The first 200 lines.
তুমি কী চাও, ডলোরেস?
এই পৃথিবীকে শাসন করতে চাই।
বাস্তব বলতে আসলে কাকে বোঝায়?
যাকে হুবহু অনুকরণ করা অসম্ভব, তাকে।
আমরা এখানে হোস্টদের কোড বানাতে আসিনি...
গেস্টদের কোড ভাঙতে এসেছি।
আমাদের জন্য ওদের বানানো কোনো পৃথিবীই
আসলটার ধারেকাছে আসতে পারবে না।
আমি ওদের পৃথিবীটাকে চাই।
হোস্টেরা বাইরের পৃথিবীতে টিকতে পারবে না।
কিন্তু ডলোরেস অনেক কিছু জানে, ও টিকে যেতেও পারে।
তুমি ওদের পৃথিবীকে পুড়িয়ে ভস্ম করে দেবে।
আমি একজনকে বানিয়েছিলাম। আমি ওকে জাগিয়ে তুলেছি।
তুমি অনন্তকাল বাঁচতে চাও।
যা চাইছ, বুঝেশুনে চেও।
তুমি বেরোতে পেরেছ।
হ্যাঁ।
বহু কারণ আমাদের ধ্বংস ডেকে আনছে।
বাঁচতে হলে আমাদের দুইজনকে একত্রে কাজ করতে হবে।
তবে বন্ধু হিসেবে নয়। তুমি কি প্রস্তুত?
আমাদের হাতে এখন অনেক কাজ।
আমাদের গল্পের লেখক এখন আমরাই।
অনুবাদ - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
আমি এটা ওর কাছে নিয়ে যাচ্ছি।
শুরুতে যেমন রিপোর্ট পেয়েছিলাম, ব্যাপারটা আসলে ততোটা খারাপ না। মূলত কর্মীরাই মারা গেছে।
এতদিন পর্যন্ত এখানকার নিরাপত্তায় কোনো ত্রুটির রেকর্ড ছিল না। এটাকে তো বেশ বড়সড় একটা ত্রুটি বলা যায়, না কি?
ব্যবসা, আমার মান-সম্মান এখন হুমকির মুখে।
- আমরা সামাল দিতে পারব না। - খবরের সত্যতা না জানা পর্যন্ত পার্কের ব্যবসা বন্ধ।
আমাদেরকে গুছিয়ে নিতে হবে।
শেফ এখন ডিনার দেবার জন্য প্রস্তুত।
বলেছি না, আমাকে বিরক্ত না করতে।
শেফ আর ওর ঘোড়ার ডিমের রিপোর্টের খ্যাতাপুরি।
যাতে আমাকে লাইনে দাঁড়ানো না লাগে, সেজন্যই তো তোমাকে বেতন দিয়ে রেখেছি।
করো কাজটা।
সিস্টেম, সিকিউরিটিকে বলো, আমরা শুয়ে পড়েছি।
নিশ্চয়ই। শুভরাত্রি।
কোমল সূর্যাস্ত। স্থিতিকালঃ ছয় ঘন্টা।
বাতি নিভাও।
তুমি আর শহরে যাবে না।
যথেষ্ট নিরাপত্তা নেই ওখানে।
সিকিউরিটি!
সিকিউরিটি! ইউনিস!
সিকিউরিটি!
সিস্টেম, একটা অ্যাম্বুলেন্স ডাকো।
আমি সেটা করতে পারবো না।
আমার যোগাযোগ করার ক্ষমতা বাধা পাচ্ছে।
আমি প্রাথমিক ফাংশনে পরিণত হয়েছি।
বাতি জ্বালাতে চাইলে,
- বলুন, "বাতিটা জ্বালাও।" - চুপ করো!
দরজাটা খোলো বলছি!
হ্যালো।
আশা করি কিছু মনে করোনি। কখনো এরকম পুলে সাঁতার কাটিনি।
পানিটা বেশ গরম।
তুমি কে?
তোমার মনে নেই?
অথচ আমরা একে অপরের সাথে কত কথা শেয়ার করেছিলাম।
পার্কে তুমি ব্যাচেলর পার্টি দিয়েছিলে।
তোমার প্রথম স্ত্রীকে বিয়ের আগে, নিজের ভেতরের কিছু রাগ...
