The first 200 lines.
এটা আমার করা ৩১ তম একক বাংলা সাবটাইটেল। সাবটাইটেলটি পছন্দ হলে সাবসিনে গুড রেটিং এবং ফেসবুকে ফিডব্যাক জানাতে ভুলবেন না! ধন্যবাদ!
থাঞ্জুর!
আমি দেখছি কে এসেছে!
অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ হাবিবুল্লাহ কায়সার
তুমিও আমার সাথে চলো?
আমার এখানে কখনো একা মনে হয় নি।
তুই চাকরিটা মাত্র পেয়েছিস! আর চেন্নাই তো আমার কাছে নতুন না।
আমাদের বাসায় থাকিস!
ওই বাড়িটা তো আমার একার থাকার জন্য অনেক বড়!
তাহলে আর কোথায় থাকতে চাস?
আমি নাম্বি'র সাথে থাকবো।
যেহেতু সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিস আমার কথা তো আর শুনবি না।
- একটা ফোন কিনতে তো পারিস? - দরকার পড়লে কিনে নেবো।
- হ্যালো! - নাম্বি বলছি!
- হ্যাঁ! - যা'ই কিনিস আমার জন্যও একটা কিনে আনিস।
তোর পরিকল্পনাটা কি? চেন্নাই কবে আসবি?
সব ঠিক করা হয়ে গেছে! এবার শুধু আসার পালা!
জীবন লুড়ু খেলার মতো...
কোন জিনিস তোকে এত ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে?
মনের বাসনা শয়তানের থেকে আসে...
যা আমাদেরকে বুদ্ধিভ্রষ্ট করে দেয়!
ভেট্রি, পর্যবেক্ষণ ক্লাস এখানে হচ্ছে।
তুমি কিছুই পর্যবেক্ষণ করো নি, তাই না?
বলো তুমি কি পর্যবেক্ষণ করেছো?
সামনের বেঞ্চের মেয়েটা তার ফোনের উপরে বসে আছে।
শেষ বেঞ্চের কেউ একজন মাছের তরকারি খাচ্ছে।
একজন ওইখানে ঘুমাচ্ছে।
আপনার পকেটে থাকা কলমটা গায়েব!
'Observation' লেখায় 't' অক্ষরটা নাই।
- ভালো পর্যবেক্ষণ করেছো, ভেট্রি! - ধন্যবাদ, স্যার।
অপরাধবিজ্ঞানের ছাত্রদের ভেতর সাধারণত সবাই সাইবার ক্রাইম বা ফরেন্সিক ক্রাইমে যোগ দেয়।
কিন্তু তুমি গোয়েন্দা হতে চাও! তোমার এই ক্ষুরধার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা কাজে দেবে!
- কাউকে খুঁজছো? - গোবর্ধন স্যারের সাথে দেখা করতে চেয়েছিলাম।
- তার মানে আমাদের সাথে দেখা করতে আসো নি? - না, স্যার। তাকে সহ আপনাদের সবার সাথেই দেখা করতে এসেছি।
আমি একটা অফার পেয়েছি তাই ভাবলাম তাকে জানিয়ে আসি।
উনি পদত্যাগ করেছেন সেটার ৩ মাস হতে যাচ্ছে।
- কেন? - উনার ব্যক্তিগত ব্যাপার আমাদেরকে জানান নি।
এই কাজটা কখনো তার কাছে সন্তোষজনক মনে হয় নি।
এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল। আমাদের কিছুই করার ছিল না।
তুমি তার শেষ ব্যাচের ছাত্র ছিলে।
তাই তোমাদের ব্যাচের সাথে তার একটা ভালো সম্পর্ক হয়েছিল।
তার বাসায় গিয়ে দেখা করো?
- ধন্যবাদ, স্যার। - বসো।
আপনি পদত্যাগ করবেন আমি ভাবতেই পারি নি।
আমার বয়স হচ্ছে আবার আমার মা'কেও দেখাশোনা করতে হয়।
আমি সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিলাম।
এখন আমি একজন পরামর্শক। যেকোন সময়ে বিনা দখলদারিত্বে কাজ করি!
তোমার কি খবর?
