The first 200 lines.
অনুবাদ আয়োজনেঃ Funds Of Bangla Subtitle
1942 সালে,
যখন সমগ্র ভারতবর্ষ তার স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছিল...
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং তার কমরেড চেজিয়ান,
ভারতীয় সেনাবাহিনীর সহায়তা চায়,
হিটলারের সাথে দেখা করতে জার্মানি ভ্রমণ করার জন্য।
দেখামাত্র নেতাজিকে জড়িয়ে ধরেন হিটলার।
তিনি নেতাজিকে অতিমানবীয় সিরাম ব্যবহার করে তৈরি সৈন্যদের সম্পর্কে বলেছিলেন,
এবং তারা তাদের অতি-মানবীয় দক্ষতা দিয়ে সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করতে সক্ষম।
তিনি এই সুপার সৈনিকদের ভারতীয় সেনাবাহিনীক ধার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন।
তিনি নেতাজির সঙ্গে এই সব শেয়ার করেছেন।
সুপার সোলজার সিরামের কথা শোনার পর নেতাজির মনে হয়েছিল
এটা ভারতের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করবে।
সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ফিরে আসে।
কিন্তু তার কমরেড চেজিয়ান ভেবেছিলেন যে
সিরামটি ভারত এবং নেতাজির ভবিষ্যত দৃষ্টিভঙ্গির জন্য কার্যকর হবে।
তিনি হিটলারের গোপন পরীক্ষাগারে ঢুকে পড়েন ,
এবং শক্তিশালী সুপার সোলজার সিরামের নমুনা ও ফর্মুলা চুরি করেন।
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে ছাড়া একা ফিরে এসে,
চেজিয়ান সিরাম এবং ফর্মুলা সহ ভারতে পৌঁছে যান।
এটা জানতে পেরে হিটলার চেজিয়ানকে ধরার জন্য একটি গোপন দল পাঠান।
দলটি ভারতে পৌঁছানোর সময় ভারত তার স্বাধীনতা অর্জন করেছিল।
ভারত নতুন স্বাধীন মর্যাদা উদযাপনের পথে ছিল।
চুরি হওয়া সুপার সোলজার সিরামের
আর প্রয়োজন হবে না বুঝতে পেরে,
এবং এটা চিন্তা করলেন যে আর কেউ যেনো সিরামের সন্ধান না পায়,
তাই চেজিয়ান সিরাম টাকে
একটা গোপন জায়গায় নিরাপদে রাখলেন,
যার খোঁজ শুধুমাত্র সে জানত।
একদিন, যখন চেজিয়ান এবং তার ছেলের সাথে সময় কাটাচ্ছিল,
তখন একটি সশস্ত্র দল এসে
তাদের উপর অবিরাম গুলি চালায়।
সেই গোলাগুলিতে,
একটি বুলেট ভেদ করে চেজিয়ানের ছেলের বুকে।
চেজিয়ান নিজেও গুলির আঘাতে আহত হয়।
ছেলের প্রাণহীন দেহ দেখে বিচলিত হয়ে পড়ে চেজিয়ান।
নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে,
তিনি লুকানো সুপার সোলজার সিরাম বের করতে সক্ষম হন,
এটি তার ছেলের শরীরে প্রবেশ করান
এবং মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
এরপর থেকে, চেজিয়ান এর ছেলে খুব শক্তিশালী হয়ে বড় হতে শুরু করে।
সেদিনের পর থেকে
আজ পর্যন্ত, কেউ মিথরান এবং স্বস্তিকের হদিস জানে না।
নমস্কার!থেনির পশ্চিম উপত্যকায় পাহাড়ের উপর
নিউট্রিনো রিসার্চ সেন্টারের কাছে
মধ্যরাতের দিকে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
যেহেতু এই অঞ্চলটি কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন,
তাই যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ বাহিনী পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
যেহেতু কোনো সংগঠন বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি,
তাই পাদদেশের কাছাকাছি বসবাসকারী একজন ব্যক্তিকে সন্দেহের বসে আটক করা হয়েছে,
এবং আমরা তাকে গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করার খবর পেয়েছি।
মিস্টার অগ্নি!
কেনো আপনি থেনির নিউট্রিনো প্ল্যান্টে গিয়েছিলেন?
আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য কন্টেন্টের খোঁজে গিয়েছিলাম।
আমি দুজন লোককে তাদের অস্ত্র নিয়ে মারামারি করতে দেখেছি।
তারপর হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটল।
বিস্ফোরণের প্রভাবে আমি লেকে পড়ে যাই।
এরপর আমার সাথে কি হয়েছে তা মনে নেই।
আমরা ইতিমধ্যে জানি যে আপনি একজন সন্ত্রাসী।
-এখন স্বীকার করুন। - কি স্বীকার করবো?
বিশ্বাস করুন, স্যার। আমি সত্যি বলছি।
আমি কোনভাবেই এর সাথে সম্পর্কিত নই।
সত্যিটা বল!
