The first 200 lines.
জিনিয়াসের গত পর্বে...
সম্ভবত আমার দেখা সবচেয়ে
আলোকিত মনের মানুষ হলো এই আইনস্টাইন!
সে একটা গর্দভ!
তুমি ক্লাস ফাঁকি দিচ্ছ
এবং তোমার শিক্ষকদের চ্যালেঞ্জ করছ
কেন? আমি তা জানতে চাই স্যর।
আমার নাম প্রফেসর ফিলিপ লেনার্ড।
- প্রফেসর। - মেলিভা মেরিচ।
পুরা ছেলেদের রুমে কি একটা মেয়েকে চিহ্নিত করতে পারবো না?
সে সারারাত জেগে যে সব জিনিস সমাধান করে,
তা আমার মাথায় ধরে না।
সে যে এগুলো বুঝে আপনি জানলেন কিভাবে?
আমি তোমার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি।
আমার সঙ্গী হয়ে যাও।
এই জীবনে, এই ভালোবাসায়,
এই অসীম বিজ্ঞান সাধনায়।
মেরী কেমন আছে? সকলেই অধীর আগ্রহে বসে আছে।
কিসের জন্য? বিয়ের আগের প্রেম, অবশ্যই...
আমি একজন প্রফেসর হতে যাচ্ছি।
আমি আমার চিন্তাভাবনার কারণেই চিন্তা করবো।
এরকম আবুল টাইপের কথা বার্তা
জীবনে প্রথম শুনলাম।
যেওনা, আলবার্ট।
মিথ্যুক! আমার মন নিয়ে
এভাবে ছিনিমিনি খেলতে পারলে?
পদার্থবিজ্ঞান একটা রোমাঞ্চ হওয়া উচিৎ!
আইনস্টাইন,যথেষ্ট!
তাকে ফেল করিয়ে দাও।
তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার আর কোনো মাথাব্যথা নেই।
- মিজা! - হ্যালো, বাবা।
আমি খুব দুঃখিত, বাবা। আমি তোমাকে পরাজিত করে দিয়েছি।
বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
হায় খোদা!
হায় খোদা!
দাঁড়াও,
প্লিজ
আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা।
এটা একটা আলোকচিত্র, আনা,
তোমার ত্বকের নিচের হাড়ের
হায়, উইলেম
এটা দেখার জন্যই মনে হয়
এতো দিন যাবত বেঁচে আছি!
এটা দারুণ, তাইনা?
উইলেম...
তুমি রাতারাতি বিখ্যাত হতে যাচ্ছ।
আমার তো এখনো সব মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে, ফিলিপ।
এটা তো তোমারই আবিষ্কার, তাই না?
টিউবে ক্যাথোড রশ্মির পরিবর্তন
সে আমার আবিষ্কার নিজের কাজে ব্যবহার করেছিল।
ভণ্ড, তার নাম কি?
- রন্টজেন। - আমি যদি এই আর্টিকেলটা ভালোভাবে পড়তাম,
তাহলে তোমার এই আবিষ্কার নিজের কাজে ব্যবহার করার ফল
পুঁচকে রন্টজেন হাড়ে হাড়ে টের পেত!
সে তো একটা "পর্যবেক্ষণ" তৈরি করে ফেলেছে
"পর্যবেক্ষণ"
নাও। ডিম খাও।
ডিম নিয়ে একটা "পর্যবেক্ষণ" তৈরি করো।
বেশি নোনতা, তাইনা?
তারমানে একটা ডিমও ভালোভাবে ভাজতে পার না?
- না। - অবশ্যই না।
কারণ এরকম দোষ দেয়া খুবই অদ্ভুত শোনায়।
সে তো তোমার ক্রেডিট ছিনিয়ে নিয়েছে,
যেটা তুমি পাওয়ার যোগ্য ছিলে!
এটা কিভাবে হাতছাড়া হয়ে গেলো?
তুমিই আবার এটা ফিরিয়ে আনতে পারবে, ডার্লিং।
তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে।
তোমার মেধাশক্তি সবাইকে বুঝিয়ে দেবে!
আমি কোন পুরষ্কারের পরোয়া করি না,
মিখেল, আমি শুধু বিজ্ঞানকে পরোয়া করি,
আমার চারপাশের জগতকে বুঝার জন্য।
কোনো স্বর্ণের মেডেলের প্রতি আমার কোনো আকর্ষণ নেই।
এটা কোনো ফালতু পুরষ্কার নয়... এটা হলো নোবেল প্রাইজ!
