The first 200 lines.
বাংলা সাবটাইটেল নির্মাতা সিজান_সৈকত
মহামান্য মুসার সময় থেকে,
রোমান সাম্রাজ্য মাইলের পর মাইল বিসৃত হয়।
এই সাম্রাজ্য রক্তের দ্বারা তৈরি হয়
এবং ভয়ের দ্বারা রক্ষা হয়েছিলো।
তারা আপনার সর্বস্ব লুটে নিবে।
তাদের খেলায় আমন্ত্রণ জানাবে, যেখানে অন্যর দুর্দশাগ্রস্ত হয়!
এবং ভুলে যাবে আপনি কি হারিয়েছেন।
তারা আপনাকে রিক্তশুন্য অবস্থায় ছেড়ে দিবে।
এবং প্রতিশোধের আমন্ত্রণ জানাবে।
তোমার দূরে থাকা উচিত।
তাহলে আমাকে হত্যা করতে হবে।
চেষ্টা করবো।
ঘোড়াকে দ্রুত ক্লান্ত করো না।
আর তিন পাক বাকি আছে!
ধরে রাখো, যুদাহ!
দুশ্চিন্তা করো না!
পিছনে দেখো, ভাই!
তুমি রাজপুত্র, যোদ্ধা নও!
যুবরাজ যুদাহ বেন-হুর, একজন ইহুদী।
মেসালা সেভারাস, তার আশ্রিত ভাই, যিনি একজন রোমান।
তারা একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিয়েছিলো।
তুমি প্রতারক!
প্রতারক? সবকিছু নিরপেক্ষভাবে হচ্ছে!
যার পরিমান কম!
যুদাহ'র বাবা মারা গেছেন।
তিনি স্বপ্ন দেখতেন, তারা দুই ভাই যেন
এই বিভক্ত রাজ্যে, ঐক্যর উদাহরন হয়ে থাকে।
প্রতারনা!
এক পাক বাকি আছে!
যুদাহ।
যুদাহ!
যুদাহ!
সাহায্য করো!
আম্মা?
যুদাহ আঘাত পেয়েছে! কেউ সাহায্য করো!
আম্মা!
নানী, সাহায্য করো। ধরো ওকে।
- সাবধানে, সাবধানে। - কি হইছে? যুদাহ?
যুদাহ!
- তার রক্তক্ষরণ হয়েছে। - সে ঠিক আছে?
- কিভাবে হয়েছে? - পাথরের সাথে আঘাত পেয়েছে।
আম্মা?
ভাইয়ের জন্য জলদি ডাক্তার নিয়ে আয়।
তিরজাহ! জলদি!
- এস্থার? - হ্যা, বাবা?
মহামান্য যুদাহ'র জন্য রুম প্রস্তুত করো।
- পানি আনো। - জলদি, এস্থার।
সাবধানে, সাবধানে।
কিছু পানি আনো।
উপরে ওঠাও।
সে মারাত্মক আঘাত পেয়েছে, তুই কি করেছিস?
আমি কিছু করিনি, এটা দুর্ঘটনা ছিল।
যুদাহ ঘোড়া থেকে পড়ে যায়।
- আমরা ঘোড়া নিয়ে ছুটছিলাম এবং... - রেস করছিলে!
আম্মা...
আমি এখন কি করবো?
যথেষ্ট করেছিস, এখন প্রার্থনা কর।
আমার ছেলে, সে কি বেঁচে যাবে?
- মিনেরভা... - সে সুস্থ্য হয়ে যাবে।
- ডাক্তার আমাদের আশ্বস্ত করেছে। - হে করুণাময়,
তাকে সুস্থ্য করে দাও।
কিন্তু আম্মা, মনেহয় সে অনেক যন্ত্রনা ভোগ করছে।
মেসালাকে ধন্যবাদ জানাও।
মহামান্য যুদাহ, ধৈর্য ধারন করুন।
দাড়াও, দাড়াও।
তুমি দেখতে পরীর মতো।
তিরজাহ।
ঘুমোতে যাও।
শুভ রাত্রি।
মেসালা, আমাদের ঈশ্বর আলাদা।
আমরা মজা করেছিলাম না?
