The first 200 lines.
Abstract Translation By M
Abstract Translation By Ma
Abstract Translation By Mam
Abstract Translation By Mamu
Abstract Translation By Mamun
Abstract Translation By Mamun A
Abstract Translation By Mamun Ab
Abstract Translation By Mamun Abd
Abstract Translation By Mamun Abdu
Abstract Translation By Mamun Abdul
Abstract Translation By Mamun Abdull
Abstract Translation By Mamun Abdulla
Abstract Translation By Mamun Abdullah
Abstract Translation By Mamun Abdullah
অই দোস্ত, কি খবর তোর?
- কি চাস? - ...কেমন আছিস?
- বল কি চাস? - মাল দে কিছু।
না, পারবো না, দোস্ত। তুই যা তো এখন।
- এখন মাল দিতে পারবো না। - আরে দে না। মাল আছে।
পুলিশ আসবে, তুই পালা, দোস্ত।
- অই ব্যাটা। - কেটে পড়, দোস্ত।
- কেমন আছেন ভাই? - ভালো, তুই?
ভাল আছি, ভাই। ব্যবসা করছি এখানে।
শোন ভাই, তোকে ঝামেলায় ফেলতে চাইনি...
কিছু দিতে পারবো না। জানিস দিন কাল কেমন?
- তোর জন্য খোঁজ রাখছি। - অল্প কিছু দে?
তোকে দিলে আমার কিছু থাকবে না। উয়ানকে না দিলে, ব্যবসা হারাবো।
দিনকাল ভাল না, কতবার বলবো?
অই, তুমি আমার দলের না, উয়ান?
- ব্যাটা... - হিঞ্চি...
- দেখ... দে... দেখ... দিতে পারিস কিনা... - কি বললাম তোকে? আমারে দে।
ধুর বাল, যা তো এখান থেকে। যা!
আরেকজনকে ধর এখন।
- কি ভাই? - ভালো নাকি?
- জানেন তো কি করছি। - হ্যাঁ।
ব্যবসা করি। আ... আ...
স্টোরে লুকানো আছে। লাগলে এনে দিতে পারি।
- ব্যবসা চলছে? - হ্যাঁ, চলছে।
- আপনার মাল দিচ্ছি থামেন... - না, না। রাখ।
- আচ্ছা। - শুক্রবার খাতায় কিছু তুলিস না।
আচ্ছা, তুলবো না, ভাই।
তোর মায়ের শরীর কেমন?
এখন ভালো আছে। হাঁটতে পারে।
- ভালো? - হ্যাঁ, আগের থেকে ভালো।
উনার জন্য আমি দোয়া করি।
আপনার দয়া, ভাই। ধন্যবাদ।
আমাদের একটু দেইখেন ভাই। আমি এখানেই থাকি।
- ধর ব্যাটারে! - পালাবি কোথায়?
- ধর! - পালাস কেন?
পালায় কতদূর যাবি সোনাখোর?
- এত জোরে দৌড়ায়! - মার শালারে!
- ধর ব্যাটারে! - পালা, কালু!
সোনাখোরকে ধরিস না কেন? জলদি ধর!
জলদি আয়! ওরে ধরা লাগবে!
পিছনে চল।
তুমি এখানে কি করছো, পিচ্চি?
আ?
চেনা লোক ছাড়া কথা বল না?
আচ্ছা। সমস্যা নাই। আমরা আমরাই তো।
শোনো...
আমি খেতে যাচ্ছি।
খিদা লাগলে তুমিও আসতে পারো।
দরজা খুললে সমস্যা নাই তো?
আ?
চল যাই।
কেউ নাই আর।
নাম বলবে না তুমি?
বাড়ি কোথায় তোমার?
তোমাকে বাড়ি নিয়ে যেতে হবে, পিচ্চি।
পরের বাড়িতে আর ছুটে বেড়াতে হবে না।
বুঝলে কি বললাম?
উম?
আরে, আরে, ভুল হয়ে গেছে।
আমি তোমার সাথে ওসব করবো না।
আচ্ছা, আমার ভুল হয়ে গেছে, কেমন?
শুধু কথা বলাতে চাচ্ছিলাম।
শোনো...
মাফ চাচ্ছি। উম?
বুঝছি।
শোনো, আপাতত কোন ভয় নাই...
কিন্তু আমার বউ আসলে, গ্যারান্টি দিতে পারবো না।
সে তোমার মুখ খুলিয়ে ছাড়বে।
আসছি থামো।
- টেরেসা! - হাই, বাবু।
- নেশার আড্ডায় একটা বাচ্চাকে পেয়েছি। - কোথায় পেয়েছ?
কোন হিঞ্চিখোর ছিল না। সে একাই।
এখনও কিছু বলেনি, দেখো তো কিছু বের করতে পারো কিনা।
আচ্ছা?
যাও কথা বলো। যাও।
তুমি কিসব করো না!
- ভালোবাসি। - এগুলার কি দরকার ছিল?