- একটা অফার পেয়েছি। - দারুণ!
তোমার প্রথম অফারের জন্য অভিনন্দন।
গোয়েন্দা হওয়া মুখের কথা না।
খুবই কঠিন কাজ। তোমাকে ছায়ার মতো পড়ে থাকতে হবে।
যে ক্লায়েন্টের জন্য তুমি কাজ করবে সে কখনোই তোমার কষ্ট, পরিশ্রম বুঝবে না।
- তোমার কাজের জন্য প্রাপ্য সম্মানও পাবে না। - কাজের সন্তুষ্টিই যথেষ্ট!
- কবে থেকে যোগ দেবে? - কাল থেকেই!
Radical detective service, আমরা সবেমাত্র শুরু করা একটা সংগঠন।
ব্যাক্তিগত, ইন্সুইরেন্স, ব্যাংকিং সেক্টর এলাকা সহ সব জায়গায় আমাদের গ্রাহক রয়েছে।
এগুলো ছাড়াও, বিয়ের আগে স্বামী-স্ত্রী'র ঠিকুজিকোষ্ঠীও বের করে থাকি!
কোন কোম্পানির অর্থনৈতিক মন্দা এবং আর্থিকভাবে প্রতারণা ধরার কাজও করি।
কোন মানুষ সম্পর্কে তথ্য জানা,
প্রতিটি তদন্তে ভিন্নভাবে করা হয়।
আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে - 'ছায়ার মতো থেকে নজরদারি করা!'
এই কাজে এত আগ্রহী কেন?
আমার এই কাজের ঝুঁকি গুলো খুব পছন্দ!
আবার প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়।
আমাদের কাজের মূল ভিত্তিই 'বিশ্বাস!'
কারো সম্পর্কে কিছু তদন্ত করতে গেলে আমাদেরকে কিছু আইনও ভাঙা লাগে।
এই সমস্ত তথ্য গুলো আমাদের ক্লায়েন্টদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়!
ক্লায়েন্ট আমাদের তথ্যগুলো চোখ বুজে বিশ্বাস করে নেয় আর আমরা তাদের পরিচয় গোপন রাখি!
বিষয়টিতে যেন ১০০ ভাগ সত্যতা থাকে।
লক্ষ্যবস্তুটির খুব বেশি কাছে যেন যেও না।
কখনো কখনো তুমি কোন তথ্যই পাবে না।
কিন্তু তারা যেন কখনোই তোমার আসল পরিচয়টা না জানে!
সে তোমাকে তোমার শুরুর কাজের নির্দেশনা দিবে।
ছায়ার মতো লেগে থাকাতে কি সুবিধা আছে বলে মনে করো?
ধৈর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ!
রাম, ওইটাতে নজর রেখো। আমি একটু পরেই আসছি।
স্যার, আপনি আমাকে ডেকেছিলেন?
আপনি আপনার অর্ডারটা দিয়ে অপেক্ষা করতে পারেন।
- বস, শালা! - ব্যাথা করছে।
কাজের প্রথম দিন কেমন গেলো?
আজকেই যোগ দিলাম,আজকেই কাজ ধরিয়ে দিলো, সেটা নিয়েই পড়ে আছি।
আর কিছু?
আমি তোকে জানানোর জন্যই এতদূর এসেছি।
আমাদের ওই কক্ষে একদিন দেখা হবেই!
তুই কেবল আমার সাথে দেখা করতে আসিস নি নিজের দুপুরের খাবারটাও সেরে নিতে এসেছিস!
লজ্জা দিস না।
এই যে সি আই ডি, কফিটা খেয়ে কাজ কর!
- স্যার, বিল! - তাকে দাও।
সে কি আপনার বন্ধু?
- ১,১৯৯ টাকা! - তা আমি জানি না।
কিন্তু সে খায় ভালো!
তুই কোন সমুদ্রের জল বিন্দু না!
তুই জলন্ত অগ্নি!
প্রতিটি দিনই এক যুদ্ধ, সাহস দিয়েই করবি রপ্ত!
কেউ তোকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না!
কোন বাঁধাই তোকে নড়াতে পারবে না।
যদি তুই চাস... আকাশও তোর পায়ের নিচে ঝুঁকবে!
