100

100

Download Bengali Subtitle

Release info

100 Tamil Proper HDRip-x264-400MB Bengali Sub By BsmBD [রানটাইমঃ 2:16:42]
100 Tamil Proper HDRip-x264 Teambsmbd com
100 Tamil Proper HDRip-x264 Team BSMBD
A Commentary by Team_BsmBD
এটি আমাদের ১৭তম সাবটাইটেল এবং সাউথ ৩য়।অনুবাদেঃ শেখ রাসেল, রাকিব এস.কে এবং নাজমুল হাসান।সার্বিক সহযোগীতায়ঃ Pritam C Dey ভাইয়া...ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে পাশে থাকবেন।.......... মুভি ডাউনলোড করুনঃ Teambsmbd.com স

Tags

hdrip
HDRip
x264
HD
Published on: 2019-07-06
Downloads: 45
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

T

Tr

Tra

Tran

Transl

Transla

Translat

Translate

Translated

Translated B

Translated By

Translated By-

Translated By-R

Translated By-Ra

Translated By-Rak

Translated By-Raki

Translated By-Rakib

Translated By-Rakib S

Translated By-Rakib Sk

মতামত জানাতে গ্রুপে যোগ দিন গ্রুপঃ বাংলা সাবটাইটেল মেকারস বিডি(BsmBD) ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনূরোধ।

এসো, এসো।

তাড়াতাড়ি এসো।

- ওকে নিচে নামাও। - থামো।

হাঁটতে থাক বললাম তো, থামছিস কেন!

স্যার, এটাই সে।

- এই ব্যাটাই দোষী - এইযে তার রিপোর্ট।

- যা, এবার ভিতরেই থাক - ভিতরে যা।

ভালো করে বল করবে।

- হাতল শক্ত করে ধরবে। - ৪৬, ৪৭...

- জায়গা মতো ছুঁড়ে মারবে। - ভালো করে বল করো।

- আরে, তুমি তো বাজি ধরেছো - তোমার এমন করে বল করা উচিত।

আরো উন্নতি করতে হবে।

- এটা ডান দিকে - তোমার চা নাও

- হাই, অ্যান্ডি। - ভাই, আমি কুমার বলছিলাম।

- বল, ভাই। - কলেজে একটা বিষয়ে সমস্যা হয়েছে।

একটা ছেলে আনোয়ারের বোনকে বিরক্ত করেছে, সারাদিন ধরেই সে কাঁদছে।

বন্ধুরা...

কলেজের কেউ আনোয়ারের বোনকে বিরক্ত করেছে ।

তোদের অস্ত্রপাতি যা আছে সব নিয়ে চল।

যে বিরক্ত করেছে কলেজে গিয়ে তার মুখ ভেঙে দেবো।

আরে, আমরা মাত্র ১০ জন লোক!

- এই কয়জনে কী হবে? - ওখানে পুরো কলেজের লোক থাকবে।

সাত্তিয়া কোথায়?

যে ছেলেটা আনোয়ারের বোনকে বিরক্ত করেছে, সে এখনো ক্লাসে আছে, চলো ভাই।

বাদ দাও... কলেজের এক নাম্বার গুন্ডাটা কে?

কোনো সমস্যা আসলে, প্রথমে কে সেটার মুখোমুখি হবে?

তাকে কেন?

আমার নিজের কারণ আছে, কে সে?

শর্ট পুট কার্থি নামের এক লোক।

দোস্ত, আমার আজ দেরী হয়ে যাবে।

- তোমরা চালিয়ে যাও। - ভাই।

আরে! কিসের জন্য এসেছো তোমরা?

ভাই, তোমার নাম কী শর্ট পুট কার্থি?

দেখ, ওকে তো পুরোই পশুর মতো লাগছে!

এটাই আমার খ্যাতি! তাহলে কি আমিই এক নাম্বার না?

হ্যাঁ, অবশ্যই।

তুমি কী নিশ্চিত যে তুমিই এক নাম্বার?

অন্য কেউ কী নেই?

কলেজের সব সমস্যার মোকাবেলা আমিই করি।

আমাকে মোকাবেলা করার সাহস আর কার আছে?

কারো নেই।

তোমরা কী ঠিক করেছো যে, ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর তোমরা কী করবে?

ভিক্ষুক হবে!

