Release info

BadavaRascalBanglasubtitle
A Commentary by Ahmed.Joynuddin

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
Published on: 2023-11-04
Downloads: 33
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

সাবটাইটেল ভালো লাগলে গুড রেটিং এবং ফিডব্যাক দিবেন।

দরজা খুলো।

কুদুরে, সান্নাপ্পা কোথায়?

দরজা খুলতে এত দেরি করলি কেন?

এই বাচ্চাটাকে জাগালি কেন?

গিয়ে ঘুমাও, সোনা৷

দুর৷

মনে হয় প্রতিরাতে ভালো মাল নিয়ে আছিস।

যেতে থাকো।

আনেয়ার৷

কি হয়েছে, আনোয়ার?

তোমাকে কতবার কল করতে হবে?

আমাদের প্রয়োজনের সময় তুমি আসছ না কেন?

গতকাল আমরা ঝগড়ায় জড়িয়ে পরেছিলাম।

ওই শালা ঝামেলা পাকিয়ে দিছিল পুলিশ এসে আমাদের বাচিয়ে দিছে।

গত রাতে আমরা বেশি মাল খেয়ে নিছি।

গাড়ি পার্ক করো৷

গুড মর্নিং, বস৷

উঠ ভায়া৷

তোর পাছা উঠা, প্যাকেট।

এই অলসগুলো এখনো ঘুমাচ্ছে কেন?

সারা সকাল ধরে ওদের জাগানো চেষ্টা করছি।

কারো শরীরই নড়ছে না৷

আবার মদ খেলে তোদের এখান থেকে বের করে দিব৷

এজন্য তোরা কাক পালিশ না৷

ওরা তোদের মাংস নিয়ে চলে যাবে। সরো।

নাস্তা নিয়ে আয়৷

গিয়ে মুখ ধো।

তুই..... যা৷

বসো, গান্নাপ্পা।

সে হল লক্ষ্মীপতি।

তার প্রতিশব্দ হলো কাঙ্গাল।

সে তার বিয়ের জন্য দুই লাখ টাকা ধার নিয়েছে।

যখন ফেরত দেয়ার জন্য বললাম...

সে ডেথ নোটে আমার নাম লেখি হুমকি দেয়। [ মরার সময় কেউ কিছু লিখে গেলে সেটাকে ডেথ নোট বলে ]

...আর সে আত্মহত্যা করবে বলে। আমি যদি ওকে 'নির্যাতন' বন্ধ না করি।

আমি ওই বদমাশকে টেনে নিয়ে আসি৷

তার পাশের জন গঙ্গাধারা।

সে বাইক ভাড়া নিয়েছিল, কিন্তু ছয় মাসের টাকা দিতে মানা করছে।

তাকে বাইক নিয়ে ঘুরতে দেখেছি।

বাইকের মালিক বিষয়টা সমাধান করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

আমি এই হারামিগুলো তুলে নিয়ে এসেছি।

ওই মুখ ঢাকা দামানের কি খবর?

আচ্চা... তুমি সেতু মানিকচাঁদকে চেনো, তাই না?

আমাদের টাকা দিয়ে তার ছেলের জমকালো বিয়ে করিয়েছে ।

আমরা বরকে তার বিয়ে থেকে অপহরণ করার সিদ্ধান্ত নেই৷

ওরা কারা?

স্যার মানবতা আর উদারতার কথা প্রচার করতে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন।

আমরা তাকে স্কুল নিয়ে এসেছি।

তুই সত্যিই এসব ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে?

তুমি এসব থেকে দূরে থাকো গান্নাপ্পা। সে অনেক কিছু করে বসেছে৷

একজন পাগলকে সামলানো সম্ভব, কিন্তু তাকে করা অসম্ভব ।

বিশেষ করে ওখানে খাটোটাকে...

ভেঙ্কি, না...

ঝগড়া বন্ধ করে কি হয়েছে আমায় বলো।

তেমন কিছু না, গান্নাপ্পা৷

আমাদের গান্ধী বাজারের রাস্তায় একটা অস্থায়ী দোকান সরাতে বলেছিলে?

আমি দলবল আর পিট্টাকে নিয়ে ওখানে গিয়েছিলাম।

এখন শুরু করো।

দোস্ত, এসব কী?

ধুর৷

বুড়িয়া! এটাকে খাবার বলিস?

আমাদের প্যান্ট খারাপ হয়ে যাক চাস?

এই জায়গায় নরকের মতো নোংরা।

শুন বুড়িয়া।

বাইনচোত৷

আগামীকাল থেকে দোকান বন্ধ করবি৷

-যদি আমাদের সাথে চালাকি করিস.. - তুমি এই পাত্রে হাত ধুচ্ছ!