এখানে বলা হয়েছে সকল কুখ্যাতি পিছনে ফেলে এটা আর কিছুদিনের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে,
সাথে মোটা অংকের একটা অর্থও আসবে!
অর্থ? একবার ভেবে দেখ...
একজন পদার্থবিদ হওয়ার জন্য অর্থ আর খ্যাতি!
তুই অনেক মেধাবী আলবার্ট, তুই ইচ্ছা করলেই পারিস!
এগুলোর ইচ্ছা থাকলে আমি টিউশনি করিয়েই এরকম
১০ টা নোবেল প্রাইজ কিনতে পারতাম।
একজন এসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের স্যালারি গুণতে
- গিয়েই প্যাঁচ লাগাচ্ছি। - এতো চাপ নেয়ার কি আছে!
আমার ডিপার্টমেন্টের প্রধানের সাথে বাজি ধরে এটা জিতেছিলাম।
কি অসহ্য গরম রে বাবা... সূর্যের তাপে বাঁচতে পারছিনা!
বাজিটা কি নিয়ে ছিল? আমি নিশ্চিত এটা গজালের পশম নিয়ে ছিল,
আর আমি খুশি, এতো ঝক্কি পার করেও যে
অবশেষে আমরা বাসেলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতে পারছি।
আমার প্রথম ইন্টার্ভিউ,
আর এটাতেই দেরী করে যাচ্ছি... দারুণ!
আলবার্ট, একটা কুমারী মেয়ের মতন এই মেশিনটারও
একটা সুদর্শন পুরুষ দরকার যেটা হবে মূলত একটা আলোড়ন দশা।
মার্সেলের ইতিহাস যদি কোনো ভবিষ্যদ্বাণী হয়,
সামনের মঙ্গলবারে আমরা গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারব।
আলবার্ট, মাথা গরম করলে
সারা শরীর থেকে শুধু ঘামই ঝরবে।
মিখেলে, আমি আমার কাগজ পত্র
ইউরোপের প্রত্যেক ভার্সিটিতে পাঠিয়েছি।
আর প্রত্যেক ভার্সিটিই বার বার রিজেক্ট করে দিয়েছে।
জীবনে বহুত ঠকেছি, কিন্তু এরকম ঠকা জীবনে প্রথম!
মেলিভা আস্তে আস্তে অধৈর্য হয়ে যাচ্ছে।
মেলিভা? সে তো এখন সার্বিয়াতে... এখন সে কেমন আছে...?
একটা ঐতিহাসিক দিন... মার্সেল গ্রসম্যান,
অবশেষে ভালো কিছুর সুবাতাস পেলাম।
কৈশিক প্রভাব ভালো ভাবেই
পড়ানো হয়েছে, আইনস্টাইন।
তোমার এই গরু রচনার কিঞ্চিৎ
অংশই শুধুমাত্র কাজের!
তোমার এই ঢোল পেটানো স্বভাব নিয়ে কিছুই বলার নেই!
পড়ার অভিজ্ঞতাটা অনস্বীকার্য ভাবে দারুণ।
আপনার মতামতকে চ্যালেঞ্জ করলে
আমি শিথিল হয়ে যেতাম, প্রফেসর
বিজ্ঞান কোনো মতামতের বিষয় নয়।
আমি যেটা বুঝাতে চাচ্ছি প্রফেসর, সেটা হচ্ছে...
আপনি অনেক পর্যবেক্ষণ করেছেন, আমি তা গ্রাহ্য করিনি,
যার ফলে নিজেই পস্তাচ্ছি।
তোমার রেকর্ড করা সকল কৃতিত্ব, আমি অবশ্যই স্মরণে রাখবো।
শত শত আবেদনকারী থাকা সত্ত্বেও
আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে যে
আমাদের কাছে তুমিই সর্বোচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী।
আমি তোমার নাম অনুমোদনের জন্য
কমিটির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।
ধন্যবাদ।
ধন্য...ধন্যবাদ।
আলবার্ট আমাকে ত্যাজ্য করেনি, বাবা।
সে এখন কোথায়?
বলো আমাকে।
স্থায়ী হচ্ছে।
আমার ওইখানে একটা বাড়ি দরকার যাতে আমার বাচ্চাকে নিয়ে থাকতে পারি।
তারপর কি হবে?
মিজা, তারপর?
সারাদিন ধরে বাচ্চার ডায়াপার চেঞ্জ করবে?
