The first 200 lines.
:.:.: Ms. Marvel (2022-):.:.: 🌒 Season 01 | Episode 02 🌘 অনুবাদে: মোহাম্মদ ইউসুফ
কী খবর তোমাদের?
হেই!
- মর্নিং, ক্যামেলিয়া! - মর্নিং!
আপনাকে দীর্ঘদিন ধরে বলতে চাচ্ছিলাম কথাটা...
আমার নামের উচ্চারণ আসলে "কামালা"!
তাই নাকি?
- কী অবস্থা তোমার? - হেই।
হেই, বন্ধুরা! একটু সরে দাঁড়াও! ধন্যবাদ!
এয়ারপডের যে বিশেষত্বটা সবচেয়ে জোশ লাগে...
গান শোনার জন্য একে অপরের শরীর ঘেঁষে দাঁড়াতে হয় না!
লাভ ইউ, বন্ধুরা! দোয়া করি যেন সহি সালামতে থাকো!
ফেভারিট কাপল তোমরা, ইয়াহ!
আমি অত্যন্ত দুঃখিত!
ব্যাপার না।
সরি, ভিডিয়োটা আবার দেখতে হবে আমাকে!
যেটা পাঠিয়েছিলি সেটায় আলোর ঝলকানি বেশি, কিচ্ছু বোঝা যায় না দেখে!
তুই কিছুই দেখিসনি? আমি তো সংকুচিত হয়ে ছোটাছুটি...
আর পিঁপড়াদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছি। লাভ হয়নি কোন।
তোর মধ্যে এন্ট ম্যানের পাওয়ার আছে বলতে চাচ্ছিস?
কারণ, আমরা দু'জনই চমৎকার এবং বয়সের তুলনায় দেখতে এখনো বেশ কচি!
দারুণ অবাক করা ব্যাপার, জানিস!
সবাই বলছে, ঘটনাটা আমার লাইভ স্ট্রিমিং করা ঠিক হয়নি...
কিন্তু, মানুষকে দেখানোর জন্য আর তর সইছিল না!
জোয়ির ফলোয়ার তো এই সপ্তাহেই চারগুণ বেড়ে গেছে দেখলাম!
মানে, এক সুপারহিরোর সাথে ও সামনাসামনি দেখা করেছে!
মানুষ তো ওকে নিয়ে হুড়োহুড়ি করবেই!
যদি সে বিষয়টা এমন হবে জানতো...
আরো ভালভাবে পরিস্থিতি'টা সামলানো যেত।
বন্ধু, খালি ভেবে দেখ যে মেয়েটা বাঁচিয়েছে তাহলে তার ফলোয়ার কেমন হতে পারত!
তার পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়ই কোন শক্ত কারণ আছে।
কিন্তু, এক মিলিয়ন ফলোয়ারের কথা ভাব?
জোশ! একটু দেখা না, প্লিজ?
আচ্ছা, লাঞ্চের পরে, থিয়েটারে দেখাবো।
- আমরা এরকম লাফাচ্ছি কেন? - কারণ, জোয়ি ভাইরাল হয়ে গেছে!
- আজব! - মানে, সবকিছু এতো চোখের পলকে ঘটে গেল যে...
আমি এক কোণে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার জন্য পোজ দিচ্ছিলাম...
তারপর আচানক হলভর্তি মানুষ চিল্লাচিল্লি শুরু করল...
আমি তো হুড়োহুড়ির চোটে ফ্লোরে পড়েই গেলাম!
তারপর, হঠাত করে একটা শুভ্র আলোর ঝলক আমায় ঘিরে ধরল!
সেই মুহূর্তে আমার ছটফটানি কমে গিয়েছিল! নিজেকে কেমন নিরাপদ মনে হচ্ছিল!
শহরে সুপারহিরোর নামে গালগপ্পো চলছে, আর এই মেয়ে ক্যাপ্টেন মার্ভেলের...
নাম ভাঙিয়ে আরেকটা স্বস্তা কাহিনী বলে সবার নজর কাড়ার চেষ্টা করছে!
থ্যাংক ইউ!
- মানে? - থ্যাংক ইউ!
মানে, কেউ তো অন্তত আসল ব্যাপারটা বুঝল!
অই জোয়ি, ঢঙ্গি মেয়েটা তো সবসময়ই আলবাল বকতেই থাকে!
আচ্ছা, শান্ত হও!
উনার নাম কী ছিল?
নাম...নাইট লাইট!
হ্যাঁ, নাইট লাইট!
সে আসলে সবার নজর এড়িয়েই চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, তাই...
কিন্তু, অই ক্ষণটা ছিল জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো!
সেজন্যই এই শুক্রবারে একটা পার্টির আয়োজন করেছি।
মানে, ঠুকনো এই জীবনটাকে খানিকটা উপভোগের চেষ্টা করা আরকি!
যদিও অর্ধেক মিলিয়ন ফলোয়ার জুটে যাওয়াটাও একটা কারণ...
