The first 79 lines.
বর্বররাই শুধু নির্ভেজাল মদের স্বাদ উপভোগ করতে পারে।
আমার সামনে থেকে সর, হারামজাদা।
আত্ম-নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই জরুরি।
আজকে আকরিকের বাজারদর কেমন?
এগুলোর জন্য ২ টাকা পাবি।
মাত্র দু'টাকা?
সওদা যে করেছি, সেটাই তোর ভাগ্য।
কত টাকা রোজগার করলে?
আর বাকি টাকা?
এটুকু যে পেয়েছি, এটাই সৌভাগ্য।
চিন্তা করো না।
আমরা অন্য কোনো উপায় খুঁজে নিব।
কী হচ্ছে এসব?
ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
আমি গ্র্যান্ড অ্যারকন অ্যালেক্সিয়া।
একটা পিশাচের খুঁজে বেরিয়েছি। এখান দিয়ে কেউ কিছু যেতে দেখেছ?
- পিশাচ? না। - তাহলে ভিতরে যাও।
দানবগুলোর মনে কোনো দয়া-মায়া নেই।
বুড়ো ভাম, এখানে কী করছ?
দেখছ না, পা ভেঙে গেছে!
বেশি মদ গিললে তো পা ভাঙবেই, শালা বুড়ো।
এভাবে চললে তো হুট করে একদিন মারা যাবে, ইলিয়াস।
আমাকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
তুমি বুড়ো হতে পারো, কিন্তু এখনো জীবিত।
এটাকে পরিষ্কার করতে হবে।
হেরন?
ব্যথা পেয়েছ?
লোকটাকে গ্রেফতার করো।
গুজবগুলো সত্যতে পরিণত হয়েছে।
পূব থেকে আসা এক সৈন্যদল আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।
এরকম শত্রু আমরা আগে কখনো দেখিনি।
এই দেও-দানবেরা কখনো তাদের মুখ খুলে না।
- দানব? - সে কি দানবের কথা বলল?
নিজ চোখে দেখার পরই আমার সেটা বিশ্বাস হয়েছে।
এখন আপনারাও দেখবেন আসল সত্যটা।
এই অগ্নিপরীক্ষার মাধ্যমেই আসল সত্যের উন্মোচন হবে।
না! না! দয়া করো!
- কী করছ তুমি? - ঈশ্বর তোমার আত্মাকে শান্তি দিক।
হয় বদলাও, নয়তো মরো।
হায় ঈশ্বর…
তোমরা পিশাচেরা, বহু নির্দোষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছ।
আমাদের কোনো পিছুটান নেই।
আমরা হলাম শক্তিশালী, যেখানে তোমরা সবাই...
এটা কীভাবে সম্ভব?
জলজ্যান্ত একটা লোকের ভিতরে কীভাবে পিশাচ লুকিয়ে থাকতে পারে?
পিশাচের আসল কাহিনী বুঝতে হলে…
দানবদের বিরুদ্ধে ঘটা মহাযুদ্ধের কাহিনীটা জানতে হবে।
দানব?
পৃথিবীকে সবেমাত্র সৃষ্টি করা হয়েছে…
…তখন স্বর্গবাসী দেবতারা...
হারিয়ে দিলো পাতাল-বাসী টাইটানদের।
কিন্তু সর্বশেষ টাইটানটা মরার সময়,
দেবতাদেরকে সে অভিশাপ দিয়েছিল। তার রক্ত সমুদ্রের পানিতে মিশে…
জন্ম দিয়েছিল দেও-দানবের।
শুধুমাত্র একটা উদ্দেশ্যেই দানবদেরকে পৃথিবীতে আনা হয়েছিল।
দেবরাজ্য ধ্বংস করার জন্য।
শুরু হলো এক নারকীয় যুদ্ধ, উত্থান ঘটল দেব-দানবের এক তুমুল সংঘর্ষের।
দেবতারা শপথ নিয়েছিল, তারা দানবদের হারিয়ে পৃথিবী থেকে নির্মূল করবে।
দেবতা ও দানবের মধ্যে বাঁধল হার না মানা এক সংঘর্ষ।
কেউই হার মানতে রাজি নয়,
দুই দলই সমান-তালে লড়াই চালিয়ে গেল, যেন এ-যুদ্ধ কখনোই শেষ হবার নয়।
কিন্তু একদিন,
জিউস দুইজন দানবকে দেবতাদের পক্ষে নিয়ে নিলো।
এর মাধ্যমেই পৃথিবী পরিচিত হয়েছিল যুক্তিতর্ক ও আপস-মীমাংসার সাথে।
জিউস তাঁর দলবল নিয়ে আখেরি হামলা করলেন।
জিউস হারমেসকে আদেশ দিলেন তাদের আত্মা একত্র করার জন্য,
তারপর সেগুলোকে একত্র করে...
স্রোতের দ্বারা সমুদ্রের গভীরে...
নিক্ষেপ করা হলো।
নির্মাণ-দেবতা হেপাস্টাসকে প্রহরী হিসেবে...
সেই বাক্সকে পাহারা দেয়ার জন্য নিযুক্ত করা হলো,
যাতে সেই অশুভ আত্মাদের অবমুক্তি না ঘটতে পারে।
তো এর সাথে দেও-দানবের কী সম্পর্ক?
অধৈর্য হয়ো না, ছোট্ট বন্ধু।
এভাবে সময় গড়িয়ে যেতে লাগল,
হঠাৎ সমুদ্র ঝড়ে জন্ম নেয়া বিশাল এক ঢেউ...
এক মৃত দানবকে তীরে আছড়ে ফেলল।
আর পূর্বলিখিত ভাগ্য হিসেবে,
এই অশুভ সৃষ্টির মুখোমুখি হলো এক মানুষ।
No comments yet. Be the first to leave one.