The first 200 lines.
বর্ণনাকারী: মহারাণী ক্ল্যারিওন
যদি থাকে তোমার আকাশে উড়ার ডানা
আর দ্বিতীয় নক্ষত্রের নির্দেশনা,
খুঁজে পাবে এমন এক দেশ যেথায় ষড়ঋতু সাজে পাশাপাশি.
যেথায় গ্রীষ্মের তৃণভূমি হারায় শরতের সৌন্দর্যের সীমানায়,
তুষার চাদরে মোড়ানো নির্জন রাজ্যে, অজানা এক পৃথিবী.
যদি হৃদয় কর প্রসারিত তবে জানতে পাবে তোমার হৃদয়,
ডানায় চড়ে যাবে আরও গভীরে কল্পনার সীমানাকে ছাড়িয়ে.
যাবো সেথায় বসন্তের প্রথম ছোয়ায়
পাখিরা গাইবে গান ঘাসের চাদরে সাজবে মাঠ
যাবো সেথায় গ্রীষ্মের উষ্ণতায়
তৃণভূমি সাজবে সোনালী আভায়
যাবো সেথায় শরতের জ্বলন্ত শুষ্কতায়
শুকনো পাতা ছড়াবে আভা মৃদুমন্দ শীতল হওয়ায়
যাবো সেথায় যেথায় বছর ঘোরে আসে
পুরোনো দিন গুলো
কেমন হবে যদি দেখি চেনা পৃথিবীটাই কল্পনার চেয়েও বিশাল?
ঋতুর পালাবদলের পিছু কল্পনার রাজ্যে দেখি না কি আরও কিছু?
কেমন হবে যদি সাহস রাখি অজানা ভয়ে?
কেমন হবে যদি দেখি আমরা আর একা নেই?
কেমন হবে যদি খুঁজে বেড়াই তোমাকেই?
ভালো করে খোঁজ, সবাই!
তুষার পেঁচারা আসলো বলে
তুষারকণার ঝুড়িগুলো শীতের দেশে নিবে.
লুসিন্ডা, খুটাখুটি থামিয়ে মেরামত শুরু কর.
এটাই কি শেষ বোঝা?
ধন্যবাদ, চীজ.
ঝুড়ি দোলানোটা আমার সবচেয়ে প্রিয়, বাবল.
সত্যিই? ঝালর গুলো আরও চমৎকার.
সুপ্রভাত, ক্লাংক. সুপ্রভাত, বাবল.
সুপ্রভাত!
তুষার ঝুড়িগুলি তৈরি করতে এগুলোই যথেষ্ঠ.
আজ্ঞে, সেই সব করবে.
ধন্যবাদ!
- ক্লাংকি. - ওহ! সরি.
বিশ্বাসই হচ্ছে না আমরা বাস্কেট বানাচ্ছি,
শীতের পরীদের কাছে দিয়ে আসো না.
তোমরা কি শীতের রাজ্যে যেতে চাও না?
ঐ ঠান্ডার মধ্যে এক দিনও টিকব না.
তাছাড়া হিমবাহকে ভীষণ ভয় পাই.
হিমবাহ?
তারা বিষণ ভয়াবহ.
সে আসলে কখনো দেখেনি.
তুমিও না!
তুষার পেঁচারা!
সবাই নিজের জায়গায় যাও!
ক্লাংক, বাবল, ঝুড়িগুলি উপরে তুল.
ঠিক আছে, ফেয়ারি মেরি!
কপিকল চালু কর!
ওওহ! নতুন আগন্তুক.
ওয়াও.
চুড়ান্ত চালানের ফরমাশ.
ভালো সংবাদ! কালকের মধ্যে ২০টি ঝুড়ি দিতে হবে.
ঐ পাশে আছে অন্য এক জগৎ.
চমৎকার করেছ সবাই! শীতের প্রথম চালান সম্পন্ন হয়েছে.
কিন্তু কালকের কাজ আরও বেশি,
দম ফেলারও ফুসরত নেই.
লুসিন্ডা, গুল্ম পাতা নিয়ে কাজে যাও.
সাবধান!
খরগোশ পালাচ্ছে!
না!
- ধরেছি! - ধন্যবাদ, টিংক.
ব্যাপার না, ফন.
চলে এসো, ছোট্ট বন্ধু. শীতের রাজ্য আরও অনেক দূর.
আজ তুমিই প্রাণীদের নিয়ে যাচ্ছ?
চেষ্টা করছি.
সীমানা অতিক্রম করানোর সময় হয়েছে,
ছোট্ট বন্ধুটি যেতেই চাইছে না.
হেই, আমি সাহায্য করলে কেমন হয়?
ধীরে! ধীরে!
- সাহায্য লাগবে? - নাহ. সোজা কাজ.
হারানো জিনিস খোঁজা অনেক কঠিন.
হ্যা.
সাবধানে চল, ধীরে!
ওয়াও.
ভয় পেয়ো না, ছুট্ট বন্ধু.
নকুলদের আগে যেতে দাও.
চল. চল. চল!
প্রাণীদের নিয়ে আমরা কত দূরে যাব?
- টিংক, আমরা তো ঐ পাশে যাব না. - হাহ?
শুধু প্রাণীদের যেতে সাহায্য করব.
ভেবেছিলাম এনিমেল পরীরা ঐ পাড়ে যায়.
টিংক, ঐ পাশে বরফে ঢাকা.
