The first 200 lines.
আমি অলরেডি বলে দিয়েছি। ওকে
ভাই, সাবধানে। ধীরেসুস্থে গাড়ি চালিও
মাঝপথে গাড়ি থামালেন কেন? চোখে ঝাপসা দেখছি, ম্যাডাম।
শম্ভু! কী সমস্যা? কী হয়েছে তোর?
আমি ভ্যানিলা চাই, মা। ভ্যানিলা কী?
এতো অদ্ভুত আচরণ করছেন কেন? হে ঈশ্বর
আমাদের কলেজের অনেক শিক্ষার্থী এটার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে
শুধু শিক্ষার্থী না, সেইসাথে অনেক লোকও প্রভাবিত হয়েছে।
কী করবো ঠিক বুঝতে পারছিলাম না, আপনার কাছে আসার এটাই হলো কারণ
ব্যবসাতে খারাপ পরিণতি চিন্তা করতে নাই এসব ব্যবসাতে সাধারণ ব্যাপার।
আমরা কিছুই করতে পারব না। এটা ধোঁকাবাজি স্যার
গরু কেন দুধ দেয়? যাতে বাছুর খেতে পারে।
বাছুরদের না দিয়ে আমরা খেয়ে ফেলি সেটা কি ধোঁকাবাজি নয়?
এটাই দুনিয়ার নিয়ম। এটা আমাদের বন্ধ করতে হবে, স্যার।
৪/৫ মাসের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে। ওকে স্যার
সব তথ্যাদি এই ফাইলে আছে। এখন আমি যাচ্ছি, স্যার
তুমি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো, প্রবীণ? কয়টায় তোমার ফ্লাইট?
মধ্যরাতে? তাহলে আমাদের দেখা হবে না।
ঠিক সময়ে খাওয়াদাওয়া করবে। ওকে?
তোমাকে মিস করবো, প্রবীণ!
বাই, নিজের খেয়াল রেখো
হ্যালো হাই, অভি
বলো সুনি তোমাদের ফ্লাইট কয়টায়?
১০ টায়, কিন্ত বাবার জন্য ৮ টায় চেক-ইন করতে হবে।
মা'র প্রথম বিমানে ভ্রমণ সেহেতু জেট-ল্যাগ হতে পারে। ওনার খেয়াল রেখো।
নিউ জার্সিতে এখন প্রচুর ঠান্ডা। মা'কে ইউক্যালিপটাস তেল আনতে বলিস।
ওকে
আনু! কী হয়েছে? চোখ খোলো
আনু!
আনু? অভি?
কেমন আছো? আমি ভালো। তুমি এখানে কখন এলে?
বাবা ম্যানেজার পদে প্রমোশন পাবার পর আমরা এখানে শিফট হয়ে গেছি।
তাই নাকি? ৮ বছর আগে আমরা এখানে এসেছিলাম।
এখন এটা আমাদের জায়গা। ১৫ দিন আগে ভাইয়া আর আমি এখানে শিফট হয়েছি।
ভ্যানিলা?
লাক আমার
ভ্যানিলা
লাক আমার
আমি আগে বলেছি। না, আমি আগে বলেছি
ওকে, আমি তোমাকে কিনে দেব। এসো।
এই মুহূর্তটার জন্য আমি ভ্যানিলা কিনে দেব। চলো আমরা বাড়িতে যাই।
আমাদের বাড়ি মাত্র ৫ মিনিটের দূরত্বে। চলো আমাদের বাড়ি যাই।
ওকে, চলো যাই।
বিচ হাউজে? কাল আমি ব্যস্ত।
কী হলো? কিছু না।
আনু? কী হয়েছে? কিছু না, তুমি এসো।
মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর অনেক কোম্পানি থেকে চাকরীর অফার পেয়েছি।
কিন্ত আমি এখন জয়েন করতে চাই না। অন্তত দুইমাস ছুটি কাটাতে চাই।
আমার পরিবেশতত্ত্ববিদ্যা কোর্স প্রায় শেষ। কদিন পর প্রজেক্ট সাবমিট করবো।
প্রবীণের কী খবর? সে জার্মানিতে তার ফার্মাকোলজি কোর্স শেষ করেছে।
একটা সেমিনারে যোগ দিতে সে ওয়াশিংটনে গেছে
শেষ কবে আমাদের দেখা হয়েছিল?