তবে, ছোট্ট এই জীবনটাকে উপভোগও বাদ যাবে না!
সে জীবনের ভঙ্গুর দিকটা উদযাপন করতে চাচ্ছে!
হ্যাঁ, তারপরও ওর এই পার্টিতে আমরা যাচ্ছি না।
হেই, তুমি নতুন ভর্তি হয়েছ এখানে, তাই না?
- কামরান। - হ্যাঁ, ঠিকই বলেছ।
শুক্রবারে পার্টি হচ্ছে, তোমাকে কিন্তু আসতেই হবে!
উম্ম...
কেন নয়? অবশ্যই আসব!
- জোশ! - থ্যাংক ইউ।
- কুল্, ডিটেইলস ম্যাসেজ করে দেব পরে। - আচ্ছা।
পার্টিতে আমাদেরও যাওয়া দরকার।
ম্মম-হুম্মম।
কী?
- আমি জোয়ির পার্টিতে যেতে চাই না। - আরে, অনেক মজা হবে!
ওয়াও...এটা তো...
অসাধারণ!
কেমন লাগে তোর?
একটা স্বপ্ন বাস্তবে সত্যি হওয়ার মতো!
উহ...
মনে হচ্ছে, তোর পাওয়ারে এখনো অত জোর আসেনি।
হ্যাঁ, হয়তো জিমে আরো সময় দেওয়া লাগবে!
তোকে বাঁচালাম!
কিন্তু, আরেকটু হলে তোর জন্যই মরতে বসেছিলাম!
ওকে, মনে হয় পাওয়ারটা নিয়ে আরো কসরত করতে হবে!
আচ্ছা, শক্তি কম তো কী হয়েছে, এটাই বা কম কী?
আসল ব্যাপারটা হচ্ছে, পাওয়ারটা তোর বালা থেকে না...
তোর মধ্য থেকে বের হচ্ছে।
মনে কর, বালা'টা তোর সুপারহিউম্যান স্বত্ত্বাটা জাগিয়ে দিয়েছে!
তাহলে, আমি কোন অ্যাসগার্ডিয়ান বা এরকম কিছু?
- দোস্ত, আমি কি থরের বংশের কেউ? - আরে, ধুরো, ওসব বলিনি আমি!
- ব্রুনো! - হতেও পারে?
থ্যাংক্স, ম্যান!
এখানে কী লেখা আছে পড়তে পারিস?
লেখা'টা বেশ জটিল, উম্ম...
আরবি কিংবা উর্দুতে মনে হয় লেখা? জানি না কোন ভাষা এটা!
আচ্ছা, যেটা জানি সেটাতেই মনোযোগ দেওয়া যাক।
তোর ভেতর থেকে আলো বের হয়ে বস্তুতে পরিণত হতে পারে!
এর নাম 'হার্ড লাইট" রাখব নাকি?
শুনতে বদখত লাগছে।
হাত ছাড়িস না!
প্লিজ, আমার হাত'টা ছেড়ে দে!
আমার কিচ্ছু হবে না!
ইয়েস!
সবসময় আসতে দেরি করো তোমরা!
এটা কিছু হলো!?
সর।
আবার তোল ছবিটা! আগেরটা বিচ্ছিরি লাগছে দেখতে!
মসজিদের ক্ষণ বা দ্বীন হ্যাশট্যাগ দিস।
- এই! - আরে, আরে!
মসজিদে কোন স্ন্যাপচ্যাট চালানো যাবে না!
- এটা তো ইন্সটা! - শশশশ!
ওদের সাউন্ড সিস্টেমটা ঠিক করতে হবে।
নাহ, বরং আমাদের বসার জায়গাটা বদলে দিলেই ব্যাটার!
ছেলেদের বসার জায়গা'টা কত গোছানো!
আমাদের চরিত্রের ভালো ভালো দিক গুলো...
কার্পেটের নিচে সিমেন্টের গুড়ো ভরা, দেওয়াল থেকেও চুন সুড়কি ক্ষয়ে ক্ষয়ে পড়ছে!
এসব ছোটখাট গর্ত ঢাকতে পোস্টার তো আর ব্যবহার করা যায় না।
বোন, খুতবার সময় কথা বলা অনুচিত!
দুঃখিত, শেখ আবদুল্লাহ...
এখানে বসে আপনার কথায় মনোযোগ দেওয়াটা বেশ কঠিন!
কামালা বোন! আজ আপনাকে এখানে দেখে সত্যিই বেশ খুশি হলাম।
প্রত্যেকের মর্যাদা আর ইজ্জত আব্রুর হেফাজতের জন্যই...
মাঝখানে এই পর্দা আর আলাদা দরজার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ধন্যবাদ, কামালা বোন।
আপনার কথা শোনাটাও যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ সেটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।
তবে, আমার খুতবার সময় দয়া করে কথা বলবেন না।
ওহ...
আরেকটা কথা স্মরণ করিয়ে দেই সবাইকে...
