The first 200 lines.
বহু আগের বহুদূরের এক গ্যালাক্সির ঘটনা
মৃতের মুখে ভাষা ফুটেছে! গ্যালাক্সির কাছে এসেছে এক রহস্যময় বার্তা,
এতদিন যাকে মৃত মনে করা হত, সেই এমপেরর প্যালপ্যাটিন তার পৈশাচিক কণ্ঠে প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে।
জেনারেল লেইয়া অরগানা গোপনে এজেন্টদের দিয়ে তদন্ত করাচ্ছেন। এদিকে জেডাইদের শেষ ভরসা, রে, শয়তান ফার্স্ট অর্ডারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাবার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।
এদিকে সুপ্রিম লিডার কাইলো রেন, এমপেররের প্রেতাত্মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। তার ক্ষমতার পথে আসা সকল বাধাই নির্মমভাবে ধ্বংস করবে ও.........
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
6 বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
অবশেষে।
স্নোক তোমাকে ভালোই প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
আমি স্নোককে খুন করেছি।
আমি তোমাকেও খুন করব।
বৎস।
স্নোক আমার হাতেই গড়া।
তোমার মগজে ...
যেসব কণ্ঠ ধ্বনিত হয়েছে...
তার সবই আমার সৃষ্টি।
ফার্স্ট অর্ডার তো কেবল শুরু।
আমি তোমাকে আরো অনেক কিছু দেবো।
তুমি তার আগেই মরবে।
আমি এর আগেও মরেছি।
ফোর্সের ডার্ক সাইড হলো ...
বিভিন্ন অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা অর্জনের..
এক দারুণ উপায়।
তুমি আমাকে কী দিতে পারবে?
সবকিছু দিতে পারবো।
একটা নতুন এম্পায়ার।
ফাইনাল অর্ডার শীঘ্রই তার ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।
আমার কথামতো চললে তুমিই হবে এসবকিছুর মালিক।
মেয়েটাকে মেরে ফেলো!
জেডাইদের শেষ করে দাও...
তোমার নানা, ডার্থ ভেডার যা হতে পারেনি, তাই হয়ে দেখাও।
তুমি পুরো গ্যালাক্সি শাসন করতে পারবে...
নতুন এমপেরর হিসেবে।
কিন্তু সাবধান...
ওকে তুমি যা ভাবছ, ও কিন্তু তা না।
ও কে?
চালটা কি দেবে?
- ও প্রত্যেকবারই আমাদের হারাতে পারবে না। - পারে দেখা যাচ্ছে।
ও একাজটা কীভাবে করে?
এই লোক? কারণ ও চিট করে।
মজা করছিলাম!
- এমন কোরো না, তোমার পালা। - তোমার বয়স ২৫০ বছর।
এতক্ষণ সময় নিচ্ছ কেন, এটাও চিটিং।
তুমি তো আমাদের চেয়ে ভালো খেলবেই।
সেজন্যই আমরা ভাবছি যে তুমি চিট করছ।
- চিন্তা কোরো না! - আমরা এটাকে বন্ধ করব না।
- ও চিট করছে। - তা তো বটেই।
ক্লড, আশা করি পাওয়ারের সমস্যাটা সারিয়ে ফেলেছ।
আর পাঁচ মিনিট।
আর টু।
বুলিও, তোমাকে দেখে ভালো লাগলো। কিছু এনেছ আমাদের জন্য?
নতুন এক মিত্র জুটেছে! ফার্স্ট অর্ডারের একজন স্পাই!
স্পাই? কে?
জানি না!
মেসেজটা পাঠাও! এটা লেইয়ার কাছে নিয়ে যাও, জলদি!
ব্যাপারটা সাংঘাতিক কিছু হতে পারে, আরটু।
টার্গেটে তাক করেছি।
ফিন, আমরা কাবাব হয়ে যাবো!
প্রায় হয়ে গেছে!
পো, পাঠিয়েছি।
কী বলে যে ধন্যবাদ দেবো!
যুদ্ধটা জেতো তাহলেই চলবে!
দুঃখিত! আমি জানি তো!
ফিন, এই আপদগুলোকে দূর করার কথা ছিল তোমার!
- একটাকে লাগিয়েছি! - আর কয়টা বাকি?