- আরে, তোমরা আবার কারা? - অধ্যাপক!

- আপনি কী এখনো ক্লাস শেখাচ্ছেন? - উনাকে মার।

আনোয়ারের বোনকে কে বিরক্ত করেছে?

- আমাকে মেরো না, ভাই - ভাই, ওইযে সে।

- ভাই, দয়া করে আমাকে ছেড়ে দাও। - দোস্ত, ওইযে ও।

দোস্ত, ওতো পালিয়ে যাচ্ছে, ওকে যেতে দিস না।

ও পালানোর চেষ্টা করছে, ওকে ধর!

ভাই...

ভাই...

সে কী তোর সাথে পড়ে?

হেই!

তোমাদের আমরা বিশ্বাস করি বলেই, আমরা মেয়েদের পড়াশোনা করতে পাঠাই।

যদি তোমরাই তাদের বিরক্ত করো, তাহলে আমরা আর কাকে বিশ্বাস করবো?

ভাই, বাদ দাও! তুমি যা ভাবছো তেমন কিছু নয়, তুমি বুঝবে না।

চুপ করে বসে থাক।

- বসে পড় - ভাই

ভাই, মেরো না।

- হেই! - চুপ কর।

তুমি কে, যে আমাদের কলেজে ঢুকে আমাদেরই জুনিয়র ছাত্রদের মারধর করছো?

যদি আমার ভাই শর্ট পুট কার্থি তোমার ব্যাপারে জানে...

- ভাই - আমাকে বিরক্ত কোরো না।

আমাকে কথা বলতে দে।

ক্ষমা চাও, আর এখান থেকে পালাও।

যদি শর্ট পুট কার্থি এসব জানে,

- তবে তুমি শেষ! সে এখানকার বস। - বন্ধু...

শালা কুত্তা!

- আমি সিরিয়াসলি আলোচনা করছি - আমাকেই প্রথম পেটানো শুরু করো

তোকে এরমধ্যেই পেটানো হয়েছে, তাহলে তো সব শেষ।

শান্ত হও, ভাই সমস্যা করার জন্য দুঃখিত।

এখন থেকে, শুধু আয়েশা না...

কেউ যদি কোনো মেয়েকে বিরক্ত করার সাহস করে...

- হেই! - ভাই

কলেজে এসে নিজের মাস্তানি দেখাচ্ছিস?

তোর বারোটা আমি বাজাচ্ছি, আমার সাথে আয়।

স্যার, দুঃখিত স্যার।

দয়া করে আমার শার্ট নষ্ট করবেন না।

এক মিনিট দাঁড়ান...

ওই...

আমি তোকে জবাই করে ফেলবো!

কাজটা শেষ না করে কিভাবে যাই বলেন?

চলুন যাই...

চলুন...

স্যার...

স্যার...

ওই, ফাজিল!

কি?

তুই আমাকে যথেষ্ট বিরক্ত করেছিস।

তোরা কেন কলেজের ভিতরে সমস্যার সৃষ্টি করলি?

আমি দেরি করে গেলে কী হতো?

আমি তার মুখটাকে একটু নরম করে দিয়েছি, আর তো কিছু না।

তুই নিজেও একজন পুলিশ হবি।

দায়িত্ববান হ...

তোর বোনকে বিরক্ত করেছিলো,

কিন্তু পুলিশ হওয়া সত্ত্বেও তুই কিছুই করিসনি।

আমি এটা হতে দিতে পারি না।

তুই খুব তাড়াতাড়িই একজন পুলিশ হবি,

তোর বীরত্ব তখন পরীক্ষা করবো।

দোস্ত, পুলিশের এই পোষাকে তোর কোনো দামই নেই।

আগে কাজে যোগ দেবার কাগজ পেতে দে,

গোটা তামিলনাড়ু আমার বীরত্ব দেখবে!

- বন্ধু ড্যানী, কথাটা কি ঠিক বলেছি? - হ্যাঁ, বন্ধু।

যদি তুই পুলিশ হয়ে যাস,

আমরা খুব মজ মাস্তি করবো।

তোমরা সবাই মিলে ওকে নষ্ট করে দিচ্ছো।

তাহলে আমরা কী করবো?

কাজে যোগ দেবার চিঠি না পাওয়া পর্যন্ত শান্ত থাক,

এখানে আসো...

টি-নগর...

