The first 200 lines.
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড :.:.: বাংলা সাবটাইটেল :.:.:
অনুবাদ ও সম্পাদনায় :.:.: ফুয়াদ আনাস আহমেদ :.:.:
ড্যাড।
ড্যাড।
ওঠো।
ওঠো।
চোখ লেগে গিয়েছিল হঠাৎ। কোথায় ছিলাম যেন?
ঐ যে পাগল লোকটা।
ওহ, অবশ্যই।
তখন টুপিওয়ালা...
লোকটা বলল,
"যদি আমার নিজের কোনো দুনিয়া থাকত,
সবকিছুই থাকতো এলোমেলো।
সে দুনিয়াতে যেটা যা,
সেটা আর তা থাকত না।"
সেটা আর তা থাকত না?
এমনকি আমিও?
এই।
তুমি ঠিকই আছো।
সুস্থ হয়ে যাবে তুমি।
হুমম?
কথা দিচ্ছি।
এবার মজার কিছু পড়ে শোনাই।
ড্যাড।
- কী হলো, চার্লি? - শোন।
শোনো।
চার্লি?
চার্লি!
সবশেষে, নিজের বাস্তবতাকে কি কখনো তোমার প্রশ্নবিদ্ধ মনে হয়েছে??
না।
গুড।
দেখা যাচ্ছে, তুমি তোমার ন্যারেটিভে চলতে চলতে
এক গেস্টের সঙ্গীর সাথে নিষিদ্ধ কথাবার্তায় জড়িয়ে পড়েছিলে।
কী হয়েছিল বলো তো?
লোকটা বললো, আমার শরীরের একটা টুকরো কেটে বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়
তারপর নাকি সেটা তার গাড়ির হুডে লাগিয়ে বন্ধুদেরকে দেখাবে।
আমি বললাম এতই যদি কাটাকুটির শখ থাকে
ওর একটা টুকরো কেটে, সেটা নিয়ে অলভিডোতে মাছ ধরবো।
তো এই নিষিদ্ধ কথাবার্তা কি কোনোভাবে তোমার জগতকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে?
না।
এই দুনিয়ায় প্রশ্নবিদ্ধ হবার বাকি আছেটা কী?
আর আমার মানসিক শান্তির জন্য...
দেখো তো, এই ছবিগুলো দেখে কিছু মনে হয় কিনা?
আমার তো তেমন কিছুই মনে হচ্ছে না।
১৫% ব্যাকলগের কাজ শেষ।
এখন যা অবস্থা, আজকের মধ্যেই সব শেষ হয়ে যাবে।
- গুড। - আর আপনার কাজ শেষ হয়ে গেলে
ম্যানেজমেন্ট থেকে ওকে বিশেষ ভাবে চাওয়া হয়েছে।
এলসিকে দেখেছ?
আমাকে একটা কাজে সাহায্য করার কথা ছিল ওর।
না, সিস্টেম থেকে জানলাম,
আজ থেকে ওর ছুটি শুরু।
আর কোনো হেল্প লাগবে, স্যার?
না, থ্যাংকস।
বাড়িয়ে দিলাম।
আমি কল করলাম।
এই কার্ড দিয়ে কলও করো?
ডোলোরেস, তুমিও একদান খেলবে নাকি?
অহেতুক ডাকছো।
মেয়েটা হিংসায় মরছে।
তোমায় দোষ দিচ্ছি না সুন্দরী।
তোমাদের দুজনের সাথেই বাজে ব্যবহার করেছি আমি।
কিন্তু নিজের স্বার্থে করিনি।
কনফেডেরাডো আর সরকার এটাকে যুদ্ধ বলতে চায়।
কিন্তু ওদের যুদ্ধটা পাথরঘাটা গরীব চাষীদের সাথে।
এটাকে তো যুদ্ধ বলে না।
এটা হল হত্যাযজ্ঞ।
আবারও যদি কখনো সুযোগ পাই
তোমাদের দুজনকেও দেখিয়ে দিতাম, যুদ্ধ কাকে বলে!
