Godzilla Minus One

Godzilla Minus One (ゴジラ-1.0)

Download Bengali Subtitle

Release info

Godzilla Minus One 2023 BluRay BanglasubtitlebyAktarHossain
A Commentary by AktarHossain

Tags

BluRay
Published on: 2024-05-01
Downloads: 1510
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

১৯৪৫ সাল, ওদো দ্বীপের বিমানঘাঁটি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিনগুলি

- এইজিরো! - জি।

- ইঞ্জিন স্বাভাবিক। - রজার।

- তেল ভর্তি করা হয়েছে। - রজার।

এনসিং শিকিশিমা?

সুকুবা'র নৌ এয়ার কর্পসের, তাচিবানা। মনে আছে?

অবশ্যই, আমি আপনার কাছে বেশ ঋণী।

ওরকম একটা ভাঙারি নিয়ে তোমায় এরকম ছোট্ট জায়গায়....

অবতরণ করতে দেখে আমি আবির্ভূত।

এখনো তোমার নিপুণতা আগের মতোই রয়েছে।

হ্যাঁ, কৃত্রিম সম্মুখ লড়াইয়ে। তবে হঠাৎই আমি একজন আসল কামিকাজি পাইলট।

তাহলে নীচে থাকায় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো।

কিন্তু এটা অদ্ভুত...

আমরা তোমার রিগ পরীক্ষা করে কোনো সমস্যাই পাইনি।

কী বলতে চাইছেন?

আমি তোমার পক্ষেই, তোমার মতো আরো লোকের প্রয়োজন আমাদের।

কেন আদেশ মেনে 'সন্মানের সহিত মৃত্যুবরণ' করবো, যেখানে ফলাফল ইতোমধ্যেই পরিষ্কার?

- বন্দুক আনো! - জি, স্যার!

- শত্রুপক্ষের আক্রমণ? - জানি না।

- তাহলে কী? - বিশালাকৃতির কিছু!

কোনো নতুন আমেরিকান অস্ত্র?

তাকি! তাকি!

- সৈকতে আলো ফেলো! - রজার!

তাকি!

এটা আবার কী?

গডজিলা।

- কী? - একজন স্থানীয় বলেছিলো আমায়।

গভীর সমুদ্র হতে আসে, গডজিলা নামে ডাকে তারা।

গ-গ-গডজিলা?

আমরা শেষ। কভার নাও!

কভার নাও! কভার নাও!

এটা আবার কী?

কেউ জানে না।

- এনসিং শিকিশিমা। - স্যার।

তোমার ২০ এমএম গান অব্ধি পৌঁছাতে পারবে?

তুমিই আমাদের একমাত্র গানার। আমরা কেবলই মেকানিক।

কিন্তু এটা যদি ওকে আরো রাগিয়ে তোলে?

২০ এমএম গান যেকোনোকিছুকেই মারতে পারে!

জলদি, ওটা বেশি কাছে চলে আসার আগেই যাও!

যাও! এক্ষুনি!

যাও!

জলদি।

কী করছে ও?

গুলি চালাও! এক্ষুনি!

ওটা এদিকে আসছে।

- আমরা কী করবো, স্যার? - গোলাবারুদ!

অস্ত্র প্রস্তুত করো!

গর্দভ! চালিও না!

গুলি বন্ধ করো!

কোরো না!

পেছাও! পেছাও!

পালাও!

স্যার তাচিবানা!

আমি ওটাকে এদিকে আনছি। মেরে ফেলো!

তোমাদের এটা প্রাপ্য ছিল না।

হেই!

সবাই মারা গেছে!

মারা গেছে ওরা সবাই!

কারণ তুই গুলি চালাসনি!

ধ্যাত বাল!

তুমি, হেই!

শোনো!

ডিসেম্বর-১৯৪৫, টোকিও

সাবধানে পা ফেলো, ভায়া।

এটা কি তুমি, কোইচি?

সুমিকো!