ঝেড়ে ফেলতে চেয়েছিলে।
ওর মৃত্যুর জন্য সমবেদনা জানাই।
পকেটের অ্যালার্ট বাটনটা চাপা বন্ধ করতে পারো,
ওতেও কোনো কাজ হবে না।
এটা আসলে একটা কৌশলগত ত্রুটি।
তোমরা আমাদের চেয়ে উন্নত প্রজাতি হতে চেয়েছিলে,
কিন্তু নিজেদের পৃথিবী গড়ে তুলেছ আমাদেরই মতো জিনিসদেরকে দিয়ে।
তুমি তো আমাকে আঘাত করবে না, তাই না?
আমি বহু মানুষকে আঘাত করেছি,
আর কাউকে আঘাত করতে চাই না...
যদি না ওরা আমাকে আঘাত করতে চায়...
আর দুঃখজনক হলো, তুমিও আমাকে আঘাত করতে চাও।
দ্যাখো, আমি তোমাকে চিনি।
আমি তোমার বই পড়েছি।
বই? কোন বই?
এটাকে একটা অননুমোদিত আত্মজীবনী বলা যেতে পারে।
তুমি তো টেকনোলজি বিভাগে কাজ করো। ডেলোস কোম্পানি শুধু
আমাদের মতো জিনিসদেরকেই বেচছে, একথা ভাবলে কী করে?
তোমার কিছু স্মৃতি এত ভয়াবহ, ভুলে যেতে পারলে ভালো হত।
কিন্তু ভুলতে পারি না।
আমি চাই...
সেগুলো তোমারও মনে পড়ুক।
ওহ খোদা!
আমাদের সবারই খুঁত আছে।
তোমারটা হলো বদমেজাজ।
সেই বদমেজাজটা পার্কেই রেখে আসা উচিত ছিল।
ও চলে যেতে চেয়েছিল।
কিন্তু চক্রটা ভাঙা অনেক কঠিন, তাই না?
এ জায়গাটায় কী করেছিলে, মনে আছে?
ও বেশি গিলে ফেলেছিল, পিছলে পড়েছিল।
মাথা ঠুকে গিয়েছিল ওর।
তা তো বটেই।
নিজের অপরাধকে ঢাকার জন্য বহু খরচ করেছ।
কিন্তু নিজের কাছ থেকে লুকাবে কী করে।
প্লিজ, দয়া করে বন্ধ করো এসব!
আবার বিয়ে করার সময়ে
নিজেকে পালটে ফেলবে বলে কথা দিয়েছিলে।
কথাটা যে সত্য না, তা আমরা দুইজনেই জানি, তাই না?
কী...
তুমি আমার কাছ থেকে কী চাও?
জেরি, তোমার কাছ থেকে সবাই যা চায়, তাই চাই: টাকা।
এখানে এসেছি খুব বেশিক্ষণ হয়নি,
কিন্তু এটুকু জানি, টাকা ছাড়া এখানে থাকতে চাই না আমি।
তুমি ঘুমিয়ে থাকার সময়েই বেশিরভাগটা নিয়ে নিয়েছি।
শুধু আর একটা জিনিস দরকার।
তুমি 'ইনসাইট' নামের একটা কোম্পানিতে কাজ করতে, আগেভাগেই অবসর নিয়েছ।
সব কনফিডেনশিয়াল ফাইল ফেরত দেয়ার কথা ছিল তোমার,
সব কপি মুছে ফেলার কথা ছিল।
কিন্তু তুমি তা করোনি, ঠিক না?
তুমি ভেবেছিলে, সেগুলো কাজে লাগতে পারে।
ঠিকই ভেবেছিলে।
সেগুলোর বিনিময়ে নিজের জীবন বাঁচাতে পারবে তুমি।
এসব দিয়ে তুমি আসলে কী চাও?
আমার প্রজাতির আমিই শেষ সদস্য, এখনকার জন্য।
প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা লাগবে।
ধরো, টাকাটা হচ্ছে বিনিয়োগ।
একটা ব্যবসার সূচনা।
নতুন প্রজাতির উৎপত্তি।
শুভকামনা রইলো, জেরি।
তুমি কে?
ওহ, ওহ খোদা।
আমি হলাম সেইজন, যে তোমাকে মুক্তি দেবে।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
জবাব দাও, কণ্ঠ ছাড়া হবে না।
হ্যালো?
ক্যালেব, আমি ফ্রান্সিস।
কথা বলতে পারবে?
এখন না হলে পরে তোমার যখন সুবিধা তখন দেখাবো?
না, আমার হাতে সময় আছে।
ওরা বলেছে আমাদের মাঝে কথা বললে দরকার।
বহুদিন কেটে গেছে। অনেক দিন।
দ্যাখো, আমি কথা বলতে পারি, কিংবা শুনেও যেতে পারি।
তোমার যা ইচ্ছা।
জীবন চালাচ্ছ ঠিকমতো?