তুই কোন সমুদ্রের জল বিন্দু না!
তুই জলন্ত অগ্নি!
প্রতিটি দিনই এক যুদ্ধ, সাহস দিয়েই করবি রপ্ত!
কেউ তোকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না!
কোন বাঁধাই তোকে নড়াতে পারবে না।
যদি তুই চাস... আকাশও তোর পায়ের নিচে ঝুঁকবে!
আমার কল ডিটেলস দরকার! এই নম্বরটার কল ডিটেলস দিতে পারবে?
ভিআইপি নম্বর ছাড়া আমরা সব নম্বরের ডিটেলস বের করতে পারি।
তার নাম বিমল! আমার তার বিস্তারিত তথ্য লাগবে।
- জানতে পারলে তোমাকে ফোন দেবো। - তোমার এ্যাকাউন্টে টাকা দিয়ে দিচ্ছি।
তুই সত্যের ছায়া!
সুর্যাস্তের লাল আভা!
সূর্যের আলোর মতো জ্বলে উঠ!
স্বপ্নকে নিয়ে বাঁচতে শেখ! এই মূহুর্ত ফিরে আসবে না।
চুপ থাকলেই সবাই পেয়ে বসবে,
নিজের অস্ত্বিত্বকে জানান দে!
জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি হয়ে জ্বলে উঠ!
এগুলাতে নজর দেন। আমি এক্ষুণি আসছি।
কতবার তোকে বলেছি এই নম্বরে ফোন না দিতে? এভাবে জ্বালাতন করবি না।
একটা কথায় তোমাকে বলতে পারি, "আমি এখন এটা করতে পারছি না!"
আমি তখন রাজি হয়েছিলাম কিন্তু এখন নই।
মাধাবনের গ্রামের বাসা থিরুথুডাপুন্নিতে। ওর চেন্নাইতে কোন সম্পত্তি নেই।
আমার মনে হয় তোমার এই চিঠিটাই তারা জি-১ এ ডেলিভারি করেছিল।
ভেতরে আসো।
এবার শুধু লেনদেনের যাচাই করা বাকি। দারুণ কাজ করেছো,ভেট্রি!
আমাদের পরামর্শক বল্লভের সাথে দেখা করা উচিত তোমার।
গতকাল আমরা তোমাকে নিয়ে আলোচনা করছিলাম।
- এই সপ্তাহে তোমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টাও করেছিলাম। - মাল্টো!
কামালাকান্নানের ব্যাংকের তথ্যাবলি পেয়েছি।
তার বাসা থেকে অডিও ডিটেলসটা পেতে হবে।
তিনি অফিশিয়াল কাজে বাইরে গেছেন।
- যদি এতটাই জরুরি হয়... - তুমি কিছু করতে পারবে?
এমন সময়ে, তাদের চোখের দিকে তাকাতেও সাহস হয় না আমার।
যদি তাকিয়ে ফেলি, তাদের মনে আমাদের চেহারা ছেপে থাকবে।
দোস্ত, ১ মিনিট!
কি হলো?
কোথায়? এখানে তো কেউ নাই।
সে এই দরজাটা খোলার চেষ্টা করেছিল তারপর ওই দিকে চলে গেছিল।
এখানেও তো কেউ নাই।
- তাকে দেখেছো? - তাকে দেখতে পেয়েছি।
চোর হবে হয়তো!
ভেট্রি, উঠ!
তোর সাথে তো যোগাযোগই করা যায় না। একটা মোবাইল তো কিনতে পারিস?
মোবাইল ফোন আমার কাজের সাথে যায় না।
আর আমার দরকারও নাই।
এই, কি হয়েছে?
কামালাকান্নানের কোম্পানির জন্য আমি একটা লোকের উপর নজরদারি করছিলাম।
- তাই, তার বাসায় অডিও ডিভাইস লাগিয়েছিলাম। - আচ্ছা।
গতকাল, তার বাসায় কেউ নেই ভেবে সেটা আনতে গেছিলাম।
- যখনই তালাটা খুলতে যাবো... - সে এসে গিয়েছিল?
আচ্ছা, বল!