আমার স্পষ্ট মনে আছে। দিনটার কথা আমি ডায়েরীতে লিখে রেখেছিলাম।
ওইদিন খুব বৃষ্টি পড়ছিল।
তুমি আর তোমার ভাইকে তোমাদের আঙ্কেল ব্যাংগালোরে নিয়ে যাচ্ছিল।
চিঠিটা দেয়ার জন্যে আমি দৌড়ে এসেছিলাম।
চিঠিতে কী লেখা ছিল তুমি পড়েছ?
সেই জায়গা, নদী, আমাদের বাড়ি সব একে অন্যের সন্নিহিত ছিল।
আমরা একসাথে দুজনে স্কুলে যেতাম।
স্কুল ছুটির পর দুজন একসাথে ভ্যানিলা আইসক্রিম খেতাম।
অতীতের সেই দিনগুলো দারুণ ছিল।
New vibes are passing as we are sitting besides
The remembrance is no more as the life is lost for the cute smile
The new wish of trekking is planned hand in hand
The dream of small examples leads to silence
তোমার বোন সুনন্দার কী খবর?
ও আমেরিকায় তার স্বামীকে নিয়ে স্যাটেল হয়ে গেছে।
আজ মা-বাবা নিউ জার্সি যাচ্ছে তার সাথে দেখা করতে
অভি, তুমি ধূমপান করো? না
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ কেন?
এমনিই জিজ্ঞেস করলাম। ওকে।
তোমার নাম্বারটা আমার ফোনে সেইফ করে দাও।
ফ্লাইট ছাড়বে কয়টায়? রাত ১০ টায়।
কিন্ত ওদের ৮ টায় চেক-ইন করতে হবে।
আমার নাম্বারে একটা মিসকল দাও।
শহরে গিয়ে কিছু জিনিস কিনতে হবে। বাবা- মা রাতে ফ্লাইটে উঠার পর আমি ফ্রি থাকব।
তারপর জমিয়ে আড্ডা দেয়া যাবে, ওকে! এখন আমি যাই, ওকে।
একমিনিট, অভি
তুমি নিজেই দেখে নাও
১২ বছর আগে চিঠিটা তোমাকে দিয়েছিলাম এখনো সেটা যত্ম করে বইয়ে রেখে দিয়েছ?
শুধু বইয়ে নয়, এটা আমার হৃদয়েও গেঁথে রেখে দিয়েছি।
Enclose to me slowly
Occupy without hesitating
Shouldn’t the time stop for a while?
The heart has to be won over yet!
The road to the love is been firm
Few steps are yet to walked
Have the wish to write the Poem lyrics on your sole
Enclose to me slowly Occupy without hesitating
Did you come? What took you so much time?
Have you filled the vehicle with petrol?
The letter that I had written long back Is permanently stamped in your heart
Have been breathing the memories Have been playing hide and seek in the heart
There is a force that makes me want to see you
Enclose to me slowly Occupy without hesitating
There is no more hesitation of the darkness Your episode is going to be on my dream
I surrender to the first love Surprised for the blossom of life
Have a desire to mix up in your shoulders
Enclose to me slowly
Occupy without hesitating
Shouldn’t the time stop for a while?
The heart has to be won over yet!
The road to the love is been firm
Few steps are yet to walked
Enclose to me slowly
Occupy without hesitating
বাবা! প্রথমবার মা বিমানে চড়তে যাচ্ছে। ওনার খেয়াল রেখো।
তুই চিন্তা করিস না। আমি প্রথমবার যাচ্ছি নাকি?
ওকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আমার। ওকে, বাবা।
দেখে মনে হয় বৃষ্টি আসতে পারে। সাবধানে গাড়ি চালাস, ওকে।
তোমরা যাও, সাবধানে থাকিস আর নিজের খেয়াল রাখিস।
আনু! কী হয়েছে?
লোকটা কে? সে এখানে পড়ে আছে কেন?
লোকটা কে, আনু? ওকে, ঠিক আছে। গাড়িতে গিয়ে বোসো।
আনু, কী হয়েছে? লোকটা কে?