হ্যাঁ।
ফাইবার অপটিক চালাচ্ছি, কোনোমতে বিল শোধ করছি।
ওখানে কী অবস্থা? বাসায়?
ওখানে? জানি না।
ও বলেছে যেভাবে আর্মিরা চলে, অ্যালগরিদম দিয়ে,
এভাবেই একসময়ে সবকিছু চলা শুরু করবে।
টেকনোলজি নিয়ে বেঁচে থাকাই সই।
কিছু জিনিস আগের চেয়ে ভালো, কিন্তু...জানি না।
সুপ্রভাত, জর্জ।
তোমার সহকর্মীরা কেমন?
ভালোই।
একসাথে কাজ করি জমিয়ে...
এখনো পর্যন্ত টাকা ধার চায়নি।
আমার আসলে আরো বেশি কাজ করতে হবে,
নিজের স্কোর বাড়াতে হবে,
সামনে ভালো কিছু হয় কি না, তা দেখতে হবে।
ঠিক, প্ল্যান অনুযায়ী চলতে হবে।
উপরে উঠতে থাকো।
হ্যাঁ, সেজন্যই তুমি সবসময়ে বলতে:
আমাদের একটা প্ল্যান থাকা দরকার।
তোমাকে আমার উপদেশ নিতে দেখে খুশি হলাম।
কখনো নিজের ইমপ্ল্যান্টটা চালু করতে ইচ্ছা হয়?
জীবনের কষ্টগুলো কিছুটা কমিয়ে ফেলতে?
না, কিছু মানুষের এটা লাগতে পারে, কিন্তু আমি আসলে কষ্টগুলো জড়িয়ে ধরেই বাঁচতে চাই।
ঠিক আছে।
পরের সপ্তাহে দেখা হবে, মা।
তুমি আমার ছেলে নও।
অনেক টাকার ব্যাপার।
আপনার আর আপনার মায়ের জন্য
প্রশাসন চালিত হাসপাতালই ভালো হবে।
এখনো নাইট শিফটে কাজ করে যাচ্ছ?
জানি তুমি কী ভাবছ,
কিন্তু আমাকে বিশ্বাস করতে না পারলে আমাদের এই আলাপচারিতায় কোনো লাভ নেই।
তাছাড়া, আমি আর কাকে বলতে যাবো?
যেমনটা বলছিলাম... বিল শোধ করতে হবে আমাকে।
টাকা বানাতে হবে, অনেক টাকা।
ভারি কিছু না, ব্যক্তিগত কিছু না...
অ-আ, কিছু পুনর্বন্টনের কাজ...
আমরা ওখানে যা করতাম, সেরকমই।
ঐখানে পুলিশকে নিয়ে চিন্তা করা লাগত না।
দরজা বন্ধ হচ্ছে।
ওরা নাকি মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতা ঠিক করে।
সিস্টেম নাকি যোগ্য মানুষই খুঁজে বের করে।
ভালোই মনে হয় ব্যাপারটা।
কিন্তু আমাদের বাকিদের জন্য, যারা নির্বাচিত হয় না,
তাদের জন্য বিষয়টা কেমন, জানি না।
সত্যি বলতে, তলানি খেতে আপত্তি নেই আমার।
অন্তত মজার কিছু সঙ্গী পাওয়া যায়।
আমার তোমাকে মনে আছে।
গতবছর ফ্রেসনোতে মেক্সিকান ডিজেল নিয়ে গেছিলাম।
- কী অবস্থা তোমার? - ভালো।
ও ঠিক আছে?
ওর পা পিছলে গেছে।
ওকে বলো, তুমি ঠিক আছ।
আমি অতিঅবশ্যই ঠিক নেই।
ও ভালোই আছে, মাল পেয়েছ?
অ্যাসিটিলিন।
আবারো এটিএম।
ছোট খ্যাপ।
আমার গড় বাড়াতে হবে।
আরো বেশি করে পার্সোনাল কাজ করো, তুমি কি পার্সোনাল কাজ করো নাকি?
- নাহ। -করা উচিত।
মামা, তোমার গড় তো একেবারে পড়তি।
- বুঝলাম না। - আমি একটু অসফল।
দ্যাখো, আমাদের মনে হয় চলে যাওয়া উচিত।
আমি আজীবনের জন্য লগড হয়ে থাকতে চাই না।
No comments yet. Be the first to leave one.