The first 200 lines.
একজন মাদ্রিদিস্তার পক্ষ থেকে ফুটবল ফ্যানদের জন্য উপহার।
অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
টেক দ্যা বল। পাস দ্যা বল। টেক দ্যা বল। পাস দ্যা বল।
টেক দ্যা বল। পাস দ্যা বল। টেক দ্যা বল। পাস দ্যা বল।
অনুবাদে: নূরুল্লাহ মাশহুর
Part 1: Wembley, 2011
আর আপনি কোথাকার তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
আমার কিচ্ছু যায় আসে না।
যদি আমাকে বলেন আপনি ফুটবল ভালোবাসেন,
কিন্তু বার্সেলোনাকে ভালোবাসেন না, আপনার কোনো সমস্যা রয়েছে।
টিভিতে কোনো ম্যাচ চললে,
বার্সেলোনা পৃথিবীর যেকোনো টিমের সাথেই খেলুক না কেন,
আমি সবসময় বার্সেলোনাকেই বেছে নেবো।
আমি বলব ২০১১ সাল আমার দেখা সবচেয়ে সেরা ব্র্যান্ডের ফুটবল ছিল।
ইউরোপের সবচেয়ে প্রশংসিত টিম হিসেবে
বার্সা নিজেদেরকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে।
শুধু আমরা জিতেছি বলে না,
বরং যে স্টাইলে খেলে আমরা জিতেছি তার জন্য।
ফুটবল ইতিহাসে তিনটি স্পেশাল যুগ ছিল।
প্রথমত, ক্রুইফের আয়াক্স,
সাচ্চির এসি মিলান, যে প্রজেক্টটা আমি অব্যাহত রেখেছিলাম।
আর তারপর আসেন গার্দিওলা,
আর তিনি অনিন্দ্যসুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন।
সেসময় বার্সেলোনার বিপক্ষে খেলা মানেই,
আপনি জানতেন আপনার জয়ের চেয়ে পরাজয়ের সম্ভাবনা বেশি।
ওই বার্সেলোনা, স্রেফ, একচ্ছত্র আধিপত্য প্রদর্শন করছিল।
এটা চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনালের ইতিহাসে অন্যতম সেরা একটা পারফরম্যান্স
আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে সেটা করা ছিল অবিশ্বাস্য।
আমরা সেদিন নিজেদেরকে সত্যিই দারুণ উপভোগ করছিলাম।
মানে, ওরা স্পেশাল ছিল।
ওরা আমার দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিল
অন্যদের চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে।
আর ওরা সত্যিই অসাধারণ ছিল।
মনে আছে স্যার এলেক্সকে আমি বলতে শুনেছিলাম যে এর আগে উনি কখনও এভাবে পরাজিত হননি,
যেখানে উনার মনে হয়েছে
যে উনার কিছুই করার ছিল না।
কেউ আমাদেরকে এভাবে পরাজিত করেনি, তো এটা তাদের জন্য একটা দারুণ মুহূর্ত।
তারা এটা প্রাপ্য কারণ তারা সঠিক খেলাটা খেলেছে।
ওরা এতে লেগে ছিল, পাসের পর পাস দিয়ে যাচ্ছিল।
হয়তো এক-দুইবার তারা বল হারিয়েছে, কিন্তু ওরা পাস দেওয়া চালিয়ে গিয়েছে।
আর হঠাৎ করেই তারা সেই এক্সট্রা পাসটা দেয়,
আর স্পেস খালি হয়ে যায়, ক্লোজ ডাউন করা কঠিন হয়ে পড়ে
আর নিজেদের ফরমেশন সামান্য হারিয়ে ফেলেন, আর ঠিক তখনই তারা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।
পারফরম্যান্স হিসেবে,
এটা আমার দেখা সবচেয়ে সেরা।
ওদের যে ব্যাপারটা আমাকে অবাক করে দিয়েছিল তা হচ্ছে ওয়াইড ম্যানের ধৈর্য,
এত উঁচুতে আর এত প্রশস্ত জায়গায় অবস্থান করা আর দৌড়াদৌড়ি করা,
আর খুব কমই পায়ে বল পাওয়া।
তারা দুজনই গোল পেয়েছিল, কিন্তু ঐ পজিশনে থেকে
আমাদের আটকে রাখা, আমাদের ফুলব্যাকদের ব্যস্ত রাখা।
আর তারপর অবশ্যই পেছনে সরে যাওয়ার জন্য আপনাদের মেসি আছে,
যে ব্যাপারটাকে ৪ বনাম ৩ এ পরিণত করে।