লোকটা মারা গেছে! তুমি এখানে কেন এসেছ?
তুমি ওকে খুন করেছ?
রিল্যাক্স আনু শান্ত হও
সাহস রাখো, সব ঠিক হয়ে যাবে। পানি খাও।
অনেক ভয় পেয়ে গেছ তুমি, আনু। বাসায় গিয়ে বিশ্রাম নাও।
আমি না আসা অবধি কোথাও যাবে না। কারো সাথে এ ব্যাপারে কথা বলবে না।
কোন কল রিসিভ করবে না। ওকে, ভেতরে যাও।
আমি সকালে আসবো।
সুপ্রভাত, স্যার। কালাগুড়ি রেললাইনে একটা লাশ পাওয়া গেছে।
ফরেনসিক টিমকে সেখানে যেতে বলো। আমি আসছি।
ওরা অলরেডি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বের হয়েছে ওকে, আমি আসছি।
এক কাপ কফি দাও, জানু। বাড়িতে দুধ নেই।
দুধ এনে দিলেই কফি খাওয়াতে পারবো। পোড়া কপাল আমার!
ডগ স্কোয়াডের মতে, এই রাস্তা দিয়ে একটা গাড়ি এসেছিল।
নিশ্চয় গাড়িটাও এ ঘটনার সাথে জড়িত। মি. পূজারী! জ্বী স্যার!
পার্শ্ববর্তী কোন বাড়ির লোককে ডেকে আনো ওকে, স্যার।
রাতে অতিবৃষ্টি হওয়ার ফলে, চাকার দাগ, পায়ের ছাপ সব মুছে গেছে, স্যার।
নমস্কার স্যার। মৃতদেহটার ব্যাপারে কিছু জানো?
পেশায় আমি একজন পাহারাদার। শিফট শেষ করে ৯:৩০ টার দিকে কারাভালি হোটেল খেতে যাই।
আমি পরোটা আর মাংস খেয়েছিলাম। খাবারটা দারুণ ছিল, স্যার।
তোর পরোটা আর মাংসের কাহিনী দিয়ে আমি কী করবো?
তোকে মৃতদেহটার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি, তুই শুধু ওটার সম্মন্ধে বল।
স্যার একটা অনুরোধ, যখন আমি কথা বলবো, কেউ যেন মাঝখানে নাক না গলায়
কারণ আমি বিষয়বস্তু ভুলে যাই। ঠিক আছে, বল।
শিফট শেষ করে ৯:৩০ টার দিকে কারাভালি হোটেল খেতে যাই।
আমি পরোটা আর মাংস খেয়েছিলাম।
খাবারটা খুব দারুণ ছিল।
সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই। আমার স্ত্রী বাড়িতে ছিল না।
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি তখন ১০ টা বেজে গেছে।
টিভিটা অন করলাম আর ঠিক সেই মুহূর্তে সিরিয়াল শুরু হয়ে গেল, স্যার।
ওই সিরিয়ালের নায়িকাটা দেখতে খুব সুন্দর আর আকর্ষণীয় ছিল।
নায়িকাটা সেখানে মাছ ভাজছিল। মাছ আর ফিগার দিয়ে আমি কী করবো?
তোকে মৃতদেহটার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলাম। শুধু ওটার সম্মন্ধে বল।
স্যার, যখন আমি কথা বলবো তখন মাঝখানে কেউ নাক গলাতে পারবে না, নাহলে আমি সব ভুলে যাই।
কে এই আবাল? কোথা থেকে ধরে এনেছ?
ওকে, এখন আমাকে বলো। একমিনিট।
ও কথা বলার সময় মাঝখানে কেউ কথা বলবে না। ঠিক আছে? ওকে, স্যার।
তখন খুব বৃষ্টি পড়ছিল। ওইসময় একটা গাড়ি থামানোর শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম।
ঠিক তারপর কী হলো?
বলেছিলাম না মাঝখানে নাক না গলাতে আমি বিষয়বস্তু ভুলে যাই।
কী করছো পূজারী? কথার মাঝখানে বাঁহাত ঢুকিয়ে দেয়াটা কি তোমার অভ্যাস?
