The first 200 lines.
বিক্রম...
বিক্রম,
বিক্রম,
বিক্রম, প্লিজ বিক্রম। আমার ভয় করছে।
ছেড়ে দেও আমাকে, - সুস্মী...
বিক্রম...
সুস্মী...
বিক্রম, প্লিজ বিক্রম,
আমার ভয় করছে।
ছেড়ে দেও আমাকে, প্লিজ।
কারা তোমরা?
বিক্রম...
এই, ওকে ছেড়ে দে....
সুস্মী, প্লিজ... - না।
না..., প্লিজ... প্লিজ...
বিক্রম...
তোমাকে এটা বলতে খুব কষ্ট হচ্ছে।
কিন্তু তোমাকে তোমার ডিপার্টমেন্ট ছাড়তে হবে, বিক্রম।
আমি এটা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথেই বলছি।
কী..?
আমি এটা ছাড়তে পারব না।
কেন বুঝতে চাইছো না?
তুমি ক্লাসিক পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেসে আছো।
আর এটা এমন পর্যায়ে চলে এসেছে যে তোমার রক্ত চাপকেও প্রভাবিত করছে।
তোমার রক্তচাপে অস্বাভাবিকতা দেখা দিয়েছে।
আর এমনটা চলতে থাকলে... - আমি জানি।
আমাকে কিছু ওষুধ লিখে দাও। বাকিটা আমি দেখে নেব।
কিন্তু এই ডিপার্টমেন্ট ছাড়া আমার পক্ষে সম্ভব না। - ওষুধে কোনো কাজ হবে না বিক্রম।
সমস্যাটা হচ্ছে, কর্মক্ষেত্রের ছোট ছোট বিষয়ও তোমাকে তোমার অতীতের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
কিছুটা ট্রিগারের মত।
আর এটার কারণেই তোমাকে সবসময় আতঙ্কে ভুগতে হচ্ছে।
উচ্চ রক্তচাপের এই অস্বাভাবিকতা কিন্তু তোমার হৃদযন্ত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
এসব গোপন রাখলেই ভালো হয় রূপা, ধন্যবাদ!
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সাইফুল ইসলাম সাকিব
এটি আমার ৫ম একক বাংলা সাবটাইটেল। ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।
হাই বিক্রম।
শুভ সকাল স্যার।
শব্দটা একটু বন্ধ করতে বলবে?
এই, মেশিন বন্ধ করে দাও।
আমাদের কাছে তথ্য আছে যে লাশ এখানেই কোথাও আছে।
কিন্তু আমরা চারপাশে ছয় ঘন্টা ধরে খুঁজেও কিছুই পাইনি।
তাছাড়া এই এলাকাটাও অনেক বড়।
বিশ্ব স্যার আপনার সাথে যোগাযোগ করে আপনার সাহায্য নিতে বলেছেন।
স্যার, ঐ দিকে না। সবাই....
রনি, স্যালুট।
উনি বুনো গুল্ম কেন তুলছেন, স্যার?
দেখতে থাকো...
সমস্ত কনস্টেবলকে এখানে ডাকো।
এগুলো বুনো গুল্ম।
এরকম তিনটা বুনো গুল্ম কোথাও একসাথে দেখলে আমাকে জানাবে।
স্যার...
রোহিত, একটু দেখ তো।
সবাইকে দুইটা দলে বিভক্ত করে আলাদা আলাদা দিকে পাঠাও।
তোমরা এই দিকে যাও, আর তোমরা ঐদিকে।
তোমার নাম কী?
সীনু।
স্কুলে যাও?
সত্য কথা না বললে কিন্তু আমি ধরে নিয়ে যাব।
না।
তোমার মালিককে ডেকে আনো।
স্যার...
এখানে খুঁড়ে দেখো।
এখানে ফরেনসিক থেকে কে এসেছে?
আমি, স্যার।
এই...
আস্তে আস্তে কর।
বয়েজ... - স্যার।
দ্রুত স্ট্রেচার নিয়ে এসো। - জ্বী, স্যার।
লাশটা ঠিক করে ঢেকে দেও।
গোবিন্দ, তাড়াতাড়ি কর।
গাড়িতে উঠাও
একটু দাঁড়াও, আমি আসছি। - তুই ঠিক আছিস তো?
তাড়াতাড়ি কর। নিয়ে এসো... - চল!
লাশ ওখানে আছে বুঝলি কীভাবে?
জানিস কৃষকরা জমি থেকে কেন বুনো গুল্ম তুলে ফেলে?