আমাদের পুরো কৌশলের মূলভিত্তি ছিল প্রতিপক্ষকে আউটনাম্বার করা।
মেসি মিডফিল্ডে নেমে আসত আমাদের সংখ্যাগত সুবিধা প্রদানের জন্য।
আর সে গোলও করত, যা আমাদেরকে প্রতিটি টিমের বিপক্ষেই
সুবিধা প্রদান করত।
আমি আপনাকে দেখাচ্ছি আমরা কীভাবে এটা করতাম।
এই হচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ডিফেন্স।
ওরা কখনোই গর্তের এই খেলোয়াড়কে মার্ক করত না।
ওদের দুজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ছিল,
একজন নাম্বার টেন, রুনি, যে খুব বেশি ডিফেন্ড করত না
আর একজন স্ট্রাইকার।
এই গোলটার জন্য, আমরা ছিলাম ৩ বনাম ২।
ইনিয়েস্তা লাইন বরাবর বলটা মেসিকে দেয়
আর মেসি ডিফেন্সে আক্রমণ চালায়।
আমরা বেশ ভালোভাবেই শুরু করেছিলাম কিন্তু এরপর ওরা সমতায় ফিরে আসে
আর সেটা আমাদের ভয় পাইয়ে দেয়, ফাইনাল ম্যাচে যেটা স্বাভাবিক ব্যাপার।
কিন্তু আমরা নিয়ন্ত্রণ নিতে সমর্থ হই আর যখন ৩-১ এ এগিয়ে যাই,
তখন অনেক বেশি স্বস্তি অনুভব করছিলাম।
পেপ ওয়েম্বলির ড্রেসিং রুমে আমাদের সাথে কথা বলছিলেন।
আমার মনে আছে রুমটা ছিল অন্ধকার, আর উনি বলেছিলেন,
"আমি তোমাদেরকে বলেছিলাম তোমরা যদি আমাকে এতদূর নিয়ে আসতে পারো, আমি তোমাদেরকে ফাইনাল জেতাবো,
"আর আমি নিশ্চিত করব যাতে তোমরা এটা জেতো।"
পেপ যদি আমাকে ক্যাম্প ন্যু এর তিন তলা থেকেও লাফ দিতে বলতেন, আমি লাফ দিতাম।
এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো ভালো কারণ থাকবে।
আর উনার এই জিনিসটাই আমার পছন্দের ছিল।
উনি অনেক কিছু বলতেন, আর আমরা অনুভব করতাম
যে ওনার কথাগুলো স্রেফ কথা না,
আর আপনার মনে হবে যে আপনি যা করছেন
তা আপনাদের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনবে।
এটা অবিশ্বাস্য উনি আমাদেরকে যেভাবে কোনোকিছু বলতেন,
"আমরা এটা করতে যাচ্ছি। এটা করো। এটা সফল হবে।"
আর তাই ঘটত।
সত্যিই এটা ঘটবে, ঠিক সেরকমভাবেই।
ওই দিনটা ছিল ২০০৮ এ আমাদের
সমস্ত অর্জনের সেরা মুহূর্ত।
এটা ছিল আমাদের রাজত্বের সেরা মুহূর্ত,
এমন এক দলের রাজত্ব যারা তাদের সমর্থক
আর সমস্ত ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছিল।
Part 2: The Road to Wembley
ওয়েম্বলিতে বার্সেলোনার রাজকীয় হালে চ্যাম্পিয়নস লীগ জয় ছিল
একটা তান্ডবময় সিজনের নিখুঁত সমাপ্তি।
মাদ্রিদ আর তাদের মাঝের দ্বৈরথ ছিল তুঙ্গে।
আর মৌরিনহো আর গার্দিওলার মাঝের সম্পর্ক ছিল চরম উত্তেজনায় ঠাসা।
কারো কারো মতে, মাঝে মাঝে সেটা সীমা ছাড়িয়েও যাচ্ছিল।
আমার মতে এটা শুধু ফুটবলের চেয়েও বেশি কিছুতে পরিণত হয়েছিল।
মানে, আমার জানা নেই তাদের মাঝে ব্যক্তিগত কোনো দ্বৈরথ ছিল কি না,
তবে ব্যাপারটা এরকমই মনে হতো।
ভুলে না যাই কোথা থেকে এসবের সূচনা হয়েছিল।
২০১০ এ, বার্সেলোনা তাদের চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনালের পথে যাত্রা করছে।
চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে রিয়াল মাদ্রিদের স্টেডিয়ামে।
আমার মনে হয় আমরা সবাই ভুলে গিয়েছি মাদ্রিদের জন্য এটা কত বড়ো মানসিক পীড়া ছিল।
তারা এই সম্ভাবনার ভয়ে আতঙ্কিত ছিল।
কী ঘটল?
