The first 200 lines.
❇অনুবাদ অংশগ্রহণে❇ মোঃ রানা সরকার কবির হোসেন তইবুর আহমেদ জয়নুদ্দিন সাজিম রাজ
❇অনুবাদ অংশগ্রহণে❇ সাকিব ভূঁইয়া শান্ত কুমার দাস মোঃসাজ্জাত হোসেন তানভীর খান
সম্পাদনায় মোঃ রানা সরকার ও আহমেদ জয়নুদ্দিন
সাবটাইটেলটি কবির হোসেন তইবুর ও মোঃ রানা সরকারের এক্স গার্লফ্রেন্ডকে উৎসর্গ করা হলো।
আমরা সবাই জানি,
এই প্রথম বারের মতো...
কেরালায় একটা ভবন বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হচ্ছে।
মোট তিনটা সাইরেন বাজবে,
ইতিমধ্যে প্রথম দুটি বেজে গেছে।
বাকি আছে একটা,
জানা মতে...
ভবনে ১,৩১২টি ছিদ্র করা হয়েছে।
সব ছিদ্রে বিস্ফোরক দ্রব্য লোড করা হয়েছে।
তৃতীয় সাইরেন বাজলেই,
কাউন্টডাউন আমার ডান দিকে প্রদর্শিত হবে.
মানে, পর্দার ডান দিকে।
শুনতে পেলেন তৃতীয় সাইরেনটিও বেজে গেছে,
কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে!
নয় সেকেন্ড। আট সেকেন্ড...
সাত সেকেন্ড... আর বাকি ছয় সেকেন্ড।
যে কোন মুহুর্তে, আমার পিছনে এই আকাশচুম্বী ভবনটা ভেঙে যাবে।
বিস্ফোরণ হয়েছে।
বিল্ডিং পড়ে যাচ্ছে! পড়ে যাচ্ছে!
বিল্ডিং... পড়েনি... পড়ে গেছে!
বিস্ফোরণ ঘটেছে কিন্তু ভবনটা পড়েনি।
আমাদের খুঁজে বের করতে হবে আসলে কি ঘটেছে, প্রকৌশলীরা তাদের পথে রয়েছে।
চলুন তাদের জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করি।
স্যার! স্যার! স্যার! স্যার!
স্যার! স্যার! স্যার! কি হয়েছে? কি হয়েছে?
এখনই স্পষ্ট ভাবে বলতে পারছি না।
তবে ভবন নির্মাতা সময় উচ্চ-মানের টিএমটি স্টিল বার ব্যবহার করেছে,
যার কারণে ভবনের কিছুই হয়নি।
এটা আমাদের প্রযুক্তিগত দলের প্রাথমিক অনুমান মাত্র।
ওয়েল, আমরা জানতে পেরেছি. যাই হোক, এর জন্য কাকে দায়ী করব?
রাজ্য সরকার, পুলিশ...
না ফায়ার ফোর্স,
নাকি স্থানীয় শাসক সংস্থা?
এই বিশৃঙ্খলার জন্য কাকে দায়ী করব?
আপনি যে কাউকে দায়ী করতে পারেন!
তবে যারা অ্যাপার্টমেন্টটি তৈরি করেছে তাদের দায়ী করতে পারেন না।
কারণ তারা ব্যবহার করেছে
আইএসআই 550D প্রত্যয়িত শক্তিশালী আর বলিষ্ঠ টিএমটি স্টিল বার!
কাট্টডি টিএমটি স্টিল বার!
যা বাতাসে দোল খায় না!
খুবই, শক্তিশালী!
ফাদার!
আমাদের নতুন বিজ্ঞাপন কেমন?
চমৎকার, খুবই ভালো.
সৃজনশীল ধারনা।
ধারণা আমার.
-আপনিতো কুরিয়ানকে জানেন, তাই না? -কোন কুরিয়ান?
মালিয়াকাল কুরিয়ান! -ও আচ্ছা!
তার বিজ্ঞাপন সংস্থা এটা শ্যুট করেছে।
যাইহোক, এটা সৃজনশীল ধারণা.
ধারণা আমার!
যাই হোক না কেন, এটা বেশ আকর্ষণীয়।
আগামী সপ্তাহ থেকে টিভিতে প্রদর্শিত হবে।
পুরাই ফাটিয়ে দিবে, দেখে যান,ফাদার!
নিশ্চয়ই এর পেছনে অনেক টাকা খরচ করেছ?