আগাছা মাটিতে বিষের ন্যায় কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে।
যার কারণে এদের আশেপাশে কোনো গাছপালা জন্মাতে পারে না।
বুনো গুল্ম জন্মায় এমন জায়গা যদি আমরা খনন করি, তাহলে মাটিতে থাকা এই রাসায়নিক পদার্থগুলো নষ্ট হয়ে যায়।
এর ফলে ওই স্থানে সব ধরণের বুনো গুল্ম জন্মাতে পারে।
আমি শুধু খুঁজে বের করেছি কোন জায়গাটা সম্প্রতি খনন করা হয়েছে। ব্যস!
ফরেনসিক টিমকে নমুনাগুলো সংগ্রহ করতে বলে দিও।
আমার যত দ্রুত সম্ভব রিপোর্টগুলো দরকার। - জ্বী, স্যার।
তোদের এখানে কী কাজ?
বিশ্ব স্যার আমাদেরকে এখানে আসতে বলেছিলেন।
আমাকে তো এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
স্যার...
স্যার...
দরকার নেই স্যার... আমি সামলাতে পারব।
ঠিক আছে, স্যার।
ও আর ওর দাঁড়ি...
ওকে দেখে কি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এর কেউ বলে মনে হয়?
উনি তো এটাই চান, স্যার, তাই না?
স্যার, সাধারণ জনগণের মাঝে মিশে যাবার জন্য...
দুঃখিত স্যার।
তো, এখানে কী হয়েছিল?
স্মার্ট সাজার চেষ্টা করিস না।
এখানে তেমন কিছুই হয়নি। এটা সুস্পষ্ট আত্মহত্যা।
কিন্তু আমি ভাবছি তোকে কেন এই কেসে ডাকা হল।
ভালো করে তদন্ত করেছিলি?
আপনাদের সবার কেন মনে হচ্ছে এটা আত্মহত্যা?
এই যে... ভিডিও সুইসাইড নোট।
একটা সময় সবাই কাগজে লিখতো।
আর এখন প্রযুক্তি উন্নত হওয়ায় ভিডিও সুইসাইড নোট তৈরি করে।
আমি নিজেই আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী, দুঃখিত।
আমি কি ফোনটা দেখতে পারি?
তুই এতোটা বোকা, অভিলাষ?
উনি ঘরে একা থাকলে উনার মৃত্যুর পরে ভিডিওটা কে থামিয়েছিল?
আমি নিশ্চিত ঘরে আরো কেউ ছিল যে এই ভিডিওটা থামিয়েছিল।
ফোনে এমন কোনো এপসও নেই যেটা নিজে থেকেই ভিডিওটাকে থামিয়ে দেবে।
আর তুই গ্লাভস ছাড়াই ফোন স্পর্শ করেছিস।
এই ঘর থেকে কোনো অদ্ভূত গন্ধ নাকে আসছে না?
জানিস এটা কীসের গন্ধ?
এটাকে বলা হয় কালি বার্নিশ।
শুধুমাত্র চিত্রশিল্পী, কাঠের কারিগর আর কালি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের লোকরাই এটা ব্যবহার করে থাকে।
আর বাড়িতে কোনো দরজা অথবা জানালা ভাঙ্গা নেই।
এই লোকটা হয়তো খুনির আসার জন্য বাড়ির দরজা খুলে রেখেছিল।
তার মানে এই লোকটা খুনিকে চিনতো।
কিন্তু খুনি দরজা দিয়ে বের না হয়ে জানালা দিয়ে লাফ দিয়েছিল।
পাইপে তার চিহ্নও রয়েছে।
ওর জুতায় আটকে থাকা টুকরাটা হয়তো জানালা দিয়ে লাফ দেওয়ার সময় পড়ে গিয়েছিল।
তাই তোর তদন্ত এই লোকের পরিচিত চিত্রশিল্পী, কাঠের কারিগর অথবা...
কালি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের লোকদের থেকে শুরু কর।
তাহলেই খুনিকে খুঁজে পাবি।
উনাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
এই অভিলাষ, কোনো কেস সমাধান করতে হলে দাঁড়ি নিয়ে না ভেবে, মাথা দিয়ে ভাব।
পরের বার থেকে চেষ্টা করিস!
শ্রীনিবাস ফোন করেছিল?
হ্যাঁ। গত সপ্তাহে কথা হয়েছিল।
কোনো সমস্যা হলে আমাকে বলিস।
আমি...
এই, - হাই।
এতো তাড়াতাড়ি চলে আসলে যে।
আমার আরেকটু সময় লাগবে।
আমি অপেক্ষা করছি। তুমি যাও। - নিশ্চিত তো?
