Don

Don (டான்)

Download Bengali Subtitle

Release info

Don (2022) Web-rip [Runtime - 02:43:14]
A Commentary by Sharingan613
🔰রানটাইমঃ ০২ঃ৪৩ঃ১৪ 🔴মাতৃভাষায় উপভোগ করুন শিবাকার্তিকেয়া অভিনীত ডন মুভিটি।🔵

Tags

web
Published on: 2022-06-10
Downloads: 52
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

বিজু! এই, বিজু!

- কী হয়েছে? - সরো।

স্যার।

কোচিনের আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় ভোরের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

আবহাওয়া ভালো হতে ২-৩ দিন লেগে যাবে।

তারপরের কোনো তারিখে টিকিট কাটবো, স্যার?

কাল সকালের মধ্যেই আমায় যেন-তেন করে কলেজে পৌঁছাতে হবে।

আর কোনো বিকল্প নেই?

সড়কপথে যাওয়া'ই একমাত্র বিকল্প।

স্যার, তবে এই মূহুর্তে রাস্তার অবস্থা একেবারে'ই ভালো নেই।

সড়কপথে আপনাকে জঙ্গল দিয়ে যেতে হবে, স্যার।

এই মূহুর্তে না রাস্তার অবস্থা ভালো আর না আবহাওয়া'র।

উপরন্তু, হাতি চলাচলেরও আশঙ্কা রয়েছে।

রাতের বেলায় গাড়ি নিয়ে বেড়ানো সুবিধার হবে না।

জীবনে অনেক ঝুঁকি নিয়েছি। এটাও সামলে নেবো, শঙ্কর।

স্যার, ড্রাইভারের কী হবে?

অন্যদের আর বিপদে ফেলতে হবে না। তুমি নিশ্চিন্তে থাকো।

কলেজ...

এমন একটা জায়গা যেখানে জীবনের সোনালী স্মৃতিগুলোর বুনন হয়।

কলেজের চিন্তা করলে, মনের মধ্যে ভেসে ওঠে কেবল...

বন্ধু, ভালোবাসা আর অবশ্যই, ভূমি'র কথা!

তবে জীবনের ব্যাপারে ভাবলে, মনে ভেসে ওঠে আমার বাবা'র মুখটা।

মেয়েদের প্রথম ভালোবাসা সর্বদা তাদের বাবা হয়।

ছেলেদের চোখে হয় তাদের প্রথম হিরো।

তবে আমার জীবনে, বাবা...

ছিল ব্যতিক্রমী ও অসামান্য একজন ভিলেন!

- মেয়ে? - ওগো, আমাদের ছেলে হয়েছে!

ছেলে?!

কাঁদে না, সোনা। চোখের জল মুছে স্কুলে যা।

- এই! - মেরো না ওকে।

যা! ভাগ!

- যাচ্ছে তো। - আদরে বাঁদড় বানানো বন্ধ করো ওকে।

যেতে থাক!

- ম্যাম, একটু ভালো করে ডোলে দিন। - সাবাশ, তুই কাঁদিসনি।

ডাক্তারবাবু, ওর জ্বর কমে যাবে তো?

একটু ভালো করে ঘুম দিলেই, ও সুস্থ হয়ে যাবে।

ভবানি, তাহলে বিকেলে ওকে স্কুলে পাঠিয়ে দেবে।

মা, আমায় একটা সাইকেল কিনে দেবে?

এই! সাইকেল কীজন্য লাগবে? যাতে পড়াশোনায় ফাঁকি মেরে টো-টো করে ঘুরে বেড়াতে পারিস।

পিঠের ছাল তুলে নেবো!

ওই! কী হয়েছে?

- যাক বাঁচলাম। - সেদিন বুঝতে পারলাম...

আমার বাবা'র কেবল একটাই সন্তান আর সেটা তার সাইকেল।

- চুলে একটু তেল দে না। - মা, আজকাল চুলে তেল না মাখাই স্টাইল।

এই, এটা কী দেখছি? পরীক্ষায় ডাব্বা মেরে এসেছিস।

বাবা...

স্টাইল?!

শুনে রাখ, শিক্ষিত না হলে কক্ষনো নিজের পা-এ দাঁড়াতে পারবি না!

কথাটা শুধু আজ নয়, সারজীবন যেন মনে থাকে!

সেদিনই জীবনে নিজের পা-এ দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম।

পড়াশোনার মাধ্যমে নয়, বরং নিজের প্রতিভার মাধ্যমে।

তাই আমার জীবনের লক্ষ্য খোঁজা শুরু করলাম।

বিজ্ঞানী হলে কেমন হয়?

এই, বিজ্ঞানী হতে গেলে কঠোর পরিশ্রম আর পড়াশোনা করতে হবে।

বেশ, এই চিন্তা তাহলে বাদ দিলাম, সিনিয়র।

আমায় সিনিয়র ডাকা বন্ধ কর তো। নাম ধরেই ডাক।

ওসব বাদ দে, সিনিয়র।।

৮০%?

