Red Beard (Akahige)

Red Beard (Akahige)

Download Bengali Subtitle

Release info

Red Beard 1965 JAPANESE 720p BluRay H264 AAC-VXT
Red Beard 1965 JAPANESE 1080p BluRay H264 AAC-VXT
Red Beard (1965) [BluRay] [720p] [YTS LT]
Red Beard (1965) [BluRay] [1080p] [YTS LT]
Red Beard (1965) Bangla Subtitle
A Commentary by Maherab-Hossen
[Letterboxd Top 250] প্রখ্যাত জাপানি পরিচালক আকিরা কুরোসাওয়া কর্তৃক পরিচালিত ও তোশিরো মিফুনে অভিনীত কালজয়ী মুভিটি উপভোগ করুন মাতৃভাষায়। রানটাইম ০৩:০৫:৩৯ (FPS 23.976)। ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে এবং TXT ফাইলে দেওয়া আছে। বাংলা সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।

Tags

other
Published on: 2023-04-22
Downloads: 26
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অ নু বা দ ক : মে হে রা ব হো সে ন

একটি তোহো-কুরোসাওয়ার প্রযোজনা

RED BEARD

নির্বাহী প্রযোজক: তোমোইউকি তানাকা, রিউযো কিকুশিমা

মূল কাহিনীকার: শুগোরো ইয়ামামোতো

চিত্রগ্রাহক: আসাইচি নাকাই এবং তাকাও সাইতো

শ্রেষ্ঠাংশে:

তোশিরো মিফিউন

ইউযো কায়ামা সুতোমু ইয়ামাযাকি

রেইকো ড্যান, মিয়ুকি কুওয়ানো, কিয়োকো কাগাওয়া

পরিচালক: আকিরা কুরোসাওয়া

কোশিকাওয়া চিকিৎসালয়

আমি নোবুরো ইয়াসুমোতো।

ইয়াসুমোতো?

আমি ওকে চিনি। ওকে নিয়ে যাচ্ছি।

আমার নাম গেনযো সুগাওয়া।

আমি তোমারই অপেক্ষায় ছিলাম।

তোমার এখানে আসার ফলে, আমি এখন যেতে পারবো।

যেহেতু তুমি আমার পদেই যোগদান করছো।

কিন্তু আমাকে তো শুধু দেখা করতে বলা হয়েছিলো।

তুমি নাগাসাকিতে ছিলে? কতদিন?

তিন বছর।

এখানকার পরিস্থিতি বেশ ভয়াবহ।

তোমাকে এখানে থেকে এসব পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

এখানকার রোগীরা মূলত বস্তিবাসী, এদের সারা গা মাছি আর উকুনে ভর্তি।

ওদের গা থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধও ভেসে আসে।

আমাদের বেতন খুব একটা বেশি না।

অথচ রেড বিয়ার্ড দিনরাত আমাদের পেছনে লেগে রয়েছেন।

রেড বিয়ার্ড?

উনি এখানকার প্রধান ডাক্তার। উনার দাড়ির রঙ কিছুটা লালচে।

জায়গাটার অবস্থা সত্যিই খুব শোচনীয়।

এখানে থাকলে নিজেরই মনে হয়, কেন যে ডাক্তার হতে গেলাম।

পচা ফলের গন্ধ মনে হচ্ছে।

এটা দরিদ্রদের গায়ের গন্ধ।

এটা হলো বাইরের রোগীদের অপেক্ষাগার।

বিকেলবেলায় এদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা করা হয়।

জানি না।

এদের সবকটার বরং মরে যাওয়াই উত্তম।

এদিকে এসো।

এটা হলো ফার্মেসি।

এটা হলো ডাক্তারখানা।

এইদিকে পুরুষদের ওয়ার্ড।

ঐদিকে মহিলাদের ওয়ার্ড।

রুমগুলোতে কোনো তাতামি নেই? [তাতামি - জাপানের প্রচলিত ঘরগুলোতে ব্যবহৃত মাদুর]