যদি এই গাড়ি দেখি, এটা পুড়িয়ে ফেলব৷

হাতজোড় করছি। দয়া করে এটা করো না৷

- দয়া করে এটা করো না! - সরো।

কুলতে, শেরওয়া আর বেলা, শুরু কর!

আমাদের ছেড়ে দাও। আমাদের জীবন ধ্বংস করো না।

ভুলে যাবি না তো৷

আমি তোকে মাটিতে পুড়িয়ে ফেলবো!

খাবারে কি সমস্যা ?

আমাদের মতো মানুষের কোনো সমস্যা নেই।

কেন বৃদ্ধের সাথে ঝামেলা করছিস যারা কিনা সম্মানের সঙ্গে জীবিকা উপার্জন করছে?

অনেক কষ্টে ওরা নিজেদের জন্য বাসাস্থান তৈরি করছে।

সেটা তুই সেকেন্ডের মধ্যে ধ্বংস করে দিলি।

ঘৃণা হয় তোর উপর৷

যে লোকেরা কাজের সন্ধানে তাদের শহর ছেড়েছে, অটো, ক্যাব চালায় ....

...আর সেই দুটোর উপার্জন দিয়ে শ্রমিক পেট ভরে ভাত খায়৷

তুই জানিস এই খাবার কত সুস্বাদু ?

হারামজাদা৷

তারা ভোর বেলায় ওঠে, সবজি কাটে, মশলা পিষে,

...চাল সিদ্ধ করে আর জীবিকা অর্জনের জন্য মাইলের পর মাইল দূরে থেকে গাড়ি ঠেলে।

তুই মনে করিস তাদের পুড়িয়ে দিবি?

এটা আমার দোষ। দয়া করে ছেড়ে দিন।

সে তাদের পুড়িয়ে দিবে।

যা ভাগ৷

আমায় সাহায্য করতে দিন।

হিরো হওয়ার জন্য চেষ্টা করছিস, তাই না?

গরীবের ছেলেকে হিরো বানিয়ে দিলি৷

তোদের যেটা দরকার তা হলো আমাদের পিছনে ছুরি আঘাত করা।

পানি। পানি দিন স্যার।

এক ফুটাও দিব না। ওখান থাক৷

সে কে?

আমার বন্ধু স্যার৷

শঙ্করু?

শঙ্করু?

একা বসে আছিস কেন?

তোর সাথে বসা উচিত ছিল ।

মদ খাওয়াবি?

তোর যাই সমস্যা হোক না কেন আমি সমাধান করতে পারব, শঙ্করু।

যখন আমি তোর মতো যুবক ছিলাম...

মাতাল হয়ে বাড়ি যেতে ভয় পেতাম।

আমার বাবা-মায়ের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা আর ভয় ছিল।

এখনকার বাচ্চাদের কেউ উপদেশই দেয় না।

দুপুরে এসো পাপজি খেলতে বসে পরে।

শঙ্করু?

বাড়ির কিছু দায়িত্ব নিচ্ছিস না কেন?

তোমার স্ত্রীর স্কার্ট ধুয়ে শুকানোর জন্য দিয়েছ সেটা আমি দেখিনি?

দেও নি?

এতক্ষণে নিশ্চয়ই শুকিয়ে গেছে। বাড়িতে গিয়ে গুছিয়ে রাখো।

বড়দের সম্মান করতে ভুলে যাস না।

তুই ...

তোমার মেয়ে জীবিকা অর্জনের জন্য সুপার মার্কেটে আট ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে।

তুমি ওর টাকা উড়াও।

নিজের মেয়েকে বিয়ে দিতে পারো না আর বড়দের মতো আচরণ করো।

চোখের সামনে থেকে যাও৷

তোর সীমা লঙ্ঘন করিছ না।

- তোর বাবাকে বলে দিব৷ - যাও তো।

দয়া করে এক প্যাক দে না?

আরে মাত্র ৯০ মিলি কাজে হয়ে যাবে।

- এই লকডাউন আমাদের অনেক দিন আলাদা করে রেখেছে। - সত্যি।

আমি বের হতেই পারি নি৷

তুমি সবসময় অনলাইনে থাকো কিন্তু কখনো রিপ্লাই দেও না৷

- তোমার ফাঁদে পা দিব না। - আমি অনেক কষ্টে ফোন ব্যবহার করি।

হা, ঠিক।

তুমি বিশ্বাস না করলেও আমার যায় আসে না। কিন্তু আমি অনেক কষ্টে ফোন ব্যবহার করি৷

ওরা এখনো শুরু করেছে। গিয়ে শেষ করে দিচ্ছি।

তুমি কিভাবে জানলে আমি এদিকে যাচ্ছি?

- তুমি অনেক ভালো গল্প বলতে পারো। - বাবা প্রতিদিন আমার ফোন চেক করেন।

তুমি রমেশ ভাইয়ের মেয়ে না?

