The first 200 lines.
রোমান যুগে বিকশিত হওয়া "নিরাময় শিল্প", অন্ধকার যুগে ধ্বংস হতে চলেছে।
নেই কোনো চিকিৎসক, কোনো হাসপাতাল, আছে শুধু স্বল্প-জ্ঞান সম্পন্ন ভ্রাম্যমান নাপিত।
একই সময়ে পৃথিবীর অপর প্রান্তে চিকিৎসা বিজ্ঞান ক্রমেই উন্নত হচ্ছে।
Noah Gordon এর উপন্যাস অনুসারে।
The Physician
সামনে, পেছনে, উপরে, নিচে...
...বাম থেমে ডানে নিয়েছি হাজার বছরের অধিক।
কিন্তু সুন্দরী মেয়েদের ভিড়ে তাকানোর মত সৌভাগ্য কোথাও পেলাম না।
তাই এসেছি তোমাদের এই অপরূপ রাফদোভেন্ডারে।
কেন বিশেষভাবে এই জায়গাটাই আমার পছন্দ?
কারণ সবসময় সেরা ডিমটা আমি এখানেই পাড়ি।
ভাই-বোনেরা, ভাঙ্গা হাড্ডি থেকে চোয়ালের পোকায় খাওয়া দাঁত, সবই হচ্ছে অকেজো জিনিস।
পেছনের স্থূল ব্রণ, ফুসফুসে ক্ষতিকর তরল জমার জন্য দায়ী।
খ্রিষ্টীয় রূপকথার সেই শয়তানের তৈরি প্লেগ রোগ আমার কাছে কোনো ব্যাপারই নয়...
রোগটা সারানোর ঔষধ শুধু আমার কাছেই আছে।
রোগটা সারানোর ঔষধ শুধু আমার কাছেই আছে!
ওই! ওই! রুটিটা আমার!
ওই! দিয়ে দে!
- ওই! রুটিটা আমার! - ঔষধ লাগলে যোগাযোগ করবেন।
প্রভু যিশু,
দয়া বর্ষণ করো আমাদের উপর, তোমার অনাথ শিশুদের উপর।
রক্ষা করো প্রিয় রবকে, বড় ছোকরাদের সাথে ঝগড়ার হাত থেকে।
স্যামুয়েলের আঙ্গুল দুর্গন্ধময় বানিয়ে দাও যাতে সে তা আর নাকে না ঢুকায়।
আর আমার ছোট্ট সোনা এনেকে ধৈর্য দান করো যাতে...
প্রার্থনা শেষ করার আগেই সে তার ছোট মুখে বড় রুটির টুকরা না ঢুকিয়ে দেয়!
আমিন।
আমিন।
মা?
কিছু না।
মা?
মা!
খোদা, রক্ষা করো।
মা!
মা।
তাড়াতাড়ি আসুন, মায়ের সাহায্য প্রয়োজন।
ভাগ এখান থেকে! আমি নেই এখানে।
প্লিজ, বার্বার।
'প্লিজ, বার্বার' এর গুষ্টি কিলাই!
গোয়ালঘরে গোবরের মধ্যে আমি ওই নটীর কী সেবা করব?
বাড়ি যা! যদি কাল পর্যন্ত বেঁচে থাকে তাহলে আসিস।
দূর হ আমার মাল-গাড়ি থেকে !
কলুষিত এই হৃদয় আমি পবিত্র তেল দিয়ে পরিষ্কার করেছি।
পিতা, পুত্র...
...এবং পবিত্র আত্মার নামে...
- আমিন। - দ্রুত!
মা, বার্বারকে এনেছি তোমায় সুস্থ করে তোলার জন্য।
সে এখানে কী করছে?
ওকে নিয়ে এসেছ...
তাহলে আসাটা অনর্থক ছিল...
আমার জন্য।
মহিলার এই যন্ত্রণার কোনো ঔষধ না থাকলেও আছে ঈশ্বরের কৃপা।
এছাড়া বাকিসব জাদুবিদ্যার আওতায় পড়বে।
আমিন, ফাদার।
আমার মুখ থেকে কথা বের করে ছাড়লেন।
না, বার্বার। প্লিজ!
গির্জার পাদ্রীর সাথে তর্ক করার মতো এখানে কেউ আছে?