মসজিদ কমিটির সভাপতি পদের নির্বাচনে নোমিনেশন নেওয়ার সুযোগ আছে এখনো।
শোন, তোর কিন্তু নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিৎ?
মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোর?
আমাকে দেখে কি তোর ৯০ বছর বয়স্ক বুড়ি মনে হয়?
- মাঝেমাঝে... - না।
- শুধু। - থাম। বড্ড বকিস তুই!
না, না, না, না! কামালা, কেউ আমার জুতো চুরি করেছে!
ভারসাক ব্র্যান্ডের জুতো ছিল ওগুলো!
মনে হচ্ছে, জুতো চোরের নজর তোমার জুতোয় পড়েছিল!
এই নিয়ে মসজিদে আমার ২২ জোড়া জুতো চুরি হলো...
কিন্তু, এই মুরুব্বী'রা তো বিষয়টা আমলেও নেয় না!
মসজিদের কমিটিতে একজন মেয়ে থাকলে হয়তো কিছু জিনিস বদলাত।
সেটাই!
দাঁড়াও, নাহ, রাশিদ চাচা লড়ছে নির্বাচনে।
আর, সবাই উনাকে বেশ শ্রদ্ধাও করে।
- তুই কি সিরিয়াস? - হুম।
রাশিদ চাচ্চু তোর সামনে দুই মিনিটও টিকবে না, সোনা!
সিস্টেমকে বদলাতে হলে আগে সিস্টেমের অংশ হতে হয়!
আমার মনে হচ্ছে কি জানিস? আমার কমিটির নির্বাচনে লড়া উচিৎ!
অবশ্যই!
- তুই আমার ক্যাম্পেইনের ম্যানেজার হবি। - কী?
আমাকে হাত লাগাতে দাও।
ওহ, হাই, থ্যাংক ইউ!
সেদিন ওভাবে লুকিয়ে বের হওয়ার জন্য সরি।
কামালা, জানি যে তুই বড় হচ্ছিস...
কিন্তু, নিজের নিরাপত্তার দিকটাও তো ভাবতে হবে!
এর বেশি কিছু চাইনি আমি।
আমি জানি।
একইসাথে, এটাও জানি যে এখন অনুমতি চাওয়ার জন্য সঠিক সময় না...
কামালা খান!
যদি আবারও তুই অ্যাভেঞ্জারকন কিংবা এই জাতীয় প্রোগ্রামে..
না, না, না, না!
জোয়ি ওর বাড়িতে রাতে একটা পার্টি করবে।
ব্রুনো আর নাকিয়াও যাবে সেখানে, আমি রাত ৯টার আগেই চলে আসব।
আমি কি যেতে পারি?
ঠিক আছে।
কিন্তু, এবার চোরের মতো ঘরের জানালা দিয়ে না ঢুকে সামনের দরজা দিয়ে ঢুকবি বাড়িতে।
থ্যাংক ইউ!
নাকিয়া!
পার্টিতে স্বাগতম!
হাই, ধন্যবাদ আসার জন্য। মিগুয়েলও এসেছে।
কী অবস্থা?
লাগবে?
- না, আমি... - এটাতে কি অ্যালকোহল আছে?
নাহ, এটা তো অরেঞ্জ জুস!
এরকম মজা কেন করিস ভাই?
- কাম অন! - সাথে ভদকাও মেশানো ছিল।
যথেষ্ট হয়েছে। উবার ডাকব?
না, এখন না!
মাত্রই তো পার্টিতে আসলাম সবাই!
আমি কি মাতাল হয়ে গেছি?
দাঁড়াও, ওটা আবার কে?
- লাফ দে! - ও কী বোকা নাকি?
আরে, আরে, লাফ দিস না, ভাই!
- হায় খোদা! - লাফ দে!
আমার কি কিছু করা উচিৎ?
- তুই কী করবি সেখানে? - জানি না।
- এর মানে কী! - আয় হায়!
তারিফ করছে।
এক্সকিউজ মি!
জ্বি।
তুমি আমার শার্টের উপর দাঁড়িয়ে আছো।
- সরি! - ব্যাপার না।
যেভাবে উল্টি মেরে লাফ দিলে! যদি ব্যাথা পেতে?
না, চিন্তার কিছু নেই। আমি একদম ঠিক আছি।
- আমি কামরান। - নাকিয়া।
কামালা, আমি কামালা! আমার নাম কামালা!
পুলিশ! সবাই পালাও!
আমার বাবা মা তো আজকে মেরেই ফেলবে আমাকে।
অই রাস্তাটা তো বন্ধ! সময়মত বাসায় পৌঁছুতে পারব না!
শোনো, আমার কাছে গাড়ি আছে। সবাই আমার সাথে চলো।
তোমার আংকেলের গাড়িটা একেবারে জোশ! রংটা দেখতে দারুণ লাগছে!
থ্যাংক ইউ।
গাড়ির রং কালো।
মাঝেসাঝে গাড়ি'টা ব্যবহার করতে পারো নিজের প্রয়োজনে।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
No comments yet. Be the first to leave one.