The first 200 lines.
গাইজ, তোমরা শুনতে পাচ্ছ?
ওকে চাপ প্রয়োগ করো যতক্ষণ না ও ওমর ফারুকের ঠিকানা বলে।
বুঝতে পেরেছি।
স্যরি।
আরে আরে! কান্না কোরো না।
বেলুন চাই? আমি কিনে দিচ্ছি। চলো।
এক্ষুণি কিনে দিচ্ছি। ওকে?
২ মিনিট, ২ মিনিট, কিনে দিচ্ছি আমি, প্লিজ...
কান্না কোরো না।
দুটো বেলুন দিন। ধন্যবাদ।
এই নাও।
বেলুন যেন ফেটে না যায়, খেলো এবার সোনা।
নিন।
প্রতিদিন এভাবে মিথ্যা বলে বেলুন আদায় করবে?
আপনি তো বড়ো মানুষ, ওর কথায় আপনি বোকা বনে যান কেন?
ওর খুশির জন্য যদি আমার বোকা বনতে হয়, তাতে সমস্যা কী!
ওর হাসিটা দেখুন, পিচ্চি রাজকন্যা আমার।
এই, দেখে চলো।
কালকেও তোমাকে বেলুন কিনে দেবো।
ঠিক আছে। নিন, খান।
আমার এটা দরকার নেই...
সাদা রুটি দিন।
আপনার জন্য প্রতিবারই স্পেশাল। নিন।
আমরা মাত্র খবর পেয়েছি। ওমর ফারুক আগামীকাল আসছে না।
ও ইতোমধ্যে এসে গেছে।
ও এখন ওর বাসায় আছে।
২০-২৫ মিনিটের মধ্যে, ও বেরিয়ে যাবে।
তো আমি এখন শুরু করব?
তোমার জন্য আরেকটা দুঃসংবাদ আছে।
লজে একজন ভারতীয় গুপ্তচর আছে জেনে ওরা পুরো লজের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
তো তুমি ওই লজে ফিরে গেলেও কিছু করতে পারবে না।
তো, আমার বলতে খারাপ লাগছে...
তবে আমাদের এই অপারেশন বাতিল করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
তাই সব বন্ধ করো। আগামীবার দেখা যাবে।
হ্যালো?
ভীরা, আছো?
ভীরা...
গত ৩ মাস পরিশ্রম করে আমি এই অপারেশন সাজিয়েছি।
হুট করে এই অপারেশন আমি বাতিল করতে পারি না। আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করতে চাই।
তোমাদের দিক থেকে না থেমে অপারেশনে লেগে থাকো।
৩০ মিনিটের মধ্যে আমি কল করব।
আর হেই!
দ্য প্ল্যান ইজ অন।
৫০ মিটার ব্যাসার্ধ জুড়ে প্রভাব পড়বে।
এই রেঞ্জের মধ্যে যেন কোনো বেসামরিক লোক না থাকে সেটা নিশ্চিত করুন।
বুঝতে পেরেছি!
বললাম তো, চুপ কর।
লাইনে... লাইনে দাঁড়াও।
আরে, দাঁড়াও ভাই।
- লাইনে দাঁড়া। - ব্যাগ বেশ ভারী।
- রেখে আসছি। - যা।
সবাই লাইনে দাঁড়াও।
কী করছিস?
আহ...
সংযোগ দিচ্ছি... লাল তার আর কালো তার।
কী? কেন?
তোমাদের ফোনের সিগন্যাল কাটার জন্য।
- ফোন চেক করো। - কী?
তোমার ফোনে সিগন্যাল আছে?
জ্যামার লাগাচ্ছিস কেন?
বাইরের লোক যাতে জানতে না পারে তোদের খতম করছি।
এই... কে রে তুই?
ভীরারাঘবান।
সিনিয়র ফিল্ড অপারেটিভ ইন্ডিয়ান র।
এরকম কাউকে খুঁজছিলি না?
আমিই সে।
কী বললি?
