Earth at Night in Colour

Earth at Night in Colour

Download Bengali Subtitle

Release info

Earth at Night in Color Episode 04 Bangla Subtitle
Earth at Night in Color Episode 04 Bangla Subtitle by Nurullah
Earth at Night in Color Episode 04 WebDL Bangla Subtitle
আর্থ এট নাইট ইন কালার এপিসোড ০৪ বাংলা সাবটাইটেল
বাংলা সাবটাইটেল - আর্থ এট নাইট ইন কালার [এপিসোড ০৪]
আর্থ এট নাইট ইন কালার এপিসোড ০৪ বাংলা সাবটাইটেল বাই নূরুল্লাহ
Earth at Night in Color - Bangla Subtitle [Episode 04]
Earth at Night in Color - Episode 04 (Bear Woodlands)
A Commentary by Nurullah_Mashhur
🔷🔴 রাতের আঁধারে লুকিয়ে থাকা প্রাণীজগতের বিস্ময়সমূহ তুলে ধরা হয়েছে এই ডকুমেন্টারিতে। টম হিডলস্টোনের বর্ণনায় মনোরম এই ডকু সিরিজটি এখন উপভোগ করুন মাতৃভাষায়। চতুর্থ পর্বে থাকছে মেরু ভাল্লুকদের রাত্রিকালীন জীবনের গল্প। সিরিজের ডাউনলোড লিংক থাকছে প্রথম কমেন্টে।

Tags

other
Published on: 2021-02-05
Downloads: 33
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 92 lines.

রাত।

এক ছায়াচ্ছন্ন জগত যার আড়ালে লুকিয়ে থাকে আমাদের গ্রহের অর্ধেকের বেশি প্রাণী।

এখন পর্যন্ত, ক্যামেরায় কেবল তাদের জীবনধারার এক ঝলক ধরা পড়েছে।

কিন্তু নেক্সট-জেনারেশন টেকনোলজির সহায়তায়,

আমরা রাতকে দিনের মতোই স্পষ্ট দেখতে পারি।

মানুষের চোখের তুলনায় শতগুণ সেন্সিটিভ ক্যামেরার সাহায্যে...

আমরা এখন রাতের সৌন্দর্যকে ধারণ করতে পারছি...

রঙিন অবস্থায়।

ভিন্ন জগতের ভূদৃশ্য।

অন্ধকারে জেগে ওঠা অদ্ভুত প্রাণীকূল।

অদেখা আচরণ।

এখন আমরা প্রাণীদের জীবনযাত্রা অনুসরণ করতে পারছি

পৃথিবীর শেষ সত্যিকারের বিজনপ্রদেশে...

রাত।

:.:.: Earth at Night in Color :.:.: Episode 04 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

আর্কটিক সার্কেলের শেষপ্রান্তে, এক জাদুকরী বিজনপ্রদেশের অবস্থান।

ইউরোপের বোরিয়াল ফরেস্ট।

এটি এতটা উত্তরে অবস্থিত যে, শীতকালে এখানে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত রাত হতে পারে।

এই বনভূমি গোপনীয়তাপূর্ণ এক ভালুক সম্প্রদায়েরর আবাসস্থল

যারা তাদের জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটায় অন্ধকারে।

কিন্তু এখন, লো-লাইট ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে...

আমরা তাদের রাতের জগত দেখতে পাচ্ছি...

একদম দিনের মতো।

এখন শীতের শেষভাগ,

আর একটি একাকী বাদামী ভালুক শীতনিদ্রা থেকে জেগে উঠছে।

আলভার নামের একটি তরুণ পুরুষ।

সে গত ছয় মাস যাবত কিছুই খায়নি...

আর তার দৈহিক ওজনের এক-তৃতীয়াংশ হারিয়েছে।

এখন তার একমাত্র লক্ষ্য খাবার খোঁজা।

শীতনিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার পর,

বাদামি ভালুকদের এক রাতে ৮,০০০ ক্যালরি সমপরিমাণ খাদ্য খেতে হয়।

কিন্তু বছরের এই সময়ে, আশেপাশে খুব সামান্য খাদ্যই রয়েছে।

তুষার খনন করে...

আলভার গাছের শেকড়, বাকলের খোঁজ করে।

নিজের শক্তি ফিরে পাওয়ার জন্য, তার প্রয়োজন মাংস।

কিন্তু এটা খুঁজে পেতে হলে ঝুঁকি নিতে হবে।

আলভার যখন শীতনিদ্রায় ছিল,

এই বন দাপিয়ে বেড়িয়েছে এক নিশাচর শিকারী।

ধূসর নেকড়ে।

রাতের বেলা দলবেঁধে শিকার করে,

তারা তাদের চেয়ে পাঁচগুণ বড়ো আকারের শিকারকেও ধরাশায়ী করতে সক্ষম।

দুটো নেকড়ে একটা হরিণের মৃতদেহ ভক্ষণ করছে।

তারা হিংস্রভাবে নিজেদের খাদ্য রক্ষা করে,

আর দলবদ্ধভাবে, তারা একটা তরুণ ভালুককেও হত্যা করতে সক্ষম।

কিন্তু আজ রাতে, উপযুক্ত খাবারের জন্য এটাই আলভারের একমাত্র ভরসা।

তার জন্য সবচেয়ে সেরা উপায় সন্তর্পণে এগিয়ে যাওয়া...

