The first 200 lines.
আরেকটা ধাক্কা...
- ও মাথায় বাড়ি খেয়েছে। - না খায়নি।
ও কি মাথায় বাড়ি খেয়েছে?
না, তার আগেই ধরে ফেলেছে।
কিন্তু মেঝেতে তো পড়েছে। আমি দেখেছি।
- না, পড়েনি। - ওকে ফেলে দিয়েছো!
সোনা, দিব্যি বলছি। ও ঠিক আছে।
ও কাঁদছে না কেন?
ও কাঁদবে... কাঁদাই তো উচিত, ঠিক না?
ও শিগগির-ই কেঁদে উঠবে।
ওকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?
কী হয়েছে?
ও নি:শ্বাস নিচ্ছে না কেন?
- ওকে মেরে ফেলেছো? - না!
আমার বাচ্চাকে মেরে ফেলেছো?
আমি ওকে নি:শ্বাস নিতে দেখেছি।
- ওকে ফেলে দিয়েছিলে? - না! ফেলিনি।
- তুমিই ওকে নিতে বাধ্য করেছো। - নার্স নিচ্ছে ওকে।
হ্যাঁ, নিচ্ছি! নিচ্ছি...
ওকে ঝাঁকুনি দিচ্ছেন কেন?
অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄
শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনাক্রমে মাউথওয়াশ খেয়ে ফেলেছি।
এতে পাকস্থলীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা নেই...
একবার খেলে কিছুই হবে না।
কয়েক সপ্তাহ আগেও অনেকখানি খেয়ে ফেলেছিলাম।
আমি নিশ্চিত কিছুই হবে না।
আগামীকাল আমার মায়ের বাসায় যাচ্ছি।
আমি তা জানি। তোমার বাবার মৃত্যুবার্ষিকী।
এইদিনেই তিনি মারা গিয়েছিলেন।
এই বাপ্যারে তোমার অনুভূতি কী?
আমি তো তাকে কখনো দেখিনি।
আমি বাড়ি ফেরার অনুভূতির কথা বুঝিয়েছি।
স্বপ্নটা আবারো দেখেছি।
আসল প্রসঙ্গেই থাকি।
সেখানে যাবার ব্যাপারে কেমন অনুভব করছো?
ফিরে যাচ্ছি বলে ভালোই লাগছে।
বহুদিন বাড়ি যাইনি।
তাই নাকি?
কয়েক মাস।
এজন্য কি তোমার অনুশোচনা হচ্ছে?
আর...
ওখানে যাবার সময়,
কোনো ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে যাচ্ছো কী?
সুনির্দিষ্ট কোনো ফলাফলের আশায়?
যেমন?
বাস্তবসম্মত কোনো আশা নিয়ে যাচ্ছো বলে মনে হচ্ছে?
আগেরবার তৃষ্ণার্ত হয়ে একটা কুয়োর কাছে গিয়ে, পানি দেখে অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকলে,
সেই একই কুয়োর কাছে ফিরে গিয়ে নিরাপদে থাকার আশা করা কি বাস্তবসম্মত?
হুম।
কখনো কি ওনার মৃত্যু কামনা করেছিলে?
কী?
অবশ্যই না!
করলেও সেটাকে তেমন পাগলামী বলা যায় না।
একইসাথে কোনোকিছু চাওয়া এবং না চাওয়া অসম্ভব কিছু নয়।
দুটো অনুভূতি-ই একসাথে থাকতে পারে।
আমরা এখানে এসেছি ওই সমস্ত চিন্তাগুলো ঝেড়ে ফেলবার জন্যই।
আচ্ছা।
হাইড্রোটিপনল ব্যবহারে কেমন লাগছে? এখনো চোখ চুলকায়?
চোখ পিটপিট না করলে চুলকায়।
উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করছে তো?
আম...
আমি বলি কী,
নতুন একটা দারুণ ঔষধ লিখে দেই তোমাকে...
