The first 200 lines.
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করা হলো প্রিয় দুই বড় ভাই ফ্ল্যামি তুহিন ও নুরুল্লাহ মাশহুর এবং আদরের ছোট ভাই মায়ায ইসলাম নাফিস কে
কফি, প্লিজ!
কফি!
হাহ্! কী!
কেন তুমি আমায় তখন মেরে ফেললে না?
অনুবাদে ও সম্পাদনায় নিয়ামুল হক আবেগ
"Android Kunjappan ver 5.25"
পবিত্র পল্লব পানিতে ডুবিয়ে নাও,
আর তোমার রিং ফিঙ্গারে পড়ে নাও,
রিং ফিঙ্গারে..!
আমি আমার এই আঙুলেই রিং পড়ি।
ঠিক আছে ।
কিছু চাল ভিজিয়ে নাও এবং ওটায় রাখো,
কিছু ঘাস ভিজিয়ে নাও আবার ওখানে রাখো ।
কিছুক্ষণ আগে শুরু হয়েছে তাইনা? - না, সবেমাত্র ।
কিছু জল নাও, সাতটি পবিত্র নদীকে আহ্বান করো...
কোনগুলো? - হুম?
গঙ্গা,
কাভেরী...
হুম...
নীল নদ?
এখানে রাখো ।
চালগুলোকে দই'য়ের সাথে মিশিয়ে ১৪টি গোলা বানাও।
তোমার প্রার্থনা দিয়ে তোমার বাবাকে আহবান করো,
এক এক করে অন্যান্য নৈবেদ্যর সাথে রাখো।
কিন্তু মাধব, ১৪টা কেন?
কুঞ্জাপ্পন অনেক বেশি খাবার খেতো, ১৪টা দিয়ে তার হবেনা।
আমি জানি না, এজন্যই জিজ্ঞাসা করছি। - আমার মনে হয় ১৬টা ভালো হবে।
কিন্তু...
এটা কি এমন হওয়া উচিত নয়?
আজ কি তার মৃত্যুর ১৪-তম দিন নয়?
তুমি তাকে মরতে দেখেছ?
তাহলে আপনিই বলুন কতদিন হয়েছে? - হ্যাঁ!
সব দোষ আমার কাঁধেচাপা দেওয়ার জন্য!
যা খুশি করো!
লং পাস দে, লং পাস নাহলে তারা গোল করে দিবে। - এইদিকে দে ওটা!
পাস দে এদিকে! - দে না!
একটুর জন্য!
চুপ্পা! বলটা দে তো!
প্রসন্ন দাদা, কতক্ষণ লাগবে?
আরেকটু দাঁড়া, আমরা হেরে যাচ্ছি ।
সবাই যার যার পজিশন চলে যাও।
কী অবস্থা মধু?
বহুদিন ধরে তোমায় এখানেই দেখছি, অনেক ছুটি পাও বোধ হয়, তাইনা?
আমি ঐ চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছি, আর কাজ করছিনা ওখানে।
নিজের জন্য না তাদের জন্য? - চুপ্পা!
পরে কথা হবে ।
কয়দিন ধরে আমার ফর্ম একদম খারাপ যাচ্ছে!
কী হয়েছে জানো?
আমি একটা নতুন চাকরি পেয়েছি।
গিয়ে রিজাইন দিয়ে আবার চলে আয়!
শুনো না!
বেঙ্গলোরে!
পাগল হয়ে গেলি নাকি?
তোর বাবা তোকে এতো কাছে এর্নাকুলমেই কাজ করতে দেয়না...
আর দিবে বেঙ্গলোরে?
আমার মনে হয় এবার উনাকে আমার সাথে নিয়ে যাওয়া উচিৎ!
হ্যাঁ!
এই আইডিয়াটা ভালো, চুপ্পা। - হুম ।
কিন্তু...
আমাদের কাজটা কৌশলগতভাবে করতে হবে।
স্বাভাবিক পদ্ধতিগুলি কাজ করবে না।
দেখ,
যে লাশটি পাওয়া গেছে এবং তার অবস্থা অনুসারে মৃত্যুর ১৪ দিন হতে পারে।
কোন লাশ? তুমি ওটা দেখেছ?
হ্যাঁ?
খেয়ে নে, যত খুশি খেয়ে নে!
এটাও সে নষ্ট করে দিয়েছে!