না। আমাদের সবগুলো রুম একইরকম।

জেলখানার মতো।

হ্যাঁ, এমনকি আমাদের পোশাকগুলোও এরকম।

আমরা পুরুষমানুষ বলে নাহয় কোনোমতে চালালাম।

কিন্তু মহিলারা, গরিব হলেও, তারা তো মহিলা।

ওদেরকে তো অন্তত কিছু চকচকে পোশাক পরানো উচিত।

এই পোশাক পরা অবস্থায় আমি মরতে চাই না।

এই পোশাক...

এগুলোতে ময়লা দেখা যায়।

এগুলোকে ধোয়াও সহজ।

তাই, এভাবে, আমরা সবসময় পরিচ্ছন্ন থাকতে পারি।

যখন তুমি এখানে এসেছিলে, তোমার গা থেকে দুর্গন্ধ আসতো,

কিন্তু এখন আর তা অতটা নেই।

এজন্য তোমার পোশাকের প্রতি ঋণী থাকা উচিত।

দেখলে?

তোমার কথা বলা উচিত না।

রেড বিয়ার্ড না তোমাকে কথা বলতে বারণ করেছেন?

যদি উনার কথা না শোনো, তাহলে আবার তোমার রক্ত ঝরবে।

আমাদের বরং মরে যাওয়াই উত্তম।

আমাদের তো ওষুধ কেনারও সামর্থ্য নেই!

কিন্তু মরার সময়ে, আমি তাতামিতে মরতে চাই!

হতদরিদ্রদেরও তো তাতামি থাকে।

তাতামি আমাদের জন্য ঠিক নয়।

কারণ হলো,

তাতামিতে সব ধরনের ময়লা আর আর্দ্রতা আটকে যায়।

এ কারণেই--

সাহাচি।

যদি তুমি চুপ না থাকো,

তাহলে তুমি সত্যিই মারা যাবে।

এসব কি এখানকার নিয়ম?

রেড বিয়ার্ডের তৈরি করা নিয়ম।

এখানে তার একচেটিয়া আধিপত্য চলে।

উনি একজন ভালো ডাক্তার, নিজের কর্মের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ।

অনেক সামন্ত আর বিত্তবান লোকেরা তাকে ভরসা করে।

কিন্তু উনি একগুঁয়ে, সহানুভূতিহীন, সেকেলে,

এবং উদ্ধত।

এর অপর পাশে রয়েছে আমাদের বাসস্থান।

দক্ষিণ পাশটায় রোদ বেশি পড়ে। ওটা রোগীদের জন্য।

আর আমাদের জন্য হলো স্যাঁতসেঁতে উত্তর পাশটা।

রোগীদের সেবাকক্ষ।

এটা হলো রান্নাঘর।

আমরা এখানে খাবার খাই। একে বলা হয় ডাইনিং রুম।

আমাদের নিজেদের রুমে খাওয়াদাওয়া করা নিষেধ।

এগুলো হলো রেড বিয়ার্ডের নিয়ম।

ওয়ার্ড ব্যতীত অন্যকোথাও আমাদের শরীর গরম করা নিষেধ।

রেড বিয়ার্ড বলে এখানকার শীতল ভাবটা আমাদের জন্য ভালো।

তাছাড়া ওয়ার্ড ব্যতীত অন্য কাজের জন্য কয়লা কেনার মতো যথেষ্ট টাকাও নেই।

এটা হলো রেড বিয়ার্ডের রুম।

আমি ড. ইয়াসুমোতোকে নিয়ে এসেছি!