যেটা সবদিক থেকেই ভালো কাজে দেবে বলে মনে হয়।
সবসময় পানি দিয়ে খাবে।
সবসময়। যদি দমের কোনো তারতম্য ঘটে কিংবা গরম লাগে,
সাথে সাথে আমাকে কল দেবে। ব্যাপারটা সিরিয়াস।
যাত্রা শুভ হোক।
হাই, গাজরমুখী, মা বলছি।
শুধু এটুকু বলতে কল করেছি যে...
আগামীকাল তোকে দেখতে একদম-ই তর সইছে না আমার।
- জোসেফ? - তুই আমার কলিজার টুকরা,
ভালোবাসি তোকে।
আচ্ছা। ভালোবাসি। আচ্ছা। বাই, বাবা। তোকে ভালোবাসি।
তোকে না বলেছি আম্মুর পাশ থেকে একচুলও নড়বি না!
হ্যালো।
- দয়া করে এটা দেখতে পারি? - ওটা?
ভেবেছো আমি লাফ দেবো না!
তোমরা সত্যিই চাও আমি লাফিয়ে পড়ি?
ওহ, তাই?
বিপ বিপ!
এক্সকিউজ মি। লোকটা করছে'টা কী?
ব্যাটাকে ঝাঁপ দেওয়ানোর চেষ্টা করছি।
চুপ কর, শালি! মর তুই!
- সর আমার কাছ থেকে। - ফাজলামো বন্ধ কর!
সরে যা। সর আমার কাছ থেকে।
আপনার জন্য চিকেন নুডলস।
- সরে যা। - আপনাকে দেখে...
স্যুপ প্রিয় লোক মনে হচ্ছে।
- মর তুই! - সরে যা!
গরম!
খোদা, আমাদের ক্র্যাকার্স শেষের দিকে।
হেই, বাবা।
"বার্থডে বয় হন্তারক" খ্যাত লোকটির সন্ধান এখনো চলমান রয়েছে,
যে গতসপ্তাহে আরো তিনজিনের প্রাণ নিয়েছে।
লোকটি খালি গায়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে চুপিসারে পথচারীদের ঘাড়ে ও পেটে ছুরি মারার জন্য পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শীরা লোকটিকে একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষ বলে শনাক্ত...
হ্যালো?
বাঁচাও!
প্লিজ বাঁচাও!
আমার একটু ঘুম দরকার!
ওহ, তাই?
আয়, নাচ!
মাফ করবেন, স্যার? আমার ব্যাগ আর চাবিটা তো এখানেই ছিল।
তুমি শেষ, বন্ধু।
আরে, দাঁড়ান। এটা কেন বললেন?
- হ্যালো? - ওহ, হাই, মিসেস ওয়ালস্কি।
এপার্টমেন্ট ৩০৩ এর বোও ওয়াসারম্যান বলছি।
আপনাকে কল করছি কারণ আমার চাবি...
না, প্লিজ, আইনজীবী না!
না, না। ওহ, দু:খিত। আমি আইনজীবী না,
আপনার একজন ভাড়াটিয়া। একজন তালাত্তয়ালা লাগবে আমার।
- এয়ারপোর্টে যেতে দেরি করে ফেলেছি। - ধন্যবাদ।
হ্যালো?
হ্যালো?
- হ্যালো? - হাই, মার্থা।
দু:খিত, মা বাসায় আছে?
বোও! সোনামানিক! হ্যাঁ, সে এখানেই আছে।
বোও?
হাই, মা।
হাই... হাই, গাজরমুখী। তুই কি এয়ারপোর্টে?
না, এখনো যাইনি।
রাস্তায় আছিস?
-ট্যাক্সিতে আছিস? - না, মা...
ট্যাক্সিতে করে যেতে কতোক্ষণ লাগে?
মা, আমি... তোমাকে চিন্তায় ফেলতে চাই না,
আমি বেরোতেই যাচ্ছিলাম,
কিন্তু কিছু একটা...
জানি না। সারারাত জেগেছিলাম...