মৌরিনহো জাদু।
মৌরিনহো বার্সেলোনাকে হারালেন আর বাঁধনহারা উদযাপনে মাতলেন।
আর তার মাধ্যমেই উনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তার অডিশন পাস করে ফেলেছিলেন।
মাদ্রিদে মৌরিনহোর জন্য পরিস্থিতি অনেক কঠিন ছিল
কারণ তিনি এমন এক সময়ে আসলেন যখন বার্সেলোনা তাদের সেরা অবস্থানে রয়েছে।
আর আমার মনে হয় না আর কোনো ম্যানেজার
মাদ্রিদে ওই সময় এর সমাধান খুঁজে বের করতে পারতেন।
আমার মনে হয় উনি মাদ্রিদের মতো বড়ো একটা ক্লাবে এসেছিলেন,
কিন্তু ৫-০ এর পর উনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন,
কারণ ওনার প্রথম বছরেই ক্যাম্প ন্যুতে আমরা ওদেরকে ৫-০তে হারাই।
৫-০ এর ম্যাচে, ওদের কোনো আশাই ছিল না।
ওটা ছিল বার্সার হয়ে খেলা
আমার সেরা ম্যাচ।
আমার যতদূর মনে পড়ে উনি বলেছিলেন,
"শোনো, এই টিমকে যদি আমরা হারাতে চাই, ফুটবল খেলে আমরা ওদের হারাতে পারব না।
অন্য কোনো উপায় খুঁজে বের করে ওদের হারাতে হবে।"
আর তারা ফুটবলটাকে মাঠের বাইরেও নিয়ে এসেছিল,
যেমন প্রতিটি সংবাদ সম্মেলন, প্রতিটি ইন্টারভিউতে,
প্রতি ম্যাচে লড়াইয়ের চেষ্টা করত।
আমার কোনো সন্দেহ নেই রিয়াল মাদ্রিদে মৌরিনহোর দায়িত্ব ছিল
"বার্সেলোনাকে গদিচ্যুত করা",
ফার্গুসনের ভাষায় বললে।
মৌরিনহো বোকা লোক না। মৌরিনহো একজন অসাধারণ প্রতিদ্বন্দ্বী।
আর বিজয়ীদের আপনার সম্মান প্রদর্শন করতেই হবে।
কিন্তু যখন বিজয়ীরা হারতে শুরু করে আর অসহায় অনুভব করে,
আপনার সাবধান হওয়া উচিত,
কারণ তারা অবশ্যই শক্তিশালী রূপে ফিরে আসবে।
এত অল্প সময়ের মাঝে চারটা এল ক্লাসিকো খেলা
উত্তেজনাকে চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল।
এটা কঠিন ছিল কারণ আমাদের মাঝে বেশিরভাগই স্পেন টিমমেট ছিলাম
আর উত্তেজনার রেশ মাঠেও ছড়িয়ে পড়ত।
সবকিছু তখন সত্যিই আমার কাছে অত্যন্ত কঠিন মনে হতো।
আমরা সবাই হালকা-পাতলা মেজাজ হারিয়ে ফেলতাম।
এরকম আগ্রাসন না থাকলে খেলাগুলো
আরও বেশি আকর্ষণীয়, সুন্দর হতো,
কিন্তু প্রতিযোগিতার মাঠে মাঝে মাঝে আপনি মেজাজ হারিয়ে ফেলবেন
আর সেই উত্তেজনার ফলে মাঠের মধ্যে অনবরত মারামারি লেগেই থাকত।
সেদিনের কথা আমার মনে আছে যেদিন ওরা অতিরিক্ত সময়ে কাপ জিতে যায়
আর ক্রিস্টিয়ানো গোল করেছিল।
আমরা ওদের চেয়ে অনেক ভালো টিম ছিলাম, কিন্তু ওরা জিতে যায়,
আর আমাদের জন্য, ব্যাপারটা ছিল, "ওয়াও!"