ফাদার, কাট্টাদি কোম্পানীটা আমার বাবা প্রতিষ্ঠা করেছিল,
কাট্টাদি চাকো।
তাই,এই সব বিষয়ে টাকা কোনো বড় বিষয় না।
হ্যাঁ! এই ধরনের জিনিসের জন্য টাকা নিয়ে মাথা ঘামানো উচিত নয়।
-অনেক টাকা খরচ করেছি। ২৫ লাখ। -ভালো,ভালো.
কফি।
ফাদার!
এখানে মূলত দুটা বিষয়ে কথা বলতে এসেছি।
আমাদের নতুন চ্যাপেল নির্মাণ চলছে.
তাই,ইস্পাত বার আর নগদ উভয়েরই ন্যায্য অনুদানের প্রত্যাশা করছি!
ফাদার, আপনি নিশ্চয়ই জানেন?
ব্যবসা তেমন ভালো যাচ্ছে না,
এই বিজ্ঞাপনটা টিভিতে চালানোর জন্য করছি.
জন, এটা ইশো মিশিহার জন্য,
উনার ক্ষেতে কিপটামি করতে নেই.
আমার প্রিয় ইশো, এটা কেমন চেহারা বানিয়েছিস?
লম্বা চুল আর ছাগলের মতো দাড়ি দিয়ে,
তুই কি লোক হাসানোর জন্য উটে পরে লেগেছিস?
কেমন বান্দরের মতো লাগছে আয়নায় নিজেকে দেখ একবার।
তোর কি আত্মীয় সজনের প্রয়োজন নেই.
ইশোর সাথে এভাবে কথা বলছ? -হ্যাঁ!
ইশো আমাদের একমাত্র...
সে হযতে পারে,
কিন্তু তার তো সেটা বোঝা দরকার।
- ও আর ওর পাগলামি ব্যাঙ্গালোর স্টাইল! -হ্যাঁ!
হুহ?
ব্যাঙ্গালোর স্টাইল?
ইশোর?
ওহ ঈশ্বর!
ওহ, তার সাথে কথা বলছিলে!
আজ ডক্টর স্যামুয়েলের মেয়ের বিয়ে।
সে কানের স্টাড আর টাই-ডাইড শার্ট পড়ে যাবে।
আমি নিশ্চিত!
-আন্নাম্মা! -হ্যাঁ?
আমায় একটা কফি দিতে পারবে? অবশ্যই যেনো ফেনা থাকে.
হাই, ফাদার!
ইশো !
ইশো জন কাট্টাদি।
তাকে নিশ্চয়ই দেখেননি?
কিভাবে দেখবেন? সে কখনও গির্জার আসেপাশেও উকি মারে না।
সে আমার ছেলে.
উহু!
প্রভুর রহমত বর্ষিত হোক!
কি কর তুমি, ইশো?
একটা বিজ্ঞাপন কোম্পানিতে কাজ করছি।
যদিও এত বছর লাগিয়ে ফাদার হয়েছি,
এই প্রথম ইশোকে সামনাসামনি দেখছি।
অসাধারণ.
মাম্মাি!
এতক্ষণ ধরে ফোন বাজছে!
বাবা কোথায়?
উহু! আর কোথায়?
উনি ব্যায়াম শুরু করে দিছে.
কি ব্যায়াম করছে?
ঘণ্টাখানেক পরেই বেরিয়ে আসবে।
দয়া করে বাইরে আসতে পারবেন?
যদি এখনি রওনা না দেই,
পৌঁছানোর আগেই ফাংশন শেষ হয়ে যাবে।
চুপ করতো!
এখানে যুদ্ধ চলছে!
বাকি যুদ্ধ বাড়িতে এসে কইর.
জলদি বাইরে আসা!
কুত্তা ভাগ্য।
হে ভগবান!
হুহ?
এটা কি ধরনে পোশাক, মামুনি?
এটা বিয়ের রিসেপশন!
যাও, শাড়ি পড়।
এতে খারাপ কোথায়?
তাকে আগেই বলেছি.
কিন্তু শুনে নি।
লোকে তোকে শাড়ি পরা দেখলেই তো,
ভালো পরিবারে জন্ম নেওয়া ছেলেদের কাছ থেকে প্রস্তাব আসবে?
আমি সারাজীবন একা থাকতে চাই!
যেমনটা বলিছি তেমন কর।
বাবা, এগুলোতো সস্তা কাপড় নয়!
