The Texas Chainsaw Massacre

The Texas Chainsaw Massacre

Download Bengali Subtitle

Release info

The Texas Chainsaw Massacre (1974) BSub Sarahiqbal
A Commentary by Sarahiqbal
Download Link: https://yts.am/movie/the-texas-chain-saw-massacre-1974

Tags

other
Published on: 2017-12-01
Downloads: 81
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদিকা- সারাহ্ ইকবাল

ধারণা করা হচ্ছে অভিযোগপত্রটি,

গ্রান্ড জুরি বোর্ডের কাছে পাঠানো ফলাফলের একটি অংশ মাত্র।

বর্তমানে, টেক্সাসে কবর ডাকাতির ব্যাপারটা শীর্ষ সংবাদ হিসেবে আছে।

একজন তথ্য সরবরাহকারীর তথ্যানুসারে মুয়ের্তো কাউন্টি শেরিফ ডিপার্মেন্টের অফিসাররা,

টেক্সাসের নিউট নামক গ্রামাঞ্চলের পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে গিয়ে পৌঁছালে

সেখানে তারা বীভৎস এক চিত্রকর্মের মুখোমুখি হোন।

একটি লাশের অবশিষ্টাংশকে বিকৃত করে একটি স্মৃতিস্তম্ভের সাথে তার দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

দ্বিতীয় লাশটিকে কবস্থানের পরিধির ভেতরে অবস্থিত একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়।

তদন্তকারী দল থেকে জানা গেছে, কমপক্ষে ডজন খানেক খালি কবর পাওয়া গেছে।

আর ধারণা করা হচ্ছে, অনুসন্ধান চলাকালীন আরও কিছু বেরিয়ে আসবে।

ডেপুটিদের রিপোর্ট অনুযায়ী, কিছু কিছু লাশের অংশ বিশেষ আলাদা করে ফেলা হয়েছে।

কোন ক্ষেত্রে মাথা, কোন ক্ষেত্রে পা আলাদা করে ফেলা হয়েছে।

লাশের অবশিষ্টাংশ অক্ষত অবস্থায় আছে।

প্রমাণাদি থেকে ইংগিত পাওয়া যাচ্ছে যে, এই ডাকাতি বেশ কিছুদিন যাবত ধরে সংঘটিত হচ্ছিল।

শেরিফ জিসাস ম্যাল্ডোনাডো এই পৈশাচিক মামলা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে নারাজ ও

তিনি বলেছেন, তার কাছে জোরালো প্রমাণ আছে যে,

এই কর্মকান্ডের পেছনে এই স্টেটের বাইরের লোকজনের সম্পৃক্তা আছে।

এলাকার বাসিন্দারা সবাই কবরস্থানে এসে জড়ো হয়েছে,

নিজেদের আত্মীয়স্বজনের লাশের অবশিষ্টাংশ না সরানো হয়ে গেছে সেই ভয়ে।

এখন পর্যন্ত কাউকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যেহেতু তদন্ত এখনো গতিশীল।

টেক্সাস-লুইসিয়ানা সীমান্তের নিকটবর্তী বিশাল টেক্সাকো শোধনাগারে,

অয়েল স্টোরেজ ইউনিটের আগুনকে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।

তিনটা স্টোরেজ ইউনিট রাতের মধ্যে পুড়ে মাটিতে মিশে গেছে।

তিনজন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছে ও ডজন খানেক আহত হয়েছে।

টেক্সাসের তিনটা শহরের আগুন নিয়ন্ত্রণকারী দল প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,

৪০ ফুট উচ্চতার এই আগুনের শিখাকে বশে আনার।

দক্ষিণ দিকে ৬০ মাইল দূরে অবস্থিত হোস্টন শহরের বাড়িগুলো থেকে আগুনের শিখা দৃশ্যমান।

সানফ্রানসিসকোর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও স্বীকার করেছে যে,

তারা কলেরার মহামারীর কবলে পড়তে পারে।

৪০ জনের মতো আক্রান্তকারী রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।

যারা নাকি এই রোগকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী।

হোস্টন পুলিশ একটি নির্মম হত্যাকান্ড মীমাংসা করতে হিমশিম খাচ্ছে,

আপাতদৃষ্টিতে, যেটিকে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছিল।

এক যুবক, স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে খেলা চলাকালীন সময়ে, রাগ সামলাতে না পেরে,

দশ তলার জানালা থেকে লাফ দিয়েছে।

আরেকজন লোক ওই একই জানালা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিলেও,

পুলিশ কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হোন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোকটিকে লাফ দিতে...