হাই, রোহিত। - হাই, নেহা।
তোমাদের জন্য কফি অর্ডার করবো?
না, লাগবে না। - সমস্যা নেই। আমরা ঠিক আছি।
তুমি তোমার কাজ শেষ কর। আমরা অপেক্ষা করছি।
ঠিক আছে, আমি তাহলে আসছি।
হাই ডাক্তার, রেজাল্ট এসেছে?
হ্যাঁ, দুই ঘন্টার মধ্যে।
আমরা আরো উন্নতি করার চেষ্টা করছি।
এক ঘন্টার মধ্যে DNA ম্যাচিং এর পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে পারলে দারুণ হবে।
আমাকে খবরাখবর জানাবেন।
রমনা স্যার, ব্যালিস্টিক রিপোর্ট কি প্রস্তুত?
হুম, প্রস্তুত হচ্ছে।
প্লিজ এটা মিঃ ভেঙ্কটেশকে ইমেল করে দেবেন আর আমাকেও এক কপি মেইল করবেন।
আন্টি কেমন আছেন?
অবস্থা খুব একটা ভালো না।
ডাক্তার মুম্বাই নিয়ে যেতে বলেছেন।
আমার ভাই ওখানেই থাকে, সে এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়ে যাবে বলেছে।
কোনো দরকার হলে নির্দ্বিধায় বলিস।
বাবা-মায়ের ব্যাপারে আগে গুরুত্ব দিবি। - অবশ্যই।
ছবিটা আরেকটু পরিষ্কার করার চেষ্টা কর।
নাহলে তদন্তকারীরা আবার ফেরত পাঠাবে।
তোর সেরা শটটা দে।
স্বপ্না কেমন আছে? - ভালো আছে।
এখন আর আমাদের বাড়িতে আসিস না কেন?
নতুন বাসায় একবারও আসলি না। - হুম, পরের সপ্তাহে নিশ্চয় একদিন যাব।
আরে, বিক্রম...
আরে, হাই শিন্ডি।
সবসময়ের মতো নেহা অপেক্ষা করিয়ে রেখেছে নাকি?
আমি ইমেইল পাঠিয়ে দিয়েছি, একবার দেখে নিন।
সে একটা নতুন কেসে আছে... - দুঃখিত, চলো।
শিন্ডি, আমাদের সাথে চল। - না... না।
আমি শুধু ওর সাথে দেখা করতে এসেছিলাম। তোমরা যাও।
বাই। - বাই শিন্ডি।
ঠিক আছে বিক্রম, আমি তাহলে আসি। স্বপ্না হয়তো আমার অপেক্ষায় আছে।
আচ্ছা। - বাই, নেহা।
তো?
আজ সারাদিন কেমন কাটলো?
হুম, মোটামুটি ভালোই।
রূপা ফোন করেছিল।
সে কি কোনো রোগীর তথ্য গোপন রাখতে পারে না?
তুমি কি এখন আমাদের নামে মামলা দেবে নাকি?
এসব ভিতরে রাখো।
কফি খাবে?
হুম, প্লিজ।
কেন ভিকি?
তোমার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে জেনেও চাকরিটা ছাড়তে সমস্যা কোথায়?
থামো, নেহা।
কী হয়েছে রোহিত?
তুমি কি মা'কে নিয়ে চিন্তা করছো?
এই সময়ে এসব নিয়ে চিন্তা করো না।
তুমি তোমার ওষুধ ঠিক মত খাচ্ছো তো?
আমার কথাটা একটু চিন্তা কর, ভিকি।
আমি তোমাকে হারাতে চাই না।
তোমার রক্তচাপ বেড়েই চলেছে। - নেহা, প্লিজ...
আমি জানি তুমি আমার ভালোর জন্যই বলছো।
কিন্তু এই চাকরিটা ছাড়া আমি থাকতে পারব না। দয়া করে বোঝার চেষ্টা কর।
আমাকে বলো, কেন?
বিক্রম কেমন আছে?
ভালো আছে।
তাকে আমাদের বাসায় একদিন আসতে বলতে পারো।
আমরা এখানে আসার পর সে একবারও আসেনি।
কিছুক্ষণ আগেই ওকে বলেছিলাম... সময় পেলেই আসবে বলেছে।
তোমাকে এটা কীভাবে বলবো জানি না, নেহা।
এই সবকিছু আমার অতীতের সাথে জড়িয়ে আছে।
কিন্তু, তুমি কখনও... - আমি জানি আমি কখনও তোমাকে আমার অতীত সম্পর্কে কিছুই বলিনি।
কিন্তু বিশ্বাস করো,
No comments yet. Be the first to leave one.