এটা কীভাবে সম্ভব?

তুমি কামিকাজি পাইলট ছিলে না?

চেহারা দেখানোর সাহস কীভাবে পেলে তুমি?

তুমি কলঙ্ক!

দেখো, তোমার মতো কাপুরুষদের জন্য কী হয়েছে।

তুমি নিজের কাজটা ঠিকমতো করলে...

আমার বাচ্চাগুলো মরতো না।

জানেন আমার মা-বাবা বেঁচে আছেন কি-না?

সবাই মারা গেছে।

এই পুরো জায়গাটাকেই আগুন গিলে ফেলেছে।

সাথে তোমার মা-বাবা'কেও।

আমার বাচ্চাদেরও একই পরিণতি হয়েছে।

"আমার প্রিয় পুত্র, কোইচি..."

"জীবিত ফিরিস", তাই না?

এটাই বলেছিলে তুমি।

থাম, চোর!

সামন থেকে সরো!

- সরো! - মহিলাটাকে ধরো!

- প্লিজ! - কী?

ফিরে আয় বলছি!

কী?

দাঁড়াও!

অবশেষে। কোথায় গিয়েছিলে তুমি?

দোষটা তোমারই, ভীড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলে। সবাই দেখে ফেলতো আমায়।

তখন থেকে এখানেই লুকিয়ে ছিলে?

হ্যাঁ। তোমার ওঠার অপেক্ষা করছিলাম।

নিশ্চই খিদে পেয়েছে তোমার!

ওকে রেখে গেলে না কেন?

হেই!

ওরকম একটা জায়গায় রেখে যাবো?

মজা বন্ধ করো।

দাঁড়াও একটু!

প্লিজ অনুসরণ কোরো না।

তুমি কি চাও আমরা রাস্তায় মারা যাই?

কিচ্ছু যায় আসে না।

এটা শেষেই, তুমি চলে যাবে।

শুনলে? ও বড্ড পাজি আর ভয়ানক।

তোমার স্বামী কোথায়?

সৈনিক না-কি সে?

- আমায় দেখে কি স্বামী আছে বলে মনে হয়? - কী?

ও তাহলে কার বাচ্চা?

- তাতে কিছু যায় আসে? - অবশ্যই যায় আসে!

বিমান হামলার সময়...

মারা যাবার আগে ওর মা আমায় মিনতি করেছিল।

তো তোমার...

বাচ্চাটার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই?

না, তো কী হয়েছে?

গাধী না-কি তুমি?

তুমি তো বাচ্চাটার খেয়াল রাখার মতো অবস্থাতে নেই।

তুমিও তো ওকে রেখে যেতে পারোনি।

নাম কী ওর?

"আকিকো"

আচ্ছা, আর তোমার?

নোরিকো।

তুমি এরকম ভবঘুরের মতো পোষাক পরেছো কেন? ইচ্ছা করেই?

দেখো আমি বেশ্যা নই।

অপমানিত হবার কিচ্ছু নেই।

যেকোনো উপায়ে বাঁচতে হবে। দোষ কে দেবে তোমার?

পরিবার-পরিজন?

"হারু শিকিশিমা" "ইচিরো শিকিশিমা"

তোমার বাবা-মা?

হ্যাঁ।

উনারা বিমান হামলায় মারা গেছেন।

মানে তুমি আর আমি একই।

কী?

না, পারিস না...

থাকো...

হেই...

কাহিনীটা কী?

- মানে কী বলছেন? - যেন কিছুই জানো না!

মা আর বাচ্চাটাকে উঠিয়ে এনেছো যে।

- নিজেকে সাধু ভেবেছো না-কি? - না।

এমনিই এসেছে।

থাকছে যেহেতু, মানে তুমিই এনেছো।

হিরোগিরি একটু দেরিতে দেখাচ্ছো।

আমায় ডাকবে না। ওসব ছেড়ে দিয়েছি।

দাঁড়াও।

মেয়েটা বুকের দুধ খাওয়াতে পারে?

