The first 193 lines.
সোবেসাকিতসেরা তি পিয়া মুপইতস ইক কিমাই।
কথিত আছে, বহুদিন আগে, এখানে এক জানোয়ার এসেছিল।
ঘরিয়াল হরিণ।
সারি।
ওটাকে শিকার করবো আমরা।
অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄
মনে আছে যখন বাবা আমাকে বলেছিলেন আমি "কাত্তামিয়া"র জন্য প্রস্তুত।
আমার চূড়ান্ত শিকারের।
তুই বাচ্চা ছিলি। তাই, মা তোকে সাথে নিয়ে ওষুধ জোগাড় করতে যায়।
কিন্তু বাবা আর আমি, আমরা যাই পাহাড়ে।
অঝোরে বৃষ্টি ঝরছিল। সবই ভিজে চুপসে ছিল।
আমরা কাদার মধ্যে দিয়ে হামাগুড়ি দেই আর আমার ধনুক...
নোংরা হয়ে যায় আর...
তুই তো ঘুমাচ্ছিলি।
আমি ওটার ঘুরে আসার অপেক্ষা করছিলাম।
এখন ওটাকে ধরতে তোমাকে নদী পাড়ি দিতে হবে।
ওউ।
ধনুক ভিজিও না কিন্তু।
তা ও বে,
আজ ভোরের আকাশে,
একটা নিদর্শন দেখেছি। বজ্রপাখির।
আমি অনুশীলন করেছি।
সময় হয়েছে। আমি আমার "কাত্তামিয়া"র জন্য প্রস্তুত।
তোর সত্যিই ধারণা তুই প্রস্তুত?
তোকে শিকার করে এমনকিছু শিকার করতে চাস?
পেটসা।
- তাকে ভালোই প্রশিক্ষণ দিয়েছিস। - সহজ-ই ছিল। সে বুদ্ধিমান।
সব বুদ্ধিমান প্রাণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া সহজ নয়।
- ওটা কি সেনাপতির হাঁটুর ক্ষতের জন্য? - হুম।
তার অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছে।
তুমি কমলা ফুল দাওনি।
কমলা ফুলের কথা তোকে কে শিখিয়েছে?
তুমিই।
হুম।
তোর বাবা ওটা তোকে গাছের বাকল কাটার জন্য দিয়ে গেছে।
একটা হরিণ-ই মেরে দিয়েছিলাম প্রায়।
হ্যাঁ। কিন্তু, "প্রায়" তো আমাদের পেট ভরাবে না।
মামুনি, তুই অন্যান্য অনেক বিষয়েও পারদর্শী।
শিকার করতে কেন চাস?
কারণ তোমরা সবাই ভাবো আমি পারবো না।
আহ!
এই প্রবল বাতাসেও, সে ঘরে বাজপাখি নিয়ে এসেছে।
তোর আমার গল্পটা শোনা উচিত ছিল।
ঘুমানোর সময় আছে বলে মনে হয়নি।
শাকচুন্নি।
অনেক ধার হয়েছে।
যা কিছু কমলা ফুল নিয়ে আয়।
ইত সে।
- হিনা? - একটা সিংহ। ওটা পুহি'কে নিয়ে গেছে।
আমাদের তাকে খুঁজতে হবে।
এভাবে লুকিয়ে এগোলে তীর খেয়ে মরবে।
কে লুকিয়ে আছে?
কে তোমাকে আসতে বলেছে?
অতোক্ষণ বাইরে থাকবো না যে রাঁধুনির প্রয়োজন পড়বে।
ওর থাকা উচিত।
সে ভালো পিছু ধাওয়া করতে পারে।
তাছাড়া পুহি'কে জীবিত পেলে, সে ওষুধ দিতে পারবে।
সিংহটাকে এক্ষুণি খুঁজে বের করতে হবে।
- করবো। - জানি।
কারণ করতেই হবে কিন্তু।
ওহ, দারুণ। কুকুরটা বিষ্ঠা খুঁজে পেয়েছে।
- আমরা নেকড়ে খুঁজছি না। - এটা নেকড়ে না।
ভাঙা হাড়টা দেখছ?