কারণ আমার প্রতিবেশী শব্দ করা নিয়ে দরজার নিচ দিয়ে বারবার চিরকুট দিচ্ছিলো,
যদিও কোনো শব্দ করিনি আমি।
তারপর উঠতে দেরি করি, আর বের হতে যাবার সময়,
একটা জিনিস ফেলে আসায়, আবার ভেতরে ঢুকি।
তারপর বেরিয়ে আসি আর...
দেখি দরজা থেকে চাবিটা চুরি হয়ে গেছে।
ওহ, খোদা।
তাহলে এখন কোত্থেকে ফোন করছিস?
আমার এপার্টমেন্ট থেকে।
দাঁড়া, কয়টা বাজে এখন? ৪:৩০ না?
হ্যাঁ, জানি।
বাবা, একঘন্টার মধ্যে তোর ফ্লাইট ছেড়ে দেবে!
জানি, কিন্তু মা, দরজা থেকে আমার চাবি চুরি হয়ে গেছে।
মা?
মা!
মা...
ঠিক আছে, খোকা। বুঝতে পেরেছি।
দাঁড়াও, কী ঠিক আছে? একদমই ঠিক নেই।
কী বুঝেছো তুমি?
না, অবশ্যই ঠিক নেই। তোর চাবি চুরি গেছে।
সাংঘাতিক ব্যাপার এটা।
ওগুলো চুরিই হয়েছে।
তাহলে অন্যকোনদিন আবার বেড়াতে আসা যাবে।
আমি নিজেও চলে আসতে পারি, তাই মাথাব্যথার কারণ নেই।
এটা মাথাব্যথা না। কোনো মাথাব্যথা-ই না।
আসলে কি জানো? এরপরও চলে আসতে পারি।
আমি এরপরও আসছি, রওয়ানা দিচ্ছি। শুধু...
আমার কী করা উচিত বলে মনে হয়?
আমার কী করা উচিত বলে মনে হয়?
আমি নিশ্চিত তুই সঠিক কাজটাই করবি, খোকা।
সঠিক কাজটা কী?
কোনটা সঠিক কাজ হবে?
আমি কি পুলিশ ডাকবো?
নাকি এখনো বাড়ি যাওয়ার কোনো উপায় আছে আমার।
কিন্তু কাজটা কি নিরাপদ হবে?
যদি আমার এপার্টমেন্টের গেট খোলা থাকে,
আর কারো কাছে আমার চাবি থাকে, জানি না কী হচ্ছে এসব।
মানে, ব্যাপারটা নিরাপদ ঠেকছে না।
কাজটা নিরাপদ না, তাই না?
বোও...
কী?
না।
হ্যাঁ।
তোর চাবির জন্য দু:খ লাগছে, খোকা, আমাকে রাখতে হবে।
না, রাখতে হবে না তোমাকে।
- মা... -আশা করি ওগুলো খুঁজে পাবি।
দাঁড়াও, দাঁড়াও, ব্যাপারটা সমাধান করা যাক।
সমাধান করে ফেলা যাক।
হ্যালো?
ইয়ো, তুই মরবি রে, শালি!
সবসময় পানি দিয়ে খাবে।
সবসময়।
সবসময়।
সবসময়।
বাঁচাও! বাঁচাও! বাঁচাও!
বাঁচাও! বাঁচাও! বাঁচাও!
বাঁচাও! বাঁচাও! বাঁচাও! বাঁচাও! বাঁচাও! বাঁচাও!
নিচ্ছে না।
কী?
না, মিছে কথা। আরেকবার চেষ্টা করবেন, প্লিজ?
না...
ওহ, না।
কাজ করছে না।
ওহ, খোদা... কতো হয়েছে?
আগেই খেয়ে ফেলেছেন। $১.৭৯ হয়েছে।
- আচ্ছা... - $১.৭৯
ওহ, না।
ওহ, হো-হো!
আমি পুলিশ ডাকবো।
কী? না, না, দেখুন, দিচ্ছি! পয়সা দিচ্ছি!
আরো ৩০ সেন্ট।
No comments yet. Be the first to leave one.