ধীরে ধীরে গরম আর শুষ্ক হতে থাকে ।

বনভূমি উচু হচ্ছে ...

আর যেখানে কম বৃষ্টিপাত হত ......

সেখানে তৃণভূমি হয়েছে ।

এই সমতল তৃণভুমিতে

প্রাণী গুলো সতেজ হয়ে উঠার জায়গা পায় ।

এদের মধ্যে পশ্চিমা ধূসর ক্যাঙ্গারু আছে ।

আর এটাই মুলত তাদের প্রকৃত বাড়ি ।

এখানে তারা ভালমত খেতে পারে আর শক্তিশালী হয়ে ওঠে ।

বয়স্করা প্রায় দাঁড়িয়ে ২ মিটার লম্বা হতে পারে আর রেস এর ঘোড়ার মত গতিতে দৌড়াতে পারে ।

আর এই খোলা সমতল ভূমিতে, গতি থাকতে হবে ...

কারনে যেখানে বড় পাল থাকে, সেখানে শিকারী ও থাকে ......

ডিঙ্গোর দল, নেকড়ের উত্তরপুরুষ, যেগুলোকে মানুষ এখানে নিয়ে এসেছিল.....

৪০০০ বছর আগে, এশিয়ে থেকে ।

এই দলটিকে একটি সাদা নারী দিঙ্গো নেতৃত্ব দিচ্ছে ।

আর তারা শিকার করতে এসেছে ।

আতঙ্ক তৈরী করে দল টিকে পরীক্ষা করা হচ্ছে ।

পেটের থলিতে বাচ্চা রাখা মায়েরা ধীর গতির হবে ......

...কিন্তু তারপরেও একটা ডিঙ্গো কে দৌড়ে পিছনে ফেলতে পারে ।

হয়ত একটা ফাদ পাতলে কাজ হবে ।

কিন্তু বাচ্চা হলেও নতুন স্বাধীন হওয়া ক্যাঙ্গারু গুলোও মনে হচ্ছে ধরা যাবে না ।

এই খোলা আর সমতল ভূমিতে ...

ডিঙ্গোর দল যথেষ্ট দ্রুত গতির না ।

কিন্তু এই সাদা নারী ডিঙ্গোর দৃঢ় মনোবল ই তাকে এদের নেতা বানিয়েছে ।

আর বিশেষ করে তার বুদ্ধিমত্তা ।

সে আজ ১৮ মেইল দৌড়েছে, কিন্তু এখন ও হাল ছেড়ে দেয় নি ।

একটা নতুন ক্যাঙ্গারুর দল, এবার অসমতল মাঠে ।

এটাই ত সে খোজছে ।

পাহাড়ের উপর থেকে তাদেরকে তাড়িয়ে দিয়ে, সে শুধুমাত্র তাদের সাথে লেগে থাকার জন্য সংগ্রাম করছে ।