যখনই তালাটা খুলতে যাবো, কোথা থেকে একটা পাগল মেয়ে চলে আসলো কে জানে!
সে আমাকে দেখে চমকিয়ে উঠে। তাই আমি দ্রুত সেখান থেকে চলে আসি।
সে বাকিদেরকে বলে বেড়াচ্ছে আমি নাকি চোর।
এটাই সারারাত আমার মাথার ভেতর ঘুরছিল।
তার জায়গায় তুই থাকলে তুইও তাই ভাবতিস!
তুই তোর কাজ করছিলি তাই না? এসব আমাদের কাজে রোজকার ঘটনা।
তোর মাথায় অন্য কিছু টেনে আনিস না।
ভালো হোক বা খারাপ সেটা নিয়ে বেশি ভাবিস না।
বেশি ভাবলে মাথাব্যাথা করবে!
কামালাকান্নানের বাসার অডিও ডিভাইসটা ২ দিনের ভেতরে আমি এনে দেবো।
বাকিগুলোর মতো, এই কেসটাও মন দিয়ে সমাধান করো।
- সে? - তাকে চেনো?
উনার নাম মধুশ্রী। তার সব তথ্য ফাইলে পেয়ে যাবে।
সদাগোপন আর আমি অফিশিয়াল কাজে বাইরে যাচ্ছি।
এই প্রজেক্টে কোন কাজে সাহায্য লাগলে এই নম্বরে যোগাযোগ করো।
কে এই সুন্দর কবিতার আবেশ ছড়ালো!
আমি কি শুরু পঙক্তি নাকি শেষের,
আমাদের চোখের মিলনে প্রশ্ন নাকি উত্তর জন্মায়!
আমার দুনিয়া এলোমেলো হয়ে গেলো!
তুই বাসায় আছিস দেখে অবাক হলাম! চল একসাথে খাই।
কি লুকাচ্ছিস?
- অফিশিয়াল তথ্য? - তাতে কি আসে যায়?
তোর অফিসের কাগজপাতি সব উলোট পালোট হয়ে থাকলেই কেবল মায়া জন্মায়!
নতুন প্রজেক্ট? কার জন্য?
- তা জানি না। - এবার তোকে মেয়েদের পিছনে ঘুরতে হবে তাহলে।
কে সে?
গতদিন রাতে যে আমাকে দেখেছিল।
- তার পার্সোনালিটি? - ভালোই!
ভেবেছিলাম সে হয়তো অন্যরকম হবে।
আমি ভেবেছিলাম একদিন আমার প্রতি তার বাজে অভিব্যক্তিকে শুধরে দেবো।
- আমার মনে হয় না তা হবে! - কেন?
তার সাথে কাল দেখা কর এবং তাকে জানিয়ে দে তুই কোন চোর না সিআইডি। বুঝায় বলবি! ব্যাস!
অফিসের নিয়ম অনুযায়ী, লক্ষ্যবস্তুর কাছে যাওয়া বা কথা বলা অনুচিত!
এমন ভং ধরছিস যেন RAW তে চাকরি করিস!
জানিসই তো এই চাকরিটা আমার কত পছন্দের!
চাকরীটা পছন্দের কিন্তু কোম্পানীটা পছন্দ না তাই না?
তাকে দেখলে অফিসে দিনটা বাজে যায়, তাই না?
- এই! - ছাড় তো।
তার সাথে কথা বলতে চাইলে এক্ষুণি গিয়ে বল।
তাই যদি বলিস?
সে যদি বুঝে যায়?
কি হয়েছে?
- আজকাল ভালো মেয়ে তো পাওয়াই যায় না। - তা ঠিক!
আমাদের অনেকগুলো কোম্পানি আছে।
এমন ভাবে বলছিস যেন আমি মেয়েটাকে ভালোবাসি!
সেটা তোর চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে!
- অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিস আমার সাথেই ঘটে কেন? - তোর ভালোর জন্যই ঘটে!
যা, তার সাথে কথা বল।
তুষারপাতের পর বৃষ্টি থামলে,
আমাদের আবার দেখা হোক!
কে মা?
No comments yet. Be the first to leave one.