- এস্থার, আমার সাথে নাচবে। - আমার সে অনুমতি নেই।
আমারা তাহলে লোকজনকে কথা বলার কিছু রসদ দিতে পারি।
আমরা স্ক্যান্ডালের কারন হতে পারি।
আমি সাহায্য করছি।
আমিই করছি, এটা আপনার যায়গা না।
জেরুজালেমের পেছনে সারা বিশ্ব লেগেছে।
গ্রিস, পার্সিয়া, মিশর।
আমি কেবল অভিজ্ঞতা নিতে চাই।
এই সম্পর্কে পড়তে পড়তে,
এবং ভ্রমণকারীদের থেকে শুনে শুনে ক্লান্ত।
- আর তুমি? - হ্যা।
- কিন্তু তুমি এটা সহজভাবে নিচ্ছো। - এটা সহজ নয়।
কিন্তু এটাই জীবন।
তিরজাহ।
আমায় রুমে যেতে সাহায্য করবে, প্লীজ?
তুমি মেসেলার সাথে প্রচুর অলস সময় কাটাচ্ছো।
সেটা না করলে, অভিযোগের অন্য কোন থাকবে না।
"ওহ দয়াল, আমায় ক্ষমা করো!
"শুধুমাত্র আমার ৩৫৯ তম দেবতার মুখেই হাসি নাই"
ঠাট্টা করো না।
কি হইছে ভাই? এখনই তো উদযাপনের সময়।
এই উদযাপন তোমার বিশ্বাসের, আমার নয়।
এটা ওয়াইনের গুণ, যাতে কোন পক্ষপাতিত্ব হয় না।
তিরজাহ আর তোমার মধ্যে কি হইছে?
তোমার আম্মা চায় না, আমরা কথা বলি।
আম্মা কি চায় সেটার কে গুরত্ব দেয়?
তোমার আম্মা দেয়।
আর?
- শোনো যুদাহ, আমি... - তিরজাহ'র জন্য তোমার ভালোবাসা আছে।
মেসালা, স্বীকার করো।
আমার কি করবো?
তোমারা রাজকীয় পরিবার।
তাতে কি আসে যায়?
বরং তুমি তার মন কেড়েছো,
অন্যান্য মূর্খদের থেকে।
ধন্যবাদ।
তোমাকে মূর্খ বলিনি, নির্বোধ বলেছি।
ওহ...
- সিমোনাইডস, ঘুমাতে যাও। - মেসালা!
- তুমি আর তিরজাহ অনেকটা... - কিসের মতো?
পরিবারের মতো, আমরা পরিবার নই, তাই না?
তাই না?
আমি একটা এতিম ছেলে, তোমার পরিবার যাকে আশ্রয় দিয়েছে।
হায় ঈশ্বর। অবশ্যই আমরা এক পরিবার!
তুমি আমার ভাই, আজীবন ভাই হিসেবেই থাকবে।
আমার যা আছে সবই তোমার।
না, আমি কক্ষনো তোমার পদবী পাইনি।
আর প্রত্যকবার আমার নাম বলার সময়ে,
সবসময় আমার দাদার কাহিনী সামনে আনা হয়।
যতদিন পর্যন্ত এটা অর্জন করছি!
মেসালা, দাড়াও, দাড়াও!
মেসালা।
- কোথায় যাচ্ছো? - আমি রোমে যাচ্ছি।
দাড়াও, রোমে যাচ্ছো মানে?
মেসালা, থামো।
জার্মান বিদ্রোহীদের শায়েস্তা করতে, সম্রাট লোকজন নিয়োগ দিচ্ছে।
তিনি বোকাদের মরার জন্য ডেকেছেন।
আমার বিশ্বাস হচ্ছে না!
আমরা তোমার জন্য যা করেছি,
তারপরেও ঐ খুনিদের হয়ে লড়াই করবে!
তারা প্রচুর পারিশ্রমিক দেবে।
"প্রচুর পারিশ্রমিক"?