একটা অর্ডার আছে ভাই।

- কতটুক? - ১০০ গ্রাম

জোগাড় করো।

ওই, ১০০ গ্রাম প্রস্তুত করো।

- সবসময় কাউকে না কাউকে মারছে। - ভাই, অর্ডার প্রস্তুত।

আমাকে না জানিয়েই আমার মাদক বিক্রি করেছিস!

তোর মরে যাওয়াই ভালো।

- মরে যা... - ভাই, দয়া করে আমার কথা শুনুন।

সরি, আমি ভুলে করে ফেলেছি।

এটা কোনো ভুল নয়।

এখন সবাই জেনে যাবে।

- দয়া করে, আমাকে ছেড়ে দিন - দাস...

- তুমি আবার কী চাও? - টি নগরের একটা অর্ডার

নিরাপদে পৌঁছে দাও।

আর এটাকে ওখানে ফেলে দাও।

এই নাও, এই মালগুলো ভরে ফেলো।

আপনারা কারা?

- কুরিয়ার ম্যাডাম - কুরিয়ার?

ছেলেরা, শরবত পান করতে থাকো...

- আর আমি একটু পরেই ফিরে আসছি - ঠিক আছে, বাবা।

শরবত পান করতে থাকো, কিন্তু

পান করার সময়, উত্তর দিকে মুখ করে ঘুরে দাঁড়াও।

ঘুরে দাঁড়াও, বন্ধুরা।

বন্ধু...

কাউকে শরবত খাওয়ানোটা সবার জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার,

কিন্তু তোর বাবা উত্তর দিক নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলেন।

উনি খুব দরদী।

মিঃ শেঠ

এদিকে আসো।

কী হয়েছে?

ওদিকে দেখো তো ভাই...

গুন্ডার দল!

ওরা সবাই কী গুন্ডা, গণেশ?

আমার টাকাটা দিয়ে দাও।

মাফ করে দাও, ভাই এক মিনিট অপেক্ষা করো।

গণেশ...

এটা নাও।

ওদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যাও, গণেশ।

তোমার চেইনটা দাও।

তোমার চেইনটাকে আমি ব্রেসলেট হিসেবে ব্যবহার করবো।

শরবতের জন্য কত টাকা দিতে হবে?

আপনি ওখানে কি করছিলেন?

কিছুই না, ওই, শরবতের জন্য কত দিতে হবে?

যা জিজ্ঞেস করেছি সেটা বলেন।

আপনি আমাদেরকে দেখাচ্ছিলেন, ওখানে কি করেছেন?

বললাম তো কিছু না, জরুরি কাজের জন্য ও কিছু টাকা ধার নিয়েছিল।

বিশ্বাস করে তাকে ধার দিয়েছিলাম।

কিন্তু সে টাকা ফেরত দেয়নি।

উল্টো আমাকে অপমান করতে শুরু করে।

হায়, ভগবান!

তারপর সে আমাকে হুমকি দিতে শুরু করে।

খুবই দুঃখজনক!

- তাই আমি তাকে হুমকি দিয়েছি - বাজে কথা

- কীভাবে? - তোমাদেরকে গুন্ডা হিসেবে দেখিয়েছি

আমরা? গুন্ডা?

এই কাজে এসব অকর্মাদের একটু কাজে লাগিয়েছি।

বাবার মতো নাটক করে!

প্রত্যেক বাবা চায় তাদের সন্তান বড় হোক, কিন্তু আপনি আমাদেরকে গুন্ডা বানাতে চান।

এই আস্তে নাকের ভিতর নিস না আবার!

লজ্জা করে না আপনার!

ড্যানি...

আমাদের গণিত শিক্ষককে যে দারুণ শান্তশিষ্ট লাগছিলো, সেটা তুই কী লক্ষ্য করেছিস?

হাই!

তাহলে তোরা সবাই চলে যা, কাল তোদের সাথে দেখা হবে।

আমার স্কুলের ধারে কাছে আসতেও তোমাকে নিষেধ করেছিলাম।

তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে হচ্ছিলো, এটা কী আমার দোষ?

যাইহোক, টিউশন ক্লাসে তো প্রতিদিনই দেখতে পাও।

তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে এসেছিলাম।

তুমি কী সত্যিই আমাকে ভালোবাসো?

More Bengali subtitles for 100

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left