কথা বেশি বলে না, কিন্তু গিলতে ওস্তাদ।
তুমি খাও, বাবা। পেটে দানা না পড়লে, মুখে কথা ফোটে না।
আমার নাম শাইরন।
সবাই আমাকে 'লিটল' ডাকে।
আচ্ছা, লিটলই ডাকবো।
আমি তোমার নাম ধরে ডাকব।
তোমার বাড়ি কোথায়, শাইরন?
লিবার্টি সিটিতে।
মায়ের সাথে থাকো?
হ্যাঁ।
আর তোমার বাবা?
আচ্ছা, সমস্যা নেই।
খাওয়া শেষে তোমাকে বাড়িতে পৌঁছে দেব?
তোমার বাড়ির ঠিকানা বলো, বাবা।
না...
আচ্ছা, আজ রাতটা থাকতে পার।
টেরেসা...
থাকবে না?
থাকব।
কি হয়েছে?
আ?
কি হয়েছিল, শাইরন?
কাল বাড়িতে আসনি কেন?
- আপনি আবার কে? - কেউ না।
গতকাল ওকে ১৫ নাম্বারের একটা বাসায় পেয়েছিলাম আমি।
কিছু পোলাপান তাড়া করলে সেখানে লুকায় সে। খুব ভয় পেয়েছিল।
কাল জানালে কালই দিয়ে যেতাম।
ওর খেয়াল রাখার জন্য ধন্যবাদ।
সেতো নিজেই সামলে চলতে পারে, বরং ভালো পারে...
পিচ্চি।
তুমি অনেক দামী কিছু, শাইরন। জানো?
রোজ তোমাকে নিজের ঘরে ফিরে আসতেই হবে।
বুঝলে?
কোন সমস্যা নেই, বাবা।
সব ঠিক আছে।
তুমি ফিরে আসায় আম্মু খুশি হয়েছে।
না-আ।
টিভি দেখার চান্স শেষ।
এখন পড়তে বসতে হবে।
- বল কই? - আমার কাছে নাই!
অই, লিটল!
কি রে?
বল, কেভিন?
যাচ্ছিস কেন?
কি জানি!
ওরা ঝামেলা করলে আর ভাল লাগে না।
কী? রক্ত বের হয়?
- কী? - তুই আজিব।
কেন বললি?
এমনিই বললাম।
তোকে জ্বালালে কিছু বলিস না কেন?
মানে?
তোকে মারলে কিছু বলিস না কেন?
তো আমি কি করবো?
ওদের দেখলে তুই নরম ভাব নিবি না।
- আমি তো নরম না। - জানি, আমি জানি।
কিন্তু ওরা না জানলে; কোন লাভ নাই।
বল? ওরা তোকে রোজ জ্বালালে ভালো লাগবে?
জানিস, লিটল?
জানতাম তুই নরম না।
আসো বাবু।
মাথাটা দেখি।
মাথাটা আমার হাতের তালুর উপরে রাখো। শোও।
ধরে আছি, ভয় নেই। ছাড়বো না তোমাকে।
আরে, ধরেছি তো।
এবার, দশ সেকেন্ড ভাসো।
ছোঁয়া পাচ্ছ?
জগতের মাঝখানে ভাসছ তুমি।
এভাবেই।
এরকম করো।
আরে ওভাবে না। হাহাহা!
শক্তি দিয়ে।
হ্যাঁ, এভাবে।
এবার পারবে মনে হয়।
সাঁতারু হবে।
কাটবে সাঁতার? চলো সাঁতরাও।
যাও।
হ্যাঁ, হচ্ছে!
হ্যাঁ!
একটা সত্য কথা শুনে রাখো: নিগ্রোরা এখন সবখানে।
ভুলবে না কখনো, কেমন?
দুনিয়ার যে প্রান্তেই যাও, নিগ্রো পাবেই। এই গ্রহে আমরাই প্রথম ছিলাম।
আমি এখানে বহুদিন ধরে আছি। কিন্তু জন্মেছি কিউবায়।
এখানে বসে বুঝবে না, কিন্তু কিউবায় অনেক নিগ্রো আছে।
তোমার মত আমিও খাটো ছিলাম।
চাঁদ উঠলে জুতা খুলে, খালি পায়ে দৌড়ে বেড়াতাম।
সেবার আমি...
আমি পৌঁছলাম এই... নারীর কাছে।
আমি চিৎকার করে বোকার মত দৌড়চ্ছিলাম।
নারী আমায় থামালো।
বললো...
"ছুটে ছুটে, জোছনা বিলাস করা হচ্ছে।
জোছনায়... নিগ্রো ছেলেদের নীল দেখায়।
তুমি নীল।
তাই তোমাকে নীল ডাকব।"
তোমার নাম নীল?
নাহ।
কিছু ক্ষেত্রে তোমাকেই ঠিক করতে হবে তুমি কে হবে।
নিজের সিদ্ধান্ত আরেক জনকে নিতে দিবে না।
সাঁতার কেমন লাগলো?
উম?
মুখে বলা যায় না? হা হা!
এই, থামো, থামো।
একটা বাছ।
হা হা। ভুল করনি।
পকেটে ঢুকাও।
হাই।
আরে থামেন। আরে, আরে...
আসো!
No comments yet. Be the first to leave one.