আমি সম্মান-ধন সম্পদ নিয়ে, তিরজাহ'র কাছে ফিরে আসবো।
কিন্তু টাকাই সব কিছু নয়।
- ধনীদের কাছে এটা কোন বিষয় না। - মেসালা, প্লীজ।
শোনো, তিরজাহ'কে বলো...
তোমার বলার থাকলে নিজেই বলো।
নইলে যেতে পারো।
যুদাহ?
মেসালা কোথায়?
মেসালা,
আশাকরি এই চিঠি তোমায় খুঁজে পাবে।
বিগত তিন বছর ধরে অন্যসব চিঠির মতো,
এবারও উত্তরের আশা না করেই।
আশাকরি তোমার এই পছন্দ জীবন হানির কারন হবেনা।
আমি খাওয়ার আগে খাবার দেখি না।
এটাই সম্ভবত সেরা আইডিয়া।
আপনি এখন জেরুজালেমকে ভালোভাবে জানতে পারবেন।
কি? কি খুঁজছো?
সার্কাস।
রোমানরা তাদের চিহ্ন রেখে যায়,
এবং সার্কাস তৈরি করে।
যখন তুমি ঘরে ফিরবে, ঐ মূর্তির সম্মান করে বলছি!
তোমাকে রথের খেলায় হারাবো, তোমরা রোমানরা যেটা অনেক ভালোবাসো।
হ্যা, অবশ্যই।
কিন্তু ভাই, তোমাকে কিছু কথা বলতে হবে।
এটা খেয়ে দেখো।
দুই মাস আগে,
এস্থারের বাবা তার বিয়ের জন্য, এক ধনী রোমানকে ঠিক করে।
- হুম - হুম।
তোমার জন্য আরও স্পেশাল কিছু খুঁজতে হবে।
ওহ, ঠিক আছে। আমার আর কিছু চাইনা।
আমার হৃদয় বলে এটা ভুল ছিল।
আম্মাকে ব্যাঙ্গ করার কথা মনে পরে।
যে একদিন আমরা বিয়ে করবো...
ঈশ্বর সহায় হোক।
সে তার ছেলের ভাবনা সম্পর্কে জানতো।
যুবরাজ হয়ে দাসীকে বিয়ে করলে, তাকে দ্রুতই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতাম।
আমি তাকে ছাড়তে পারবো না।
তুমি আমায় ছেড়ে গেলে, আমার অবশিষ্ট কিছুই থাকবে না।
ভাই, সে এখন আমার স্ত্রী।
আমরা যেমন সুখে জীবন যাপন করছি,
তেমনি রোমে এখন কঠিন শাসন চলছে।
বারবার আক্রমণ তাদের ধৈর্য হারা করেছে।
আমরা সৌভাগ্যবশত, তাদের সহানুভূতি ধরে রেখেছি।
বেশ, এখন
আমার আবদার শোনো।
সাবধানে থেকো, এবং বাড়ি ফিরে আসো।
তোমার ভ্রমণকাহিনী শোনার জন্য মুখিয়ে আছি।
যুদাহ।
- কি পেয়েছো? - জানিনা এটা কি।
আমি জানি! এটা সেনেট বোর্ড।
- এটার দাম কতো? - পাঁচ টাকা।
এক ধর্মান্ধ, সেকারনে সে অভিযুক্ত হয়েছে
আজকে তাকে ক্রুশবিদ্ধ করে শাস্তি দেয়া হবে।
- না! - তার শাস্তি
উদাহরন হিসেবে থাকবে।
- আহারে, ধর্মান্ধ। - তারা সবাই স্বাধীনতা চায়।
কিসের বিনিময়ে?
যদি তারা নিজেদের পথে থাকে,
তবে পুরো রোমকে কব্জা করে ফেলবে।
তখন আমাদের স্বাধীনতা কোথায় যাবে?
- কতো জানি দাম? পাঁচ টাকা? - ধন্যবাদ, মহামান্য।
অন্য কোথাও স্বাধীনতা আছে!
কি বললেন?
নিজের শত্রুদের ভালবাসো।
"নিজের শত্রুদের ভালোবাসা" বেশ, এটা প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা।
এটাই সত্য।
No comments yet. Be the first to leave one.