১০০০ বার লেখ যে, কখনো ৮০%-র নিচে নম্বর আনবি না।

ক্লাস টেনে আমার চিকেন-পক্স হয়েছিল। দেবী মারিয়াথা'র দয়ায় রক্ষে পাই। [Maariaatha - মারিয়াথা অথবা মারিয়াম্মা অথবা মা শীতলা, হিন্দুদের দেবী।]

উচ্চ মাধ্যমিকের সময় হাতে কোনো উপায় ছিল না।

তবুও বাবা আমায় পরীক্ষা দিতে পাঠায়।

আর্টস কলেজে ভর্তি হওয়ার প্ল্যান করছিলাম।

- কোথায়? কোথায় ও? - দয়া করে একটু শোনো!

- কোথায় রয়েছে ও? - ওকে মেরো না।

হাত ভেঙে যাওয়ার কারণে, ভালো রেজাল্ট করতে পারেনি।

আর্টস ছাড়া কোনো বিকল্প না থাকায় ইতোমধ্যেই ও মন খারাপ করে বসে আছে আর কান্নাকাটি করছে।

- ও মিষ্টিটুকুও মুখে তোলেনি-- - চুলোয় যাক মিষ্টি!

শোনো, টাকা দিয়ে ওর এডমিশনের ব্যবস্থা করেছি।

ওকে বলো এই শিক্ষা বিমায় সই করে দিতে।

কলেজে গিয়ে ওকে ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে।

আমায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কেন ভর্তি করালো?

কোন কলেজে?

মঙ্গলে রকেট ভেঙে পড়েছে।

কে বাঁচাবে আমাদের?

- আমি তোমাদের বাঁচাবো! - কীভাবে?

আরে!

কে তুমি?

- আমি একজন BEC-র স্টুডেন্ট! - BEC?

বেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।

- বেস্ট! - বেস্ট!

- বেস্ট! - বেস্ট!

উন্নত ব্যবস্থা ও এসি'র সাথে ক্লাসগুলোতে রয়েছে ওয়াইফাইয়ের সুবিধা।

সুপরিকাঠামো বিশিষ্ট ল্যাব।

খেলাধূলার ব্যবস্থা ও পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রম।

সাথে রয়েছে হোস্টেল ও সুইমিং পুলের ব্যবস্থা।

কোয়েম্বাটুর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরত্বে।

বেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কলেজ।

- বেস্ট! - বেস্ট!

- বেস্ট! - বেস্ট!

এখানে পড়াশোনা করলে মিলবে ১০০% কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।

উপরন্তু, এটি একটি মর্যাদাপূর্ণ কলেজ!

আমি তো ভর্তি হয়ে গেছি।

- আপনার কী খবর? - আপনার কী খবর?

অবশেষে!

হ্যালো! পা'টা একটু সরাবে? ভেতরে ঢুকবো।

এই কলেজে কেন ভর্তি হয়েছিস?

- পড়াশোনা'র জন্য! - তুই?

- একটা ভালো চাকরি পেতে। - তুই?

জানি না!

আমার বাবা-মা ভর্তি হতে বলেছে বলে হয়ে গেছি।

আমি এই মেয়েটাকে পটাতে ভর্তি হয়েছি।

- স্বাগত! - ধন্যবাদ।

এই, বই পোকাদের পেছনের সিটে কোনো কাম নেই।

- সামনের সিটে গিয়ে বোস। - ঠিক বলেছে!

- এই! - এই, আওয়াজ নিচে!

কাল্টি মার!

বন্ধুরা, ঢুকে পড়।

- আমি মণি। - বেশ।

- আমি বালা। - হাই, আমি চক্রবর্তী।

নামটা প্লিজ বদলে ফেলিস।

চক্রবর্তী'র চেয়ে বালা নামটা ভালো।

শোন, এবার থেকে আর ব্যাগ-ট্যাগ নিয়ে আসবি না।

- ব্যাগ? - বুদ্ধিটা কিন্তু খারাপ নয়।

- ঠিক আছে! - আনবো না।

তুই কেন এই কলেজে ভর্তি হয়েছিস?

- শুনেছি এখানকার খাবার-দাবার নাকি বেশ ভালো হয়। - তাই নাকি?

- তুই কেন ভর্তি হয়েছিস? - তুই কেন ভর্তি হয়েছিস?

নিজের প্রতিভা খুঁজে বের করে, জীবনে নিজের পা-এ দাঁড়ানোর জন্য।

- খাইছে রে, না! - খাইছে রে, না!

এই, না খুঁজে পাওয়া অব্ধি মস্তি করবো।

শান্ত হও, সবাই! এটাকে তোমরা কলেজ পেয়েছো নাকি কোনো মাছের বাজার?

এই, কথা বলতে মানা করলাম তো।

কথা কানে যাচ্ছে না? গাধার দল কোথাকার!

- কোনো ভদ্রতা-- - স্যার এসে গেছে।

- আলাঘু? - স্যার!

- আরিবু? - স্যার।

শিক্ষার্থীদের এত বকাবাকি কেন করছো?