ঠিক আছে! সে মরেনি । লাশটাও তার না ।
কিন্তু সে আমার কাছে মৃত । আপনার এতে কোনো সমস্যা আছে?
১৪ হউক আর ১৬...
দই দিয়ে হউক বা দই ছাড়া, আপনি নিজের শ্রাদ্ধে সেসব ঠিক করিয়েন।
আমার বাপের শ্রাদ্ধে কী হবে, সেটা আমিই সিদ্ধান্ত নিবো।
আপনারা চুপচাপ খাওয়াদাওয়া করে চলে যেতে পারেন না...
কোনো ঝামেলা সৃষ্টি করা ছাড়া?
আমি বাহিরের খাবার খাইনা ।
তাহলে চুপচাপ চলে যান না?
বাবা!
এই সুব্রামনিয়াম! উনাকে নিয়ে যা ভাই!
আজব! - খুবই আজব!
কীসের আজব? ঐ বান্দা নিজের বাপকে মারার প্ল্যান করেছিল,
তাইতো কুঞ্জাপ্পন পালিয়ে গিয়েছিল। আমি নিশ্চিত, সে মরেনি।
সে কোনো অজ্ঞাত লাশ এনে নিজের বাপের বলে সেটার শ্রাদ্ধ করছে।
সে যা করছেন তা অবিশ্বাস্য! - আসলেই অবিশ্বাস্য!
মামা, পত্রিকা ।
তোমার কী প্রেশার বেড়ে গেছে? ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে যে!
মামা,
গতকাল রাতে টিভিতে একটা অসাধারণ অনুষ্ঠান দেখেছি।
"ক্রাইম রিপোর্ট"
কোল্লামে একটা বুড়ো লোক একা থাকতো,
অনেকটা তোমার বয়সী ।
ভয়ঙ্করভাবে তার প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছিল।
বর্তমানে একা থাকা কিন্তু মোটেও সুরক্ষিত না!
কিন্তু আমি তো এখানে একা থাকিনা!
আসলে মামা...
সে একটা ভালো চাকরি পেয়েছে,
বেঙ্গলোরে ।
প্রতিমাসে ১লাখ মাইনে ।
তুমিও তার সাথে চলে যেতে পারবে,
আর আমরা ঘরটা ভাড়া দিয়ে টাকাও পাবো।
আমি নিশ্চিত তুমি এর থেকে ১০হাজার প্রতিমাসে পাবে।
তার চাইতে বড় কথা কেউ তোমার মাথা কেটে নিবে না।
অনেক সুরক্ষিত থাকবে!
প্রসন্ন দা!
এমন কোনো চাকরি দেখ যেটা তোর বাসায় তোকে শান্তিতে ঘুমোতে দিবে।
তা যে চাকরিই হউক ।
বাবা, আমি করি?
হয়েছে কীনা দেখ তো?
হ্যাঁ! অনেক ভালোভাবে হয়েছে।
না, হয়নি ।
এর জন্যই এটা তোর করা উচিৎ না।
বাবা!
এখানে আমি কী চাকরি পাবো?
চাকরি তো আর পায়ে চলে তোর কাছে আসবেনা। তোকেই খুঁজে নিতে হবে ।
কোথায় যাচ্ছিস? - মাঠে খেলতে যাচ্ছি ।
যদি তোর হারতে সমস্যা না হয়, তবে আমার সাথে এক গেম খেলে যা।
আমার হারতে মন চায়না।
অন্তত কিছুক্ষণের জন্য?
রাতে চেষ্টা করবো । আমার এখন কিছু কাজ আছে।
চাকরি তো আর পায়ে হেটে আসবেনা, তাইনা?
আজ কাজে যাচ্ছো না?
যাবো। সময় হয়নি এখনো।
তা, সময়টা কবে? - আমার আন্ডারে অনেক লোক আছে,
তারা সামলে নেবে । আর এটা একটা ঔষধ কোম্পানি ।
তুমি সবসময় এটাই বলো ।
তাই বুঝি? - তাই তো মনে হয়।
এই!
এইতো সে এসে গেছে!
তুই কি তোর বাবাকে তোর সাথে বেঙ্গলোরে নিয়ে যাচ্ছিস?
সেও কি সেখানে চাকরি পেয়েছে?