সব কথা হিন্দিতে অনুবাদ করে দিতে পারব না।
বুঝতে না পারলে গিয়ে তামিল শিখে আয়। যা।
২-৩ মিনিটের মধ্যে ফারুক বাইরে বের হবে।
ওকে আমাদের জীবিত চাই।
ওর যেন কিছু না হয়। গাড়িগুলো মূল টার্গেট।
ওর কিছুই হবে না।
ওর গাড়িই টার্গেট।
টার্গেট লকড।
টার্গেট লকড।
টিম স্প্যারো রেডি?
লঞ্চ করব?
কনফার্মেশনের জন্য অপেক্ষা করছি।
ওহ না! ভাই... একটু থামান প্লিজ।
সাবধানে যাও।
আশেপাশের এলাকায় কোনো বেসামরিক লোক নেই তো?
আমার মৌখিক নিশ্চয়তা চাই।
টিম স্প্যারো।
পূর্ব... পশ্চিম... উত্তর... ক্লিয়ার।
দক্ষিণ এলাকা ক্লিয়ার?
দক্ষিণ এলাকা ক্লিয়ার?
দক্ষিণ এলাকায়...
ওকে বোলো না।
এটা গোপন রাখায় যদি কোনো ক্ষতি হয়?
কিছুই করার নেই। কোল্যাটেরাল ড্যামেজ।
ও দুই মিনিটের মধ্যে বের হয়ে যাবে।
এরপর আমরা কিছুই করতে পারব না।
দক্ষিণ এলাকা ক্লিয়ার। দক্ষিণ এলাকা ক্লিয়ার।
তিন গণনার মধ্যে লঞ্চ করতে পারো।
: . : . : B E A S T : . : . :
১১ মাস পর...
সকালে ঘুম থেকে উঠে কী করেছ?
উঠলাম, দাঁত মাজলাম, গোসল করলাম, সকালের নাস্তা করলাম...
তারপর রেডি হলাম...
আবার ঘুমাতে গেলাম।
- তারপর... - তারপরেরটুকু আমি বলছি...
আমার ক্লিনিকে তুমি ফোন করতে এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য, ওরা তোমাকে না করে দিত।
তাই এতসব না করে...
তুমি সোজা আমার ক্লিনিকে চলে এলে।
আর সেই একই পুরনো গল্প এমনভাবে বলে যাচ্ছ যেন এটাই প্রথমবার!
আমারও এমনভাবে শুনতে হচ্ছে যেন আগে কখনও শুনিনি।
এসব কী স্যার?
অতীতের কথা ভেবে ১১ মাস কীভাবে আমরা নষ্ট করতে পারি, স্যার?
তোমাকে কড়া ভাষায় বলে দিয়েছি
যে ওই মেয়ের মৃত্যুতে তোমার কোনো দায়ভার নেই।
- মুথু? - স্যার...
ড. চৈতন্য রাওয়ের সাথে এপয়েন্টমেন্ট এর কী ব্যবস্থা হলো?
কাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এপয়েন্টমেন্ট ঠিক হয়েছে, স্যার।
ওকে।
ড. চৈতন্য রাও এই শহরের একজন বড়ো মাপের সাইকিয়াট্রিস্ট।
হুম...
কী ব্যাপার, ডক্টর?
আমাকে উনার হাতে তুলে দিতে চাচ্ছেন? এখন উনার কাছে আমার যেতে হবে?
না, আমার যেতে হবে।
উনি বুড়ো মানুষ... তোমাকে সামলাতে পারবেন না।
কেন, ডক্টর? সব ঠিক তো? স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে?
সব ঠিক নেই।
যেদিন থেকে তুমি রোগী হিসেবে আমার কাছে আসা শুরু করেছ
সেদিন থেকে আমি উনার কাছে যাওয়া শুরু করেছি।
এটাই ফ্যাক্ট।
মজার ব্যাপারটা হচ্ছে,
তুমি আমাকে ভিজিট হিসেবে দাও ২,০০০ রুপি।
আমার উনাকে ভিজিট দিতে হয় ৩,০০০ রুপি।
প্রতিবার তুমি আমার সাথে দেখা করতে আসলে, আমার ১,০০০ রুপি লস হয়।
আয় হায়!
