The first 200 lines.
মা।
এইতো।
মা মা।
ক্যা?
হেই!
হ্যালো! - হেই।
আমাদের কাছে আর তিন বেলার মতো খাবার আছে।
যেটা টেনেটুনে চারটা হবে।
আচ্ছা।
তো, এর মানে আমাদের কাছে মাত্র ৪ বেলার খাবার মজুদ আছে।
আচ্ছা।
- তুমি কি কোন বুদ্ধি বের করেছো, যেটা আমি জানি না? - আর সেটা কি বলা যাবে?
- না। আমার কাছে তোমার বুদ্ধিটাই ভালো লেগেছে। - আচ্ছা, কি সেটা?
সেটা হলো আমরা সবাই কলম খাবো।
দেখো, এখানে একটা শহর আছে।
যেটা এখান থেকে ৩০ কিংবা ৪০ কি.মি. এর মত দূরে। ঠিক আছে?
জায়গাটা গ্রামের মতো। ওখানে অতো মানুষজনও নেই।
আমি বলি কি, একটা গাড়ী জোগাড় করে, অনেক খাবার বোঝাই করে ঘুরে দেখবো যে কি অবস্থা।
- আমরা তো দেখেছি যে কি আছে ওখানে। - আমরা যা দেখেছি, তা সপ্তাহখানেক আগের কথা
- এখন নদীর পারগুলো অনেক নিরব... - আমরা এই ব্যাপারটা নিয়ে আগেও কথা বলেছি।
- ওই গুলিকে যদি আমরা অনেক আগেই পিছনে ফেলে আসি? - যদি আমরা পিছনে না ফেলে আসি?
যেখানে আমাদের আসলেই যাওয়া দরকার, সেটা হল এখানে।
এই নদীটাই আমাদের এতো দূর নিয়ে এসেছে।
যদি আমরা ঠিকমত আগাই, তো আমরা এখানে পৌছে যাবো, কিন্তু আমরা যা জানি সেটা নিয়েই আমাদের আগাতে হবে।
আমরা কি জানি? এই নৌকাটা পাওয়ার পর থেকে তো তুমি মাটিতে পা'ই রাখোনি।
শোন, এই নৌকাটা আমাদের দুজনের বয়সের থেকেও অনেক পুরনো।
যদি এটার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়? তখন কি হবে?
আমাদের কে রোজী'র কথাও চিন্তা করতে হবে।
আমি তো ওর কথা চিন্তাও করিনি, ঠিক না? তাহলে আমি আসলে কি করছি? দেখো, আমরা দেয়ালে পিঠ না ঠেকা পর্যন্ত মাটিতে পা রাখবো না।
আমি দুঃখিত, কিন্তু এটাই করতে হবে।
তো, এরকম কি আমাদের মেয়ে ক্ষূদার যন্ত্রণায় মরে গেলেও চলবে নাকি তার পরেও?
শসস।
ওহ খোদা।
ওহ খোদা।
ওয়াও।
- কোন মাছ পেয়েছো? - এখনো না।
- ওহ, এক মিনিট, এক মিনিট। - জলদি। বর্শা দিয়ে ধরো।
- কি, বর্শা দিয়ে? - হ্যা, ওটা কে তুলো, জলদি!
- কি? - কি এটা?
- এটা তুমি কোথায় পেলে? - ওই পরিত্যাক্ত নৌকাটা থেকে।
ধন্যবাদ দাও ওটাকে, দেখো কি পেয়েছি।
অন্ততপক্ষে, তিন মাসের খাবার জোগাড় হয়েছে এখানে।
- হেই, এটা একটা সুখবর, ব্লু। - এটা একটা সাংঘাতিক খবর।
তুমি চিন্তা করো না। এটা একজনের কাজই ছিলো।
ঢুকছি আর বের হয়েছি। সহজ আর নিরাপদ ছিল।
শোন, এটা আমাদের জন্যে একটা সুসংবাদ। ব্লু। এটা আমাদের জন্যে ভালো খবর।
আমাদের যখনই এরকম সুযোগ আসবে,
- আমাদের উচিত কিছুটা হলেও তা উদযাপন করা। - না, করবোই তো।
- তুমি শিউর যে ওটা নিরাপদ ছিল? - একেবারে।
তো তোমার ঐ স্তুপের মদ্ধে কোন রেজার ছিলো না?
