Hridayam

Hridayam (ഹൃദയം)

Download Bengali Subtitle

Release info

Hridayam (2022) [2:51:10]
ഹൃദയം - Hridayam (2022) Bangla Subtitle
ഹൃദയം-হৃদয়াম-২০২২-বিসাব [২ঃ৫১ঃ১০]
ഹൃദയ-HRIDAYAM-2022-RUNTIME-[2:51:10]
ഹൃദയം--হদয়াম-বাংলা-সাব-বাই-আবেগ
ഹൃദയം-হৃদয়াম-সাবটাইটেল
ഹൃദയം---হৃদয়াম---বাংলা--সাব
হৃদয়াম (২০২২) বাংলা সাবটাইটেল
Hridayam (2022) Bengali Subtitle
A Commentary by Neamul_Hoque_Abeg
🔥💖মাতৃভাষায় উপভোগ করুন HRIDAYAM (2022) মালায়ালাম সিনেমাটি। সাউথের অন্যতম সেরা রোমান্টিক, ড্রামা মুভির লিস্ট করলে এই মুভিটি অবশ্যই থাকবে। মোহানলালের পুত্র প্রনব মোহানলালের সিনেমা এটি। ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না যেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

Tags

other
Published on: 2022-02-19
Downloads: 425
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

:.:.: H R I D A Y A M :.:.:

নিত্যনতুন মুভি এবং সিরিজের আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপঃ "সিনেফাইলস - Cinephiles"

অনুবাদে সুমন হোসেন ফ্ল্যামি তুহিন রাজু তালুকদার ফাইজার হোসেন রানা হাবীব উন নবী সিয়াম নিয়ামুল হক আবেগ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

সম্পাদনায় নিয়ামুল হক আবেগ

সকল যাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,

ট্রেন নম্বর ৬৬০২...

ম্যাঙ্গলোর থেকে চেন্নাই যাওয়ার ট্রেন, চেন্নাই মেইল,

৭ঃ৩৫ মিনিটের মধ্যে ১ নম্বর প্লাটফর্মে এসে পৌঁছাবে।

স্যার, আমার বন্ধুর বাসা থেকে বেরোতে একটু দেরি হয়ে গেছে।

সে ৭ঃ৪৫ মিনিটের মধ্যে এসে যাবে। ট্রেন কি ততক্ষণ অবধি দাঁড়াবে?

কেন নয়? আমি ড্রাইভারকে বলে দেবো!

ধন্যবাদ, স্যার।

- খুব ভালো মানুষ। - কী আজব!

এমনভাবে বললো যেন ইন্ডিয়ান রেলওয়ে তার বাপের সম্পত্তি।

ধ্যাত!

স্যার প্লিজ। আমি ওয়েটিং লিস্টে ১০ম। আমাকে একটা সিট ব্যবস্থা করে দিন না?

এটা ওয়েটিং লিস্ট, কোনো লাইসেন্স নয়।

ট্রেনে উঠার জন্য টিকেট নেই তোমার।

আরএসি টিকেটধারীকেও এই সুবিধাগুলো দেওয়া হয় না।

চেন্নাইতে যাওয়া তোমার মতো মালয়ালি ছাত্রদের নিয়ে ঝামেলায় আছি।

প্লিজ, স্যার। দেখুন না কিছু করা যায় কি না!

কোনোভাবে.. প্লিজ, স্যার।

এক কাজ কর। ওদিকে ৫৭ নম্বরে দেখবে একটা বলদ আছে।

গিয়ে তার সাথে বসে যাও।

আচ্ছা। ধন্যবাদ, স্যার। ধন্যবাদ!

কিন্তু স্যার।

সে কোথায় বসে আছে?

তাকে দেখলেই বুঝে যাবে।

বুঝলে? এবার যাও।

খাবারটা পাস কর।

এক্সকিউজ মি!

- কী হয়েছে? - আসলে....

ওয়েটিং লিস্ট ৫৭ আপনি না?

আসলেই তো। তুমি কীভাবে জানলে?

টিকেট কালেক্টর বলেছে।

তাই বুঝি? বসো।

বসো!

তুমি কি চেন্নাইতে পড়াশুনা করো?

আমি কে.সি টেক জয়েন করতে যাচ্ছি।

আমিও তো কে.সি টেক'ই যাচ্ছি।

নতুন এডমিশন, ECE।

আমিও তো ECE পড়তেই যাচ্ছি।

তবে তো আমরা ক্লাসমেট, ভাই!

সে ECE কমপ্লিট করেছে।

এখন এলএসবি কর্পে চাকরি করছে।

- এন্ড্রু। - অরুণ।

আমি কেপিআর কলেজ থেকে পাশ করেছি।

অনেক ভালো কলেজ তাই না?

তা ঠিক বলেছ।

কিন্তু একটাই সমস্যা।

মেয়েদের সাথে কথা বললে, তৎক্ষণাৎ ডিসমিস করে দেয়।

- সিরিয়াসলি? - হ্যাঁ!