এটা জারার টপ আর টমির জিন্স!
তুই কেন অন্য মানুষের পোশাক পড়বি?
যেন তোর কোন পোশাক নেই?
বাবা!
নিজেকে একজন বিজ্ঞাপন ডিরেক্টর বলতে লজ্জা পাও না?
এই দুটা বিশ্বের সবচেয়ে নামি ব্র্যান্ড!
টমি হিলফিগার আর জারা।
উহু! এই কথা!
তাহলে এক কাজ কর।
একটা সুন্দর, ব্র্যান্ডেড শাড়ি পড়।
শাড়ির আবার ব্র্যান্ড আছে?
শাড়ির ব্র্যান্ড নেই?
কিন্তু...
যে লোক দ্বারা বিজ্ঞাপন শুট হয়েছি
যার জোট তোর জন্য বিবেচনা করেছিলাম।
ব্র্যান্ডেড শাড়ির বিজ্ঞাপন ছিল, তাই না?
হ্যাঁ, বিখ্যাত ব্র্যান্ড!
"পিডিকাপ্পারাম্বিল সুশীল পোশাক, কুলাথুপ্পুঝা।"
কেন যে এই পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি?
দোকানের কথা ভুলে যা।
তার সমস্যা কি? ছেলে কিন্তু ভালো ছিল, তাই না?
বাবা...
তোমাকে অনেকবার বলেছি।
যদি ভালো কর্মচারী চাও,
নতুন কাউকে নিয়োগ করে সাথে তাকে ভালো বেতন দেও।
ভেবো না আমাকে যে কারো সাথে বিয়ে দিয়ে দিবে,
আর তাকে দিয়ে বিনামূল্যে কাজ করাবে।
বুঝেছ?
আচ্ছা, বিজ্ঞাপনটা কি তাহলে ভুল ছিল?
কাট্টডি টিএমটি স্টিল বার!
যা বাতাসে দোল খায় না!
খুবই, শক্তিশালী!
-এটা খুবই বাজে বিজ্ঞাপন, জন! -কি?
যদি এটা টিভিতে দেখায়,
আমি এই শহরে আসা বন্ধ করে দিব!
আর ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে বন্ডেড লেবার হিসেবে কাজ করব।
তোকে তো বলেছিলাম আমার জন্য বিজ্ঞাপন বানিয়ে দিতে?
- তুইতো করলিনা। -আমি বুদ্ধিতো দিয়েছিলাম তাই না?
ও হ্যাঁ! তুইতো বুদ্ধি দিয়েছিলি।
কি যেনো ছিল? হ্যাঁ!
"ইঞ্জিনিয়ারের পছন্দ।" হ্যাঁ.
শুন বাপ, ইশো, তোর বোঝা উচিত।
আমাদের ইস্পাত বার প্রকৌশলীরা ক্রয় করে না.
আমাদের ইস্পাত ব্যবসা
ছোট-খাটো ঠিকাদার আর রাজমিস্ত্রিরা ক্রয় ধারা চলে।
তাদের যে কমিশন আর মার্জিন দিই,
এই ইস্পাত বার যা ইচ্ছামত বাঁকানো যায়,
যা এই ব্যবসা চলমান রাখে.
উহু! তাহলে বিজ্ঞাপন কেন বানালে?
মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।
যে আমি বেঁচে আছি আর এখানো ব্যবসা চালাচ্ছি।
এই বিজ্ঞাপন দেখে কেউ আমাদের স্টিল বার কিনতে ছুটে আসবে না।
এটা সমগ্র বিজ্ঞাপন সম্প্রদায়ের জন্য অপমান।
যেমনটা আমার মনে হয়.
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর,
যখন টুথব্রাশে, টুথপেস্ট লাগাই,
আমরা কিন্তু মনে করার জন্য?
কোনো টুথপেস্টের বিজ্ঞাপন হচ্ছে না!
সোজা বাথরুমে চলে যাই।
আর সেখানে চুলের তেল, সাবান আর শ্যাম্পু।
এই সমস্ত মূল্যহীন আইটেম,
বিজ্ঞাপন ডিরেক্টর দ্বারা নির্মিত.
এত কিছুর পর, যখন নাস্তা করতে বসি,
ইডলির বাটা থেকে শুরু করে পুটুর জন্য ময়দা সবই কিনি,
ডিরেক্টর দ্বারা তৈরি বিজ্ঞাপন দেখে.
No comments yet. Be the first to leave one.