আর যেহেতু তারা নিচের দিকে ছুটে যাচ্ছে, ক্যাঙ্গারুর গতি বেড়ে যায় ।

তারা সহজেই একে পিছনে ফেলে চলে যেতে পারবে, যদি তারা নিয়ন্ত্রন ঠিক রাখতে পারে ।

ডিঙ্গোটির লেগে থাকার আরেকটি কারন রয়েছে ।

কারন সে মা ।

এটা একটা বিরল দৃশ্য ।

ডিঙ্গোর বাচ্চাদের খুব কম ই দেখতে পাওয়া যায় ।

এত প্রচেষ্টা মাত্র একবারের খাবার এর জন্য ।

এই খোলা সমতল ভূমিতে বাচ্চাদের বড় করা সহজ না ।

এগুলো গঁদের গাছ ।

এদের পাতা অধিকাংশ প্রাণীর জন্য বিষাক্ত ।

কিন্তু কোয়ালার জন্য না ।

তারা প্রায় সব কিছু খেতে পারে ।

এই বনে একিদনা ও আছে ।

...স্তন্যপায়ী প্রাণী যা উদর নেই বরং ডিম দেয় সরিসৃপ এর মত ।

এখানে একটি গুপ্তঘাতক ও আছে, যা কিনা অল্প কিছু দিন আগে আবিষ্কার করা হয়েছে ।

জোটাস, লাফিয়ে চলা মাকড়শা ।

সে মাত্র ৫ মিঃমিঃ লম্বা ।

কিন্তু, তবুও সে নিরব এবং হিংস্র শিকারী ।

সে ঘাসের ডগায় শিকার খোজে বেড়ায় ।

সে এক মনে শিকারে দৃষ্টি নিবব্ধ করে রাখে ।

কিন্তু আজ হয়ত অন্যরকম হবে ।

এটা নতুন কিছু ।

দ্রুত গতি সম্পন্ন কিছু একটা ।

... আর কিছুটা কৌশলিও বটে ।

কিন্তু এটা কি ?

এটা কি খাবার কিছু নাকি?

এটা একটা পুরুষ জোটাস, সঙ্গিনী খুজছে ।

তার এই মেয়েটির মনযোগ আকর্ষন করতে হবে ।

কিন্তু মেয়ে জোটাস জীবনে একবার সঙ্গম করে ।

যদি মেয়েটি এর পূর্বে সঙ্গম করে থাকে তবে সে তাকে মেরে ফেলবে ।

তার মেয়েটিকে যত্ন সহকারে পটাতে হবে ।

তার প্রতি হাত নেড়ে নিজের মতলব পরিষ্কার করে দিচ্ছে ।

সে তার বন্ধু, কোন খাদ্য না ।

এখন পর্যন্ত আক্রমনের কোন লক্ষন নাই ।

কিন্তু তাকে দেখে মনে হচ্ছে না সে অবিভূত হয়েছে ।

এখন সময় হয়েছে তার সবচেয়ে ভাল চাল টা চালার ।

... দুইটা বাহা ।

এটা নিশ্চই কাজে দিবে ।

শেষ একটা ইশারা.........

সে তাকে কাবু করে ফেলেছে ।

সে স্থির থাকবে ঠিক যতক্ষন থাকা যথেষ্ট ।

তারপর সে দ্রুত প্রস্তান করবে, দ্বিতীয় কিছু ভাবার আগেই ।

আপনি যদি আরেকটু সামনের দিকে যান, অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রের দিকে ।

আবার প্রাকৃতিক ভূচিত্র আবার পরিবর্তন হবে ।

গাছ আর ঘাস উদাও হয়ে গেছে ।

প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই এই মহাদেশ উত্তরের দিকে নিক্ষিপ্ত হচ্ছে ।

এটা যত গ্রীষ্মমন্ডল এর দিকে প্রবেশ করবে, ততই গরম থেকে গরম হবে ।

হাজার বছর ধরে কেন্দ্রের এই তৃণভূমি গুলো শুকিয়ে গেছে ।

আর হ্রদ ও নদী গুলো ধুলিকণায় পরিণত হয়েছে ।

পাথর গুলো গরম আর বিনাশকারী বাতাসে বালুতে পরিণত হয়ে আকারে ছোট হয়ে গেছে ।

এখন অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্র এক বিশাল মরুভুমি ।

এর বিশালতা বুঝা প্রায় অসম্ভব ।

উত্তরে ছুটে চলা এই ট্রেন টি আধা মেইল লম্বা ।

প্রায় ৫০ মাইল গতিতে ছুটে চলেছে ।

একদিক থেকে অন্যদিক এ যেতে প্রায় তিন দিন লেগে যায় ।

অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে শুকনো অধ্যুষিত মহাদেশ ।

এর ৭০% জায়গায় প্রায় কখনই বৃষ্টিপাত হয় না ।

মহাকাশ হতে, আইরন অক্সাইড এর কারনে এই মহাদেশ কে দেখতে লাল দাগ যুক্ত মনে হয় ।

ভাঙ্গা পাথর গুলোর মরিচা ।

উপরিভাগে লাইন গুলো হাজার বছর ধরে বয়ে চলা বাতাসে বাঁকা হয়ে গেছে ।

বর্তমান এ মহাদেশের কঙ্কাল সরু ও অনাবৃত ।

More Bengali subtitles for Seven Worlds, One Planet

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left