কেনো? শোন আমার কথা, এটা হল একটা সৌন্দর্য।
- আমার মনেহয় এটা কিছুটা খোচাখোচা। - স্টাইল।
বুঝেছ সৌন্দর্য।
ও কেমন আছে? আমাদের পিচ্ছি দুষ্টটা?
ও অল্প কিছুক্ষণ আগে শুয়েছে।
তোমার উচিৎ ওকে গিয়ে হ্যালো বলা।
আমার মনেহয় না ওর সেটা ভালো লাগবে।
এই, যাও গিয়ে একটু শুয়ে থাকো।
- আচ্ছা? - হ্যা, যাও।
পুরুষ।
- আর তুমি। - মহিলা।
লক্ষী মেয়ে, রোজী। হ্যা।
হ্যা।
ঠিক আছে।
ওহ!
হেই।
- মা মা। - এই যে সোনা, সব ঠিক আছে।
ওহ!
মা।
মা কোথায় গেলো?
কোথায় গেলো সে?
ক্যা?
ক্যা? তুমি কি ভিতরে নাকি?
ক্যা! সোনা। খোল তো, আমাকে ভিতরে ঢুকতে দাও।
আমাকে ভিতরে ঢুকতে দাও।
ধেৎ, ক্যা, কি...
তুমি কি করেছো এটা?
- না, দেখো না... - আমাকে দেখতে দাও।
- না। - আচ্ছা, এটা তে চাপ দিয়ে রাখো।
- মা। - সব ঠিক আছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে।
ওহ, শিট।
দেখি, আমাকে দেখতে দাও।
ওহ,
আচ্ছা, ক্যা, কেবল... ওহ, কি করেছ তুমি এটা?
- আমি দুঃখিত, সোনা। - সব ঠিক আছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।
ঠিক আছে, এটাতে চাপ দিয়ে ধরে রাখো। চেপে রাখো।
শিট।
- ঠিক আছে, ঠিক আছে না? তুমি ঠিক আছো? - হ্যা।
ঠিক আছে, তাকাও আমার দিকে।
- সব ঠিক আছে। - সব ঠিক হয়ে যাবে।
এই।
- তো আমার সাথে কথা বলো। তুমি কি চিন্তা করছো? - আচ্ছা, আমরা এখানে থাকতে পারবো না।
কিন্তু কেবলমাত্র ঘন্টাখানেক হয়েছে। আর লক্ষন দেখা দিতে অন্ততপক্ষে ঘন্টা তিনেক...
হ্যা, আমার জানা আছে লক্ষনগুলো কি আমাদের হয়তো সেই সময়টা নেই।
- আমরা এই রিস্কটা নিতে পারি না। - ওহ, তো আজকে এটা রিস্ক হয়ে গেলো?
ওই জায়গায়, এটা সাথে নিয়ে? হ্যা, এটা একটা রিস্ক।
আমরা কোন কিছু না জেনেই রোজী কে বিপদে ফেলতে পারিনা।
নদীর পানিতে অনেক কিছুই ঘুরাঘুরি করে,
- আমরা জানিনা যে তোমাকে আসলে কিসে কামড় দিয়েছে। - ওই জিনিসটার আঙুল ছিল, এন্ডি।
ধুর ছাই!
দেখো, যদি তুমি অসুস্থ হও, তাতেও তোমার কাছে ৪৮ ঘন্টা থাকে,
আর আমরা এই সময়টাকেই কাজে লাগাবো।
আর।যদি তোমার ভুল হয়ে থাকে, তুমি যদি অসুস্থ না হয়ে থাকো
সেক্ষেত্রে তোমার যেই হারে রক্তপাত হচ্ছে, তাতে তোমার রক্তক্ষরনে মরতে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় লাগবে।
এই রিস্কটা আমি নিবো না।
তুমি যেই হাসপাতালের কথা বলেছো, আমরা সেইখানেই যাবো।
কেউ না কেউ তো তোমাকে সুস্থ করে তুলবে আর আমরা এই বাজিটাই ধরবো।
আমরা যদি হেরে যাই তাহলে?
আমরা যদি হেরে যাই তাহলে?