জি, ভাই৷

তুমি কে?

আপনার সাথে ওখানে দেখা হয় নি?

সে এলাকায় নতুন এসেছে৷

স্থানী না হতেই তুই ফাজলামো শুরু করে দিয়েছিস।

তোমার বাবাকে বলে ঘরের মধ্যে বন্দি করে রাখব৷

ভাই দয়া করে এটা করো না।

একটা মেয়ে একা ঘুরাঘুরি করলে শীগ্রই সমস্যার সম্মুখীন হবে।

দুনিয়াটা শয়তানে ভরে গেছে।

বাড়িতে গিয়ে মায়ের সঙ্গে 'সা রে গা মা পা' দেখো, যাও।

এরা দুষ্ট লোক। তারা তোমাকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে।

এই অসভ্য! সে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো।

পরে যা ইচ্ছে করতে পারবে।

- বুঝেছিস? এখন যা৷ - ঠিক আছে ভাই৷

বদমাইশ পোলা৷

একটা নির্দোষ ছেলের জীবন বাচিয়ে দিলাম।

তোর সমস্যা কী? আয় ৷

- কী? - আয়।

হ্যালো? ক্রেডিট কার্ড?

কল ডিসকানেট করেছ, আমি এমনিতেই সমস্যায় আছি।

- বলো তো ৷ - হে?

তুই যখন ভালো মতো দেখতে পাস তাহলে চশমা পরেছিস কেন?

তোর দৃষ্টি হারিয়ে গেছে ?

এটা পরায় আমাকে বুদ্ধিমান লাগছে না?

বান্দর লাগছে।

বুদ্ধি মনের মধ্যে থাকে। এই চোখে বা চশমায় চশমায় থাকে না ।

- রাঘু, দাড়া । - আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছি।

- দুপুরের খাবার খেয়ে যা, হারামজাদা। - আমার খাওয়া লাগবে না। গেলাম।

আমায় এত কষ্ট দিস কেন? খাও৷

রাখো তোমার খাবার। আমি গলায় ফাঁস দিয়ে মরব৷

- দাড়া ৷ - দাড়াও৷

- কি দৃশ্য? - কিছুই না৷

এসব কী, আন্টি?

তোমার ছেলেকে বের করে দিয়ে তুমি শান্তিতে ঘুমাতে পারবে?

আমি ক্লান্ত হয়ে গেছে।

আমার জীবনটা শেষ করে দিবে৷ এখন বাইক কেনার জন্য জোর করছে।

তা নয়৷

একই কথা৷ তাকে বাইক কিনে দেয়ার জন্য আমায় জালাতন করছে৷

আমার দেড় লাখ টাকা কোথায় পাবো?

এমনকি আরো চারটা বাড়িতে কাজ করলেও আমার সেটার সামর্থ হবে না।

যদি তাকে কিনে না দেই সে গলায় ফাঁস দিয়ে মরবে বলে হুমকি দিচ্ছে।

এত নাটক করতে একটা বাইকের জন্য?

যদি তুমি ওকে কিনে দেও, সে অ্যাকসিডেন্ট করবে৷

তার বদলে টাকা জমিয়ে ওর শেষকৃত্যে খরচ করো৷

বদমাইশ পোলা। ভেতরে যা৷

দোস্ত চলো। তার যা খুশি করুক৷

তোর বন্ধুর কি হয়েছে?

সকালে ঘুরে বেড়ায় আর টাউনে ঝামেলা করে৷

তার কাহিনি কি?

সত্যি বলতে সে একজন ভালো মানুষ।

সেই দিনে দুর্ভাগ্যজনক...

হাফপ্যান্ট পরে বুলেট বাইক চালাচ্ছিস আর এটা নিয়ে তুই এত প্রশংসা করছি।

তোর পা মাটিতে পরে না, আর তুই বুলেট বাইক নিয়ে ঘুরাফেরা করছিস৷

থামো।

আপনি যদি সেটা মনে করছেন তার জন্য আমি দায়ী নই।

মন দিয়ে শোনুন। আমি সেদিন কাপড় পরেছিলাম৷

উঠো৷

শঙ্করু!

ভেঙ্কটেশ গলায় ফাঁস দিয়েছে।

"আমার ছবি এখনই ডিলিট করো!"

"তুমি সত্যিই অসাধারণ। আমায় ভালোই বোকা বানিয়েছ। "

"বলেছিলে যাই হোক না কেন আমায় ছেড়ে যাবে না "

"তুমি কিভাবে আরেকজনকে বিয়ে করতে পারলে? "

"আমি বুঝার আগেই আমায় বোকা বানিয়ে চলে গেছে। "

" বিয়ের একদিন পরও যদি সে আমায় তালাক দিয়ে দেয়, তবুও তাকে বিয়ে করব৷ "

Badava Rascal subtitles in other languages

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left