ফাদার... আমি না অবশ্যই।
প্রিয় ঈশ্বর এবং প্রভু যিশু,
আমাদের তিনজনের উপর কৃপা করো।
আমাদের মা'কে ফিরিয়ে দাও।
তোমার থেকেও মা'কে আমাদের বেশি প্রয়োজন।
প্লিজ, প্রভু যিশু।
প্লিজ, ঈশ্বর।
ছোট-টাকে যে নিবে তৈজসপত্র সে-ই পাবে।
ছোট দুইটাকে আমরা নিতে পারব।
এরা ঘোড়শালেও ঘুমোতে পারে।
দুইজনকে নিতে পারলে, তিনজনে সমস্যা কোথায়?
বড়টা এখন যথেষ্ট সাবালক। ওর খাবারের যোগান দেয়া সম্ভব নয়।
কেঁদো না, স্যামুয়েল।
মনে রেখো, মা সবসময় আমাদের সাথে আছে।
আয় আমার সাথে।
আয়! আয়!
রব!
- আয়! আয়! - রব!
পবিত্র তেলের মূল্য হিসেবে এগুলো নিয়ে যাচ্ছি।
আমি যাব কোথায়?
ঈশ্বরের কাছে পথ দেখানোর প্রার্থনা করো।
আমি ঘোড়ার দেখাশোনা করতে পারব।
আমি ঘোড়াদের পোষ মানাতে পারি!
তুই আমার অন্তরে ছুড়ি মেরেছিস, ছিচকে ইঁদুর!
কে ওখানে?
সামনে আয়!
মাথা থেকে মুণ্ডু আলাদা করার আগেই বেরিয়ে আয়!
এখানে আসলি কীভাবে?
আপনার একটা দ্রুতগামী ঘোড়া দরকার।
নাম!
- প্লিজ! শুধু আজকের রাতটা। - না।
তোর নোংরা কাপড় নিয়ে ভাগ এখান থেকে।
- প্লিজ! - না!
তুমি কি মা'কে বাঁচাতে পারতে, বার্বার?
পার্শ্বপীড়ার কোনো ঔষধ নেই।
তোমার মা কি এখনো বেঁচে আছে?
না। আমার জন্মের সময় মারা গেছে।
তোমার পরিবার আছে?
- না। - তো, একা থাকলে কার সাথে কথা বোলো?
জানি না। আমায় একটু ঘুমাতে দে এখন।
মুখটা একটু বন্ধ কর।
প্রভুর সৃষ্ট দুনিয়ার সকল সুন্দর জিনিসই আমি দেখেছি...
...দেখেছি কিছু ভয়ংকর জিনিস যা কেউ জীবনে দেখার চিন্তাও করে না।
এজন্যই আমি তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি।
আমি তোমাদের হাত খুলে, তোমাদের মেরে ফেলতে যাচ্ছি।
আমি শুধু একটা জখম সারিয়েছি।
এখন হয়ত সুন্দরী মেয়েদের ভিড়ে তাকানোর মত সৌভাগ্য পেলাম।
কলুষিত সুরে আর ক্ষয় হবে না কারোর...
...এই সুন্দর এথেলওয়েলারে।
ওহ, ভেঙ্গে গেছে মনে হয়।
টাকা দাও, ঠিক করে দিব।
বাজারে দেখা করো।
এখন হয়ত সুন্দরী মেয়েদের ভিড়ে...
এটা আগেই বলে ফেলেছ!
চুপ কর!
হেই! আমার বাজিকর!
ওকে কুয়োর পাড়ে কুড়িয়ে পেয়েছিলাম!
এই প্রদর্শনীটা বিনামূল্যে!
আর চিকিৎসা-তো প্রায় সবসময়ই বিনামূল্যেই দেই!
কোন জাহান্নামে গিয়েছিলে আবার?
বাড়ি-ঘর দেখতে।
কিডনির এক চামচ ভস্ম খেলে, কিডনির রোগ ধারে কাছেও আসবে না।
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য, হোপি পাখির শুকানো জিহ্বা গলায় ঝুলিয়ে রাখবে।
- আর আসল জিনিস-তো এখনো দেখাইনি... - এগুলো জাদুবিদ্যা!
- পূর্ণিমার রাতে এই ভেষজ আমি নিজ হাতে সংগ্রহ করেছি। - তুই নরকের আগুনে পুড়বি!
এটা তোমাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে সাহায্য করবে।
হোক সেটা তোমার বা তোমার প্রতিবেশীর।
এগুলো কালো যাদু!
চুপ!
আসো এবং সুস্থ হয়ে যাও!
ওই ছোকরা পারবে না?
এখানে কোনো ছোকরা-টোকরা নেই...