ওটা সিংহের পদচিহ্ন।
আর যে সিংহটা ওটা বানিয়েছে সেটা বিশালদেহী।
ও শ্বাস নিচ্ছে।
পেটসা।
এতো দিলে সে মারা যেতে পারে।
মরবে না। ব্যস রক্ত ঠান্ডা করবে।
আনা। আনা।
তা ও বে থেকে গিয়ে শিকার করতে চায়।
চলো।
- আমিও সাথে আসছি। - সিংহটাকে আমি সামলাতে পারবো।
না, ওটা কেবল সিংহ নয়।
পুহি বেঁচে আছে কেন? সিংহটা কিছু একটা দেখে ভয়ে ডেরা ছেড়ে পালিয়েছে।
এটা আমি দেখছি।
পুহি'র সাথে থাক। ওর তোর সাহায্যও প্রয়োজন।
কথা বলে নষ্ট করার সময় নেই। আমাদের ওকে বাড়ি নিয়ে যেতে হবে।
চলো সবাই।
ঠান্ডা।
গরম কাপড় দাও।
দাঁড়াও ।
ঠান্ডা লাগাই ভালো।
ওষুধটা রক্তচলাচল ধীর করে দিয়েছে। শরীর গরম হলে, রক্তক্ষরণে মরবে।
এই।
ওর আরাম চাও নাকি মৃত্যু?
চলো ।
তোমার জন্য অপেক্ষা করার সময় নেই।
- দেখো। - ভালুকের পদচিহ্ন হতে পারে।
হতে পারে।
তবে ভালুকটা বিশাল।
আর পিছনের পায়ে ভর দিয়ে হাঁটছিল কেন? কীসে সাপটার চামড়া ওভাবে ছিললো?
- আমাদের যেতে হবে। - না।
আমার ভাইকে সাবধান করতে হবে।
পাকা, ওর সাথে যাও।
নারু, আমাদের মশাল দরকার নেই। আলো সিংহটা'কে ভয় দেখাবে।
আমরা ওটার শিকারের এলাকায় আছি।
তুই ফিরে এলি কেন?
আমি পদচিহ্ন পেয়েছি, আর সেগুলো বিশাল।
আমি ভালুক দেখে ভয় পাই না।
আমার মনে হয় না ওটা ভালুক ছিল।
জানি না কী ছিল। এরকম কিছু জীবনে দেখিনি।
একটা সাপের চামড়া ছিলে ফেলেছে ওটা।
আচ্ছা, যাই হোক না কেন, আমরা এখন সিংহটার ডেরায়।
আগে এটার মোকাবেলা করতে হবে।
আয়।
সিংহ ভাবতে পারবে না আমরা ওটাকেই শিকার করছি।
ভাববে সেই আমাদের শিকার করছে।
কিছু টোপ জোগাড় করে, গাছে উঠে ওটার অপেক্ষা করবো।
শিকারী কখনো অপেক্ষা করে না। সে শিকার করে। এখানে সারারাত থাকা লাগতে পারে।
সারারাত জঙ্গলে ঘুরে কিছু নাও খুঁজে পেতে পারি।
শিকারে এতো ভয় পেলে, তোমার আস্তানায় ফিরে যাও।
আমরা নারু'র কথামতো চেষ্টা করবো।
ওটাকে টোপ দেবো, তারপর সিংহটাকে তোর কাছে নিয়ে আসবো।
দাঁড়া।
সময় হয়েছে, নারু।
তোর "কুত্তামিয়ার"।
সিংহটা এলে, এই কথাটা বলবি,
"তোর আয়ু এতোটুকুই।"
"আর নেই। আজই শেষ।"
ব্যবহার করতে ভয় পেলে এটা যতোই ধারালো হোক কাজে আসবে না।
তুমি প্রস্তুত তো?