অনেকগুলো।
কী?
ভালো বুদ্ধি, চিউয়ি।
ফিন, আমরা এই টাইফাইটারগুলোকে পাথর মারতে পারি!
আমি ঠিক সেটাই ভাবছিলাম।
আমাদের বেজে ফিরিয়ে নিয়ে যাও!
বরফের দেয়ালটা কত পুরু বলে মনে হয়?
- পো! - জানি, জানি!
কী করছ?
লাইটস্পিডে যাচ্ছি।
সেটা করা শিখলে কীভাবে?
রে তো এখানে নেই, তাই না?
হয়তো এই আমাদের জীবনের শেষ জাম্প।
ধরে বসো!
আমার সাথে থাকো।
আমার সাথে থাকো।
আমার সাথে থাকো।
ওরা আমার সাথে নেই। অসহ্য!
রে।
ধৈর্য ধরো।
আমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে...
এখানে আগে যেসব জেডাই এসেছেন, তাদের কণ্ঠ শোনাটা অসম্ভব।
কোনো কিছুই অসম্ভব না।
কোনো কিছুই অসম্ভব না।
আমি এখন ট্রেনিং কোর্সটা চালাবো।
না!
আমার সাথে যোগ দাও।
আমার সাথে যোগ দাও।
বেন, না!
তুমি ওকে মেরে ফেলছ!
বেন!
বিবি-এইট, আমি খুবই দুঃখিত।
আমি ট্রেনিং কোর্স শেষ করতে পারিনি।
মনোযোগ হারিয়ে ফেলেছিলাম।
নিজেকে কেমন যেন হারিয়ে ফেলেছি।
জানি ব্যাপারটা কেমন দেখাচ্ছে...
মনে হতে পারে যে আমি কেবল অজুহাত দেখাচ্ছি।
ব্যাপারটা কেমন দেখাচ্ছে, তা আমাকে বলালাগবে না।
শুধু বলো যে ব্যাপারটা আসলে কী?
আসলে আমি খুব ক্লান্ত মনে হয়।
জেনারেল...
মিলেনিয়াম ফ্যালকন এখনো ফেরেনি।
কমান্ডার নির্দেশনা চাচ্ছেন।
আমি একদিন আপনার ভাইয়ের স্যাবারটা...
অর্জন করেই ছাড়বো।
না, তুমি এটা আমার হয়ে করতে পারো না।
ড্রয়েডদের কখনো খাটো চোখে দেখবে না।
জ্বি আচ্ছা, মাস্টার।
রে!
ফ্যালকন ফিরেছে!
জলদি এসো!
আগুন নেভানোর ক্রু লাগবে!
আরেকটা আছে পেছনে! যাও, যাও!
আসছে!
এটায় আগুন ধরেছে!
পুরো জিনিসটাতেই আগুন ধরে গেছে।
- এটায় আগুন ধরেছে। - হেই।
- হেই! - ফার্স্ট অর্ডারে একটা স্পাই আছে?
তুমি থাকলে অনেক ভালো হত।
কী কী হলো?
অবস্থা খুবই খারাপ আসলে।
- হানের শিপ... - ড্রয়েডটাকে কী করেছ তুমি?
ফ্যালকনটাকে কী করেছ তুমি?
ফ্যালকন ওর থেকে অনেক ভালো অবস্থায় আছে।
বিবি-এইটের গায়ে তো আর আগুন ধরে যায়নি।
ওর যেটুকু আস্ত আছে, তাতে আর আগুন ধরার জায়গা কই?
- কী হয়েছে বলো। - তুমি আগে বলো।
- তুমি জানো তুমি কী? - কী?
অসহ্য। একদম অসহ্য।
- তুমি একটা অসহ্য লোক। - তুমি, তুমি হলে...
- রে। - ফিন। ওহ।
তুমি বেঁচে ফিরেছ।
হ্যাঁ, কোনোমতে।
- তো, মন খারাপ? - আমার?
- ওর। - সে তো সবসময়েই থাকে।
ফার্স্ট অর্ডারে আমাদের একটা স্পাই আছে নাকি?
আসলে...
তুমি লাইটস্পিডে চালিয়ে এসেছ?
সেজন্যই তো বেঁচে ফিরতে পারলাম, তাই না?