একটা মুহূর্তে ওরা সত্যিই আমাদের নিজেদেরকে সন্দেহ করতে বাধ্য করেছিল
কারণ এটা সত্যিই খুব কঠিন মুহূর্ত ছিল।
আমাদের ধারণা আমরা বেটার টিম ছিলাম আর বেশি সুযোগ সৃষ্টি করেছিলাম,
কিন্তু একটা সূক্ষ্ম অফসাইড কলের জন্য,
আমরা কাপ ফাইনাল হেরে বসি।
আর যখন আপনি হেরে যাবেন,
আপনি শুধু রাগই অনুভব করবেন না, বরং আপনার মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করবে।
মাঠের খেলায় ম্যাচটা এমন ছিল
যার ফলাফল যেকোনো দিকেই যেতে পারত।
পেদ্রোর একটা গোল অফসাইডে সঠিকভাবেই বাতিল হয়,
কিন্তু, গার্দিওলা যেমনটা বলেছিলেন, সেটা খুব সূক্ষ্ম ছিল,
যার ফলে মৌরিনহো এটা বলার সুযোগ পেয়ে যান
যে গার্দিওলা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছেন।
উনি তা করছিলেন না। উনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, ব্যাপারটা এত সূক্ষ্ম ছিল
যে সিদ্ধান্ত যেকোনো দিকেই যেতে পারত।
পেপের সেদিনের বক্তব্যের পর,
আমরা একটা নতুন যুগে প্রবেশ করেছি।
ম্যানেজারদের একটা নতুন দলের সৃষ্টি হয়েছে, যার সদস্য উনি একাই,
এমন এক দল যারা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রেফারির সমালোচনা করে।
এরকম ব্যাপার ইতিহাসে কেউ কখনও দেখেনি বা শোনেনি।
মৌরিনহো এত বেশি উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছিলেন
যে বার্সার লোকজনও গার্দিওলার কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া আশা করছিলেন
কারণ মৌরিনহো ক্রমাগত গার্দিওলা এবং বার্সার সাথে
দ্বন্দ্বে জড়ানোর চেষ্টা করছিলেন।
সেদিন লাঞ্চের সময় আমরা
রিয়াল মাদ্রিদ ম্যানেজারের বক্তব্য শুনছিলাম
আর আমি পেপ এর মাঝে কিছু পরিবর্তন খেয়াল করি।
আমার মনে হচ্ছিল পেপ তার স্বভাববিরুদ্ধ কিছু করবেন,
আর আমার মনে হয় অন্যরাও সেটা অনুভব করছিল কারণ ট্রেনিং শেষে
ডিরেক্টর অফ ফুটবল ড্রেসিং রুমে এসেছিলেন,
যেটা কখনোই ঘটে না।
আর আমার মনে আছে জুবিজারেতা বলছিলেন, "শান্ত থাকো, পেপ।"
আর পেপ উনাকে বলেছিলেন উনি শান্ত থাকবেন আর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না।
কিন্তু পেপ মিথ্যা বলছিলেন।
সেদিন আমি প্রেস কনফারেন্সে ছিলাম, আর আমরা প্রেস রুমে বসে ছিলাম,
আর ওই মুহূর্তে সবার অবস্থা হয়েছিল এমন,
"উনি সত্যিই এটা বললেন?
ব্লাডি হেল!"
জি? জি।
পেপ গার্দিওলা, শুভ সন্ধ্যা সবাইকে।
মি. মৌরিনহো আমাকে ফার্স্ট নেম ধরে সম্বোধন করেছেন, তাই আমিও তাই করব।
উনি আমাকে পেপ বলেছেন, তাই আমি তাকে জোসে বলব।
জানি না কোন ক্যামেরাটা মি. জোসের,
সম্ভবত সবগুলোই।
আগামীকাল রাত ৮.৪৫ এ, আমাদের টিম মাঠে মুখোমুখি হবে,
কিন্তু মাঠের বাইরে, উনি ইতোমধ্যে জিতে গিয়েছেন।
সারা বছর ধরেই জিতে এসেছেন আর সম্ভবত ভবিষ্যতেও জিতবেন।
আমি উনাকে প্রেস রুমের বিজয়ের জন্য একটা চ্যাম্পিয়নস লীগ ট্রফি প্রদান করছি।
এই রুমে, উনিই বস, উনিই প্রধান।
উনি সবকিছু জানেন আর আমি উনার সাথে প্রতিযোগিতার চেষ্টাও করতে চাই না।
আমি শুধু উনাকে মনে করিয়ে দিতে চাই আমরা চার বছর একসাথে কাজ করেছি।
আমরা টিম হোটেলে বসে প্রেস কনফারেন্স দেখছিলাম।
উনি আমাদেরকে শতভাগ উজার করে দেওয়ার আরও একটা কারণ উপহার দিয়েছিলেন।
গার্দিওলা যখন ফিরলেন, আমরা করতালি দিতে শুরু করলাম,
আর উনি শুধু বললেন, "যথেষ্ট হয়েছে। এবার ম্যাচে ফোকাস করার পালা।"
No comments yet. Be the first to leave one.