একটু চুপ করে থাকতে পারো না? সে কি মিথ্যে বলছে? স্যরি স্যার।
তুই বল
গাড়িটা ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে থাকায় আমার সন্দেহ হয়।
গিয়ে দেখতে চেয়েছিলাম কাহিনী কী কিন্ত বাইরে খুব বৃষ্টি পড়ছিল।
মিছে ঝামেলায় জড়ানোর দরকার কী? পুনরায় আমি সিরিয়াল দেখতে লাগলাম।
৫মিনিট পর, গাড়ি চলে যাবার শব্দ পেলাম। জানালা খুলে দেখতে লাগলাম কাহিনী কী!
সবাই গাছের মত দাঁড়িয়ে আছেন কেন? কিছু বলুন!
আমরা কথা বলতে পারি, স্যার? তোর বলা অনুসারে ৯:৩০টা থেকে তোমার কথাতে বাগড়া দিইনি।
মাছ, চিকেন কারি কিছুতেই না, ঠিক? না স্যার।
গাড়ির নাম্বারটা দেখেছিলে? না স্যার।
গাড়িটা কী রঙের ছিল? লাল রঙ।
গাড়িটার ব্যাপারে আর কোন ডিটেইল? ঈশ্বরের শপথ করে বলছি আর কিছু জানি না।
তুই আর পিছনে ফিরে তাকাবি না। হাটতে থাক, যা।
ব্যস এটুকুই, স্যার? হ্যাঁ
সত্যিই এটুকু জিজ্ঞেস করার ছিল? যা ভাগ, বোকাচোদা!
নিজের স্বার্থসিদ্ধি হয়ে গেলে আপনারা আর কাউকে চেনেন না।
গাড়িটা এখানে এসেছিল রাত ১০:৩০ টায়। এখান থেকে ৩কি.মি দূরত্বে একটা চেকপোস্ট আছে।
এখানে আসতে যেকোনো গাড়িকে ওই রাস্তাটা অতিক্রম করে আসতে হবে।
ওখানে গেলে গাড়িটার সব ডিটেইল পেয়ে যাব।
সুপ্রভাত স্যার
গতকাল রাত ১০-১১টার ভিতরে কয়টা গাড়ি এদিকে গেছে তা চেক করে আমাকে বলো।
১টা মারুতি ৮০০, ১টা কোয়ালিস আর ১টা টাটা সাফারি, স্যার।
মনে আছে কোন গাড়িটার রঙ লাল ছিল? টাটা সাফারি, স্যার।
গাড়ির নাম্বারটা নিয়ে RTO থেকে ডিটেইল বের কর। KA-20 B1419
আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটি এখন বন্ধ আছে। অনুগ্রহপূর্বক আবার চেষ্টা করুন।
এটাই সেই গাড়ি, তাই না? হ্যাঁ স্যার, এটাই সেই গাড়ি।
ভেতরে কে আছে দেখো আর বাইরে আসতে বলো। ওকে, স্যার।
আনু
আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটি এখন বন্ধ আছে।
বাড়িতে কেউ নেই, স্যার।
ওকে এদিকে নিয়ে এসো।
নমস্কার স্যার
তোমার নাম কী? হেমান্ত, স্যার।
কী করো তুমি? এশিয়ান পেইন্টে উপদেষ্টা পদে কাজ করি।
কিছু তোমার মুখেও লাগিয়ে নেয়া উচিত। এ বাড়ির সদস্যদের তুমি চেনো?
আমরা শুধু ফেসবুক ফ্রেন্ডস।
শুধু লাইক আর কমেন্টে বন্ধুত্ব সীমাবদ্ধ। এটাই সবকিছু?
গাড়িটার মালিক কি এ বাড়ির সদস্য? জ্বী স্যার।
বাড়ির লোকজন ফিরে আসার পর, ওদের আমার সাথে দেখা করতে বলবে।
ওকে, স্যার।
কী সমস্যা, স্যার?
কালগুড্ডে রেললাইনে আমরা একটা মৃতদেহ পেয়েছি। ওইসময় এই গাড়িটা সেই রাস্তা অতিক্রম করেছিল।
এই নিমিত্তে, সাধারণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ওরা বাড়িতে এলে আমাদের জানাবে।
হ্যাঁ, দোস্ত? কোথায় তুই?
No comments yet. Be the first to leave one.