The first 200 lines.
ELA VEEZHA POONCHIRA
একটা বাস ছাড়তেছে। দাঁড়া, দেখি এটা ইলাপ্পাড়া যাচ্ছে কিনা!
ইলাপ্পাড়া!
সেখানে গিয়ে আইসক্রিম কিনে দেবো।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ- মোঃ হাবিবুল্লাহ কায়সার
টিকিট?!
টিকিট!
টিকিট নিয়েছেন?
মায়াপুরি!
এই নিন।
টিকিটটা ধরুন।
এটা সরিয়ে রাখুন।
আপনার বাকি টাকাটা!
আপনার বাকি টাকাটা নিন।
থামান! আমি নামবো।
সোনা, নামো।
- আম্মু, আমার বিস্কুট! - ছাড়ো, আমরা নতুন আরেক প্যাকেট কিনে নেবো।
জলদি।
দয়া করে দরজা বন্ধ করে যাবেন।
তাড়াহুড়ো করো না। সাবধানে নামো।
এই সুপারিটা বেশ শক্ত দেখছি!
ভাই...
দেড় কেজি চাল, একটা নারকেল...
নারকেল তেলের ছোট প্যাকেট...
৫০০ গ্রাম পেঁয়াজ, ১০০ গ্রাম কাঁচা লঙ্কা...
একটা মাংশের মশলাও দিও...
- কেউ আজ পাহাড়ে উঠেছে? - না!
দাঁড়াও! দাঁড়াও!
সকালের পর এখানে কখন এসেছিলে?
আসতে আসতে প্রায় সন্ধ্যে হয়ে গিয়েছিল।
আচ্ছা চলো।
বলো, মামণি।
ব্যাস! এটুকুই? আমি ভয় পেয়ে গেছিলাম।
মনে হচ্ছে যেন তুমি প্রথম মহিলা যে এখানে কাজ করতে এসেছে!
হ্যাঁ, এটা সত্যি আমি বলেছিলাম আসবো।
কিন্তু আমি যাবো না কেন, মামণি?
রাস্তাটা গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে।
কি?
আরে, চিন্তা করো না। তুমি হাসপাতালে আছো।
আমি পাশেই আছি। ভরসা রাখো, সোনা।
আমি সন্ধ্যায় আসছি।
দেখে চালাতে পারিস না!
এক্ষুণি তো আমার কোমর ভেঙে দিচ্ছিলি!
চন্দ্রাণ...
যদি আমি এই ফোনটা না ধরতাম তাহলে আমার কোমরটাও ভেঙে যেতো, ভাই।
এখনো গাড়ি চালানো শিখিস নি?
- এক্ষুণি বুঝে যাবি। - তুইও।
আমি দেখি নি, ভাই। আমি হাসপাতালে ছিলাম।
তোর পা সরা।
আচ্ছা, তুমি ওইখান থেকে চলে আসতে পারো। আমি পৌঁছে গিয়েছি।
কোন বোকাচোদা এখন ফোন দিচ্ছে?
পাপ্পান, তোর পা সরিয়ে রাখ।
স্যার, গতকাল মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল।
তাছাড়াও, অনেক বজ্রপাত ও ভূমিধস হয়েছিল।
অনেকগুলো গাছ উপড়ে গিয়েছে।
স্যার, এই বনের রাস্তাটা দিয়ে চলে যান।
আচ্ছা? বিনা কারণে লম্বা রাস্তা কেন নেবো?
এই রাস্তাটা গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে।
স্যার, তারা আমাকে পাহাড়ের উপর থেকে ফোন করেছিল।
আমি আসার সময় পানি নিয়ে আসবো।
আচ্ছা।
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে সাবসিনে 'গুড রেটিং' এবং ফিডব্যাক জানিয়ে উৎসাহিত করবেন। ধন্যবাদ!❤️
আমি কাল রাতে একবারও চোখের পাতা বুজতে পারি নি।
ওই বালের কুত্তা গুলো সারাক্ষণ ঘ্যানঘ্যান করছে।
তোমার পায়ে জোঁক লেগে আছে।
- ধ্যাত! - আমি ধরলাম।
১০ মি.লি থেকে উন্নতি হয়েছে?