তাছাড়া, উষ্ণ পরীদের বরফ রাজ্যে যাওয়ার অনুমতি নেই.
ঠিক যেমন শীতের পরীদের এই পাশে আসার অনুমতি নেই.
কেডা বানাইছে এই নিয়ম?
মনে হয় শীতের রাজা.
শীতের দেশে রাজাও আছে?
বন্ধুরা তৈরি?
- ওয়াও. - চমৎকার, তাই না?
অবিশ্বাস্য.
শীতের হাত থেকে বাঁচতে কোট পরে ফেলেছে.
তোমাদের পালা. যাও.
যাও, গিয়ে ভাইদের অনুসরণ কর.
টা-টা!
ঠিক আছে বিশাল বন্ধু.
ওহ, না.
এখন শীতনিদ্রা নয়.
শীতের দেশে যাওয়ার পর!
চল. চল!
উঠো. উঠো.
ওহ...
চল.
উঠো.
ভোর হল দূর খোল.
ওওহ!
ওওহ!
ওহ...
টিংক!
টিংক!
- টিংকার বেল! - কী?
টিংক! বলেছিলাম, ঐ পাড়ে যাওয়ার অনুমতি নেই.
তোমার ডানা.
জানি!
দ্যুতি ছড়াচ্ছিল.
জমে যাচ্ছে!
এখনই চিকিৎসক পরীর কাছে নিতে হবে.
- কিন্তু... - চল তো
সাহায্য করতে পারি?
আর কত দেরি?
বলেছিলাম, রংধনু আস্ফোটন কোন তাড়াহুড়োর কাজ নয়.
বেগুনী রং তো ভীষণ চুলকাচ্ছে.
আসন গ্রহণ কর.
ওহ, স্ন্যাপড্রাগন, ঠিক?
মমম-হমম.
গুরুত্বপূর্ণ কিছু না. ঐখানে লাগাও.
ধন্যবাদ.
জলদি, মেয়েরা. দেরী হলে কী হবে?
- দুঃখিত. হয়েছে কী... - জানালাতে.
আ, আ, আ, আহ!
রোগীর নাম?
টিংকার বেল.
ও হ্যা. সীমানা অতিক্রম করেছে. সে...
জমে বরফ?
- কক্ষ ২. - ওহ.
- ধন্যবাদ. - মমম-হমম.
- এই দিকে. - মেয়েরা, জলদি চল.
সে এই দিকেই আছে. কক্ষ ২.
- এইতো সে. - টিংক!
যত তারাতারি সম্ভব এখানে চলে এসেছি.
আমাদের অভ্যর্থনার সামনেই থামা উচিত ছিল.
আসলেই কি অতিক্রম করেছিলে?
বেশ, গিয়েছিলে?
শশ!
- হম... - থাম.
শশ!
মমম-হমম.
গাঁ গরম হয়েছে. ডানা গুলো দেখি.
অবশ্যই.
খোল.
চাপাও.
ডানা ঝাপটে দেখ তো.
ঝাপটে উড়ো.
চার পাশে ঝাপটাতে পারবে?
কিছু হয়নি. দেখে ভালোই মনে হচ্ছে.
তাহলে দীপ্তি ছড়াচ্ছিল কেন?
তুষারে আলোর প্রতিফলনের কারণে হতে পারে.
- কিন্তু“ - সীমানা অতিক্রম করা
উচিৎ হয়নি.
শীতের দেশ উষ্ণ পরীদের পাখার জন্য অনেক ঠান্ডা.
নিরাপদ থাকতে, দুইটা সূর্যমুখীর বীজ নিয়ে যাও।
সমস্যা হলে চলে এসো.
- ধন্যবাদ. - মম-হম.
ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে, টিংক.
ভাগ্য ভাল ডানার কিছু হয়নি.
ভাবতো?
আজব ঘটনা হল, ডানা থেকে দ্যুতি ছড়াচ্ছিল!
কি বলেছে শুননি? তুষারে প্রতিফলনের কারণে হয়েছে.
না, তা নয়. আসলেই জ্বলছিল.
হাজারটা জোনাকির চেয়েও অধিক উজ্জ্বল হয়ে.
তুমি তো দেখেছিলে, দেখোনি ফন?
না.
বিশ্বাস করছ না?
কে... আম...
আহ“.না?
সত্যি বলছি বন্ধুরা, জ্বলছিল. মনে হচ্ছিল যেন...
- যেন... - যেন কী?
যেন শীতের দেশ আমায় ডাকছে.
বুঝেছ?
মাথার উপ্রে দিয়া গেল. ডাক্তার ডাক.
এনিমেল ফেয়ারি বই, ধুলো রত্নের ১০১টা ব্যবহার,
বিউটি এন্ড দ্যা বিস্ট...
এখানে ডানা বিদ্যার বই থাকার কথা.
রংধনু আরোহণের নিয়ম. এটা না.
হাহ? হেই.
কেউ বইটা খেয়ে ফেলছে!
গ্রন্থকীট.
ওহ. কী এইটা?
আহ!
আলোক বিদ্যা.
ধুলোবিদ্যা, বায়ুবিদ্যা...
আ-হা!
বায়ুবিদ্যা. এতেই থাকার কথা.
ওহ!
ধরেছি!
অহম.
দুঃখিত.
ম-হুম.
ঠিক আছে, দেখিতো.
ডানার যত্ন. ডানা ধুয়া. ডানার পরামর্শ.
No comments yet. Be the first to leave one.