এই সমস্যাটা শুধু শিক্ষার্থীদের না।

টিচার্সদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

কলেজ বাসে মেয়েদের আর ছেলেদের বসার স্থান আলাদা,

মাঝে রড দিয়ে বর্ডার বানানো থাকে।

- অনেক কাহিনি করে! - কিন্তু তোমাদের কলেজে অনেক স্বাধীনতা।

কে.সি টেক, কারাপ্পাক্কাম।

অসাধারণ একটা ক্যাম্পাস!

ভাই...

- চেন্নাই কেমন? - চেন্নাই?

তোমরা তো ৪ বছরের জন্য যাচ্ছো, তাই না?

যখন পড়ালেখা শেষে বাড়ির উদ্দেশ্যে ট্রেন ধরবে,

হৃদয়ের ভেতরে একটা গভীর টান অনুভব করবে।

সেই মুহূর্তে তুমি বুঝতে পারবে, চেন্নাই আসলে কেমন শহর।

আমাদের কলেজ!

- সামনে যাও। - ভাগ এখান থেকে।

তুমি সামনে যাও।

সাইলেন্স!

ভারিকাপ্পারা, গিয়ে দেখ তো!

শুনতে পাওনি তোমরা? সাইলেন্স!

অরুণ, দেখ ওদিকে।

ওদের কাছে তবলাও আছে। অসাধারণ হবে।

- অরুণ নীলাকন্দন, ই.সি.ই প্রথম বর্ষ। - প্রতীক তিওয়ারি, সি.এস.ই প্রথম বর্ষ।

- এন্টোনি। - অঙ্কুর সাক্সেনা।

তোমারা কি মিউজিশিয়ান?

উম্ম, আসলে,

- চেষ্টা করি। - কিছুটা।

আমি তোমাকে গিটার বাজাতে দেখলাম।

হ্যাঁ, কিছুটা পারি।

কুল, ব্রো।

সময় করে আসর জমাবো আমরা।

কেন নয়! অবশ্যই জমাবো!

- এন্টো, কোট্টায়ামের। - আমি লিজো, আমিও কোট্টায়ামের।

তোমরা দু'জনই কি কোট্টায়ামের?

তুমিও কি কোট্টায়ামের?

- হ্যাঁ, আমি কানজিকুরির। - আর আমি লাকাট্টুরের।

- রন। - তুমি কোথা থেকে এসেছ?

- আবুধাবি। - কোথায়? আবুধাবি?

- হ্যাঁ, ড্যুড। - ওহ! জোস চেইন!

সামনে কাজে দিবে।

- অরুণ, তাই না? - অরুণ।

- আমি পালাক্কাড থেকে এসেছি। - তোমার রুম কোনটা?

- আমাদের রুম কর্ণারে। - কিন্তু, কর্ণারে তো বাথরুম।

এটা দেখতে পাচ্ছো? এই লক আর গ্রিলটা তোমাদের রক্ষার্থে।

যাতে র‍্যাগিং থেকে বাঁচতে পারো।

তাই চিন্তার কোনো বিষয় নেই।

কী বলছে সে?

বলছে, এই গ্রিলটা ৯ঃ৩০ এর পর বন্ধ করে দেওয়া হবে।

যাতে মালায়ালি সিনিয়র'রা এসে আমাদেরকে র‍্যাগ দিতে না পারে।

এখানে প্রচুর র‍্যাগিং হয়, তাইনা?

হ্যাঁ, তার মধ্যে বেশিরভাগই মালায়ালি স্টুডেন্টরাই করে থাকে।

আমাদের অঞ্চলের মানুষ যেখানে যাই না কেন, এমনই থাকবে!

ঠিক না!

তোমাদের মধ্যে কি কেউ ঘোড়ায় চড়তে পারো?

হর্স রাইডিং?

না, তবে শিখতে চাই।

কুল, তবে আমাকে জয়েন করো!

- তুমি হর্স রাইডিং করো? - না, আমি হাঁটাতেই ঠিক আছি।

- ওকে। - এসব কি?

বাদ্যযন্ত্র আর মিউজিক সিস্টেম!

এসব এখানে চলবে না।

বাইরে ফেলে আসো। যাও যাও!

ভলিউম কম রাখবে।

- কে রে ওটা? এদিক আয়। - ভাগ!

- ফার্স্ট ইয়ার? - জি, স্যার।

টুইন্স?

এই! তাকে বল মোটরের সুইচ অন করতে!

এই মনোহর! আবাল কোথাকার!

- কে আবাল বললো রে? - আমি বলছি, আবাল শালা!

- আবার আবাল বললি? - মোটরের সুইচ অন কর!

চল, ভাই!