স্যরি, ডক্টর।
না, ডক্টর, আমি বুঝি।
ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমার কোনো দায়ভার নেই।
এখন আমি একদম ক্লিয়ার।
আমি এবার আসি।
- কাল দেখা করতে আসব। - কেন?
কাল কেন আসবে?
না...
আমার ডাক্তার আমাকে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছে তোমার থেকে যেন দূরে থাকি।
এখন থেকে আমি তোমার মনযোগ অন্যকোথাও সরানোর চেষ্টা করব।
তার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি।
এখন আমি একটা বিয়েতে যাবো।
আর সেই বিয়েতে তুমিও যাবে।
আমি যাবো কেন?
নর্থ ইন্ডিয়ানদের বিয়ে।
কচি কচি মেয়েরা আসবে সেখানে।
দেখলে?
বলেছিলাম? কত সুন্দর সুন্দর মেয়ে!
ঐদিকে দেখো, জোশ না?
সবুজ ড্রেসের মেয়েটাকে দেখো... সোজা...
একদম মনে ধরার মতো!
তাই না?
- হাই.. - হাই, আঙ্কেল।
- কেমন আছেন? - ভালো আছি।
- তোমার বাবা কেমন আছে? - ভালো আছে।
মা ভালো আছে?
- হ্যাঁ। ঠিক আছে। - বাই।
আত্মীয় হয়?
নাম্বার লাগবে? ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
আপনার লজ্জা করে না?
লজ্জা তো করে। কিন্তু তোমার হাত থেকে রেহাই পেতে চাই।
- এবার ভেতরে যাই? - হ্যালো, স্যার।
প্লিজ, একটা মিনিট।
এবার বুঝলি? আমাদের একসাথে কেমন লাগছে?
হাইট একদম পারফেক্ট।
ধন্যবাদ।
কিন্তু ও আমার কাঁধ বরাবর হয়।
কিস করতে গেলে তো, ওকে স্টুলে দাঁড়াতে হবে।
স্যার, আপনার নাম কী?
ভীরা...
মিষ্টি নাম।
একে ধরে যদি বলি, "এ আমার স্বামী, ভীরা।" কেমন লাগবে?
দারুণ লাগবে না?
আচ্ছা, হাইটের কথা নাহয় বাদ দিলাম। ও ঠিকভাবে কথা বলতে জানে?
আমাকে মেসেজ দিয়েছিল। "বাবু খাইসো?"
বাবু খাইসো, বাবু ঘুমাইসো, বাবু জাগসো, সারাক্ষণ এসব ভাল্লাগে?
একদম বিরক্তিকর।
- ও তোমাকে পটানোর চেষ্টা করছে। - সবকিছুর একটা লিমিট আছে।
এবার দেখো ওকে কীভাবে সাহায্য করি।
শুনছেন?
একটা সাহায্য করবেন?
আমি আসলে গিফট দিতে স্টেজে যাবো।
ও একা থাকলে হারিয়ে যাবে।
ওকে একটু দেখে রাখবেন প্লিজ।
- স্যার? - দুই মিনিটে এসে পড়ব।
স্যার, সব ঠিক আছে তো?
আপনার ভয় করলে, আমার হাত ধরতে পারেন।
তোমার কোমড় ধরি তাহলে?
আহ?
না তো কী? ওনার হাতে কোনো গিফট নেই তাও গিফট দিবে বলে গেল। তুমি ওর কথা বিশ্বাসও করে ফেললে।
আমাকে দেখে মনে হয় একা থাকলে হারিয়ে যাবো?
এমনিতেই নিজেকে সামলাতে পারছি না, তার উপর তোমার মতো সুন্দরী এসে আগুনে ঘি ঢালছে।
আমি তোমাকে কিস করার আগেই কেটে পড়ো!
- আন্টি। - কী?
পানিপুরি থেকে পানি চুইয়ে পড়ছে।
- একটু সাবধানে খান। - আবাল কোথাকার।
- ফায়ার পান আছে? - আমাদের কাছে ফায়ার পান বলে কিছু নেই, স্যার।
এই শোনো।
শোনো।
No comments yet. Be the first to leave one.