ভেতরে এসো।

আমার নাম নোবুরো ইয়াসুমোতো।

আমি রেড বিয়ার্ড।

আমার আসল নামটা উচ্চারণ করা কঠিন--

কিয়োজো নীদে।

আজ থেকে তুমি একজন শিক্ষানবিস হিসেবে শুরু করবে।

কিন্তু আমি--

দাঁড়ান। আমার বাবা তো শুধু দেখা করতে বলেছিলেন।

তুমি এখানেই থাকবে।

নাগাসাকিতে তোমার তৈরি করা নোট আর ড্রয়িংগুলো আমাকে এনে দিও।

কিন্তু ওগুলো তো বাড়িতে।

আমি ফিরে যেয়ে--

না থাক, তোমার জিনিসপত্র শিগগিরই এখানে চলে আসবে।

ব্যস এটুকুই। ওকে ওর রুম দেখিয়ে দাও।

আমার নাম হানদায়ু মোরি।

এখানকার পরিস্থিতি বেশ কঠিন।

কিন্তু চাইলে তুমি অনেক কিছু শিখতে পারবে।

ভবিষ্যতে সেগুলো কাজে লাগবে।

আশা করি আমরা একসাথে কাজ করতে পারবো।

আমি এখানে অবরুদ্ধ থাকতে পারবো না!

আমি পড়াশোনা করেছি শোগানেটে চাকরি করার জন্য! [শোগানেট - মধ্যযুগীয় জাপানের সামরিক স্বৈরশাসকদের কার্যালয়]

আমার শোগানেটের ডাক্তার হওয়ার কথা ছিল!

অথচ এখন--

আমার একটা কথা শুনুন!

আমার বাবা একজন ডাক্তার। ড. আমানো তার বন্ধু।

উনি শোগানের ব্যক্তিগত ডাক্তার? [শোগান - জাপানের সামন্ততন্ত্রের সামরিক স্বৈরশাসকদের উপাধি]

হ্যাঁ, উনি আমাকে নাগাসাকিতে গিয়ে পড়াশোনা করতে সহায়তা করেছিলেন।

উনি বলেছিলেন উনি আমার সুপারিশ করবেন।

তাহলে এরকমটা ঘটলো কেন?

জানি না। কিছুই বুঝতে পারছি না।

এটা--

এর মানে কোথাও ওলট-পালট হয়েছে।

ড. আমানোর পৃষ্ঠপোষকতা থাকা সত্ত্বেও যেহেতু এটা ঘটলো,

তাই তোমার বরং এটা মেনে নিয়ে সুযোগটা কাজে লাগানো উচিত।

আমরা দু'সপ্তাহ আগ থেকেই জানতাম, তুমি আসছো।

মনে হয় উনি তোমাকে পছন্দ করেন।

পছন্দের মানুষদের সঙ্গে উনি খুব একটা মেলামেশা করেন না।

আমি নই। উনি কখনোই আমার মধ্যে ত্রুটি খুঁজেন না।

উনি আমাকে পুরোপুরিভাবে উপেক্ষা করে চলেন।

আমি উনার কথামতো চলবো না।

এটা একপ্রকার প্রতারণা।

রেড বিয়ার্ড যা-ই বলুক না কেন, আমি চলে যাবো।

আমরা এখানকার ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ের এখতিয়ারের অধীনে আছি।

এবং তোমাকে সরকারিভাবেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

তুমি পালাতে কিংবা লুকোতে পারবে না।

তোমাকে ধন্যবাদ, এবারে আমি যেতে পারবো।

তোমাকে তোমার রুমে নিয়ে যাচ্ছি।

মানে, আমি না যাওয়া পর্যন্ত আমরা এক রুমে থাকবো।

আসি তাহলে।

সে বেশ মেধাবী, কিন্তু ওর সঙ্গে আমার বনে না।

এটা হলো আমাদের রুম।

বাহ, তোমার জিনিসপত্র এসে গেছে দেখছি।

কোথায় যাচ্ছো তুমি?

পালিয়ে গেলে আরো ঝামেলা হবে!

উনার অবস্থা আবার অবনতির দিকে, ওষুধও শেষ হয়ে গেছে!