না, ও বাচ্চাটার মা নয়।

কী বললে?

এভাবে চললে, ও পুষ্টিহীনতায় মারা পড়বে।

তাই না?

তো তুমি একটা বাচ্চা খুঁজে পেয়েছো কিন্তু জানো না কীভাবে যত্ন নিতে হয়।

ভাবছিলেটা কী?

জানি না।

তোমার জন্য নয়।

বড়োরা যেকোনোকিছু খেয়ে বাঁচতে পারবে।

এটা দিয়ে জাউ ভাত বানাবে।

তো...

গেল আমার মহামূল্যের সাদা চাল।

কী আপদ বাবা!

মার্চ, ১৯৪৬

ধ্যাত। একদমই ভিজে গেছি।

কোনো কাজ পেলে?

কিছু একটা পেয়েছি।

কী সেটা?

বেতনও মন্দ নয়।

দেখো, অগ্রীম ৩০০০ ইয়েনও দিয়েছে।

অসাধারণ!

নিশ্চই কোনো ফাঁদই হবে। যেমনটা চুরি যাওয়া চাল বহন করেছিলে তুমি।

এটা তেমন নয়।

কীভাবে নিশ্চিত হলে?

এটা সরকার অনুমোদিত।

তবে বেতন বেশি হবার পেছনে একটা কারণ রয়েছে।

কী কারণ?

যুদ্ধের সময় দু'পক্ষই সমুদ্রে হাজারো মাইন ফেলেছিল।

এটা সেগুলো নষ্ট করার কাজ।

আর বেতন এত বেশি হবার কারণ, আসলে...

এতে ঝুঁকিটাও বড্ড বেশি।

পাগল না-কি তুমি? সবেই যুদ্ধ থেকে বেঁচে ফিরেছো!

আর কী করবো?

এভাবে চললে, না খেয়ে মারা পড়বো। আকিকো'র জীবনও এর ওপর নির্ভর করছে।

বুঝতে পারছি কিন্তু...

এতে টাকা আসবে।

আর তা দিয়ে আমরা চাইলে আমেরিকান গুঁড়া দুধও কিনতে পারবো! সেটার জন্য, আমি যেকোনোকিছু...

আমি তোমায় মরতে বারণ করবো!

চিন্তা কোরো না। বিপজ্জনক বটে তবে মারা পড়বো এমনটা নয়।

এটা কামিকাজি পাইলটদের মতো নয়।

আর তাছাড়াও, আমি একটা বিশেষভাবে তৈরি মাইন এড়িয়ে চলতে সক্ষম নৌকায় থাকবো।

এটা বিশেষভাবে তৈরি?

- হেই, তুমিই কি আমাদের নতুন শার্পশ্যুটার? - আমি শিকিশিমা।

- নাবিক? - যুদ্ধ বিমানের পাইলট।

- কী? এ তো কোনো কাজেরই নয়। - তুমি সাবেক বৈমানিক?

মিলিটারির অচল মাল। কোনো কাজের নয়।

এই নৌকাটা দেখে হতাশ হয়েছো?

আমেরিকান এবং ব্রিটিশ নৌবাহিনী জাপানের সমৃদ্রসীমায় ৬০,০০০ মাইন ফেলেছে।

সব ধরণেরই আছে। তবে সবচেয়ে খারাপ আমেরিকান ম্যাগনেটিক মাইন।

ধাতব যে-কোনো নৌকার সংস্পর্শে আসলেই সেগুলো বিস্ফোরিত হবে।

আহ, সেজন্যই কাঠের।

ছেলেটা ভালোই পটু।

যদিও আমরা সাধারণত নোঙর দিয়ে বাঁধা মাইনগুলোই ধ্বংস করি।

তবে কাঠের তৈরি নৌকাই সর্বাধিক প্রতিব্যবস্থা।

আমি নোদা।

আমি যুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর অস্ত্র তৈরির কাজ করেছি।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left