অনেক কড়া। একটু পানি মিশিয়ে দে তো।
উপরে কে আছে?
জনাব. নিরামিষ,
এটা গরুর মাংশ?
খেয়েও কোন কাজ হলো না।
কয়েকদিন আগে বাজার থেকে আনা মাছটা এখনো ফ্রিজে পড়ে আছে।
সে আমাকে স্পর্শও করতে দেয় নি।
আমি যাচ্ছি।
জিপ এখানে আসবে না?
সাজির সাথে কথা হয়েছে।
সাবধান! শুকুনটা যেখানে উড়ছে সেখানে রক্তের ছাপ পড়ে আছে।
এখানে কোন জন্তু ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ধুর!
আরেক পেগ বানা।
এত ভদ্র সাজিস না।
এটা পানি ছাড়াই খেয়ে নেবো।
কি সুন্দর জীবন!
কি সুন্দর জায়গা! আগে কেন দেখি নি!
সোনা, রাগ করো না।
সে ফিরলেই আমি চলে আসবো।
বিয়ে তো আগামীকাল, তাই না?
আমি সেখানে সকাল হলেই পৌঁছে যাবো। - পিংকি...
না, দেরি হবে না।
অবশ্যই!
মধু, স্যার!
আসুন...
আরে আসুন...
সে কখন পৌঁছাবে?
দেরি করে ফেলেছে এমনিতেও।
আমার স্ত্রী'কে এসব অজুহাত দিয়ে কোন লাভ নেই।
আমাকে আগামীকাল একটা বিয়েতে যেতে হবে।
- সে আসবে তো? - চলে আসবে।
আমি দুপুর আর রাতের খাবার বানিয়ে রেখেছি।
নিরামিষ!
আপনার চোখে কি হয়েছে?
কিছু একটা পড়েছিল।
টু থ্রি ডেল্টা ফোর!
শুনছি, স্যার! ওভার!
এই কর্মকান্ডটা যেন রেকর্ড হয়।
এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক অফিসার যেন উপস্থিত থাকে।
মহিলা অফিসারদেরও জানিয়ে দাও।
অফিসারদের সাধারণ পোশাকে আসতে বলো।
এই ঘটনাটা যতটা পারো রেকর্ড কর।
কয়েকজন অফিসারকে বলো তাদের ফোনের ক্যামেরা দিয়ে দৃশ্যটা রেকর্ড করতে।
আমাদের জানতেই হবে কারা এই কাজে যুক্ত!
ভবিষ্যতে কোন মামলা আসলে এটা কাজে দেবে।
তাই যতটা পারো রেকর্ড করো।
সবাইকে হেলমেট আর ঢাল নিয়ে আসতে হবে।
শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে উপস্থিত থাকতে হবে।
প্রধান অতিথি চলে আসলে অফিসারদের অনুমতি নিয়ে চলে যাওয়ার সুযোগ আছে।
এমনটা যেন ভেবো না। আমি চেক করতে আসবো।
যারা থাকবে না তাদের রিপোর্ট করতে হবে।
তাই সবাইকে উপস্থিত থাকা লাগবে।
আমি না বলা পর্যন্ত কেউ নড়বে না।
স্যার, বুঝতে পেরেছি। ক্লিয়ার।
- চা খাবে? - না, ধন্যবাদ!
পঞ্চিরা কন্ট্রোল...
পুনঃজবাব, ওভার।
মুন্ডাকায়াম, সেটটি পরিষ্কার নয়। আবার বলো।
বার্তাটি বুঝতে পেরেছি, ক্লিয়ার।
মুন্ডাকায়াম আবার বলো... মুন্ডাকায়াম আবার বলো...