দয়া করে খানিকটা ওষুধ তৈরি করে দিন।

এ কাজ শুধুমাত্র রেড বিয়ার্ডই করেন। উনি উনার রুমে আছেন।

ড. ইয়াসুমোতো!

কোশিকাওয়া চিকিৎসালয় ভেষজ উদ্যান

এখানে কারোর আসার অনুমতি নেই।

শুধুমাত্র রেড বিয়ার্ড আসতে পারেন।

ওসুগির কথা আলাদা।

সে একজন নার্স।

ওটাও কি একটা ওয়ার্ড নাকি?

ঐ মেয়েটার বাবা নিজেই ওটা নির্মাণ করেছেন।

সে একজন বিশেষ রোগী।

পুরো বাড়িটাই একটা জেলখানা।

শুধুমাত্র ওসুগির কাছে চাবি আছে, এছাড়া আর কেউ যেতে পারে না।

ঐ মেয়েটাকেও বাইরে বের হতে দেয়া হয় না।

ওকে “ম্যান্টিস” নামে ডাকা হয়।

বেশ ভালো একটা ডাকনাম।

সঙ্গী হওয়ার পর স্ত্রী ম্যান্টিস পুং পতঙ্গকে খেয়ে ফেলে।

সে-ও একই কাজ করে।

কেউই তার পরিচয় জানে না,

কিন্তু দেখে মনে হয় সে একজন বণিকের মেয়ে।

সে ওখানকার তিনজন কেরানিকে হত্যা করেছিলো।

প্রথমে সে তাদেরকে প্রলুব্ধ করতো।

তারপর যখন তারা উত্তেজিত হয়ে পড়তো,

তখন সে তাদেরকে চুলের কাঁটা দিয়ে হত্যা করতো।

ওরা কি কখনো ওর সঙ্গে কিছু করেছিলো?

রেড বিয়ার্ড বলে যে সে ওভাবেই জন্মেছে।

ওটা পাগলামো নয়, অনিয়ন্ত্রিত উত্তেজিত দশা।

সত্যিই দুঃখের বিষয়।

সে কিন্তু খুবই সুন্দরী।

কিছু খাচ্ছো না কেন, ইয়াসুমোতো?

আমি কিচ্ছু খেতে চাইনা!

এর মানে কি তুমি ক্ষুধার্ত নও নাকি খাবারটা তোমার উপযুক্ত নয়?

এর মানে এই জায়গাটা আমার উপযুক্ত নয়।

ভালো করে চিবিয়ে খেলে অখাদ্যও সুস্বাদু মনে হয়।

আমাদের কাজের ক্ষেত্রেও তাই, যদি কঠোর পরিশ্রম করো।

শুনলাম তোমার জিনিসপত্র এসে গেছে। তাহলে তোমার নোটগুলো এনে দিচ্ছো না কেন?

আমি দিতে চাই না।

দিতে চাও না? কেন?

আমি ডাচ মেডিসিন নিয়ে পড়েছি, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার নিজস্ব পদ্ধতি তৈরি করেছি।

ওগুলো একমাত্র আমার, অন্যদের জন্য নয়!

চিকিৎসা বিদ্যা সবার জন্যই উন্মুক্ত।

ডাক্তাররা শুধুমাত্র ছানির চিকিৎসা করেই বড়লোক হয়।

আমরা এখানে গল্পগুজব করি না।

তোমার নোটগুলো এনে দাও এবং ইউনিফর্মটা পরে নাও।

যাও, আমার জন্য সেক নিয়ে আসো!

আমরা এখানে সেক পান করি না।

এ কারনেই আমি পান করবো!

আমি প্রত্যেকটা নিয়ম ভাঙবো!

ইউনিফর্ম পরবো না।

আমি এমন আপদ হয়ে উঠবো যে, উনি আমাকে চলে যেতে বলবেন।

আমার জন্য সেক নিয়ে আসো!

আপনি একটা আপদ।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left