Our Planet

Our Planet

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

Our Planet 2019 S01E04 Coastal Seas 1080p NF WEBRip DDP5 1 x264-NTb
A Commentary by Sayeem Shams
সম্পূর্ণ সহজ ও সাবলীল বাংলা সাবটাইটেল। এটি আমার ৩০তম বাংলা সাবটাইটেল। 💣 Google drive: https://bit.ly/3dueYIP 💣 FTP সার্ভার : https://bit.ly/2W6xVeQ 💣 টরেন্ট ডাউনলোড : https://bit.ly/2VcOeGp

Tags

webrip
web
x264
720p
720
BRip
1080
Web-DL
web-dl
WEB-DL
Published on: 2020-05-11
Downloads: 76
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 141 lines.

মাত্র ৫০ বছর আগে...

...আমরা চন্দ্রবিজয় করেছিলাম।

প্রথমবারের মতো, সেখান থেকে আমাদের পৃথিবীকে দেখেছিলাম।

বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা, তখনকার দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

এই সিরিজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলোকে তুলে ধরা হবে...

...এবং জানাবে, মানুষ ও প্রকৃতির জন্য আমাদেরকে কী কী রক্ষা করতে হবে।

আমাদের পৃথিবী ::: বাংলা সাবটাইটেল ::: সাঈম শামস্

আমাদের অগভীর সাগরে আছে ঝাঁক ঝাঁক মাছের প্রাচুর্য।

এরা অ্যানসোভিজ।

ছোট মাছ, কিন্তু এরাই বড় মাছের খাবার।

শিকারি মাছদের জন্য। যেমন : বিরাটাকার ট্রিভ্যালি...

...এবং মবুলা রে।

যখন এধরনের শিকারিরা একত্রিত হয় তখন তাদের কার্যকারীতা অনেক বেড়ে যায়।

সমৃদ্ধ উপকূলীয় সাগর হলো মাছ ধরার জায়গা।

এখান থেকে বন্য প্রাণী ও মানুষেরা প্রচুর খাবার পেয়ে থাকে।

::: পর্ব ৪ ::: উপকূলীয় সমুদ্র

সাগরতলের এমন জমিনের পরিমাণ বিশ্বের সব সমুদ্রের ১০ ভাগের ১ ভাগেরও কম।

তারপরও জলজ প্রাণীদের ৯০%...

...এই উপকূলীয় সাগরে বাস করে।

এত প্রাচুর্যতার কারণ এখানকার সাগরতল...

...সূর্যের আলোর নাগালে রয়েছে।

এভারগ্লেডস জাতীয় পার্ক, দক্ষিণ ফ্লোরিডা।

অগভীর পানির নিচে রয়েছে সামুদ্রিক ঘাসের জমিন।

দেখতে স্থলে থাকা মাঠের মতো।

এই স্নিগ্ধ সামুদ্রিক ঘাসগুলো বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর উপকার করে।

স্টিংরে ঘাসের মাঝে লুকোনো শিকার খুঁজছে।

এভারগ্লেডস উপকূলের সবচেয়ে প্রতিভাবান শিকারির মাছ ধরার স্থানও বটে।

বটলনোজ ডলফিন।

তারা শব্দের সাহায্যে খাবার খোঁজে, অনেকটা সোনার-এর মতো।

তাদের সামনে রয়েছে একঝাঁক মুলেট মাছ।

এই প্রজাতির ডলফিনরা...

...শিকার করার নিজস্ব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে।

তারা সাবধানের মাছের ঝাঁককে সঠিক স্থানে নিয়ে আসে।

তারপর একটি ডলফিন পানিতে বৃত্তাকারে কাঁদা ছড়ায়।

মাছগুলো ভয় পায় এবং লাফ দেয়।

অধিকাংশই বেঁচে যায়।

উড়ন্ত মাছ ধরা সহজ নয়।

কিন্তু ডলফিনরা দমে যায় না, আবার চেষ্টা করে।

এই পার্কের ভেতরে বাণিজ্যিকভাবে মানুষের মাছ ধরার অনুমতি নেই।

তাই ডলফিনের জন্য অনেক মাছ আছে।

শুধুমাত্র ওপর থেকে দেখলেই আমরা তাদের দক্ষতার প্রকৃত চিত্র দেখতে পাবো।

অগভীর সমুদ্র জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সামুদ্রিক ঘাস একই পরিমাণ রেইনফরেস্টের চেয়ে ৩৫ গুণ বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড শুষে নেয়।

সেটা সাগর উষ্ণ হওয়ার কারণে সৃষ্ট ক্ষতিগুলোকে কমিয়ে আনে।

গরান গাছ এখানে সামুদ্রিক ঘাসের সীমা হিসেবে কাজ করে।

শুধুমাত্র এই বিশেষ গাছগুলোই উপকূলীয় সাগরের নোনাপানির সাথে টিকে থাকতে পারে।

তারা শুধু আমাদের উপকূলকে ধ্বংসাত্মক হ্যারিকেন থেকেই রক্ষা করে না...