অন্তত, তোমার অবস্থান তো পরিষ্কার হলো।
অত নিষ্পাপ সেজে লাভ নেই।
যতদূর মনে পড়ে, তোমরাই তো আমার কাছে এসে
ঐ পাগলগুলার সাথে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতে যেতে বায়না ধরেছিলে।
বুদ্ধিটা আমাদের ছিল না।
আমার বন্ধু আসলে...
এসবের শেষটা দেখতে চেয়েছিল।
আর দেখছো কিনা তোমরা।
তোমার বন্ধুও তো এতদূর আসতে পারেনি।
হয়তো নিজের অজান্তে বন্ধুর চেয়ে বেশি ইচ্ছে তোমাদেরই ছিল।
উইলিয়াম।
এটা কোন জায়গা?
ঘোস্ট নেশনের এলাকায় আছি।
সবচেয়ে বর্বর জাতি।
কোনো কারণ ছাড়াই চলে আসে যখন তখন।
আমরাও তো ঠিক এটাই করছি এখন, তাই না?
এ পথে ট্রেনই একমাত্র ব্যবস্থা।
হেটে গেলে, একঘন্টার মধ্যে মারা পড়বো।
কোনোমতে এলাকাটা পার করতে পারলেই থামা যাবে।
চাইলে আসতে পারো। এখানে, মারতে না পারলে, মরতে হবে।
আপনার কাঙ্ক্ষিত ইউজারের অবস্থান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
মেসেজ পাঠাতে চাইলে বলুন "মেসেজ"।
দেখা করতে ডাকলে? সব ঠিকঠাক আছে তো?
কাল রাতে হুট করে চলে গেলে।
কিছু বলতে চেয়েছিলে নাকি?
না, বলার কিছু নেই।
হেল প্রতিটা ডিপার্টমেন্টই ঘুরে ঘুরে দেখছে।
ওদিকে তোমার ডিপার্টমেন্টে এখনও ডায়াগনস্টিকস চলছে।
অন্তত বোর্ড যখন উপস্থিত তখন যদি আমরা
পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে পারি, ভালো হয়।
সমস্যা হবে না।
আমার লোকেরা নিজেদের কাজ ভালোই জানে।
আমার টিমের ইনভেস্টিগেশনে যতটা নাক গলাচ্ছে
তার অর্ধেক শ্রমও যদি নিজেদের কাজে দিত...
ওসব শেষ।
তুমি শিওর?
হ্যাঁ।
গুড।
তুমি ঠিকঠাক আছ তো?
একদম ঠিকঠাক। থ্যাংক ইউ।
সরি। ভাবলাম, মিটিংয়ের জন্য ডেকেছেন।
- ভুল হয়েছে। - ডেকেছিলাম তো।
আসো।
জলদি আসো এখানে।
তোমার বন্ধুকেও আনো।
কী খবর তোমার? ভাগ্যের কোন স্রোতে...
আপনি এখন না চাইলে, পরেও আসতে পারি।
বেশিক্ষণ লাগবে না।
থেরেসা, কাজের প্রতি তোমার দ্বায়িত্বশীলতার কোনো তুলনা হয় না।
আর এখন পর্যন্ত তোমার পারফর্মেন্সে বোর্ড খুবই খুশি।
সেজন্যই ঐ কাঠুরের ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত লাগল।
ছোটখাটো সমস্যা।
পাথর থেকে পিছলে পড়ে গিয়ে নিজের মাথা নিজে বাড়ি দিয়ে দিয়ে থেঁতলেছে...
তাও আবার বিহেভিয়র ইউনিটের সামনে।
আর ওদিকে, ফোর্ড কিনা হঠাৎ করে পার্কের অর্ধেক রিসোর্স দিয়ে...
নতুন ন্যারেটিভ বানানোর পেছনে লেগেছে?
একটা সিগারেট নিতে পারি?
খোদা! কেন সাথে সাথে বুঝলাম আবারও।
একটা কথা মনে করিয়ে দেই।
এখানে যারা কাজ করে তারা সবাই আসলে মূল্যহীন।
এখানে কেবল একটা ব্যাপারেই আমাদের মাথাব্যথা আছে।
তা হলো কোড।
হোস্টদের মন, স্টোরিলাইন...