আর কোথায় বোমা রেখেছিস?
তুই কোন সন্ত্রাসী দলের হয়ে কাজ করিস?
এরকম কিছু না,স্যার।
বিস্ফোরণের প্রভাবে আমি লেকে পড়ে যাই।
তার পর আমার কি হয়েছিল মনে নেই।
তোর সমস্ত লোক সব স্বীকার করতে রাজি হয়েছে।
আমাদের বোকা বানিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবিস না।
সত্যিটা বলে দে।
আর কোথায় বোমা রেখেছিস?
সত্য কথা বললে সাজা কমানোর সুযোগ আছে।
স্যার…
সে বারবার একই কথা বলছে।
মনে হচ্ছে না সে মিথ্যা বলছে ।
আমার মনে হয় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যাওয়াটা সময়ের অপচয় ছাড়া কিছু না।
একজন আছে যে এই ছেলেটাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
তাকে কেউ দেখেনি।
সে কে, কি করে,
সে কোথায় থাকে এসবই রহস্য!
সে একটা ঘোষ্ট।
এবং সে নিজেকে এজেন্ট এক্স বলে।
হাই অগ্নি!
তুমি কি চিরকাল এখানে থাকার পরিকল্পনা করছো?
স্যার, এসবট কি? আপনি কি আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন?
'মোডাস অপারেন্ডি' মানে কি জানো?
এটা একটা লাতিন শব্দ।
যদি এটা ছাড়া কোনো অপরাধ ঘটে...
এই ক্ষেত্রে, এটা ছাড়া বিস্ফোরণ ঘটেছে!
আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি
এবং বিস্ফোরণের দেহাবশেষের নমুনা সংগ্রহ করেছি।
একবার আমরা নমুনাগুলি বিশ্লেষণ করলে,
আমরা খুঁজে পাব কোন রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল।
আমরা সহজেই জানতে পারব এটা C4, TNT বা IED ছিল কিনা।
তারপর এটা নিয়ে স্থানীয় সরবরাহকারীর কাছে গিয়ে,
এবং আমাদের জিজ্ঞাসাবাদের পদ্ধতি দিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে,
সে তার ক্লায়েন্টদের সম্পর্কে তথ্য ফাঁস করে দেবে।
তোমাকে যেখানে ধরেছি সেখানে কোনো নমুনা খুঁজে পাই নি আমরা।
তুমি সতর্কতার সাথে কাজ করেছো এবং সমস্ত প্রমাণ সাফ করেছো।
খুব চালাক!
তো বলো আমাকে। কেনো ওখানে গিয়েছিলে?
স্যার।
আমি একটা সাধারণ ইউটিউব চ্যানেল চালাই।
আমি আমার চ্যানেলের জন্য কন্টেন্ট খুঁজতে গিয়েছিলাম, স্যার।
ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই বিস্ফোরণ হয়।
আমি পাশের লেকে পড়ে যাই।
এটাই একটা বড় ব্যাপার যে আমি ওখান থেকে বেঁচে ফিরেছি!
যথেষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে গিয়ে
অনেক কিছুই ভুলে গেছি।
আপনারা আমাকে যতই জিজ্ঞাসাবাদ করুন না কেন,
মুখোশ সহ বা মুখোশ ছাড়া
আমি আপনাকে সেটুকুই বলতে পারব যেটুকু আমার মনে আছে।
বিশ্বাস করুন স্যার। আমি এটা করি নি।
আমি কোনোভাবেই বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত নই।
আমাকে বোঝার চেষ্টা করুন!
আর আমি এত চালাক না!
না না না।
অগ্নি!
বায়ু এবং এবং জলের মত
আকার আকৃতি ছাড়া কোনো কিছুকে,
আমরা যে পাত্রে রাখি সে পাত্রের আকার ধারণ করে।
কিন্তু আগুনের ক্ষেত্রে এটা হয় না!
এটি সবকিছু শোষণ করে নেয়।
অতএব, এর আসল রূপ পরিবর্তন করা অসম্ভব।
এখন পর্যন্ত, তোমার সবগুলো রূপের মধ্যে একটা হলো
ইউটিউবার।
সুপার-হিউম্যানস সম্পর্কে ভিডিও তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করা।
আরেকটা রূপ হলো
একজন পরিবেশ সংরক্ষণবাদী!
বৃক্ষ রোপণ, সৈকত পরিষ্কার,
বালি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
এরকম একটা ছেলে,
একটি রেস্ট্রিক্টেড এরিয়ায় একটি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
এটাকে কি আমরা ইকো-টেররিজম বলতে পারি?
স্যার! ইকো- টেরোরিজম?!
আমি এর মানে পর্যন্ত জানি না।
আমি শুধুমাত্র একজন ইউটিউবার।
সেই সিদ্ধান্ত আমি নেব যে তুমি একজন ইউটিউবার নাকি বোমহামলাকারী !