আমার সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত হবেI
আচ্ছা।
চলো। চলো।
দেখো না।
চলো, ছোট্ট সোনা।
ঠিক আছে।
এই তো লক্ষি মেয়ে।
তোমাকে এখানে খানিকক্ষণের জন্যে রাখি। এইতো।
কই গেলো, কই গেলো।
ওই তো, আমার সোনাটা।
আচ্ছা।
এই তো লেগেছে।
- এইদিকে আসো, এইদিকে আসো। - ধন্যবাদ, সুইটহার্ট।
এই দিকে আসো। আমি তোমাকে এখন গাড়ী'র ভিতরে দেখতে চাই, ঠিক আছে?
অসম্ভব।
আমি আসছি, তুমি এটা তে সময় দাও।
ঠিক আছে, আমার দুই সেকেন্ড লাগবে।
আচ্ছা।
এই যে, জাদুটা।
এই যে তোমার জন্যে এই নতুন জায়গাটা।
এই যে মা।
লক্ষী মেয়ে।
যাও!
তোমার কি রকম লাগছে?
আমার নিজের মতোই।
- - ভালো।
এই, সোনা, কি হয়েছে, জান টার?
ওর পেম্পার চেঞ্জ করা লাগবে।
- আমি করে দিচ্ছি। - না, আমিই পারবো।
ও আমাকে অনেক কম জালাবে।
- 'তা তো কম জালাবেই। - চলো।
চলো তোমাকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করি।
এই তো হয়ে গেছে।
এই!
ইউ!
এই, রোজী পোজি।
ক্যা!
এই, রোজী।
ক্যা, তোমার মাথা এখানে রাখো।
ঠিক আছে। শসস...
শসস।
- ক্যা? দম নাও আর ছারো। - গাড়ি থামাও।
- এখন আমার দিকে তাকাও। - গাড়ি থামাও!
- আমাদের শান্ত হতে হবে... - আমাকে এক্ষুনি বের হতে দাও!
ওহ খোদা! দারাও!
খোদা!
ক্যা।
ক্যা।
এই, শোন। তুমি একটু...
যত্তোসব ছুবে না আমাকে!
এন্ডি, তুমি এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
তুমি এটাকে আমার কাছ থেকে সরাতে পারবে না!
তুমি আর কতো অভিনয় করবে? কি, যতোক্ষন না আমি তোমাকে কামরে ধরবো?
- তারপর ওর উপর? - না।
- তোমার ওকে নিয়ে চলে যেতে হবে। - কি?
- তুমি কি বলছো? তোমাকে ছেরে? - তোমাকে যেতেই হবে।
ব্লু, ব্লু। থামো, একটু থামো।
এই তো।
আমি আছি তোমার সাথে, ঠিক আছে?
সব ঠিক হয়ে যাবে।
চলো, তোমাকে গাড়ীতে বসিয়ে দেই।
আমরা হাসপাতালে যাবো না।
আমরা অনেক কাছেই এসে পরেছি।
ওখানে গেলে তুমি আর রোজী, নদীর থেকে অনেক দূরে সরে যাবে।
ওখানে এখন আমাদের জন্যে কিছুই নেই।
ওখানে আছে, আমাদের এখনো সময় আছে। দেখো এটাকে?
এর প্রতিটা সেকেন্ড তোমার, পুরোটাই, আর এটাকে আমাদের মুল্যায়ন করতেই হবে।
যদি তোমার রক্তশুন্যতা হয়, তখন ঠিকই করবে।
আমার সিদ্ধান্তই ফাইনাল হবে, মনে আছে?
তো আমি না বলতে পারবো না? আমার কোন সুযোগ নেই?
না, সুইটহার্ট, তোমার নেই।
ক্যা।
আমি এরকম করতে পারবো না।
পা'টা সাবধানে, দেইখো।
শিট!
ক্যা?
রোজী?
এই, কি হয়েছে?
রোজী? রোজ।
ক্যা।
এই।
ব্লু?
রোজী!
!!!!
ওহ, #+*%!
ওরা আসছে।
আমি চাই তুমি লক্ষী মেয়ের মতো একটু অপেক্ষা করো। এখানেই থেকো।
বাবার জন্যে লক্ষী আর শান্ত হয়ে থেকো।
আমি এক্ষুনি ফিরে আসবো। এই, রোজী? এক্ষুনি ফিরে আসছি।
ওহ।
না, না, না, না, না।
No comments yet. Be the first to leave one.