আর তাদের কাছ থেকে চুরির চেষ্টা করা।

মানুষের দৃষ্টিতে, তাকে ঠাহর করা প্রায় অসম্ভব।

কিন্তু লো-লাইট ক্যামেরা প্রথমবারের মতো আমাদেরকে এই নৈশ নাটকের

রহস্য উন্মোচন স্বচক্ষে দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে।

আলভার নেকড়েগুলোর গুহায় ফিরে যাওয়ার অপেক্ষা করছে।

তারা যেকোনো সময় ফিরে আসতে পারে।

ছয় মাস উপবাসের পর, সে এই প্রথম উপযুক্ত খাবার পেল।

বাদামি ভালুক এক বসায় ৪০ কেজি মাংস খেতে পারে।

কিন্তু আলভার বেশিক্ষণ খাওয়ার সুযোগ পায় না।

ক্ষুধার তাড়নায়...

সে তার ছোট্ট জীবনের অন্যতম বড়ো জুয়া খেলে।

সে এক তাল মাংস চুরি করে বনের নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়।

আলভার অন্ধকারে পালিয়ে যায়।

ওজন ফিরে পাওয়ার জন্য আসন্ন দিনগুলোতে তাকে মৃতদেহ খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে।

শীতের দীর্ঘ, অন্ধকার রাত্রিগুলোতে, বোরিয়াল বনের আকাশ...

পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর জাদুকরী দৃশ্যের অবতারণা ঘটায়।

দ্যা নর্দান লাইটস।

স্থানীয় কিংবদন্তি অনুসারে এগুলো সৃষ্টি হয় ফায়ারফক্স নামক এক পৌরাণিক প্রাণীর দ্বারা...

যা তুষারের মাঝে এত দ্রুত দৌড়ায়,

যে তা রাতের আকাশে আলোর ঝলকানি সৃষ্টি করে।

এই ঝলমলে আলো বছরে ২০০ রাতজুড়ে এই বনকে আলোকিত করে রাখে।

শীতের শেষে বসন্তের আগমনে, রাত ছোটো হয়ে যাচ্ছে।

দেখে গোধূলি মনে হতে পারে, কিন্তু লো-লাইট ক্যামেরা ব্যতীত...

এটা প্রায় কুচকুচে কালো।

আলভার এবং এখানে বসবাসকারী অন্যান্য ভালুকেরা অন্ধকারে আশ্রয় খুঁজে নিয়েছে।

এটা বিশ্বাস করা হয় যে উত্তর ইউরোপের এই ভালুকগুলো নিশাচর হয়েছে...

আমাদের কারণে।

শতশত বছর যাবত তারা মানুষের শিকারে পরিণত হয়েছে

আর বুঝতে শিখেছে যে রাতই সবচেয়ে নিরাপদ সময়।

অন্ধকার হওয়ার পর বের হওয়ার জন্য নিজেদের দেহঘড়িকে পরিবর্তিত করে...

তারা এখানে টিকে থাকতে সমর্থ হয়েছে।

গত চার সপ্তাহে,

আলভার প্রতি রাতে অক্লান্তভাবে খাবার খুঁজে বেড়িয়েছে

আর মোটা হতে শুরু করেছে।

তবে এখন সে একজন সঙ্গী খোঁজার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

স্ত্রী ভালুক সামান্য ছোটো আর পুরুষদের চেয়ে প্রায়ই হালকা বর্ণের হয়।

সাত বছর বয়সী, আলভারের জন্য,

এটাই তার সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার প্রথম মৌসুম হতে পারে।

কিন্তু সে-ই একমাত্র 'এলিজিবল ব্যাচেলর' নয়।

প্রায় ৫০০ পাউন্ড ওজন বিশিষ্ট, এই পুরুষ ভালুকটি অবিসংবাদিত হেভিওয়েট।

সে এতটা বিশাল...

যে ছোটো আকারের প্রতিদ্বন্দ্বীরা তার ধারে ঘেঁষারই সাহস পায় না।

এক মৌসুমে, সে আটজন পর্যন্ত সঙ্গী পেতে পারে।

স্ত্রী ভালুকরা আকারে হয়তো তার অর্ধেক হতে পারে।

কিন্তু মিলনের ক্ষেত্রে দেখা যায়...

সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাদের হাতেই।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left