আছে শুধু যোগ্য শিক্ষকের অযোগ্য ছাত্র।
আমাকে তোর সহ্য না হলে, তোর ঝাঁটার হাতলও অক্ষত থাকবে, ডাইনি।
এরপর কে?
- শুভ রাত্রি, বাছা। - শুভ রাত্রি।
কেমন ছিল?
ওহ, প্রেমে পড়ে গেছি।
বেশ্যাদের প্রতি তোরও অনুগত থাকা উচিৎ।
প্যারা কম দেয়...
- অন্য-লোকের বউ-বাচ্চার থেকে। - ..বউ-বাচ্চার থেকে।
ওহ, রব।
সাহায্য লাগবে, বুড়ো?
ওহ! বেশি পাকনা হয়ে গেছিস!
এর ভেতরে কী আছে, তা নিয়ে কখনো ভেবেছ?
এর ভেতর।
মাংস, রক্ত, হাড়...
তোর আত্মা, যদি থেকে থাকে।
এর নিচে?
আরও মাংস, আরও রক্ত।
তো, পার্শ্ব-পীড়া কি দূষিত রক্ত থেকেই সৃষ্টি হয়?
এটা আমার পাছা থেকেও সৃষ্টি হলে আমার কিছু যায় আসে না!
সারাতে পারব না, জরিমানা গুণতে পারব না!
ভেতরে কী আছে তা নিয়ে কখনো বিস্মিত হওনি?
কখনো দেখনি?
ব্রেকফাস্টের পর তোকে টুকরো করে দেখবোনে!
না, আমি বলছিলাম মৃত কোনো মানুষ?
এরকম কথা যাতে মুখে কখনো না শুনি।
কখনোই না।
তুই কি জানিস, গির্জার লোকেরা জাদুকরদের সাথে কী করে?
শূলে চড়িয়ে পুড়িয়ে ফেলে।
তাই এসব পার্শ্ব-পীড়ার কথা বলা বন্ধ কর।
এটা তোর মাকে ফেরত এনে দেবে না।
আর একটা শব্দও না।
কখনো না।
মুখ খুলো।
আলো বাড়িয়ে দে।
ওকে চেপে ধর।
জলপাই পর্বতের পবিত্র মাটি...
...তোমার তৃণভূমিতে ঝরুক আর এক ঢোকে গিলতে সাহায্য করুক।
মদ খাওয়ার নিয়ম ভুলে গিয়েছ নাকি?
মনে করিয়ে দিবোনে।
এভাবে, ভায়া।
সেফুদা'র মতো।
দাঁতওয়ালা সেই কৃষকটা...
...মৃত্যু তার দিকে ধেয়ে আসছে।
মৃত্যু আমাদের সকলের দিকে ধেয়ে আসছে, বাছাধন।
না!
আমি অনুভব করেছি।
তুই মৃত্যুকে অনুভব করেছিস?
হ্যাঁ।
সামান্য দাঁত ব্যথা তার মৃত্যুর কারণ হতে পারে না।
আমার ছাত্র নিজেকে ভবিষ্যদ্বক্তা ভাবে!
সত্যি? তো আমার স্বামী কখন যুদ্ধ থেকে ফিরে আসবে?
যুদ্ধ? এত তাড়াতাড়ি না, আশা করি।
এ বছর বাতাবীলেবুর বাম্পার ফলন হবে?
তোমরা এখানে!
খুনি!
আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাও!
সকালে, এই গরীব লোকটা মাঠে কাজ করতে গিয়েছিল।
দুপুরে, সে দাঁত ব্যথার জন্য তোমার কাছে গিয়েছিল।
- সন্ধ্যায়, সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। - ঠিক।
ভাগ।
- তোমরা তাকে কালো জাদু দিয়ে বশীভূত করেছ। - ভাগ।
তোমরা চার্চ আর প্রভুর বিরুদ্ধে গিয়েছ!
তুই আমার বোনের স্বামীকে কেড়ে নিয়েছিস।
তোর বোন তোর মতো বিচ্ছিরি হলে লোকটা আগেই ছেড়ে চলে যেত।
ধরো ওকে!
মনে হচ্ছে তুমি আরও শ'খানেক বছর বেঁচে থাকবে।
আমি তোকে ভাগতে বলেছিলাম।
আগামীকাল থেকে কাজ শুরু করব।
তারপর?
তারা চিকিৎসা নিতে আসবে, আমরা অনাহারে মারা যাওয়ার আগেই।
তোর যাওয়া উচিৎ।
No comments yet. Be the first to leave one.