তিনি হামলা নিয়ে কোন কৈফিয়ত দেননি।

লেফটেন্যান্টকে সামান্য আঘাতের জন্য চিকিৎসার পর, হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ আটলান্টাতে ১৬ তলা নির্মাণাধীন একটি ভবন ধসে,

২৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।

যেই ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম এই ভবনের নৈর্মিতিক নকশার পেছনে কাজ করেছে,

তারা এই ধসের কোন কারণ ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

নির্মাণকৌশল প্রতিষ্ঠানের মতে, এই ভবন ধসে পড়ার পেছনে কোন যুক্তিসংগত কারণ নেই,

ও এর পেছনে অন্তর্ঘাতী কাজ আছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

ইন্ডিয়ানার গ্যারিতে, পুলিশ একজন পুরুষ ও একজন নারীর...

লাশ সনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তাদেরকে কুপিয়ে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আলাদা করে ফেলা হয়েছে।

পুরুষটির জননেন্দ্রিয় কেটে ফেলা হয়েছে বলে,

পুলিশ প্রথম লাশ দুটিকে দুজন মহিলার বলে চিহ্নিত করেছিল।

ঠিক আছে?

ফ্রাঙ্কলিন!

আহ!

- তুমি ঠিক আছো? - আমি তো...ধুর।

আচ্ছা।

গরমে তো পাগল হয়ে যাচ্ছি। জানি না, আর সহ্য করতে পারবো কিনা।

শুনো, এভাবে পশ্চাৎদিকে ফিরে যাওয়াটা,

রাশিচক্রের প্রকৃত গতির সঠিক দিকের বিপরীত ও বিসঙ্গত।

আর, এটা, কুলক্ষণ।

তাহলে তো, অমঙ্গলজনক গ্রহগুলো পশ্চাৎদিকে যায়,

আর শনিগ্রহও অমঙ্গলজনক। - ক্ষতিকারকতা বাড়ছে।

তুমি কি এসব শব্দ দক্ষতা বাড়ানোর কলাম পড়ে শিখছো?

তারমানে, শনিগ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে।

এটার অবশ্যই খারাপ প্রভাব রয়েছে যেহেতু এটি এখন পশ্চাৎদিকে চলছে।

- বিশ্বাস হচ্ছে, ও আমাকে কী কথা শুনাচ্ছে? - জানি না।

আমার দাদাকে এখানে কবর দেওয়া হয়েছে। উনার কী কিছু হয়েছে?

- তোমার দাদার নাম কী? - ওই যে বিশালদেহী লোকটা,

ফ্ল্যাশলাইট হাতে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে, উনিই আমাদের শেরিফ।

তুমি উনাকে গিয়ে বলো, তোমার দাদার কবর এখানে।

- উনি ভেতরে যেতে দিবেন। - ধন্যবাদ।

তোমার প্রেয়সীকে এক মিনিটের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। সোনা, চলো তোমাকে শেরিফের কাছে নিয়ে যাই।

আমাদের যেতে দিন। মেয়েটার দাদার কবর এখানে।

ক্লাইডের চোখকে ফাঁকি দিয়ে, পুরোটা সময় জুড়ে এখানেই ছিল।

এমনকি ক্লাইডও জানতো না। ওরা জানতো না কেন...

আশেপাশে অনেক কিছুই ঘটে, যা নিয়ে ওরা কথা বলে না।

আমি অদ্ভুত সব জিনিস দেখতে পাই।

জানো, ওরা আমার কথাকে বুড়ো লোকের পাগলামো বলে উড়িয়ে দেয়।

মানুষজন বুড়ো লোকের কথায় শুধু হাসে।

ওরা শুধু হাসে আর এমন ভাব দেখায় যেন খুব জানে।

ওরা নিশ্চিত। ওই লোকটা বলছিল, কবর খোঁড়া হয়েছিল কিনা ওরা বলতে পারবে।

ফ্রাঙ্কলিন, চিন্তা করো না। আমি নিজে দেখে এসেছি। আমার মনে হয়নি, খোঁড়া হয়েছিল।

- ওহ, কী এটা? - কীসের গন্ধ?

এই দুর্গন্ধ কীসের?