তুমি কখনো সিংহের মুখোমুখি হওনি।
ওটার মুখ ভর্তি তীররের ফলার মতো দাঁত,
তোমার মাংস ছিঁড়ে, হাড় চূর্ণ করার জন্যে প্রস্তুত।
তোমার ভাই ফিরে এলে, সে আর আমি সিংহটাকে খুঁজে বের করবো...
আর ওটাকে মারবো।
তোর ভাই তোকে বাড়ি নিয়ে এসেছে।
কি... আর সিংহটা?
- তা ও বে ওটার পিছু নিয়েছে। - আচ্ছা।
আমাকে ওকে বের করতে হবে।
না, তোকে বিশ্রাম নিতে হবে।
খা ।
চা'টা পান কর।
খা ।
পুহি তোর ওষুধের গুনে বেঁচে গেছে।
ওখানে অন্য কিছু একটা আছে। তা ও বে'র আমার সাহায্য প্রয়োজন।
তোর ভাইয়ের তোকে প্রয়োজন হলে, সে তোকে এখানে ফিরিয়ে আনতো না।
তুই ভেবেছিস "কুত্তামিয়া"র কারণ নিজের শিকারের যোগ্যতা প্রমাণ করা,
কিন্তু এর কারণ শুধু একটাই।
বেঁচে থাকা।
তা ও বে ফিরেছে! তা ও বে ফিরেছে!
- নারু। - সেনাপতি।
নারু।
কোথায় যাচ্ছিস?
আমরা পেরেছি।
না।
আমরা পারিনি।
কীসে সাপটার চামড়া ছিলে ওই ছাপগুলো ফেলে গেছে মনে হয়?
আর পড়ে যাওয়ার আগে,
- আমি গাছে বজ্রপাত দেখেছি। - নারু।
- ওখানে অন্য কিছু একটা আছে। - আর থাকলে, সেটাকে মারবো আমি।
আমাদের ফিরে যেতে হবে।
- বনের অনেক গভীরে। - না।
- আচ্ছা। প্রয়োজন হলে একাই শিকারে যাবো। - পারবি না।
- তোমার অনুমতির দরকার আছে, সেনাপতি? - ব্যাপারটা অনুমতির না।
তুই পারবি না।
তোকে বয়ে আনতে হয়েছিল আমাকে।
আমি শিকার করতে পারি।
ঠিক বলেছিস।
আমরা পারিনি।
আমি পেরেছি।
তুই চেষ্টা করেছিলি। ব্যস...
ওটাকে বাড়ি নিয়ে আসতে পারিসনি।
ওরা দেখতে না পেলে,
দেখিয়ে দাও।
চল ।
পরের বার, তুই রাঁধবি।
চল ।
আরে চল ।
যে পদচিহ্নগুলো রেখে গেছে ওটাকে খুঁজতে হবে আমাদের।
জলদি ।
তোমার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।
পরপারে ভালো থেকো বন্ধু।
সারি?
এতোক্ষণে এলি।
- এখানে কী করছো তোমরা? - তোমাকে খুঁজছি।
তোমার ভাই তোমাকে বাড়ি নিয়ে যেতে আমাদের পাঠিয়েছে।
কোথায় ও?
গিড়িখাতের ওপাশে তোমাকে খুঁজছে।
কোথায় যাচ্ছো?
- আমি ওটাকে দেখেছি। - কী দেখেছো?
পদচিহ্নগুলো যেটার সেটাকে।
- ভালুকটাকে? - ভালুক ছিল,
কিন্তু আরো কিছু একটা ছিল, আর সেটা বিশালদেহী।
রক্তে রঞ্জিত না হওয়া পর্যন্ত ওটাকে দেখতে পাইনি, কিন্তু ওটাকে দেখতে...
মুপিতস-এর মতো লাগছিল।
তুমি বাচ্চাদের গল্পের এক রাক্ষসকে দেখেছো?
ওটা খালি হাতে লড়ে একটা ভালুককে মেরেছে, সহজেই।
তোমাকে মারলো না কীভাবে?
থামো!
তুমি বাড়িতে যাচ্ছো।
অনেক হয়েছে!
No comments yet. Be the first to leave one.