মুন্ডাকায়াম জবাব দিচ্ছে, ওভার!
শুনতে পাচ্ছেন? ওভার!
মুন্ডাকায়াম শুনতে পাচ্ছে... মুন্ডাকায়াম শুনতে পাচ্ছে...
হ্যান্ডসেটটি সচল আছে। ওভার।
খেতেও দেবে না! বাল যত্তসব!!
আমার ক্ষুধা লাগে নি।
আয় আয়।
স্যার...
স্যার, আপনার চা'টা...
লাগবে না। সকালেই খেয়েছি।
শুধু বজ্রপাত না সাপের থেকেও সাবধান থাকতে হবে আমাদের।
আমি সারারাত ধরে শুধু অ্যান্টেনা ঠিক করেছি।
সকালে আবার চেক করতে গিয়ে প্রায় একটা সাপের উপর পা দিয়ে ফেলছিলাম।
মা, সাবধানে আসো!
এই পুলিশের এলাকা। আপনি এখানে ঢুকতে পারেন না।
স্যার, আমার বাবা এখানে কাজ করতেন।
আমার মা একটাবার এই জায়গাটা দেখতে চান।
আমরা দেখে এক্ষুণি চলে যাবো।
আমি আমার চাবিটা হারিয়ে ফেলেছি। যাই আশেপাশে খুঁজে দেখি।
বাছা, এদিকে দেখ।
এখানে কি ঝড়ো বাতাস!
- ভেতরে যান! - কি?!
- বৃষ্টি আসবে। - আমার ভাই নিচে গিয়েছে।
আমি তাকে ডাকতে আনছি। আপাতত ভিতরে যান।
আপা, ভিতরে গিয়ে বসুন।
মা, সাবধানে।
স্যার...
ওই চেয়ারে বসেন।
কি হলো?
কি হয়েছে, বাছা?
বৃষ্টি আসবে।
আপনার স্বামী এখানে কবে কাজ করতেন?
প্রায় ২৫ বছর আগে।
আমাদের বিয়ের আগে।
প্রায়ই এই জায়গার এবং এখানকার আবহাওয়া সম্পর্কে বলতেন।
তিনি ফিরে আসতে চেয়েছিলেন।
-ফোন... -এখানে কোনো নেটওয়ার্ক নেই।
এটা স্পর্শ করবেন না।
জোমনকে কল করে শোন তো কোথায় রয়েছে!
উঠবেন না।
ওখানে বসো।
ওখানে বসো।
প্লিজ বসো বোন।
-ওখানে বসো! -আমার ছেলে...
বাছা...
আপা!
ওইখানেই থাকুন।
আপা, ভিতরেই থাকুন।
জোমন...
আপা, এখানেই থাকুন। ওইদিকে তাকাবেন না।
কিছু হয় নি।
কিছুই হয় নি।
কিছু হয় নি।
মেলুকাভু...
মেলুকাভু পিএস, পঞ্চিরা...
মেলুকাভু উত্তর দিচ্ছেন, স্যার। ওভার!
স্যার,এখানে একটা ছেলে বজ্রপাতে মারা গিয়েছে।
ওভার!
-প্রভু স্যার... -হ্যাঁ?
আপনি যদি কাল রেশনের তালিকা পাঠান তাহলে তালিকায় দুইটা সিগারেটের প্যাকেট লিখুন।
বিকেলে তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছি।
কআপনি তো দেখলেনই না।
কন্ট্রোল ওয়ান থ্রি কলিং।
কন্ট্রোল জবাব দিচ্ছে।
স্যার, কথা শোনা যায়?
কথা শোনা যাচ্ছে। কোন সমস্যা নেই।
মধু স্যার...
মধু স্যার...
মধু স্যার...
আমি চলে যাচ্ছি।
উনাকে বাতাসের উঠানামা সম্পর্কে জানিয়ে দিয়েন।
সেটটি ঠিক করতে মন দাও।
No comments yet. Be the first to leave one.