জানালা লাগিয়ে দাও।

হেই, ঐ যে, পুরনো কসাইখানা।

যেখানে দাদা উনার গবাদিপশু বিক্রি করতেন।

আমাদের একজন চাচা আছেন, যিনি এফটি. ওয়ার্থে এমন একটা জায়গায় কাজ করেন।

ঐ যে, ঐখানেই ওরা পশুগুলোকে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে বারি দিয়ে হত্যা করে থাকে।

- কী বীভৎস। - প্রথম বারিতেই এগুলো সাধারণত মরে না।

ওরা ছটফট করতে করতে মরিয়া হয়ে উঠলে, তখন তিনবার বারি দিয়ে হত্যা করতে হয়।

অনেকসময়, ওরা জীবিত থাকতেই, ওদের চামড়া উঠানো শুরু করে দেয়।

এটা তো মর্মান্তিক। লোকজনের খাবারের জন্য পশুপাখি মারাটা ঠিক নয়।

ওরা অবশ্য এখন আর এভাবে মারে না।

এখন, বড় বন্দুক দিয়ে গুলি ছুঁড়ে কঙ্কালে গুলি বিদ্ধ করে মেরে ফেলে।

শুধু বুম! বুম! আর বুম!

ফ্রাঙ্কলিন, আমি মাংস পছন্দ করি। কথার বিষয়বস্তু বদলাও।

- বুম। - ভয়ংকর। এখনো চলছে।

ওহ, কী গরম রে, বাপ।

- ভবঘুরে। - ওকে উঠিয়ে নিবো নাকি?

- হুম, ও ওখানে শ্বাসরোধে মারা যাবে। - ওর চেহারাসুরত কেমন?

শালার বাচ্চাটার শরীর থেকে কসাইখানার গন্ধ আসবে।

ওহ, ছেলেটার উপর একটু দয়া তো দেখাও। ও ফ্রাঙ্কলিনের পাশে বসবে।

- তুমি কী করতে চাচ্ছো? - ছেলেটা দেখতে অদ্ভুতুড়ে।

- ওকে উঠিয়ে নাও। - না!

বেশ, মনে হচ্ছে, আমরা মাত্রই ড্রাকুলাকে গাড়িতে উঠালাম।

- তুমি কোথায় যাচ্ছো? - দক্ষিণে।

তুমি ওখানে কাজ করো?

আরে, না।

- তুমি এখানে কী করে এলে? - আমি কসাইখানাতে ছিলাম।

- আমার চাচা কসাইখানার জন্য কাজ করেন। - আমার ভাই কাজ করতো।

আমার দাদাও করতেন।

আমার পরিবার সবসময়ই মাংসের ব্যবসার সাথে জড়িত।

পুরোই ড্রাকুলার পরিবার।

হেই, তুমি কি কসাইখানার ওই ঘরে গিয়েছিলে?

যেখানে ওরা গবাদিপশু গুলোকে বিশাল এয়ার গান দিয়ে গুলি করে?

- আরে, ওই বন্দুক কোন কাজের না। - আমি একবার চাচার সাথে গিয়েছিলাম।

হাতুড়ি দিয়ে মারার যে পুরনো পদ্ধতি ছিল,

বুঝলে, ওইটাই ভালো ছিল। ওদের ভালো মতো মারা যেতো।

কীভাবে শুনি? আমার তো মনে হয়েছে, বন্দুকই ভালো।

আরে, না, না।

নতুন উপায়ে, লোকজন কাজ হারাচ্ছে।

তুমিও এসব কাজ করো?

দেখো।

- এটাকে আমি মেরেছি। - ধুর।

- আমাকে দেখতে দাও। - ওরা মাথাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় না।

- এগুলো তুমি তুলেছো? - হুম।

ফ্রাঙ্কলিন।

ওরা মাথা দিয়ে পনির বানায়, বুঝলে।

ওরা...

ওরা মাথাটা নিয়ে...

জিহ্বা বাদে বাকিটুকু সিদ্ধ করে,

তারপর হাড্ডি থেকে সব মাংস ছাড়িয়ে আনে।

ওরা সবকিছুকেই কাজে লাগায়। কিছুই ফেলে দেয় না।

ওরা চোয়াল থেকে শুরু করে,

মাংসপেশি, চোখ, বন্ধনী, সবকিছুকেই কাজে লাগায়।

- ওহ। - এটা দেখো।

নাক, মুখের লালা ও মাংসকে একসাথে নিয়ে সিদ্ধ করে, বড়সড় চর্বির স্তুপ বানিয়ে থাকে।

বাহ। আমি তো এসবের ব্যাপারে জানতামই না।

এটা আসলেই দারুণ । তোমার ভালো লেগেছে?