ধুর! কেন আপনি আমাকে বিশ্বাস করছেন না?
- আমি শুধুমাত্র একজন ইউটিউবার।! - উম…
এবং ইউটিউবার অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কারটি
ভারতের সর্বোচ্চ সাবস্ক্রাইবার এবং ভিউ এর চ্যানেল "সুপারহিউম্যানস"
এর মিস্টার অগ্নিকে দেওয়া হচ্ছে।
- অভিনন্দন বন্ধু - ধন্যবাদ বন্ধু।
পুরস্কার প্রদান করবেন
মহান পরিবেশবিদ মিঃ শিবরাজ।
-অভিনন্দন! - ধন্যবাদ, স্যার!
হ্যা। ধন্যবাদ।
নমস্কার সবাইকে!
এই পৃথিবীতে প্রতিটি জীবই চমৎকার।
তেমনি মানুষের জীবনও চমৎকার।
কিন্তু মানুষ তার বুদ্ধির বিস্ময় ও প্রকৃত সম্ভাবনা উপলব্ধি করে না।
যারা নিজেদের মধ্যকার গভীরতা উপলব্ধি করে তারাই অতিমানব।
আমার মতে, প্রত্যেকের ভিতরে একটি অনন্য শক্তি আছে।
যারা এর সাথে সূক্ষ্মভাবে আবদ্ধ হয়ে এটিকে বের করে আনে,
আমরা তাদেরকে অতিমানব বলি।
স্যার, এটা কি সুপারম্যান অথবা স্পাইডারম্যানের মত?
- বাস্তব জীবনে তাদের অস্তিত্ব আছে? - সম্ভাবনা আছে থাকার।
আমাদের ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীর সমস্ত নায়করা ছিলেন অতিমানব!
সেগুলি শুধু গল্প ছিল না, গল্প হিসাবে বর্ণিত ঘটনা ছিল।
আমাদের ঋষিরা তাদের কুন্ডলিনী চক্র সক্রিয় করে পারমাণবিক শক্তির অন্বেষণ করেছিলেন।
এই ঋষিরা এমন অনেক কৌশল আয়ত্ত করেছিলেন।
যেমন অনিমা সিদ্ধি।
একজনের শরীরকে পরমাণুর আকারে সঙ্কুচিত করা। ভগবান বিষ্ণুর মত।
মহিমা সিদ্ধি - একজনের দেহকে দৈত্যের আকারে বৃদ্ধি করা।
কুম্ভকর্ণের মত।
লঘিমা সিদ্ধি।
এতে শরীরের ওজন হালকা করে বাতাসে ভাসতে থাকে।
ভগবান ইন্দ্রের মত।
আমরা যদি কুন্ডলিনী শক্তি সক্রিয় করতে পারি,
আমরা সবাই অতিমানব হবো!
আপনি সুপার পাওয়ার পেলে কি করবেন?
সত্যি কথা বলতে…
কি হচ্ছে?
মনে হয় বৈদ্যতিক গোলযোগ হয়েছে।
আপনার প্রশ্নে ফেরত আসি,
যদি আমি সুপার পাওয়ার পাই,
আমি প্রকৃতির উপহার ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করব।
কারো কারো স্বার্থপরতার কারণে ,
সারা বিশ্বে বন উজাড় হচ্ছে।
লুণ্ঠিত হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদ।
এই পৃথিবীতে অনেক ধরণের জীব বাস করে এবং বেড়ে ওঠে।
বেড়ে ওঠার জন্য সঠিক পরিমাণে তাপ এবং আর্দ্রতা দরকার
সেরকম ই একটি জায়গা হলো আমাদের তামিলনাড়ু, বিভিন্ন অবস্থার ভূমি।
যারা তুষারময় অঞ্চল থেকে স্থানান্তরিত হয়েছে তারা এর মূল্য জানে।
এ কারণে তারা আমাদের দেশকে জয় ও ধ্বংস করার চেষ্টা করছে।
হাজার হাজার বছর ধরে এখনো পর্যন্ত।
আমাদের জ্ঞান, সম্পদ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ
সবই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
আমাদের পশুপাখি শিকার করা হচ্ছে এবং মাংস চাহিদা মেটানোর কারণে বিলুপ্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে।
সিংহের-লেজযুক্ত ম্যাকাক,
নীলগিরি তহর হরিণ,
মালাবার লার্জ স্পটেট সিভেট,
কাঙ্গেয়াম গবাদি পশু
সবই বিলুপ্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে।
১৯৮৫ সালে,
একজন কৃষক ত্রিচিতে "গ্রেট ইন্ডিয়ান বাস্টার্ড" দেখতে পেয়েছিলেন!
শীঘ্রই, আমরা তাদের যাদুঘরে দেখতে যাচ্ছি।
এই সব আমাদের সতর্ক করছে এবং আমাদের একটি বড় শিক্ষা দিচ্ছে!
No comments yet. Be the first to leave one.