The first 152 lines.
আমিও ইমপ্ল্যান্ট লাগিয়ে ফেলতে চাই।
ভাগ এখান থেকে।
আমি আমার দাম বলেছি। বেচতে চাইলে বেচ।
আমি বেচতে আসিনি।
মালটা লাগিয়ে নিতে এসেছি।
শোন, ডেভি।
জিনিসটা মিলিটারিদের জন্য বানানো।
সেটা সামলানোর মতো গায়ের গড়ন থাকা চাই।
আর, তেমন গায়ের গড়ন তোর নেই, চাঁদু।
ভাবাখানা এমন যেন, খদ্দেরদের কথা কত ভাবো তুমি।
হ্যাঁহ্! সত্যিটা হলো, আমার খরচের ধাক্কা সামালানোর সাধ্য তোর নেই।
আরে, দাঁড়া, দাঁড়া।
যাহ্, বাল। মানলাম তোর কথা।
তোকে ইমপ্ল্যান্টটা লাগিয়ে দেবো আমি।
কিন্তু, যখন ঘিলু ভাজভাজা হওয়ার ঠেলায়, কাঁদতে কাঁদতে...
ওটা খুলে নেওয়ার জন্য আমার কাছে ছুটে আসবি, ওটা আমার।
তাহলে, তৈরি তো?
আলোচনার সময়,
ই.ইউ’য়ের শুল্কনীতি থেকে প্রাপ্ত উপাত্তের ভিত্তিতে, ল্যাভাব্রে আরাসাকাকে চাপ প্রদান করে।
ডেভিড মার্টিনেজ, আপনি ক্লাসে আসতে দেরি করে ফেলেছেন।
দেখ একবার। এতোকিছুর পরেও এ নিজের মুখ দেখায় কী করে?
এ কি আসলেই...
স্কুলে তুই এসব করতে পারিস না, মার্টিনেজ!
চারিদিকে ক্যামেরা লাগানো। তোর কি মাথা খারাপ...
কী? ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় হচ্ছে?
আমার তো একবিন্দুও ভয় হচ্ছে না। ওঠ, আয়।
তো?
শালা। কী করলি তুই?!
ওটা আবার কেমন ইমপ্ল্যান্ট? আমার নাক ভেঙ্গে দিয়েছিস তুই, বাঞ্চোদ!
তুই শেষ! জানিস আমার বাবা কে?
আরাসাকা অ্যাকাডেমি বোর্ডের একজন কর্মকতা! বাঁচতে পারবি না তুই!
এক চুটকিতে তোকে অ্যাকাডেমি থেকে বের করে দিতে পারি আমি, হারামজাদা!
তাতে আমার বাল ছেঁড়া গেল।
এ কি আসলেই...
তুই শেষ! জানিস আমার বাবা কে? আরাসাকা অ্যাকাডেমি বোর্ডের একজন কর্মকতা!
বাঁচতে পারবি না তুই!
মার্কাস,
নিজ সহপাঠীর হাতে আমার ছেলের মার খাওয়ার ফুটেজ, আমাকে দেখানো হচ্ছে কেন?
ছেলেটার নাম ডেভিড মার্টিনেজ। বয়স ১৭।
স্যান্টো ডমিঙ্গোতে থাকে।
ছাত্র হিসেবে তুখোড়।
সম্প্রতি পাইরেটেড আপডেটের কারণে অ্যাকাডেমির
ডেটা এবং হার্ডওয়্যার নষ্ট হওয়ার জন্য সে-ই দায়ী।
বাবা নেই। সম্প্রতি এক সড়ক দূর্ঘটনায় মাকে হারিয়েছে।
অ্যাকাডেমির কাছে তার বড় অঙ্কের দেনা রয়েছে।
তা জেনে আমার কাজ কী?
তার চলার ধরণটা দেখুন, স্যার।
মৃত্যুর সময়, সাবেক লেফটেন্যান্ট জেমস নরিসের পিঠে লাগানো...
স্যান্ডেভিস্টানটাই যে সে ব্যবহার করেছে, এটা কিন্তু স্পষ্ট।
বুঝলাম। সেটাকে সাইবারসাইকো দূর্ঘটনা হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছিল।
জি, স্যার। কিন্তু, এই ছেলের মধ্যে...
ইমপ্ল্যান্টের কারণে, জেমস নরিসের মতো কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়নি।
সাইবারযন্ত্রের প্রতি তার এই সহনশক্তির দরুন,
পণ্যটি পরীক্ষা করে দেখার জন্য, সে-ই উপযুক্ত প্রার্থী বলে আমার বিশ্বাস।
হুম। সে এখন কোথায়?
- তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। - আবার ডেকে আনো।
অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানের লোভ দেখাও।
জি, স্যার। আর আপনার ছেলের ব্যাপারটা?
আমার উত্তরসূরি হিসেবে, কোনটা কোম্পানির জন্য লাভজনক...
সেটা তার বুঝতে শেখার সময় হয়েছে।
মিস্টার মার্টিনেজ,
আপনার বহিষ্কারাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
কিন্তু, মিস্টার তানাকার বাবা-মা আমাদের অনুরোধ...
দিনকাল বড্ড খারাপ যাচ্ছে।
ধোয়া সম্পন্ন হয়েছে।
কী খবর?
হুম?
এদিকে এসো।
- ব্যাপারটা কী তোমার? - কী? কিসের ব্যাপার?
কী চাও তুমি? আমার কাজে ঝামেলা পাকাচ্ছ কেন?