... সেই সাথে সামুদ্রিক ঘাসের মতো কার্বন ডাইঅক্সাইডও শুষে নেয়।

তাদের প্যাঁচানো শেকড় বাচ্চা মাছদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করে।

যারা একসময় এখান থেকে...

...গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সাগরের সবচেয়ে জাদুময় স্থানে চলে যাবে।

প্রবাল-প্রাচীর।

সাগরতলের ১% এর কম স্থান জুড়ে রয়েছে এটা।

কিন্তু তারপরও এটা জলজ প্রাণীদের এক-তৃতীয়াংশের আবাসস্থল।

প্রবাল না থাকলে এখানে কোনো প্রাণী আসতো না।

প্রবাল যে গঠন তৈরি করে, তা খাবার ও আশ্রয় দেয়।

যার ওপরে এখানকার সমাজ নির্ভরশীল।

প্রবাল-প্রাচীর রক্ষার জন্য সবার ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা আছে।

দুঃখের বিষয়, অল্প সংখ্যক প্রবাল-প্রাচীরই আগের অবস্থায় আছে...

...এবং অধিকাংশ জায়গায় এই সমাজের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অনুপস্থিত।

হাঙ্গর।

মাত্রাতিরিক্ত হাঙ্গর শিকার করায় বিশ্ব জুড়ে তাদের সংখ্যা...

...৯০% কমে গিয়েছে।

বর্তমানে শুধুমাত্র একদম বিচ্ছিন্ন প্রবাল-প্রাচীরগুলোতে তাদেরকে বেশি সংখ্যায় দেখা যায়।

ফ্রেঞ্চ পলেনেশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে।

এখানে অন্তত হাঙ্গররা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

দিনের বেলা ধূসর হাঙ্গররা পানিতে ভেসে বেড়ায়।

ছোট রাস মাছগুলোকে দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করিয়ে নেয়।

কারণ রাতে ওরা শিকারে নামবে।

এই হাঙ্গরগুলো অন্ধকারে শিকার করতে পছন্দ করে।

রাতে তাদের তীব্র ইন্দ্রিয় শিকারের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা দেয়।

রাত নেমেছে।

প্রবাল-প্রাচীরের এখানে ওখানে ছোট মাছগুলোর আশ্রয় নেওয়ার সময় হয়েছে।

যেখানে হাঙ্গর ওদেরকে নাগাল পাবে না।

হাঙ্গর সামান্য নড়াচড়াও বুঝতে পারে।

বাইরে বের হওয়া বিপদজনক।

চুপ করে পড়ে থাকলে হয়তো হাঙ্গরের চোখ এড়ানো যাবে।

একটি ছোট মাছ হয়তো একটি হাঙ্গরের হাত থেকে বাঁচতে পারে।

কিন্তু অনেক হাঙ্গর হলে বাঁচার সম্ভাবনা কমে যায়।

প্রবালের শাখার মাঝে থাকাটা সবচেয়ে নিরাপদ।

কিন্তু দ্বিতীয় শিকারির আগমন সব বদলে দেয়।

সাদা ফুটকিঅলা প্রবাল হাঙ্গর।

গড়ন সরু ও নমনীয় হওয়ায়...

... যেখানে বাকিরা যেতে পারে না, এরা সেখানে যেতে পারে।

যারা এই হাঙ্গরের হাত থেকে বেঁচে যায়...

...তারা ধূসর হাঙ্গরের কাছে ধরা পড়ে।

এই দুই প্রজাতির হাঙ্গর মিলে...

...প্রবাল-প্রাচীরে বিরামহীন অভিযান চালাতে থাকে।

হট্টগোলে আকর্ষিত হয়ে আরো অনেক হাঙ্গর আসে।

এত হাঙ্গরের আনাগোনা একসময় পৃথিবীর সকল প্রবাল-প্রাচীরেই দেখা যেত।

যেখানে অন্য শিকারিরা হয়তো ক্ষতি করে...