হুম, অবশ্যই। আমার ভালো লেগেছে। দারুণ।

এসব শুনেই গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। আমরা কি অন্য কথা বলতে পারি?

তোমার ভালো লাগতো, যদি না জানতে, ওখানে আসলে কী ছিল।

আমার লাগতো না, আর দয়া করে, এসব কথা বন্ধ করো।

আরে।

বাদ দাও, তুমি সবাইকে অস্বস্তিতে ফেলে দিচ্ছো।

আরে, ঠিক আছে।

কী করছো তুমি?

হেই, ছুরিটা রেখে দাও।

আরে!

আরে, বাদ দাও।

আরে, কী করছো এসব নিজের সাথে?

ওহ, মাই গড, কী করছো এসব?

ওটা সরিয়ে রাখো।

আমার কাছে এই ছুরিটা আছে।

এটাও সরিয়ে রাখো।

- এই ছুরিটা বেশ কিন্তু। - আচ্ছা বুঝলাম রে, ভাই।

বন্ধ করে রাখো।

হেই, তুমি আমার ছবি তুলেছো।

হেই, তোমরা আমাকে আমার বাড়ি নিয়ে যেতে পারো।

আমি এই রাস্তার মাথায় থাকি।

আসলে, ঠিক বলতে পারছি না। আমাদের একটু তাড়া আছে।

- কত কাছে? - বেশ কাছেই।

বেশ, যেহেতু এতোই কাছে হয়, তাহলে তুমি হেঁটে গেলেই তো পারো, তাই না?

হুম, তোমরা আমাদের সাথে রাতের খাবার খেতে পারবে।

তোমার মাথার পনির পছন্দ? আমার ভাই এটা খুব ভালো বানাতে পারে। তোমার ভালো লাগবে।

আমার মতে, তোমার এখন নেমে যাওয়া উচিত। ঠিক না, জেরি?

হুম, আমি দুঃখিত।

এটা তেমন ভালো উঠেনি।

- ছবিটা দারুণ কিন্তু। এর মূল্য পরিশোধ করো। -হুহ?

দুই ডলার দাও। ছবিটা তো দারুণ।

না, ভাই। ফ্রাঙ্কলিন, ওকে ছবিটা ফেরত দিয়ে দাও।

- ও ছবিটা বেচতে চেষ্টা করেছে। - মজা করছো নাকি?

না, সত্যি বলছি।

তুমি কী করছো?

হেই, জেরি, গাড়ি থামাও।

হেই, ম্যান। কী হচ্ছে? করছোটা কী এসব?

বেরিয়ে যাও।

ওহ, মাই গড।

ওহ, আমি পুলিশকে ডাকার জন্য অর্ধেক প্রস্তুত হয়ে ছিলাম।

এই শেষবারের মতন, আমি কোন ভবঘুরেকে গাড়িতে উঠালাম।

হেই, ফ্রাঙ্কলিনের রাশিচক্র সম্পর্কে শুনো।

ওহ, স্যালী।

"ঘোরাঘুরি করলে, বড়সড় পরিকল্পনা আঁটলে,

" আর আশেপাশের লোকজনের মেজাজ বিগড়ালে,

"একটা অপ্রীতিকর ও অনিশ্চিত দিন কাটতে পারে।

পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো লোকজনকে খুব একটা আনন্দ দিচ্ছে না।"

- একদম কড়ায়গণ্ডায় মিলে গেলো। - ফ্রাঙ্কলিন, এটা ঠিক হয়ে যাবে।

এখন স্যালীরটা পড়ো। ওর রাশি মকর।

ওহ, না।

শনিগ্রহের ভর রয়েছে মকরের উপর।

" কিছু কিছু সময় আমরা বাস্তবে যা কিছু ঘটছে সেসবকে সত্য বলে বিশ্বাস করতে পারি না।

নিজেকে চিমটি কেটে, তখন সত্যতা যাচাই করে নেওয়া উচিত"।

সবাই বের হও।

দ্রুত, যাতে জলদি বাড়ি ফিরতে পারি।

কেউ একজন আসছে।

কেমন আছেন?

আপনি কি গাড়িতে গ্যাস ভরে দিবেন, প্লিজ?

আমার কাছে কোন গ্যাস নেই।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left