স্যার, এখানে আসার পর থেকেই ওরা--

এটা ঠিক নয়।

ওরা কথা শুনছে না--

প্লিজ আমার চোখের সামনে থেকে বিদায় হও।

ঠিক আছে, স্যার।

সুপ্রভাত, শিক্ষার্থীবৃন্দ।

- সুপ্রভাত, স্যার। - সুপ্রভাত, স্যার।

সুপ্রভাত।

ঠান্ডা আমার একেবারে সহ্য হয় না।

এসি'টা খানিকক্ষণের জন্য একটু বন্ধ করে দেবো?

যদি তোমাদের কোনো আপত্তি না থাকে আরকি।

- ঠিক আছে, স্যার! - বন্ধ করে দিন।

ধন্যবাদ। প্লিজ।

- লোক'টা বিচক্ষণ আছে। - হুম!

শিক্ষার্থীবৃন্দ, উচ্চমাধ্যমিকের সময়,

তারা তোমাদের একটা বছর কঠোর পরিশ্রমের জন্য বলতো...

যাতে কলেজে চার বছর আনন্দ করে কাটাতে পারো।

- জি, স্যার। - জি, স্যার, এটাই বলেছিল।

আজ কলেজে তোমাদের প্রথম বর্ষের প্রথম দিন!

তোমাদের সত্যিটা বলবো?

- জি, স্যার। - বলুন, স্যার।

ওরা তোমাদের ডাহা মিথ্যা বলেছে।

আগামী চারবছর তোমাদের গাধার খাটুনি খাটতে হবে।

এখনো বুঝলে না?

কারণ এটা একটা স্বায়ত্তশাসিত কলেজ।

কলেজের নিজস্ব কিছু নিয়মকানুন রয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ;

সবসময় আইডি কার্ড পরে থাকতে হবে।

জিন্স আর টি-শার্ট পরা চলবে না। মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।

সিনিয়র-জুনিয়রদের কোনো গ্যাং বানানো যাবে না।

খেলাধূলা কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো কোনোরকম পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রম করা যাবে না।

বিশেষ করে...

ক্যাম্পাসের মধ্যে ছেলে-মেয়েদের একসাথে কথা বলা নিষেধ।

তার মানে আমাদের বিয়ে তাহলে হবে না, সোনা।

আমরা যাতাকলে আটকা পড়েছি।

থিরুভাল্লুরও...

তার বই থিরুকুরালের কেবল ৪০তম অধ্যায়েই শিক্ষার কথা উল্লেখ করেছেন।

কিন্তু ১৪তম অধ্যায়ে...

তিনি নিয়মনিষ্ঠার কথা বলেছেন।

তাই... নিয়মনিষ্ঠা'কে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।

তারপর পড়াশোনা।

কলেজে আসবে, নিয়ম মেনে চলবে,

পরীক্ষা দিয়ে গ্র‍্যাজুয়েট হয়ে যে যার পথে চলে যাবে।

কেউ আমার আদেশ অমান্য করার স্পর্ধা দেখালে...

তাদেরকে আমি গ্র‍্যাজুয়েট হতে দেবো না।

বোঝা গেছে?

কথা কানে ঢুকেছে?

- হ্যাঁ, স্যার! বুঝেছি! - বুঝেছি!

বেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে স্বাগত।

আমি ভূমিনাথান। তোমাদের শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান।

ভূমি এই কলেজের ডন।

কেন, সিনিয়র?

কারণ কলেজের কলকব্জা তার হাতেই রয়েছে।

তাহলে সন্ধ্যায় এসে তাকে আমাদের সাথে দেখা করতে বলো।

- এই, থামো! - সেরেছে! তোমরা আজ গেলে।

আমি চললাম!

গলায় কোনো আইডি কার্ড দেখছি না।

ফরমাল প্যান্ট পরোনি।

বুট পরোনি।

উপরন্তু, একজন সিনিয়র মেয়ে শিক্ষার্থী'র সাথে কথা বলছিলে।

- স্যার-- - সাথে আবার মোবাইল আছে দেখছি।

ভূমি স্যার'কে বলবেন না প্লিজ, স্যার।--

চুলোয় যাক ভূমি।

আমরা হলাম ভূমির বাবা।

মঞ্চে বক্তৃতা হয়তো ভূমি দিয়েছে। তবে ওগুলো আমাদের কথা ছিল।

কলেজ থেকে আমরা কাউকে ছাটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে...

…ভূমির পক্ষেও তা আটকানোর মতো সাধ্য নেই।

২০০, ২০০, ২০০।

মাথাপিছু ২০০ করে। ১০০০ টাকা দিয়ে এখান থেকে বিদায় হও।

স্যার, সবমিলিয়ে তো ৬০০ টাকা হচ্ছে।

এই, বেশি ফটোর-ফটোর করার জন্য আরো ২০০০ টাকা বেশি ফাইন দেবে।

এক পয়সাও দেবো না!

More Bengali subtitles for Don

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left