কাজ, হ্যাঁহ্? তোমাকে তো সকেটমার ছাড়া আর কিছু মনে হচ্ছেনা।
তো? জেলে পুরবে নাকি আমায়?
হায়রে ছিঁচকে চোর কোথাকার।
হুম...
- তোমাকে চিনি নাকি আমি? - না, আহ...
না। মনে তো হয়না।
আহ! আরে, আরে, এবার তোমাকে হাতে পেয়েছি।
স্যান্ডেভিস্টার? বাপরে। এটা কোথায় পেয়েছ, বলবে না আমায়?
যাকগে। এতোসব জেনে আমার কাজ নেই।
মাথায় একটা দারুণ বুদ্ধি এসেছে। একসাথে কাজ করবে?
কী কাজ? চুরি?
শুধু আরাসাকার কামলাদের পকেট সাফ করলে সেটাকে চুরি বলবে?
আমাকে কি দেখে ওদের মতো মনে হয়?
স্ক্যানারে আরাসাকা অ্যাকাডেমির আইডি ধরা পড়েছিল বটে।
কিন্তু, তোমার কথা ঠিক। তোমাকে দেখে ওদের মতো মনে হয়না, সত্যি।
আমি... স্কুল ছেড়ে দিয়েছি।
আহ! কী দুষ্টু ছেলে।
কেবল আরাসাকাদেরই শিকার করা তোমার কাজ?
কেন? তুমিও করবে নাকি?
জানতে পারলে, তোমার আম্মু বেচারা খুব কষ্ট পাবে কিন্তু।
শোনো। উপদেশ নাম্বার এক।
বাছবিচার কম হবে, সতকর্তা বেশি।
হ্যা, হ্যাঁ। তা আমার হিস্যাটা কত, শুনি?
সব লুট ৮০-২০ অংশে ভাগ হবে।
কী? আশ্চর্য। খাটাবে সমান তালে, আর কপালে জুটবে কানাকড়ি?
চুরি করা চিপগুলো তো আমাকেই বেচতে হবে।
তার উপর, নতুন শিষ্যের দেখভালও তো করতে হবে।
শিষ্য? হায়রে।
টাকা-পয়সার খুব টানাটানি চলছে। ৬০-৪০ অংশে ভাগ করাটা যৌক্তিক হয় না?
৭০-৩০।
কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে টাকা পাবে। এবার মনে হয় যৌক্তিক হয়েছে ।
- বেশ। চলবে। - এই কথাই রইল।
আমি লুসি।
বান্দার নাম ডেভিড।
শুনতে পাচ্ছ ঠিকঠাক?
পানির মতো পরিষ্কার।
আমিও। টার্গেট কোনটা?
ঠিক ডানে। ঘুরে তাকাবে না।
পেয়েছি।
শুরু করছি।
আচ্ছা। তুমি তৈরি তো?
তিন, দুই, এক... খেলা শুরু।
পানির মতো সোজা!
হয়েছে, হয়েছে। আসল খেলা এখনো বাকি।
দারুণ!
তিনটা গপ্পোবাজ আন্টিকে দেখেছ? যাও!
তারপর ব্রেইনড্যান্সে মত্ত লোক দুটো।
সোজা।
চ্যালেঞ্জিং কিছু বলো।
বেশ, বেশ। বড় মাছ, বড় লুট সব আসছে।
দারুণ...
দেখে তো আমলা মনে হচ্ছে না।
না। ভাড়াটে গুন্ডা। তৈরি?
- তিন, দুই, এক... - থামো।
দারুণ, দারুণ। এই ট্রেন তো সাফ হয়ে গেল।
পরের স্টেশনে আমরাও উধাও।
ঠিক আছে।
- তবে, কেমন দিলাম? - ২০% হিস্যা জলে যায়নি, বলতেই হচ্ছে।
এই! ৩০ এর কথা ছিল!
মজা করছি।
- আরো হবে নাকি? অন্য ট্রেনে। - অন্য কোনো লাইনে হয়তো?
এরমধ্যেই হয়তো কেউ পুলিশদের খবর দিয়ে ফেলেছে।
কোনো জায়গায় যত কম সময় থাকা যাবে, ততই...
অবস্থা খুব খারাপ নাকি?
লাইনে নতুন হলে যা হয়।
ইমপ্ল্যান্ট লাগানোর পর থেকে, কোনো সাবধানতা মেনে চলেনি।
কোন ইমিউনোব্লকার নিচ্ছে ও?
এর ইন্স্যুরেন্স করা আছে তো?
কে জানে। দেখে অবশ্য সেরকম মনে হয়না।
পরিবারের কেউ আছে? কোনো অভিভাবক, যাকে কল করা যাবে?
জানিনা। বাবা-মা আছে হয়তো।
আরাসাকা অ্যাকাডেমিতে পড়ত।
আরাসাকা? তবে তো যথেষ্ট অবস্থাসম্পন্নই...
আচ্ছা। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করো।
জেগেছ? কেমন লাগছে এখন?
বমি হবে মনে হচ্ছে।
কোন ওষুধ নিতে, মনে আছে?
- ওষুধ? - কী?
ভাইরে ভাই! তুমি তো আস্ত সাইকো।
আরে, আমরা তো হাসপাতাল পেরিয়ে এলাম...
বাহ্।
শোন, চাঁদু। এই ছোকরার লাগানো ইমপ্ল্যান্টটা বেচলে, বেশ ভালো দাম পাওয়া যাবে।
No comments yet. Be the first to leave one.