ফার্স্ট ইয়ারের আজ নবীন বরণ অনুষ্ঠান।

- তোদের স্কুলে এটা হতো না? - না, কাঞ্জিকুরিতে এসব হতো না।

কোন বালের স্কুলে পড়েছিস তবে?

আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি হিসেবে দেখি।

যখন কে.সি.জি কলেজ অফ টেকনলোজির একাডেমিক বিষয়বস্তুর কথা আসে,

আমাদের খুব ভালো একটি একাডেমিক পাঠ্যক্রম আছে।

সুতরাং শিক্ষার্থীরা, আমি আপনাদের সবাইকে এই গৌরবময় প্রতিষ্ঠানে স্বাগত জানাচ্ছি।

এটা আমাদের প্রধান প্রাঙ্গন।

এইদিকে, আমাদের মেকানিকাল ল্যাব।

ওদিকে আমাদের আইটি ডিপার্টমেন্ট।

আর এটা অ্যানালগ সার্কিট ল্যাব।

আর এখানে কি করতে হবে তা জানোই!

এই স্থানে একটি স্পেশাল জিনিস আছে।

দরজাটি দেখতে পাচ্ছো?

এটি আসলে একটি অ্যালির দিকে নিয়ে যায়।

এটা সিক্রেট অ্যালি হিসেবেই পরিচিত।

এই! কি বলছে উনি?

কর্নারের দরজাটা দেখতে পাচ্ছিস?

এটাকে "সিক্রেট অ্যালি" বলা হয়।

অ্যানি?

অ্যানি নয়, এটাকে অ্যালি বলে!

যার মানে, গোপন পথ।

তো, যাওয়ার আগে,

যখন আমরা ফাইনাল ইয়ারে ছিলাম,

আমাদের কলেজের শেষ দিনে,

ভাইস প্রিন্সিপাল স্যার আমাদেরকে এই পথের চাবি দিবে।

কেবল সেদিনই ভেতরে কি আছে, তা আমরা জানতে পারব।

ঈশ্বরের কৃপায় যদি ফাইনাল ইয়ার অব্ধি যাওয়ার সৌভাগ্য হয় আরকি।

আমরা কি এই পথের ডুপ্লিকেট চাবি বানাতে পারি না?

দেখা যাক।

পথটার ভেতরে কী আছে?

কলেজের শেষ দিনে আমরা জানতে পেরেছিলাম।

তাই ততদিন এটাকে সিক্রেট থাকতে দাও।

- ওকে। - হ্যাঁ।

- এটা অসাধারণ হবে। - ভালো জিনিসের জন্য অপেক্ষা করা ভালো।

- আকাশ গুপ্তা। - জি, স্যার।

- আখিল সাথ্যিয়ান? - জি, স্যার।

অ্যালান জর্জ আক্কারা?

এন্টোনি দারিক্কারান?

স্যার!

- অরুণ নীলাকন্দন? - প্রেজেন্ট, স্যার।

- পুনিত সিং? - ইয়েস, স্যার।

রন ভালিভেট্টিল?

স্যার, ওটা ভাল্লিভেট্টিল হবে।

ভাল্লিভেট্টিল, ঠিকই তো।

বসে যাও!

তামিলিয়ানরা এমন কেন?

- সেলভা সৌন্দারাজান। - ইয়েস, স্যার!

স্টুডেন্টস!

আমি একটা বিষয়ে খুবই স্ট্রিক্ট।

আমার ক্লাসে কোনো অ্যারিয়ার চলবে না।

- অ্যারিয়ার, মানে? - সাপ্লিমেন্টারি এক্সাম!

- ওহ! 'সাপ্লি'! - স্যার?

- তোমার নাম? - অ্যালেন জর্জ।

আজ আমরা আলোচনা করব ইঞ্জিনিয়ারিং মেকানিক্স নিয়ে।

সিনিয়ররা মালায়ালি জুনিয়রদের হোস্টেলে ডেকে পাঠিয়েছে।

সেন্ট থমাস হলে স্বাগতম।

এখানে থাকতে হলে তোমাদেরকে আমাদের কথা শুনতে হবে।

কিছু নিয়ম আছে যা তোমাদের সবাইকে মেনে চলতে হবে।

প্রথমটা হচ্ছে,

'ইঞ্জিয়ার স্যালুট'

ফারুখ!

ওদেরকে বুঝিয়ে দে।

বাম হাত কপালে রাখবে৷

ডান হাত অণ্ডকোষে রেখে,

সামান্য পেছনের দিকে গিয়ে,

এভাবে করে বলবে, "পিউ!"

কে হেসেছে রে?

কোন শূয়র হেসেছে?

হ্যাঁ?

হেসে দেখা!

হেসে দেখ আবার!

বাইজু!

ফারুখ যা বলেছে তা রিপিট কর।

ইঞ্জিনিয়ার স্যালুট!

রিপিট!

'পিউ'!

ভালো।

Hridayam subtitles in other languages

More Bengali subtitles for Hridayam

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left