বাচ্চার নাক পরিষ্কার করবে?
ঘুম পাড়ানি মাসি পিসির গান গাইবে?
না। আমি আমার ডিগ্রি অর্জন করতে যাবো, বাবা।
- আমি কসম খেয়ে বলছি, - কয়েক বছর আগেও
আমি ভাবতাম তোমার কোনো মানুষের উপর নির্ভর করে বাঁচতে হবেনা।
আমার এই বর্তমান দুর্দশার কথা কি আবার তোমাকে খুলে বলতে হবে, বাবা?
এই অল্পখানি ভুলের জন্য তুমি নিজেকে
এভাবে শাস্তি দাও, আমি তা চাইনা।
তাও শুধুমাত্র এক রাতের ভুলের জন্য
এটা কোনো ভুল ছিলোনা
আর এক রাতের ভুল তো নয়ই!
তুমি জুরিখে ছিলে... সুইসরা এরকম অপ্রত্যাশিত
ঘটনার যত্ন নিতে বেশ দক্ষ।
আমার এসব কিছুর দরকার নেই!
দরকার শুধু আলবার্টের সন্তান।
আমি তোমার থেকে অনেক কিছুই প্রত্যাশা করি!
যদি আমায় বিশ্বাস করো তাইলে বলবো,
তুমি আলবার্টকে একটা সুযোগ দাও।
আইনস্টাইন
শুভ সন্ধ্যা, ফ্রাউ স্নেহাম।
বিড়ালের মতো সবকিছুরই গন্ধ শুঁকতে চাও!
দেখছিলাম আপনার শোনার ক্ষমতা কিরকম!
এখনো মেজাজ গরম!
ভাড়া কি পেয়েছ নাকি পাওনি?
পাইনি
তোমার মুক্তির পথ তুমিই ভালো জানো,
আমি এখন একটা ভালো অবস্থানে গিয়েছি
সর্বশেষে শুধুমাত্র একটা
অনুমোদন পত্রের অপেক্ষায় আছি।
এটাও কি সুরক্ষিত নয়, নাকি?
আজকে বোধহয় আসতে পারে
আ-আমি পোস্ট অফিসে গিয়েছিলাম, কিন্তু...
গিয়ে দেখলাম আপনি আমার মেইলটা
বাজেয়াপ্ত করে দিয়েছেন...
প্লিজ, ফ্রাউ স্নেহাম।
অনেক প্রসিদ্ধ অ্যাকাডেমি আর প্রগতিশীল চিন্তাবিদ
আমার কাজ কর্ম নিয়ে আলোচনা করছে!
খুশি?
আমি ভেবেছিলাম চাকরীটাকে
আপন করে নিবো সাথে সকল আচরণবিধিও।
প্রশ্নের উত্তরগুলো জানার জন্য আমি বহু অনুসন্ধান চালিয়েছি,
কিন্তু সবশেষে ফলাফল শূন্য।
তাই তুমি এখানে সাহায্যের জন্য এসেছ
শুধু...একটু অনুগ্রহ,
প্রফেসর, একটা সুপারিশ-পত্র,
সম্ভবতঃ
সম্ভবতঃ হয়তো,
এটার মতো।
"শ্রদ্ধেয় বেভার, সরাসরি এভাবে লেখার জন্য
"আমায় ক্ষমা করবেন,
"জনাবের নিকট গরীব আলবার্টের পক্ষ থেকে আকুল আবেদন
তার উদ্বিগ্ন বাবা..."
আমার বাবা?
প্রফেসর, আমার...
আমার এরকম কোনো ইচ্ছা ছিলোনা
আমি...আমি আমার বাবাকে কখনোই
আমার পক্ষে সাফাই গাইতে বলিনি।
সত্যি বলতে, আমার মন এখন ক্ষুব্ধ!
যেটা হওয়া উচিৎ!
আমি চাইছি, সদ্য পাশ করা কোনো গ্র্যাজুয়েডের মতন
আমায় যেকোনো একটা চাকরীতে ঢুকিয়ে দিন!
অহ, কিন্তু আমি পারতাম।
অনেক বিশ্ববিদ্যালয় তোমার মেধা আর চরিত্র সম্পর্কে
আমার কাছে মতামত চেয়েছিল।
কিন্তু বিবেকবুদ্ধি দ্বারা বিচার করলে
আমি ওদের কাছে তোমার চরিত্র সম্পর্কে
No comments yet. Be the first to leave one.