হোস্ট নিয়ে মাথা ঘামানোর বিন্দুমাত্র সময় নেই।
আমাদের ছোট্ট রিসার্চ প্রোজেক্টটা ঠিকমতো চলছে কিনা, সেটাই ডেলোস দেখবে।
আসল মূল্যটাও ওখানেই।
আর আমার পূর্বসূরিদের একজনের অদূরদর্শীতার কারণে,
৩৫ বছরের ইনফরমেশন...
র ইনফরমেশন...
পড়ে আছে এখানে।
আর কোথাও না।
ফোর্ড সবসময় এটাই বলেছে।
তো, তুমি তো স্মার্ট একজন মানুষ।
বলো তো, এত দামী সব ইনফরমেশন রক্ষা করতে তোমাকে কেন প্রয়োজন?
কারণ আপনারা উনাকে বরখাস্ত করবেন।
বিশাল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাকে কখনো বরখাস্ত করতে হয় না।
তাকে সুকৌশলে অবসরে পাঠাতে হয়।
আর যদি সে মানুষটার হাতে সেই সাম্রাজ্য
ধ্বংস করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে
অবশ্যই বিকল্প ব্যবস্থাও ভেবে রাখতে হবে আগেই।
কাজেই, আমরা দুজন মিলে
বোর্ডের বাকি সবাই আসার আগে
সে ব্যবস্থাই করবো।
ওকে?
তোমাকে পছন্দ হয়েছে।
পার্সোনালি না, কিন্তু, এই কাজটার জন্য আরকি।
আর সে কারণেই তোমাকে এই সমস্যার সমাধান করার আরেকটা সুযোগ দিচ্ছি।
কিন্তু ঈশ্বরের তো চাই...
ঈশ্বরের তো চাই ব্লাড স্যাক্রিফাইস!
আমাদের শুধু এটা প্রমাণ করতে হবে যে...
ফোর্ডের এসব খেলনা কতটা বিপজ্জনক হতে পারে।
না।
না, সহজে অনুমান করা যায়, এমন কিছুচলবে না।
সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত কিছু দরকার আমাদের।
তোমাকে বলেছি না, পয়সা না পেলে অহেতুক কখনোই
এত বড় করে মুখ খুলবে না।
সরি, মেইভ।
রাতে ঠিকমতো ঘুম হয়নি।
তোমার দুঃস্বপ্ন গুলোর কী খবর?
কখনও নিজেকে অন্য কোনো রূপে দেখেছ?
মনে হয় না তো।
কেন?
কখনও ভেবে দেখেছ তুমি এ জীবনটাই চাও কিনা?
আমার তো সারাজীবন এসব করার ইচ্ছে নেই।
কিছু মনে করো না।
আমাদের একটা খামার আছে।
অনুর্বর জমি। কিছুই জন্মায় না।
কিছু টাকা পাঠাই বাসায়।
ওদের ধারণা আমি কাপড়ের দোকানে কাজ করি।
কী হলো?
যা করতে বলছ সেটাই তো করে যাচ্ছি।
আর মাত্র কয়েকটা বছর, তারপর...
জীবনটাকে ইচ্ছে মতো সাজাবো আমি।
মরুভূমি থেকে আমার পরিবার নিয়ে আসব।
চলে যাব অন্য কোথাও...
ঠান্ডা কোথাও।
কোনোদিন।
কোনটার কথা বলছো?
বারে দাঁড়ানো যেটা। যাও।
ওপর তলার গেস্টরা দেখার আগেই শেষ করো।
সিরিয়াস কিছু না করলে...
এই দিনেরবেলা এটাকে নিতে পাঠাতো না।
পেয়েছি। চলো।
তোমার তো বিশ্রাম নেয়া দরকার।
ট্রেন বোঝাই বিস্ফোরক নিয়ে মরুভূমি পাড়ি দিচ্ছি আমরা।
ঘুম আসছে না।
একটা কথা জিজ্ঞাসা করি?
যে জায়গাটা তুমি খুঁজছ,
কীভাবে শিওর হলে যে, সেটা আসলেই আছে।
শিওর না তো।
আগে আমার জীবনটাই ছিল এমন যে, দুনিয়ার সব কিছু নিয়েই শিওর ছিলাম আমি।
No comments yet. Be the first to leave one.