- হ্যাঁ, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে! - মশকারা না, বেঙ্গালুরু ইঞ্জিনিয়ারদের একটি কেন্দ্র,
ওর বাবাও তাদের একজন হয়ে যাবে। আশেপাশে অনেক বয়স্ক ইঞ্জিনিয়ার আছে।
বয়স্ক ডাক্তার আর ইঞ্জিয়ারদের সবাই খুঁজে,
খেয়াল করেছিস? - তা ঠিক!
এইযে মধু, আমি কোথাও যাচ্ছিনা ।
এক কাপ চা দাও!
একদম আমার মতো ।
চুপ্পান দা, তাড়াতাড়ি বাসায় যাও ।
খুবই জরুরী! - কী হয়েছে রে?
তোমার বাবা পড়ে গেছে ।
কী হয়েছে?
কাপড় ধোয়ার সময় তিনি পড়ে যায়।
ভাস্কর, কেন তুমি একা থাকো? ছেলেকে বিয়ে করিয়ে দিতে পারোনা?
এই বালতিটা একটু সরিয়ে রাখো।
হুম...
আপনি সময়মত ঔষধ নেন না, তাইনা?
চিৎকার করতে হবেনা, উনি কানে শুনে ।
তাইনাকি?
জ্বী ।
ভাস্কর কাকা, ঔষধ মিস দিলে কিন্তু সুস্থ হবেন না।
যদি কিছু হয়ে যায়, সবাইকে ভুগতে হবে।
তুমি তোমার কাজ করো ।
নষ্ট করিয়েন না!
কেন করতে যাবো!
আমার তেমন কিছু করার নেই । এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ ।
কখন যে বালতিতে লাথি মারবে তা বলতেও পারবে না।
আমরা কেবল সময়মতো তাকে ওষুধ সেবন করাতে পারি।
বাড়ির কাজের জন্য কাউকে নিয়ে আসতে পারোনা?
আর কতকাল সে এসব করবে? উনার বয়স হয়েছে ।
আর নিজেও চাকরি খুঁজে নাও। তুমি না ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার?
মেকানিক্যাল ।
তোমার কোন আশা নেই! - আমি বলেছিলাম না?
প্রসন্ন দা!
আমাদের একটা বুয়া লাগবে । - তোর জন্য?
আমার জন্য না, ঘরের কাজকর্ম আর বাবার দেখভাল করার জন্য।
ওহ! ঐরকম বুয়া!
এই আইডিয়াটা নিরাপদ না ।
এখানে কোনো মহিলা নিরাপদ নয়, তাই না?
তুই আমার দিকে কেন তাকিয়ে আছিস?
সে বলেছে কাজের বুয়া রাখা সুরক্ষিত না।
তারা অনেকসময় চুরি করে ।
ঘরে আমার বাবা ছাড়া চুরি করার মতন কিছুই নেই।
পেরুম্বারে একটা এজেন্সি আছে, সেখানে ভালো বুয়ার সন্ধান পেয়ে যাবি।
তোর এমনটা যখন করার ছিল, আমায় বলে দিলেই হতো।
বাবা! ওসব কিছু না!
তোমায় গতকাল বলেছিলাম না! সে আয়া ।
কী রান্না করবো সাহেব?
কী?
কী রান্না করবে জিজ্ঞেসা করছে!
তাকে নিয়ে যা ।
রান্নাঘর ঐদিকে ।
হয়েছে ।
বাহ্, একদম আমার বাবার রান্নার মতো স্বাদ।
কারণ ওটা আমি বানিয়েছি ।
সাহেব, বড় সাহেব আমাকে কোনো কাজই করতে দেয়নি, খাবার ও উনি রান্না করেছে।
সে কী পদুভাল জাতের!
মিষ্টার. ভাস্কর পদুভাল, জাতির মধ্যে কী আছে!
সে হরিয়ানার উঁচু জাতের, প্রসিদ্ধ পরিবারের মেয়ে।
তার জাতি পদুভাল থেকেও অনেক উঁচু জাত।
তাইনা ?
তাকে কতদিন ধরে জানিস?
মাত্র আজ দেখলাম, এজেন্সিতে ।
হুম ।
আমি জানতাম তুই ঐ ধরণের না ।
কোন ধরণের?
সে গর্ভবতী ।
সে বারবার বমি করছিল ।
৩ মাস - কংগ্রাচুলেশনস!
তাহলে...
আমরা এখন কী করবো?
No comments yet. Be the first to leave one.