... সেখানে হাঙ্গর বরং প্রবালের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে।

তারা মৎস সমাজের ভারসাম্য রাখতে সহায়তা করে।

যে মাছগুলো ছোট মাছ খায়, তারা সেগুলোকে খেয়ে নেয়।

তৃণভোজী মাছেরা...

...প্রবালদেরকে সমুদ্র-শৈবাল ও ছত্রাকের হাত থেকে বাঁচায়।

নইলে ওগুলো প্রবাল-প্রাচীর ছেয়ে যাবে।

শিকারি হাঙ্গর নিয়ে এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ হওয়ায়...

...দূর্যোগ মোকাবিলায় প্রবাল-প্রাচীর আরো উপযুক্ত হয়ে ওঠে।

কিন্তু বর্তমানে স্বাস্থ্যবান প্রবাল-প্রাচীরও চরম হুমকির মুখে পড়ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে সাগর উষ্ণ হয়ে উঠছে।

প্রবালের টিস্যুর মাঝে জন্মানো ক্ষুদ্র গাছগুলো...

...একই সাথে পুষ্টি ও রঙের যোগান দেয়।

কিন্তু সাগরের তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ বা ২ ডিগ্রিও বাড়ে...

...প্রবাল তাদের গাছ বন্ধুদেরকে ছেড়ে দেয়।

তাই তারা তাদের প্রধান খাবারের উৎস হারায়...

...এবং সাদা হয়ে যায়।

এটা অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট বেরিয়ার রিফ, সাগর অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ হওয়ায়...

...এভাবে অনেক প্রবাল-প্রাচীর সাদা হয়ে গেছে।

দেখতে ভয়ংকর সুন্দর মনে হলেও...

...যদি কয়েক সপ্তাহ জুড়ে বাড়তি তাপমাত্রা থাকে তাহলে...

...প্রবালরা না খেতে পেয়ে মারা যাবে।

যে কার্বন ডাইঅক্সাইড পৃথিবীকে উষ্ণ করে তুলছে...

... সেটা সাগরেও এসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

কোনো প্রবাল-প্রাচীর এই দুই পরিবর্তনে টিকতে পারে না।

আর জীবন্ত প্রবাল না থাকায়...

...এখানকার অনেক বাসিন্দাও বিলুপ্ত হয়ে যায়।

২০১৬ এবং ২০১৭ সালে...

১ হাজার কি.মিটারেরও বেশি গ্রেট বেরিয়ার রিফ সাদা হয়ে গিয়েছিল।

৬ মাস পর...

...অনেক প্রবাল মারা গিয়েছিল।

এখানকার সমাজ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।

বিশ্ব জুড়ে, অগভীর সমুদ্রে থাকা অর্ধেকেরও বেশি প্রবাল-প্রাচীর ইতিমধ্যে মারা গেছে।

বাকিটুকুও আগামী কয়েক দশকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

গ্রাষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চল বাদে উঁচু অঞ্চলের...

...সাগরগুলো তুলনামূলক ঠাণ্ডা।

ঝড়ের তাণ্ডবে পড়া পানি প্রয়োজনীয় পুষ্টিসমূহকে ওপরে নিয়ে আসে।

এই সমৃদ্ধ পানি ও দীর্ঘ গ্রীষ্মের দিনগুলো...

...এখানকার সাগরকে পৃথিবীর সবচেয়ে উৎপাদনশীল সাগরে পরিণত করেছে।

লোমশ সিলরা সমৃদ্ধ হয় এবং ঢেউয়ের সাথে খেলে বেড়ায়।

ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকতে বসন্তকাল।

এখানার পানির ওপরে সোনালী বর্ণের কেল্প ভাসছে।

এটা সমৃদ্ধ তলদেশের চিহ্ন।

সমুদ্রের তলদেশে থাকা একটি চমৎকার বন।

কেল্পগুলো সাগরের জন্য ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, স্থলের জন্য গাছ যতটা গুরুত্বপূর্ণ।

রেইনফরেস্টের মতো...

...এই ঘন বনটি এখানকার একটি সমাজকে খাবার ও আশ্রয় প্রদান করে।

ঠাণ্ডা ও সমৃদ্ধ সাগরে বিশাল কেল্পগুলো ৫০ মিটার লম্বা হতে পারে।

বাতাস-ভরা ফলগুলো গাছগুলোকে ওপরের সূর্যের আলোর দিকে রাখে।

এই বনে বাস করে...

...একটি সামুদ্রিক উদবিড়াল।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left