পো, কম্প্রেসরটা নষ্ট ছিল।
- জানি, আমি ছিলাম ওখানে। - প্রত্যেকটা বার।
ফ্যালকনকে লাইটস্পিডে চালানো যাবে না।
যাবে দেখা যাচ্ছে।
আচ্ছা শোনো, আমরা মাত্রই তো আসলাম, তাই না?
কী হয়েছে?
খারাপ খবর, আর কি।
কোনো স্পাই নেই?
না, স্পাই।
স্পাইয়ের সাথে যোগাযোগ আছে নাকি নেই?
ফার্স্ট অর্ডারের ভেতরের লোক
আমাদের একটা মেসেজ পাঠিয়েছে।
তুমি ওর ওপরে একটা গাছ ফেলে দিয়েছ?
তুমি দুইটা সাব-অল্টারনেটরই ফাটিয়ে ফেলেছ?
দ্যাখো...
তোমার হয়তো ওখানে আমাদের সাথে থাকা উচিত ছিল!
তুমি ভালোই জানো যে আমি ওখানে যেতে চেয়েছিলাম।
হ্যাঁ, কিন্তু যাওনি তো।
এখানে বসে বসে ট্রেনিং করছ। কীসের জন্য?
তুমি হলে আমাদের সেরা ফাইটার।
আমাদের তোমাকে দরকার।
যুদ্ধক্ষেত্রে, এখানে না।
জুনিয়র...
আরটুকে রিকন্ডিশনিং করাতে নিয়ে যাও।
ব্যাপারটা সত্যি।
মেসেজটা কী?
স্পাইটার মেসেজের অর্থ উদ্ধার করে দেখলাম...
যা আশঙ্কা করেছিলাম, তাই সত্যি হতে চলেছে।
কোনোভাবে, প্যালপ্যাটিন আবার ফিরে এসেছে।
এক মিনিট, আমরা কি এটাকে বিশ্বাস করতে পারি?
এ তো অসম্ভব।
এম্পেরর তো মৃত।
বিজ্ঞানের অন্ধকার অধ্যায়। ক্লোনিং।
এসব গোপন তথ্য কেবল সিথেরা জানে।
সে প্রতিশোধ নেবার পরিকল্পনা করছে।
তার অনুসারীরা বহুদিন ধরে কিছু একটা গড়ে তুলছে।
তারা যুদ্ধবিমানের এত বড় একটা বহর গড়ে তুলছে, যা এ গ্যালাক্সি আগে কখনো দেখেনি।
সে এর নাম দিয়েছে 'ফাইনাল অর্ডার'।
১৬ ঘন্টার মধ্যে পুরো বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ওপরে আক্রমণ শুরু হবে।
এম্পেরর তার দলবল নিয়ে এক অজ্ঞাত অঞ্চলে লুকিয়ে আছে।
সেই জগতের নাম এক্সেগল।
কোনো স্টার চার্টে এক্সেগলের নাম লেখা নেই।
কিন্তু কিংবদন্তীতে একে সিথদের গুপ্ত জগত বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
মৃত্যকে ফাঁকি দেবার জন্য প্যালপেটিনের যে আকাঙ্খা, তা নিয়ে সবসময়েই ফিসফাস চলত।
তারমানে এতদিন ধরে প্যালপেটিন বেঁচে ছিল।
সুতোর নাটাই ধরে সবাইকে নাচাচ্ছিল।
সেই শুরু থেকেই সে ছায়ার মধ্যে লুকিয়ে ছিল।
ওকে থামাতে চাইলে প্রথমে ওকে খুঁজে বের করতে হবে।
এক্সেগলকে খুঁজে বের করতে হবে।
জেনারেল?
আপনার সাথে কথা বলতে পারি?
আমি এক্সেগলে যাবার রাস্তা জানি।
- বলো। - লিউক একে খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন।
বহুদিন ধরে। খুঁজে পেয়েও গিয়েছিলেন প্রায়।
এখানে বিভিন্ন ধাঁধা আছে, এগুলো আমার আওতার বাইরে।
কিন্তু উনি বলেছিলেন ওখানে যেতে চাইলে এরকম একটা কিছু লাগবে।
No comments yet. Be the first to leave one.